আমার প্রিয় পোস্ট
- পাহাড়, নদী,ঝরনা পেড়িয়ে এক অদ্ভুত স্বর্গরাজ্যে-শেষ পর্ব এবং আমাদের সাতভাইখুম আমিয়াখুম আবিষ্কারের গল্প - শিবলী১২৩
- ইসলামিক স্থাপত্য কলার কিছু মুল বিষয় বস্তু - কিংবা কিভাবে এসেছে আজকের ইসলামিক স্থাপত্য কলা?? - নষ্ট কবি
- বাংলা ব্লগ ও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্লগারদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষন!!! - প্রজন্ম৮৬
- হাজার বছরের পুরোনো রক্তে ভেজা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি, অমর একুশের চেতনা এবং ভিনদেশী সংস্কৃতির নগ্ন আগ্রাসন - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- এন্ড্রয়েড ফোনে বাংলা লিখুন , পড়ুন ! (without rooting) । টেকি পোস্ট - অন্ধকারের রাজপুত্র
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- চর্যাপদ - বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন (চর্যাপদের উপর প্রাথমিকতথ্য…… পোষ্টটি বাংলা ভাষাতত্ত্ব - সাহিত্যর ছাত্র, পেশাজীবি এবং সংস্কৃতি উদ্যমীগণের জন্য নয়
) - সংবাদিকা
- ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় উৎসর্গ:ইমন জুবায়ের - সাঈদ০০৭
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- মনকে দোলা দেয়া কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত (১ম পর্ব) - জাহিদুল ইসলাম জুয়েল
- ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে ও পড়তে সমস্যা??? (রি-পোস্ট) - একজন নিশাচর
- প্রয়োজনীয় কিছু Android Applications . - ই মানব
- ছবি ব্লগ - ইয়ানস ফ্রিবে ও ব্ল্যাক - টর্মেণ্টর্ বিষু
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- পাঁচ হাজার বছর আগের মিশরে বাংলাদেশের স্কুলছাত্র অনন্য - হাফিজুর রহমান মাসুম
- একশত ব্লগার/লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হলো ই-বুক ঈদ সংকলন “ সৃজন ” - সকাল রয়
- অন্তর্জালে আহমদ ছফাঃ একটি লিংক সর্বস্ব পোষ্ট - মুরাদ-ইচছামানুষ
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- (Mozilla Firefox) ফায়ারফক্স কে আমি যেভাবে ব্যাকআপ রাখি - কেন
- আমি কেন হিন্দু? - পাপ্রদজ
- আন্ডারস্ট্যান্ডিং মোহাম্মদ -১ (মূল : আলি সিনা, অনুবাদ: দুরের পাখি) - দুরের পাখি
- বাংলাপিডিয়াতে বাংলা ফন্ট পড়তে পারছি না- প্লিজ হেল্পান।। - বাক স্বাধীনতা
- ভুমির মালিকানা, স্বাধীন গারো রাজ্য এবং আধিপত্যবাদের কাছে গারোদের আদিম সাম্যবাদী সমাজের পতন - কুঙ্গ থাঙ
- মজিলা ফায়ারফক্সের যেই এড ওয়ান গুলো আমারে পাগল করল
- পুশকিন
- ২০টি অতীব জরুরি সফটওয়্যার [টেকি পোস্ট] - শব্দ সৈনিক
- রাজকান্দিঃ লুকানো রাজ্য - দুখী মানব
- বেচারা ইমন জুবায়ের.................ব্যাপারনা - ব্যাপারনা
- মোবাইল থেকে বাংলা লিখুন... - আজব ঢাকা
- আইরিন সুলতানা আমি দুঃখিত কিন্তু কথাগুলো না বলে থাকাটা আরো কষ্টকর - আজিব পোলা
- ব্লগের সব লেখা আপনার কম্পিউটারে!!!!! - আলী প্রাণ
- ডয়েচে ভেলে আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগিতার আর মাত্র ৬দিন বাকী,প্রতিদিন ইমন জুবায়ের ভাইকে একটি করে ভোট দিন। - তৌফিকতুহিন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - ২ - তর্পন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - তর্পন
- ব্ল্যাক এর সব গান! (এপিক পোস্ট)
- দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগীতায় সামহোয়ারইন এর ব্লগার ইমন জুবায়ের কে ভোট দিন - রেজোওয়ানা
- ডয়চে ভেলে সেরা বাংলা ব্লগ প্রতিযোগিতা। ইমন জুবায়ের। - আকাশ অম্বর
- ইমন জুবায়েরকে সেরা ব্লগার হিসাবে দেখতে চাই! - কৌশিক
- এই ব্লগে সবচেয়ে বেশি লেখা পোস্ট করেছেন কে? ইমন যুবায়ের যেমন করেছেন ১১১১টি। - লেখোয়াড়
- কিছু দেশের গান - একলা একজন
- Paintings by Phan Thu Trang - রানা
- ICC Cricket 2011 World Cup - Opening Ceremony *HQ* 550MB MKV - বন্ধুআমার
- আজকে আমার অতি অতি প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের ভাইয়ার জন্মদিন আর সেই উপলক্ষে কিছু স্পেশাল গিফট
- রেজোওয়ানা
- পুরনো দিনে বাংলা সিনেমার যে গানগুলো এতদিন খুঁজছিলাম (প্রায় ২০০ টি গানের লিংক) - shapnobilash_cu
- INSTRUMENTAL--একজন বিদেশী লোকের ফিউশনে যখন বাংলাফোক গান - গানচিল
- ডাউনলোড করলে ফাইল আসব ভাইরাস আটকাইয়া যাইব । (পিছিরে জাল দিয়া আটকান) - সুব্রত সরকার
- ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় আর ছবি আটকে যাবে না - শরীফ মরকার
- আইডিএম ভার্সন ৬.০৩ সাইলেন্ট ইন্সটল! ক্র্যাক/প্যাচ কিস্যু লাগবেনা, খালি ইন্সটলে ক্লিক আর রেজিস্টার্ড রেডিমেড!!
- রাফি মাহমুদ
- মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুদের তিনটি অজানা গল্প শুনুন - কাঊসার রুশো
৫০টির বেশি বাংলা ইবুক এর ডাউনলোড লিঙ্ক এক পোস্টে!
- ডিজে আরিফ রক্স
- বিশ্বব্যাপী মহা মানব ইউনুস নামা প্রকাশিত হইতাছে । এই বার বিশ্ব চিটিং পদকটা যেন দেশের হাত ছাড়া না হয় - রাহিদুল সামান্না রকি
- যে ছোট সফটওয়্যারের কাজ দেখে আমার মুখ হা হয়ে গিয়েছিল….. - হাসান জোবায়ের
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর কিছু ই-বুক - ইদিপাস
- আহাদিলের ভ্রমণ ব্লগ সমগ্র
- আহাদিল
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- ফাইল আপলোড শেয়ারিং আর ব্যাকাপ এর ফাটাফাটি একটা সার্ভিস - ড্রপবক্স! - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- কবিয়াল বিজয় সরকার ও তাঁর গান - আরেফ রিওনেন
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- বর্ষা ও গ্রাম (ছবি ব্লগ) !!!!! - হিবিজিবি
- চৈনিক পুরাণ: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি বিষয়ে ছয়টি কথকতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আত্মগোপন প্রতিটি লেখকের ধর্ম হওয়া উচিত : দেবেশ রায় - সফেদ ফরাজী......
- উইন্ডোজের ড্রাইভারগুলো সংরক্ষণ করুন - শামীম আল মামুন
- জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ - কায়সারহেলাল
- মিশেল ফুকোর বাতি জ্বালানি - সলিমুল্লাহ খান ( দ্বিতীয় পর্ব) - ইকারুসের ডানা
- ই-প্রথম আলোতে দেখুন ব্লক করা বিজ্ঞাপন আর সব খবর পড়ুন জুম করা ছাড়াই

- টেকি মামুন
- অফিস ২০০৭ এর যে কোন Text কে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রুপান্তর করুন - কাজু
- জিযিবেল: সংযুক্তি - আল মুজাহিদ
- প্রসংগঃ আস্তিকের ধর্মকথা-১ - }নবজাতক{
- বিনয় মজুমদারের কয়েকটি কবিতা - পদ্যপালক
- বাংলাদেশের নদ-নদী: কে কোথায় বহমান....৩ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- বাংলাদেশের নদীর নাম : হাজার বছরের কাব্যকীর্তি ! - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৩ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- রক উইথ রবীন্দ্রনাথ - ক্যামেরাম্যান
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি........ - রেজোওয়ানা
- মানিকগঞ্জের জমিদার বাড়ি (ছবি ব্লগ) - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- Ubiquity - ফায়ারফক্সের সেই অল-ইন-ওয়ান এ্যাডঅন যার প্রেমে আজো হাবুডুবু খাচ্ছি
- নাফিস ইফতেখার
- আমার দেখা সবচেয়ে সহজ ইউটিউব ডাউনলোডার
- কুঁড়ের বাদশা
- যাদের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি:: আমার প্রিয় ব্লগার সমগ্র-১ - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ছবি ব্লগঃ পুরাতন প্রাণের টানে - আহমেদ রাকিব
- আসুন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা করি। - মুকুট
- Google Transliteration: বাংলা লেখার সহজতম উপায় - চল বদলাই
- রামপ্রসাদী গান এবং শ্যামাসংগীত - ১ - মে ঘ দূ ত
- আন্তর্জাতীক মুদ্রার হতে বাংলাদেশি টাকার পরিমন নির্ণয় পদ্ধতী - হেডফোন
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্স্পরসের বাহিরে
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- কয়েকটি ওয়েব সাইটের লিংক যেখান থেকে পেতে পারেন সম্পুর্ন গেম,মুভি,সফটওয়্যার,ই-বুকের ডাওনলোড লিংক। - গিফার
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবার দারুন উপায় (১) - রিমঝিম বৃষ্টি
আজ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের জন্মদিন
- সাদা কালো এবং ধূসর
- ইমন জুবায়ের - জন্মলগ্নের শুভেচ্ছা - আকাশ অম্বর
- শুভ জন্মদিন ইমন জুবায়ের ভাই - শ্রাবনসন্ধ্যা
- অভিমান ..... (ব্ল্যাক) - বিষাক্ত মানুষ
- ফায়ারফক্সের দরকারী কিছু অ্যাড-অন - নাসির খান
- তাকে আবার দেখতে উৎসর্গ ইমন জুবায়ের কে - সাদা কালো এবং ধূসর
- তোমাদের জন্য - অপ্সরা
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- প্যালেস্টাইনের লোককবিতা - গেওর্গে আব্বাস
' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

সাধু ফ্রান্সিস: জীবে প্রেম করে যে জন, সে জন সেবিছে ঈশ্বর ...
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪
![]()
সাধু ফ্রান্সিস (১১৮১-১২২৬ ) ইনি পাখিদের বোন ভাবতেন। এবং আমি বিশ্বাস করি তাঁর এই ভাবনাটি অতি পবিত্র এবং আমাদের সময়ের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক
। সাধু ফ্রান্সিস ছিলেন কবি, সূর্যকে স্তব করে কবিতা লিখেছেন-হেঁটেছিলেন প্রেমময় বিকল্প পথে-যার জন্য ফ্রান্সিস-এর বিষয়ী পিতা ত্যজ্যপুত্র করেছিলেন তার ঘোর লাগা পুত্রটিকে। সাধু ফ্রান্সিস যে সাধুসংঘটি গড়ে তুলেছিলেন তার নাম ফ্রানসিসকান সংঘ- সংঘটি ছিল অনিবার্যভাবেই পোততন্ত্রের ভোগবিলাসের বিরোধী । ইউরোপে যে কটি স¤প্রদায় স্পেনের মুসলিম দার্শনিক ইবনে রুশদের উদারনৈতিক দর্শনকে গ্রহন করেছিল- ফ্রানসিসকান সংঘটি তার মধ্যে অন্যতম। ব্রার্ট্রান্ড রাসেল তাঁর ‘হিস্টরি অভ ওয়েষ্টার্ন ফিলোসফি’ গ্রন্থে লিখেছেন: সেন্ট ফ্রান্সিস অভ আসিসি ওয়াজ ওয়ান অভ দ্য মোস্ট লাভাবল ম্যান নোন টু হিস্টরি।’ (পৃষ্টা, ৪৪১) এই কথার বাংলা অর্থাৎ হল: সাধু ফ্রান্সিস এর ন্যায় প্রেমময় হৃদয় মানব ইতিহাসে বিরল।
কেন?
সেটিই এই নিবন্ধের বিবেচ্য।
সাধু ফ্রান্সিসকে মনে করা হয় ইতালির পরিবেশ ও পশুপাখির অভিবাবক সাধু বা প্যাট্রন সেইন্ট। পশুপাখির প্রতি সাধু ফ্রান্সিস এর ভালোবাসা নিয়ে অনেক গল্পকথা ইউরোপে ছড়িয়ে রয়েছে । একদিন। সঙ্গীদের নিয়ে সাধু ফ্রান্সিস কই যেন যাচ্ছিলেন। দিনটি ঝলমলে। রাস্তার পাশে একটি আপেল গাছ। সেই আপেল গাছে অনেক পাখি। শিষ্যদের উদ্দেশ্য করে সাধু ফ্রান্সিস বললেন, তোমরা এখানে একটু অপেক্ষা কর। আমি আমার বোনদের সঙ্গে কথা বলে আসি।
জনৈক সঙ্গী আশ্চর্য হয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল: আপনার বোন মানে?
হ্যাঁ। ঐ পাখিরাই তো আমার বোন।
![]()
সাধু ফ্রান্সিস পাখিদের বোন ভাবতেন। তাঁর এই পবিত্র ভাবনাটি সভ্যতার জন্য জরুরি।
গাছের কাছে যেতেই পাখিরা ঘিরে ফেলল সাধুটিকে। সাধু ফ্রান্সিস তখন পাখিদের উদ্দেশ্য করে বললেন, হে আমার বোন পাখিরা, ঈশ্বরের প্রতি তোমাদিগের প্রভূত ঋন। এই জন্যে সর্বত্র এবং সর্বদা ঈশ্বরের প্রশংসা করবে। কেননা, তিনি আকাশে ওড়ার জন্য দিয়েছেন মুক্তির ডানা, দিয়েছেন পোশাক-পরিচ্ছদ । তোমরা রোপন কিংবা বোপান কর না। ঈশ্বর খাদ্য দিয়েছেন, তৃষ্ণা নিবারণের জন্য নদী ও ঝর্না দিয়েছেন, আশ্রয় নেবার জন্য দিয়েছেন পাহাড় ও উপত্যকা । নীড় তৈরি করবার জন্য দীর্ঘবৃক্ষ ...তোমরা সুতো তৈরি করতে কিংবা তাঁত বুনতে না জানলেও ঈশ্বর তোমাদের আর তোমাদের সন্তানাদির জন্য কাপড় দিয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা তোমাদের গভীরভাবে ভালোবাসেন। তিনি অনেক আর্শীবাদ করেন। যে কারণে সবর্দা ঈশ্বরের প্রশংসায় মগ্ন থাকবে ...
![]()
ইতালির মানচিত্র। ভাবলে অবাক হতে হয়-এখানেই জন্মেছিল নিরো ও ক্যালিগুলার মতন উন্মাদ শাসক, এখানেই জন্মেছিলেন সাধু ফ্রান্সিস এর মতন মহৎ হৃদয়ের মানুষ। ১১৮১ খ্রিস্টাব্দে ইতালির আসিসি তে সাধু ফ্রান্সিস এর জন্ম । মায়ের নাম পিকা; ইনি ছিলেন ফরাসি। বাবা পিয়েত্রো- কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ফ্রান্সিস জন্মাবার সময় পিয়েত্রো ছিলেন ফ্রান্সে । সাধু জন দ্য বেপ্টিস্ট এর সম্মানে পিকা তাঁর ছেলের নাম রাখলেন গিয়োভান্নি ফ্রানসেসকো দি বেরনারদোন । মায়ের আশা বড় হয়ে ছেলে ধর্মীয় নেতা হবে। ঈশ্বর সেই ফরাসি নারীর মনোবাসনা পূর্ন করেছিলেন। পিয়েত্রো ছেলেকে ফ্রানসেসকো বলে ডাকতেন । ফ্রানসেসকো থেকেই ফ্রান্সিস।
ফ্রান্সিস এর শৈশব ও কৈশর কাটল গভীর প্রাণ উচ্ছ্বলতায়। সে ফ্রান্স ও ইটালির দ্বিবিধ ঐতিহ্যের ধারক। কাজেই তাকে ঘিরে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক উপাদান। ফরাসি চারণ কবিদের বলা হয় ত্র্যুবাদুর। চারণ কবিদের গানে ফ্রান্সিস নিজেকে হারিয়ে ফেলে। ধনী পরিবারে জন্ম তার, তার পরনে উজ্জ্বল পোশাক, তার বন্ধুরাও সব ধনী পরিবারের সন্তান; তাদের সঙ্গে রাস্তায় হাতাহাতি করে, মারামারি করে, গলির বাসাবাড়িতে সস্তা সুখের সন্ধান করে।
![]()
আসিসি নগরের পাথর বিছানো সরু গলি
তো, একদিন একটি ঘটনা ঘটল।
বাজারে বাবার দোকানে বসে কাপড় বিক্রি করছিল ফ্রান্সিস । একটি ভিক্ষুক এল। ব্যস্ত ছিল বলে কোনওমতে ভিক্ষে দিয়ে বিদায় করল। এরপর কিছুটা সময় কেটে গেল। তারপর কী যে হল- ব্যবসা ফেলে দৌড়ে বেরিয়ে গেল ফ্রান্সিস । আসিসি নগরের পাথর বিছানো সরু গলিতে ভিক্ষুকের খোঁজ করতে লাগল । পেয়ে গেল ভাগ্যক্রমে। পকেটে টাকাপয়সা যা ছিল ভিক্ষুককে দিয়ে দিল। দানের কথা শুনে বন্ধুরা র্ভৎসনা করল । বাড়ি ফিরে বাবা সব শুনে ক্ষেপে উঠে যাতা বললেন, ‘সাধু হইছ, না? পাগলামীর আর জায়গা পাও না! নির্বোধ কুলঙ্গার কোথাকার!
ফ্রান্সিস এর বাবার মতো এই চরিত্ররাই সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকে সভ্যতার সর্বনাশ করে আসছে। এদের উপলব্দির তেমন গভীরতা নেই। অথচ, এরাই ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থাকে, যুদ্ধের মন্ত্রণা দেয়; ভবিষ্যতের দিকে তাকায় না। এদের সম্বন্ধে জীবননানন্দ লিখেছেন-
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই প্রীতি নেই করুণার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
সে যাই হোক। বাবার সামনে নতশিরে দাঁড়িয়ে ফ্রান্সিস । ঘরে বড় জানালা দিয়ে রোদ এসে পড়েছে। বাগানের গাছের অজস্র পাখির ডাক। এক কোণে চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন পিকা । স্বামীকে ভয় করেন তিনি, স্বামীর অগ্নিমূর্তি দেখে অল্প অল্প কাঁপছিলেন। তবে তিনি ছেলের দানের সংবাদ শুনে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। সাধু জন দ্য বেপ্টিস্ট এর সম্মানে ছেলের নাম রেখেছেন গিয়োভান্নি ফ্রানসেসকো দি বেরনারদোন । মনের আশা, ছেলে বড় হয়ে উদারমনা ধর্মীয় নেতা হবে। ঈশ্বর আমার মনোবাসনা পূর্ন করবেন নিশ্চয়। পিকা শ্বাস টানলেন। সাধু হওয়ার প্রথম লক্ষণ সমাজের বঞ্চিতদের জন্য গভীর মমত্ববোধ। পিকা আগেই লক্ষ করেছেন ছেলে সূর্যের দিকে তাকিয়ে কী যেন বলে-বাগানের পাখিদের সঙ্গে একা একা কথা কয়। পশুপাখিদের প্রতি প্রেম সাধু হৃদয়ের আরেকটি লক্ষণ। পিকা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ছেলে বাবার সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ঘরে বড় জানালা দিয়ে রোদ এসে পড়েছে। বাগানের গাছের অজস্র পাখির ডাক। ইতিহাসের এটি একটি ডিসাইসিভ মূহূর্ত। পিতা-পুত্র মুখোমুখি। বাবা কনর্ফামিস্ট ; ছেলে নন- কনর্ফামিস্ট। বাবা রাজতন্ত্রের প্রতীক; আর ছেলে বলতে চায়-
মিলন হবে অন্ধকারে
জাত অজাতের
কাজ কি রে তোর ল্যাম্ফোর আলোতে।
অন্ধকারে রুপের পুরী মিলসে তার কারিকুরি
যে দেখেছে ঐ মাধুরি /সবুরীতে
কাজ কি রে তোর ল্যাম্ফোর আলোতে।
(মহসিন বাউল)
বাবা আর ছেলের মাঝখানে মা। স্বামীর দিকে কড়া চোখে তাকালেন পিকা। স্বামীকে ভয় করলেও ইদানিং স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়েছেন তিনি। পোপের সঙ্গে স্বামীর ভালো সম্পর্ক। পিকা জানেন : সমকালীন পোপ খ্রিষ্টের বাণী উপেক্ষা করে ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে রয়েছেন। পোপের জায়গায় আমার ছেলে থাকলে ফ্রানসেসকো নিশ্চয়ই ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে যেত না। হ্যাঁ, আমার ফ্রানসেসকো সাধুই হবে, ও যেন পোপের বিরোধীতা করে, অনেককাল আগে যেমন স্থানীয় রোমান শাসকদের ভোগবিলাসের বিরোধীতা করেছিলেন নাজারাথের যিশু। ফিলিস্তিনের দরিদ্র মানুষের দুঃখকষ্ঠ ঘোচাতেই তো মা মেরি তাঁর একমাত্র পুত্র সন্তানকে উৎসর্গ করেছিলেন বিপ্লবের আগুনে । হ্যাঁ, আমার ফ্রানসেসকো পোপের বিরোধীতা করবে ...মানুষ ও পশু-পাখিকে ভালোবাসবে ... ওর সামনে ...ওর সামনে এখন অনেক তীব্র মানসিক যন্ত্রনা, রোগব্যাধি অনাহার আর দুঃখ কষ্টের পথ। ওকে ভিন রাজ্যের কারাগারে যেতে হবে, ওর অসুখ হবে; আর ... আর ... শেষ জীবনে ফ্রানসেসকো অন্ধ হয়ে যাবে। যাদের অন্তরে ঈশ্বরপ্রেম ও জীবপ্রেম তীব্র তারা ...তারা শেষ জীবনে অন্ধ হয়ে যায়। কেন এই স্বর্গীয় বদান্যতা? জীবদ্দশায় ঈশ্বর দেখা দেবেন বলে? পিকা জানেন, জীবনের এই স্তরে চক্ষুষ্মান অবস্থায় ঈশ্বরকে দেখা যায় না।
ফ্রানসেসকো ঈশ্বরকে দেখবে?
পিকা শিউরে উঠলেন।
ফ্রান্সিস-এর আত্মিক উত্তোরণের বিষয়টি অবশ্য ব্রার্ট্রান্ড রাসেল অন্যভাবে লিখেছেন। একবার ঘোড়ায় চড়ে ফ্রান্সিস যাচ্ছিল। পথিপার্শ্বে কুষ্ঠরোগী দেখল। আ সাডেন ইমপালস অভ পিটি লেড হিম টু ডিসমাউন্ট অ্যান্ড কিস দ্য মেন ...সহসা একটি আবেগের তাড়নায় ঘোড়া থেকে নেমে কুষ্ঠরোগী কে চুম্বন করে। এর পরপরই পার্থিব বিষয় ত্যাগ করে দরিদ্রদের সঙ্গে মিশতে থাকে ফ্রান্সিস ।
ওই সময়ে একটি ঘটনা ঘটল। যা ফ্রান্সিস-এর জীবনের মোড় একেবারেই ঘুরিয়ে দিল।
উমব্রিয়া জায়গাটি মধ্য ইতালিতে। রাজধানী পেরুজিয়া। জায়গাটা আসিসির কাছেই। সামন্ত শ্রেণির স্বার্থের সংঘাত চলছিল। প্রায়ই দুপক্ষের যুদ্ধ লাগত। যারা ছিল যুদ্ধের হোতা- তাদের সঙ্গে ফ্রান্সিস এর পিতার মনের গড়নের আশ্চর্য মিল। এরা শিল্পসাহিত্য বুঝতে অক্ষম, সর্বক্ষণ সস্তা আমোদ ও ব্যবসায়িক লাভের ধান্ধায় আচ্ছন্ন। তবে গির্জেয় দান করত, বিরবির করে বাইবেলের মুখস্ত বাণী আওড়াত, ফেরার পথে রাস্তা থেকে অর্থের বিনিময়ে রমনীদের ঘোড়া গাড়িতে তুলে নিত! যেন সে স্বর্গীয় নিয়মের ব্যতয় ঘটাচ্ছে না, যেন সাধুদের নিষ্কাম জীবন হাস্যকর, যেন সাধুদের নিষ্কাম জীবনটি অস্বাভাবিক!
যুদ্ধকালীন সময়ে ফ্রান্সিস কে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হল পেরুজিয়ায় । কারাগারে ভীষণ অসুখ হল তার। মনের তখন ভয়ানক অবস্থা ...কাছেপিঠে নিকটআত্মীয়স্বজন কেউ নেই। খালি মায়ের কথা মনে পড়ত, খালি যিশুর কথা মনে পড়ত।
১২০৫। আসিসি ফিরে এল ফ্রান্সিস। কুষ্ঠরোগীদের মধ্যে কাজ করতে লাগল। দরিদ্রদের জন্য খরচ করাতে বিষয়ী ব্যবসায়ী বাবা ক্ষেপে উঠলেন। তিনি ফ্রান্সিস কে আইনগত ভাবে ত্যাজ্য করলেন। সভ্যতা আজও এদেরই হাতের মুঠোয় বন্দি; সভ্যতা আজও নন- কনর্ফামিস্ট সাধুদের অধিকৃত হয়নি।
ফ্রান্সিস দামী পোশাক ফেলে দিয়ে বিশপের পোশাক পরলেন। ততদিনে শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। সুবাসিও পাহাড়টি উমব্রিয়ায়। সে পাহাড়ে সানতা মারিয়া দেঘলি অ্যানজেলির একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত চ্যাপেল (ছোট গির্জা) ছিল। ফ্রান্সিস সেটি সংস্কার করেন। এরপর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটানা তিন বছর নানা সেবামূলক কাজ করলেন। ১২০৮। একদিন সমবেত প্রার্থনার সময়ে যেন তিনি অদৃশ্য কন্ঠস্বর শুনতে পেলেন। সেই অদৃশ্য কন্ঠস্বরটি যেন বলল: কোনও কিছু না নিয়ে সর্বত্র সেবা করার জন্য বিশ্বকে আলিঙ্গন কর।
ঐ বছরই আসিসি ফিরে এলেন ফ্রান্সিস । জনতার মাঝে খ্রিষ্টের বাণী ছড়িয়ে দিতে লাগলেন। ১২ জন শিষ্য তাঁকে ঘিরে রইল। তাঁর দলটি ক্রমে ক্রমে সংঘের রুপ নিচ্ছিল- পরে যার নাম হয়েছিল ফ্রানসিসকান সংঘ। ১২ জন শিষ্যই সংঘের আদি ভ্রাতা। পরে যাদের বলা হল, ফাস্ট ওডার। ১২ জন শিষ তাঁকে সুপিরিয়র নিযুক্ত করে। ১২১২ খ্রিস্টাব্দে সংঘে আসিসির তরুণী সন্ন্যাসিনী (নান) যোগ দেয়। তরুণী সন্ন্যাসিনীর নাম ক্লারি। ( যেনবা বুদ্ধের জীবন পাঠ করছি ইটালির প্রেক্ষাপটে।) সংঘের অভ্যন্তরে “অডার অভ দি পুওর লেডিস" প্রতিষ্ঠা করেন ক্লারি । পরে এটি হয়ে ওঠে ২য় অডার ।
সাধু ফ্রান্সিস এবার তীর্থযাত্রার করার সিদ্ধান্ত নিলেন। শিষ্যদের নিয়ে পবিত্রভূমি (জেরুজালেম) উদ্দেশে যাত্রা করেন। অবশ্য জাহাজডুবি হলে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এরপর যান স্পেন । ১২১৯ খ্রিষ্টাব্দে যান মিশর। মিশরের সুলতান ধৈয্য ধরে সাধু ফ্রান্সিস এর বক্তব্য শুনলেও ধর্মান্ত করণের বিষয়ে নিরব থাকলেন। সাধু ফ্রান্সিস এরপর পবিত্রভূমি গেলেন। রইলেন ১২২০ খ্রিস্টাব্দ অবধি। এরপর ইতালি ফিরে এলেন তিনি। সংঘে পদ নিয়ে মতবিরোধ হচ্ছিল। তিনি সুপিরিয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর খবর এল: ৫ জন সংঘ-সদস্য মরক্কোয় নিহত হয়েছে। সাধু ফ্রান্সিস উৎফুল্ল হলেন আর নিজেও শহীদ হওয়ার বাসনা প্রকাশ করলেন।
কবিতা লিখতেন সাধু ফ্রান্সিস । সে কবিতা ইতালির সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। তিনি বিশ্বাস করতেন: প্রার্থনা করার জন্য লাতিন শেখার দরকার নেই, যে কোনও ভাষাতেই প্রার্থনা করা যায়। এমনকী স্থানীয় উমব্রিয়া ভাষাতেও করা প্রার্থনা গৃহিত হয়। সাধু ফ্রান্সিস এর ভাষা ছিল স্থানীয় উমব্রিয়া ভাষা। স্থানীয় উমব্রিয়া ভাষাতেই তিনি কবিতা লিখেছেন । সূর্যের প্রতি তাঁর লেখা ‘সূর্যস্তব’ কবিতাটিও স্থানীয় উমব্রিয়া ভাষায় লেখা।
অতি উচ্চ, সর্বশক্তিমান, সর্ব উত্তম প্রভূ!
সকল প্রশংসা তোমার, সমস্ত গৌরব, সমস্ত সম্মান এবং সমস্ত আর্শীবাদ।
কেবল তোমার প্রতি, হে অতি উচ্চ, তারা আনুগত্য স্বীকার করে।
কোনও মরণশীল ঠোঁট তোমার নাম উচ্চারণের যোগ্য নয়।
সকল সৃষ্টির দ্বারা, হে প্রভূ, প্রশংসা গ্রহন কর।
বিশেষ করে আমার ভ্রাতা সূর্যর প্রশংসা
যে আনে দিন আর তুমি আলো দান কর তার মাধ্যমে।
আর সে সুন্দর উজ্জ্বল আর জ্যোর্তিময়!
১২২৪। সেপ্টেম্বর। ৪০ দিন উপবাসের পর সাধু ফ্রান্সিস মন্তে আলভেরনো প্রার্থনারত। ক্রশবিদ্ধকালীর যিশুর শরীরে যে লজ্জ্বা বা কলঙ্কের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল তাকে বলে স্টিগমাটা। সেরকম ফুটে উঠল সাধু ফ্রান্সিস এর শরীরে। শরীরে পেরেকচিহ্ন (দিব্য চিহ্ন?) ফুটে উঠেছিল বলে শরীরে যন্ত্রণা ও সুখ বোধ করলেন। সঙ্গে চোখের অসুখ। শিষ্যরা কত সেবাযত্ন করল। লাভ হয়নি। অন্ধ হয়ে গেলেন হৃদয়বান কবিটি। বুঝতে পারলেন, সময় ফুরিয়ে আসছে। প্রার্থনায় দিন কাটতে লাগল।
১২২৬। অক্টোবর,৩।
অনন্তের উদ্দেশে যাত্রা করলেন সাধু ফ্রান্সিস ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাধু ফ্রান্সিস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ধর্ম বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর কবি।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তথ্য আমার; সিদ্ধান্ত আপনার ...
অপ্সরা বলেছেন:
সাধু ফ্রান্সিসের কথা জেনে খুবি ভালো লাগলো ভাইয়া!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লাল সাগর বলেছেন:
"ক্রশবিদ্ধকালীর যিশুর শরীরে যে লজ্জ্বা বা কলঙ্কের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল তাকে বলে স্টিগমাটা। সেরকম ফুটে উঠল সাধু ফ্রান্সিস এর শরীরে।">> এই স্টিগ্মাটার উপর অনেক রিসার্স হয়েছে। এর ঊপর ডিস্কভারি চ্যানেলে কয়েকটি ডকুমেন্ট্রি দেখালো হয়। রিসার্চে যতটুকু যানা যায় এটা আসলে ভন্ডামি, ঠিক যেমন হিন্দু বাবারা বিভিন্ন ক্যারিসমা দেখিয়ে ভন্ডামি করেন, মুস্লিমদের মাঝেও এমন কিছু ভন্ড বাবার সন্ধান মিলে। শরীরে এক্সে পেরেকের দাগের কথা বলা হয়, সেটাও ভন্ডামি, নিজেরাই করে থাকে।
তাই, সাধু মিয়ে একজন বিশিষ্ট ভন্ড খ্রিষ্টান ছিলেন।
লেখক বলেছেন: ফ্রান্সিস-এর আত্মিক উত্তোরণের বিষয়টি অবশ্য ব্রার্ট্রান্ড রাসেল অন্যভাবে লিখেছেন। একবার ঘোড়ায় চড়ে ফ্রান্সিস যাচ্ছিল। পথিপার্শ্বে কুষ্ঠরোগী দেখল। আ সাডেন ইমপালস অভ পিটি লেড হিম টু ডিসমাউন্ট অ্যান্ড কিস দ্য মেন ...সহসা একটি আবেগের তাড়নায় ঘোড়া থেকে নেমে কুষ্ঠরোগী কে চুম্বন করে। এর পরপরই পার্থিব বিষয় ত্যাগ করে দরিদ্রদের সঙ্গে মিশতে থাকে ফ্রান্সিস ।
এই পয়েন্টের ওপর আপনি জোর দিলেই পারেন। মনে করেন স্টিগমাটা এক ধরনের চর্মরোগ। দ্বাদশ শতকের লোক বলে বোঝেননি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এই আছি।
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন:
ভালোলাগলো পড়তে পেরে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
মেহবুবা বলেছেন:
ঈদ মোবারক ।আপনার দীর্ঘ , সুস্থ জীবন কামনা করছি ।
লেখাটা পড়ে জানলাম কেউ এমন করে পাখিদের 'বোন' ভাবতে পারে ।
আমাদের একটা ছোট্ট পাখি উড়ে গেছে , উড়িয়ে নিয়ে গেছে অসময়ে তাকে ভাগ্য ।
লেখক বলেছেন: বুঝি যে কত গভীর মন খারাপ হতে পারে কারও কারও পাখি উড়ে গেলে।
লেখক বলেছেন: তোমাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আসিফবিডি৫৯ বলেছেন:
স্টিগমা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। আসলে এটি একটি চর্ম রোগ। কিছু অতি উৎসাহী শিষ্য একে নিয়ে একটি মিথ তৈরি করেছিলো। তবে সাধু ফ্রান্সিস নিজে এ জাতীয় ভ্ণ্ডামির সাথে নিশ্চই জড়িত ছিলেন না। ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন প্রকৃতিপ্রেমী ও সাধু পুরুষ ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে পোস্টে যা লেখা হয়েছে তা পড়ে অনেকেই সাধু ফ্রান্সিস সম্পর্কে জানতে পারবেন। সুন্দর একটি পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি আপনার কথাগুলিই বলতে চেয়েছি। তা ছাড়া উনি ছিলেন ধনী পরিবারের সন্তান, অহেতুক ভন্ডামি করতে যাবেন কেন, দরিদ্র মানুষের সেবাযত্নের জন্য পরিবারপরিজন ত্যাগ করলেন।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগার জন্য ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: যদ্দুর জানি, এঁর অনুসারীরা এখনও ইউরোপ-আমেরিকায় ভীষণ প্রভাবশালী।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
সুন্দর লেখা!
লেখক বলেছেন: ভালো লাগার জন্য ভালো লাগল।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
দারুণ লাগল ++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















