somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাতাসের ফুল: গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েটির সঙ্গে হঠাৎ করেই দেখা নয়
তৃণভূমির মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল ও।
দেখছি কারা আসছে- যাচ্ছে
কারা মেয়েটির সঙ্গে কথা কইছে ।

মেয়েটি আমায় বলল,“ আমি কখনও তৃণভূমি ছেড়ে যাইনি।
পাহাড়ে উঠে আমার জন্য তুষারের মতন ধবল মচমচে
নাজুক ফুল তুলে আন।”

পাহাড়ে উঠে এসে আমি পাথরের মধ্যে
সাদা হয়ে থাকা ফুলের খোঁজ করতে থাকি।
কোনওটি জেগে, কোনওটি ঘুমিয়ে।

বোঝা নিয়ে ফিরে এসে মেয়েটিকে
তৃণভূমির মাঝখানে পেলাম।
পাগলের মতো ওকে আমি
ফুলে ফুলে ভরে দিলাম।

ফুলের সাদা রঙের দিকে মেয়েটি চাইল না
আমায় বলল,“এখন আমার জন্য লাল রঙের
ফুল আন। শুধু লাল রঙের।
আমি তৃণভূমি ছেড়ে কোত্থাও যাব না।”

হরিণের পিঠে চরে খাড়া পাহাড়ে উঠে এলাম আমি।
তারপর খুঁজতে থাকলাম পাগলামীর ফুল।
যেসব ফুল লাল হয়ে বেড়ে ওঠে আর লাল মনে হয়
রক্তিম হয়ে বেঁচে থাকে -আর মরেও যায়।


The Flower of Air


I met her, not by chance,
standing in the middle of the meadow,
governing all who passed,
all who addressed her.

She said to me: "Climb the mountain--
I never leave the meadow.
Cut me flowers white
as snows, crisp and tender."

I climbed the mountain
and searched where flowers whiten
among the rocks,
half sleeping, half waking.

When I came down with my burden
I found her in the middle of the meadow.
Like a crazy one, I covered her
with a deluge of lilies.

She never glanced at their whiteness.
She said to me: "Now bring me
red flowers, only the red.
I cannot leave the meadow."

I clambered up crags with deer
and searched for flowers of madness,
those that grow red and appear
to live and die of redness.
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×