আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাস: এশিরিয় সভ্যতা

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

শেয়ারঃ
0 0 0

এই লেখাটা জীবনানন্দ দাশকে দিয়ে শুরু করা যায়। নিচের চারটে লাইন কবির রুপসীবাংলার।

চারিদিকে শান্ত বাতি, ভিজে গন্ধ, মৃদু কলরব; খেয়ানৌকোগুলো এসে লেগেছে চরের খুব কাছে; পৃথিবীর এই সব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;- এশিরিয়া ধুলো আজ, বেবিলন ছাই হয়ে আছে।

হ্যাঁ। এশিরিয়া আজ ধুলো হয়ে আছে। তবু আমরা দেখতে চাই সেই ধুলোর ভিতরে আমাদের জন্য জানবার কিছু আছে কিনা। তার আগে একটা কথা। আমরা মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাসসংক্রান্ত ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। কাজেই প্রাচীন এশিরিয়া সভ্যতা প্রাচীন মেসোপটেমিয় সভ্যতার অর্ন্তগত না বলে মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাসের অর্ন্তগত বলাই সঙ্গত বলে আমি মনে করি। যেমন পাহাড়ে বাস করার সুবাদে একজন মানুষকে পাহাড়ি বলা কি অসঙ্গত নয়? কিংবা বাংলার সভ্যতা ও সংস্কৃতি কি কেবলই ব-দ্বীপের সভ্যতা ও সংস্কৃতি?



এশিরিয় সৈন্য

প্রাচীন এশিরিয়া সভ্যতাকে আমরা প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা না বললেও মেসোপটেমিয়া শব্দটি সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারনা থাকা জরুরি। মেসোপটেমিয়া শব্দটি গ্রিক শব্দ এবং এর অর্থ: নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল। নদী দুটি হচ্ছে ইরাকের দজলা (তাইগ্রিস) ও ফোরাত (ইউফ্রেতিস)। তাইগ্রিস ও ফোরাত ইউফ্রেতিস-এর ঐ মধ্যবর্তী অঞ্চলটিই প্রাচীন সভ্যতার জন্মভূমি ও লীলাভূমি। মধ্যপ্রাচ্য আজ সাম্রাজ্যবাদীদের থাবার গ্রাসে নিয়ত রক্তাক্ত হচ্ছে। এখন সময় হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উজ্জ্বল অতীত সম্বন্ধে আলোকপাত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাসসংক্রান্ত ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসা। মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাসসংক্রান্ত ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাখান করে বলব প্রাচীন এশিরিয় সভ্যতা মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন সভ্যতা কেবলি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া নয়। প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা বললে মধ্যপ্রাচ্যের নিজস্ব অর্জন প্রকাশ পায় না, মনে হয় ঐ অঞ্চলের পুরো অর্জন গ্রিকদের। যে কারণে সুজলা সুফলা শষ্য শ্যমলা সোনার বাংলা কেবলি ব-দ্বীপ নয়!



প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্য; এশিরিয়া

অনেক কটা প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল প্রাচীন মধ্য প্রাচ্যে; যার মধ্যে তৃতীয় উল্লেখযোগ্য সভ্যতা ছিল এশিরিয়া সভ্যতা এবং প্রথম দুটি সভ্যতা হল যথাক্রমে সুমেরিয় সভ্যতা ও ব্যাবিলনিয়া সভ্যতা। নৃতত্ত্ব ধর্ম লোকাচারে এবং জীবনধারার দিক থেকে সুমের না-হলেও ব্যাবিলনিয় সভ্যতার সঙ্গে এশিরিয়া ব্যাপক সাদৃশ্য রয়েছে; যে কারণে এ দুটো সভ্যতা বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করে পৃথক করাই মুশকিল। তারপরেও প্রাচীন এশিরিয়া সভ্যতা পৃথক ও স্বতন্ত্র একটি সভ্যতা। এশিরিয় জনগনের ঈশ্বর এর নাম ছিল আশহুর। আশহুর থেকেই এশিরিয়া শব্দটির উদ্ভব। এশিরিয়া শব্দটি লাতিন।



অনিন্দ্য এশিরিয় শিল্প

আজ যে দেশগুলি ইরান ইরাক তুরস্ক ও সিরিয়া, সেই খ্রিস্টপূর্ব যুগের প্রাচীন এশিরিয় সাম্রাজ্যটি এসব রাষ্ট্রেই ছড়িয়ে ছিল। এশিরিয়ার উত্তর ও পুবে ছিল টরাস ও জাগরস পর্বতমালা। পশ্চিমে আর দক্ষিণে বিশাল চুনাপাথরের নিচু উপত্যকা। দুটি প্রধান নদী দজলা (তাইগ্রিস) ও ফোরাত (ইউফ্রেতিস) বয়ে যাচ্ছিল এশিরিয় সাম্রাজ্যের বুক চিরে। জাব নামে আরও একটি নদীও ছিল। এসব নদীর পাড়েই গড়ে উঠেছিল আশহুর নিনেভ আরবেল নিমরুদ ও আররাপখা প্রভৃতি নগরসমূহ । এশিরিয় সাম্রাজ্যের দক্ষিণের কাঁকরবিছানো সমতলে জমা হত দজলা নদীর পলি । আরও দক্ষিণে অনাবৃষ্টি ছিল, ছিল সেচ জলের নিদারুন অভাব; তা সত্ত্বেও সেসব উষর ভূমি চাষযোগ্য করে তুলেছিল পরিশ্রমী এশিরিয় কৃষক।





ঐতিহাসিকগন মনে করেন ৬০০০ খ্রিস্টপূর্বের দিকে দজলা-ফোরাত অববাহিকায় লোক বসতি শুরু হয়। ক্রমান্বয়ে আরও অভিবাসী লক্ষ করা যায়। যাদের বেশির ভাগই ছিল সেমিটিক । তো, কারা সেমেটিক? নুহ নবীর তিন ছেলের এক ছেলের নাম ছিল শেম। সেমিটিক বলতে প্রাথমিক ভাবে বোঝানো হয় মধ্যপ্রাচ্যের শেমের বংশধর এবং পরবর্তীকালে মধ্যপ্রাচ্যের ভাষা পরিবার।
যাহোক। ঐতিহাসিকদের ধারনা অনুযায়ী এশিরিয়া সভ্যতার উদ্ভবকাল ২৪০০ খ্রিস্টপূর্ব। ঐ সময়ে এশিরিয় জনগন পশুপালন কৃষি মৃৎশিল্প আগুনের নিয়ন্ত্রণ ও ধাতু গলানোর কাজে হয়ে ওঠে দক্ষ । দজলা-ফোরাত অববাহিকার শষ্যক্ষেত্রগুলি হয়ে উঠেছিল পরিপূর্ন রুপে স্বর্ণালী । আর সে কৃষির উদবৃত্ত থেকেউ গড়ে উঠতে থাকে আশহুর নিনেভ আরবেল নিমরুদ ও আররাপখা প্রভৃতি নগরসমূহ । নগরে কারুশিল্প ও লেখনির বিকাশ হয়। এসব ক্ষেত্রে অবশ্য পূর্বসূরি সুমেরিয়দের অবদান ছিল।



এশিরিয়; কবেকার পুরনো ছায়া। আর তার মায়া ...

এশিরিয়া সভ্যতার ভিত্তি ছিল কৃষি। কৃষির জন্য অপরিহার্য ছিল পানি । তো এশিরিয় কৃষক পানি পেত কোথায়? এশিরিয়া সাম্রাজ্যে পানির উৎস ছিল মূলত তাইগ্রিস নদী ও উত্তর ও পুবের টরাস ও জাগরস পর্বতমালার শীর্ষের বরফ গলা জল। এশিরিয় জনগনের বেশির ভাগই বাস করত গ্রামে । আর, সেচব্যবস্থা ছিল বেশ উন্নতমানের । সাম্রাজ্যের আয়তন বৃদ্ধি পেলে আকরিক খনি ও অরণ্যাণী হয়ে ওঠে সম্পদের উৎস । নগরে ছিল মূলত বানিজ্য ও কারুশিল্পের কেন্দ্র ; বাড়িঘর তৈরি হত কাদার তৈরি ইটে। কখনও কখনও পাথরের। দালানগুলি কখনওই একতালার বেশি হত না। বাড়ির ছাদটি হত সমতল। বাড়িগুলি হত ছোট আকারের। তবে প্রাসাদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের কথা আলাদা। এশিরিয়া সভ্যতা ঠিক দাসতান্ত্রিক না হলেও অর্থনীতিতে দাসদের অবদান ছিল। সংগঠন ও যুদ্ধবিদ্যায় গভীর বুৎপত্তি অর্জন করেছিল। খনি ও অরণ্য সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণই ছিল এর অন্যতম কারণ ।

আশহুর নগরটি ছিল এশিরিয়া সাম্রাজ্যের প্রথম রাজধানী।



আশহুর গেট। মধ্যপ্রাচ্য আজ সাম্রাজ্যবাদীদের থাবার গ্রাসে নিয়ত রক্তাক্ত হচ্ছে। এখন সময় হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উজ্জ্বল অতীত সম্বন্ধে আলোকপাত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাসসংক্রান্ত ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসা।

প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ দিকে প্রথম লোক বসতি গড়ে উঠছিল আশহুর নগরের আশেপাশে। আশহুর-এর অবস্থান তাইগ্রিস নদীর পশ্চিম তীরে এবং পরবর্তী রাজধানী নিনেভ-এর দক্ষিণে। বর্তমানে শারকাত নামে ইরাকের গ্রাম আশহুর বলে শনাক্ত করা হয়েছে।



আশহুর নগর;শিল্পীর চোখে

রাজধানী ছাড়াও আশহুর ছিল এশিরিয়া সাম্রাজ্যের অন্যতম ধর্মীয় নগর। মনে থাকার কথা: এশিরিয় জনগনের ঈশ্বর এর নাম ছিল আশহুর। আশহুর থেকেই লাতিন এশিরিয়া শব্দের উৎপত্তি। এশিরিয় দেবীর নাম ইশতার বা ইনানা। দেবদেবীর উপাসনার জন্য এশিরিয়ায় তৈরি হয়েছিল পিরামিডসদৃশ বিশালাকার জিগুরাট। জিগুরাট অবশ্য প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম তৈরি করেছিল সুমেরিয়রা।



ইশতার বা ইনানা

আমরা ৩০/৪০ বছরের ইতিহাস কূলকিনারা করতে পারি আর আমরা এখন শত শত বছরের এশিরিয় সভ্যতার ইতিহাস পর্যালোচনা করছি। অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে কোনও সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব দীর্ঘ হলে রাজধানী স্থানান্তর ঘটে। কাজেই আশহুর থেকে এশিরিয় সাম্রাজ্যের রাজধানী সরে নিনেভে চলে গিয়েছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৭০৫ থেকে ৬১২ অবধি নিনেভ ছিল রাজধানী। নিনেভের অবস্থান ছিল তাইগ্রিস নদীর পূর্বপ্রান্তে ও বর্তমান ইরাকের মশুলে। কাওসার নামে একটি নদী নিনেভের মাঝখান দিয়ে বয়ে দজলা নদীতে মিলেছিল । উদ্যান সড়ক চক বাগান আর ১৫টি দেয়ালসমৃদ্ধ তোরণ-সব মিলিয়ে নিনেভ ছিল সেকালের এক জমজমাট নগর।



মানচিত্রে নিনেভ



নিনেভ; শিল্পীর চোখে



নিনেভ

এশিরিয় সভ্যতার শাসনকাঠামোটির ধরন ছিল রাজতান্ত্রিক। সভাসদের কাছে রাজার জবাবদিহি করতে হত। রাজার মৃত্যু হলে ছেলেই রাজা হত। সাম্রাজ্যের প্রদেশগুলি ছিল গুরুত্বপূর্ন। প্রদেশ শাসন করত প্রাদেশিক শাসনকর্তা, তারা কেন্দ্রে কর পৌঁছে দিত, যুদ্ধের জন্য সৈন্য সরবরাহ করত। ২য় সারগন ছিলেন এশিরিয় সভ্যতার বিখ্যাত এক শাসক। তার সময়ে এশিরিয়া ৭০টি প্রদেশে বিভক্ত ছিল।



এই ডানাওয়ালা পশুটি এশিরিয়ার প্রতীক যেন!

পন্ডিতগন এশিরিয় সভ্যতাকে দু-ভাগে ভাগ করেছেন । (ক) পুরনো এশিরিয় সাম্রাজ্য। ও (খ) নব্য এশিরিয়া সাম্রাজ্য। একজন অন্যতম এশিরিয় শাসক ছিলেন ৩য় তিঘলাথ পিলেসার । সময়কাল? ৭৪৫-৭২৭ খ্রিস্টপূর্ব । সম্রাট ৩য় তিঘলাথ পিলেসার ছিলেন নব্য এশিরিয় সাম্রাজ্যের স্থপতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত একজন সামরিক নেতা। তার শাসনামলেই এশিরিয় সাম্রাজ্যের সঙ্গে সিরিয়া ফিলিস্তিন ও ব্যাবিলন সংযুক্ত হয়।



৩য় তিঘলাথ পিলেসার ।

আরেকজন শ্রেষ্ট এশিরিয় নৃপতি ছিলেন সম্রাট আশহুরবানিপাল (৬৬৯-৬২৭) তিনি নিনেভ নগরে বাস করতেন। প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সাংস্কৃতিকমনা শাসক। সুমের ও আক্কাদিয় লিপি পড়তে জানতেন। মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম ও আদি গ্রন্থাগারের স্থাপনের কৃতিত্ব তারই। মাটির ট্যাবলেট আকারে লক্ষ লক্ষ পুস্তক ছিল সে গ্রন্থাগারে। এমন কী বৈজ্ঞানিক। ধর্মীয় গ্রন্থ গিলগামেশ। লোক উপকথাও ছিল। প্রাচীন সভ্যতায় আসিরিয়দের অবদান সাহিত্য। লেখা হত কাদার ওপর। পরে অবশ্য আরামিক লিপিতে চামড়ার ওপর লেখা হত । লেখার বিষয়বস্তু ছিল আইন, চিকিৎসাবিদ্যা ও ইতিহাস।



সম্রাট আশহুরবানিপাল। ছিলেন সুশাসক। তার মৃত্যুর পরেই এশিরিয় সভ্যতা বিলীন হয়ে যায়।

এশিরিয়া সভ্যতা: ফটো গ্যালারি







মনে রাখতে হবে মেসোপটেমিয়া নয় মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন সভ্যতা ছিল এশিরিয়া সভ্যতা । মেসোপটেমিয়া বললে মধ্যপ্রাচ্যের কৃতিত্ব ঠিক বোঝা যায় না। গ্রিক শব্দটি কেবল বিভ্রম সৃষ্টি করে ...



প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্য


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এশিরিয় সভ্যতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রাচীন ইতিহাস  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
হেমায়েতপুরী বলেছেন:


না জুবায়ের আপনেরে নিয়া আর পারা গ্যালো না। Click This Link
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: দেখছি।

২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
টেরাকোটা বলেছেন: ভাই আপনি কি করেন?
লেখার জন্য ধন্যবাদ
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি সৌখিন গবেষক।

৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০
মাশা বলেছেন: পরিশ্রমি গুরুত্বপূর্ণ ভাললেখা আপনাকে ধন্যবাদ স্যার। আপনার আগের পোষ্টের তালিকা দেখলাম গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল, নেরুদা, নীতশে, বুদ্ধা স্পিনোজা যারা একেবারে আমার আত্মার কাছাকাছি। আপনার লেখা এতদিন চোখে পড়েনি সেটাই অবাক হবার ব্যপার প্রিয়তে নিলাম।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: আপনারও কিছু পোষ্ট পড়েছি।
অনেক ধন্যবাদ।

৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
পল্লী বাউল বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

+++++++++
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গৃহিত হল।

৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২
কালপুরুষ বলেছেন: বেশ কয়েকদিন পর আপনার ব্লগে আসা হলো। এসেই আমার পূর্ব পঠিত কিছু বিষয়ের উপস্থাপনা দেখে ভাল লাগলো। নগর পরিকল্পনা ও নগর গবেষণার অংশ হিসেবে নগর সভ্যতার ইতিহাস সংক্রান্ত পাঠে আপনার এই পোস্টের বেশ কিছু তথ্য নজরে এসেছিল। এবার আরেকটু ভাল করে জানা হলো।

প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
ম্যাভেরিক বলেছেন: ধন্যবাদ, বরাবরের মতো চমৎকার পোস্টের জন্য। ইশতার বা ইনানাই হচ্ছে থেকেই প্রাচীন গ্রিকদের দেবী আফ্রোদিতি এবং রোমানদের দেবী ভেনাস।

গ্রিসের শিল্পকলার পরতে পরতে রয়েছে এশিরীয় এবং মিশরীয় ছাপ। :)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: সভ্যতায় প্রাচীন মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের অবদান আবিস্কার করে অভিভূত হয়ে যাই। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
শয়তান বলেছেন: চলমান বইপুস্তকে উচ্চারনটা আসিরিয় লিখে কেন??
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: বলতে পারি না। আমি জীবনানন্দ দাশ-এর বানান ফলো করেছি।

৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
কিরিটি রায় বলেছেন: অনেক কিছূ জানলাম।

আচ্ছা.. এশিরিয় যে এই ডানাওয়ালা পশুটি এশিরিয়ার প্রতীক যেন! এই প্রাণীর সাথে বোরাকের কনস্পেটের কেমন দারুন মিল লাগছে, না!!!!

কোন সূত্র আদৌ আছে কি??
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: সূত্র জানি না। তবে বোরাকের কনসেপ্টের মিল থাকাই স্বাভাবিক।

১০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৬
তাজা কলম বলেছেন:

প্রিয়তে রাখলাম পড়ার জন্য। ধন্যবাদ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: অসাধারণ ছবি এবং বরাবরের মত তথ্যবহুল পোস্ট।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৬
দীপান্বিতা বলেছেন: মেসোপটেমিয়া নয় মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন সভ্যতা ছিল এশিরিয়া সভ্যতা......অনেক কিছু জানলাম...ভাল লাগলো :)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভালো লাগার জন্য।

১৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
আকাশ অম্বর বলেছেন:

পৃথিবীর এই সব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;-
এশিরিয়া ধুলো আজ, বেবিলন ছাই হয়ে আছে।

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর এই সব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;-
এশিরিয়া ধুলো আজ, বেবিলন ছাই হয়ে আছে।

১৪. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬
নুভান বলেছেন: এশিরিয়ানদের বংশধরেরা এখনোও আছে নিজ সংস্কৃতিকে ধারন করেঃ
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ। আর আমরাও তো অনেকই পুরনো এ অঞ্চলে।

১৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০১
জুহো. বলেছেন: আপনার একটা লেখা পড়ে একটা আমার কমেন্ট করতে করতেই তো আপনার আরো দশটা লেখা বেরিয়ে যায়। কি যে মুশকিল !! ভালো থাকুন।
প্রথম ছবিটা কিসের ? গেমের নাকি ?

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ ...
হ্যাঁ। প্রথম ছবিটা গেমের

১৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
তারার হাসি বলেছেন:
চারিদিকে শান্ত বাতি, ভিজে গন্ধ, মৃদু কলরব;
খেয়ানৌকোগুলো এসে লেগেছে চরের খুব কাছে;
পৃথিবীর এই সব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;-
এশিরিয়া ধুলো আজ, বেবিলন ছাই হয়ে আছে।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর এই সব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;-
এশিরিয়া ধুলো আজ, বেবিলন ছাই হয়ে আছে

১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৩৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ