আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

শেয়ারঃ
0 8 0



দু’জন নারীকে ভয়ানক পাগল করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ । একজন বাংলার রাধা। অন্যজন রাজস্থানের মীরাবাঈ (১৪৯৮/১৫৭৩)। বাংলার রাধা অবশ্যি কবি জয়দেব এর কল্পনাপ্রসূত কাল্পনিক সত্ত্বা । পক্ষান্তরে মীরাবাঈ ঐতিহাসিক নারী। তাঁর জন্ম ভারতবর্ষের রাজস্থানের এক প্রভাবশালী গোত্রে।
মীরাবাঈয়ের অন্যতম পরিচয় একজন মরমী কবি হিসেবে; কিংবা একজন কৃষ্ণভক্ত উন্মাদিনী রুপে। শ্রীকৃষ্ণকে উদ্দেশ্য করে প্রায় ৫ হাজারের মতন ভক্তিগীতি লিখেছেন মীরাবাঈ। আজও ভারতবর্ষের পথেপ্রান্তরে কৃষ্ণভক্তের কন্ঠে শোনা যায় সে সব আশ্চর্য গান । ৫ হাজার গানের মধ্যে অবশ্য মাত্র ৪০০র মতন গান জনপ্রিয় ও মীরাবাঈ এর লেখা বলে প্রমান মিলেছে।
রাজস্থানে মেরতা বলে একটি জায়গা আছে। মনে করা হয় ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে মীরাবাঈয়ের জন্ম মেরতায়। পিতামহের আশ্রয়ে প্রতিপালিত মীরা খুব সম্ভব মেয়েবেলায় মা-বাবাকে হারিয়েছিল । আট বছর বয়েসে মীরার একবার বিয়ে হয়েছিল মেওয়ারের রাজার সঙ্গে ... সে বিবাহের কারণটি ছিল রাজনৈতিক । যা হোক, সে বিয়ে অবশ্যি টেকেনি।
বালিকা বড় হতে থাকে।
কিশোরী বয়েসে পৌঁছোনোর অনেক আগেই ভারতবর্ষের মেয়েরা মথুরা-বৃন্দাবনের শ্রীকৃষ্ণের উপাখ্যানটি জেনে যায়। মীরাও জেনেছিল। তবে অনুমান করি, মীরার ব্রেইনওয়েভ ভিন্ন ধরনের। ওর মাথার ভিতরে মথুরা-বৃন্দাবনের শ্রীকৃষ্ণের উপাখ্যানটি বার বার বার বার ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়েছিল সম্ভবত। ধরে নিই যে মীরা ভীষণ মাত্রায় ইনট্রোভার্ট, অতিরিক্ত সংবেদনশীল, এক্সট্রিমিস্ট। ধরে নিই যে মীরা কর্কট রাশি, ৮ জুলাই। এ ভাবে লেখার কারণ? মীরা বাঈকে আমি বুঝতে চাইছি। কেন শ্রীকৃষ্ণর প্রতি ভালো লাগা পরিশেষে গভীর প্রেম ও উন্মাদনায় পরিনত হয়েছিল?
কাব্যচর্চার ক্ষমতা ছিল মীরার। নজরুলের মত করে কিশোরী মীরাও লিখল-

ওরে নীল যমুনার জল
বললে মোরে বল
কোথায় ঘনশ্যাম ।

কৃষ্ণর গাত্রবর্ণ কল্পনা করা হয়েছে শ্যামল। সে কারণেই ঘনশ্যাম বলা। কৃষ্ণর অন্য নাম হরি, গিরধর, শ্যাম। নজরুল তাঁর একটি গানে কৃষ্ণকে বলেছেন, ‘ কালো রাখাল’! বাংলার পথে প্রান্তরে কৃষ্ণবিষয়কএক দূর্দান্ত গান শোনা যায়-

শামরে তোমার সনে / শামরে তোমার সনে
একেলা পাইয়াছি রে আজ (!) এই নিঠুর বনে (এখানকার সুর বড় আবেগময়)
আজ পাশা খেলব রে শ্যাম ...

(এই গানটি যিনি রচেছেন, তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই ...এই প্রতিভাবানরা বেঁচে থাকবার প্রেরণা যোগায়)

সে যাই হোক। আঠারো বছর বয়সে মীরা আবার বিয়ে হয়। স্বামী চিতরের রাজা ভোজরাজ । স্বামী ছিলেন কালীভক্ত। কাজেই মতাদর্শগত বিরোধ অনিবার্য হয়ে উঠতে থাকে। মীরা যৌনতার স্বাদ পেয়েছে, তাতে কবিতা বাঁক নেয়। পরিপূর্ন হয়ে উঠতে থাকে।
প্রাসাদে ভক্তিগীতির আসর বসাত। এতগান আসছিল আর এত সুর। আশেপাশের বাড়ির বউঝিরা এসে শুনত সে গান।

আমার ঘরে আমার প্রেম
পথ পানে চেয়ে রই বছরের পর বছর।
অথচ কখনও দেখিনা তাকে।
নিভিয়ে ফেলি প্রার্থনার প্রদীপ
রত্নাবলী ছুঁড়ে ফেলি দূরে।
এরপর সে সংবাদ পাঠাল
আমার কৃষ্ণপ্রেমিকটি নাকি এসেছেন।
আমার অঙ্গে অঙ্গে বয় সুখশিহরণ।
হরি এক বিশাল সমুদ্দুর-
আমার চোখ যাকে ছোঁয়।
আনন্দের সমুদ্রে ডুবতে ডুবতে মীরা
ওকে অভ্যন্তরে নেয়!

এই ইরোটিক দিকটি মীরার ভজনের (ভক্তিগীতির) এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

আনন্দের সমুদ্রে ডুবতে ডুবতে মীরা
ওকে অভ্যন্তরে নেয়!

এ অভ্যন্তরে নেওয়া মানসিক নয়, অঙ্গগত। অসম্ভব সত্যবাদী ছিলেন মীরা বাঈ। জীবনে যৌনতার ভূমিকা অস্বীকার করেননি, যৌনতাকে এড়িয়ে যাননি, যৌনতাকে এড়িয়ে তথাকথিত বিশুদ্ধ থাকবার ছল করেননি এই মহিয়সী নারী। মীরার আত্মরতিতে শ্রীকৃষ্ণের কাল্পনিক ভূমিকা ছিল গভীর । এভাবেই কাব্য/কল্পনা/ যৌনবোধ/ ঈশ্বরপ্রেম সব ... সব একাকার হয়ে গিয়েছে মীরার বিস্ময়কর ভজনে ।

রাতদিন আমি
তোমার ভাবনায়
আচ্ছন্ন।

এসব কারণেই ভারতবর্ষের আবেগময় মানবিক সংস্কৃতির প্রতি বিশ্বময় আত্মজিজ্ঞাসু মানুষের এত আগ্রহ।



রাজা ভোজরাজ, ঘরে গানের আসর না বসালেও তো পার মীরা ।
মীরা, আমি যে পারি না!
রাজা ভোজরাজ, মা ব্যাপারটা মোটেও পছন্দ করছেন না।
মীরা, আমি যে পারি না !
রাজা ভোজরাজ, কেন তোমার কালীকে ভালো লাগে না বলত?
মীরা, আমি যে পারি না !
রাজা ভোজরাজ, এসব টানা পোড়েন আমার আর ভাল্ লাগে না মীরা।
মীরা, আমি যে পারি না !
রাজা ভোজরাজ, সেদিন রানা বলছিল- বৌদি এসব কী শুরু করেছে দাদা। কৃষ্ণকে শ্রদ্ধা করে ভালো কথা, তাই বলে ভদ্রলোকের বউদের ঘরে ডেকে এনে আদিখ্যেতা করতে হবে। ছিঃ।
মীরা, আমি, যে পারি না!



তারপর। রাজা ভোজরাজ মারা গেলেন।
মীরা বিধবা হলেন।
শোক খানিকটা স্তিমিত হয়ে এলে শাশুড়ি বললেন, আমরা মা কালীভক্ত মীরা। ওসব শ্রীকৃষ্ণকীর্তন লীলে বাদ দাও।
মীরা, আমি পারি না যে!
শাশুড়ি মুখ কালো করে চলে যায়। মীরা কাঁদতে কাঁদতে লিখতে থাকে -

মীরা নাচছে
পায়ে ঘুঙুর পরে
লোকে বলছে মীরা পাগল হয়ে গিয়েছে

বংশের সম্মান ধূলোয় গড়াচ্ছে বলে
ওর শাশুড়ি বিরক্ত

রাজা বিষের পাত্র পাঠিয়েছে
হাসতে হাসতে পান করে মীরা
ওই বিষমদ কৃষ্ণের সুন্দর মুখসম!

ও তো হরির চরণে
ওর শরীর মন সপেঁছে।
ও তার কল্পনার মধু করে পান
একমাত্র সেই তো
মীরার চরম রক্ষাকর্তা!


মীরার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। নির্যাতন অব্যাহত থাকে। শাশুড়ি আর দেবর ষড়যন্ত্র করে বিষ দেয়। কাজ করেনি। কেন করেনি কে জানে! মীরা লিখলেন-

রানা, আমি জানি তুমি আমায় বিষ দিয়েছ
যদিও বেঁচে গেছি আমি
যেনবা অগ্নির কুন্ডের মাঝে স্বর্ণখন্ডসম।
একাধিক সূর্যর মতন উজ্জ্বল উত্থান
মতামত ও পরিবারের সুনাম
জলের মত ছুঁড়ে ফেলিনি কি?
পালিয়ে যাও, রানা,
আমি এক শক্তিহীন উন্মাদিনী
হৃদয়ে আমার কৃষ্ণের তীর
যার বিবেচনাবোধ শেষ
পবিত্র মানুষটি পদ্মচরণ জড়াই


এরপর ফুলের ঝুড়ির মধ্যে বিশাক্ত সাপ পাঠানো হল। লাভ হয়নি। পরে লৌহ শলাকায় ফেলে দেওয়া হল মীরাকে। না, মীরা মরেনি। কেবল গান করেছে-

কৃষ্ণজী কৃষ্ণজী কৃষ্ণজী

শাশুড়ি আর দেবরের নির্যাতন সইতে না পেরে মীরা প্রাসাদ ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। ষোড়শ শতকের ভারতবর্ষের পথে পথে দেখা গেল এক পাগলিনী সন্ন্যাসীনি কে। যে করে গান । যে গানের নাম কৃষ্ণসংগীত।

বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায়
হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে আয়
বসুধা যশোদার স্নেহধাম উথলায়
কালো রাখাল নাচে তই তাথই

(নজরুল)



মীরা শ্রীকৃষ্ণজন্মধন্য মথুরা গেলেন। গেলেন মীরা শ্রীকৃষ্ণস্মৃতিবিজরিত বৃন্দাবনে । ওখানকার এক মন্দিরের কবির পদ গ্রহন করলেন। গান রচনা করেন। কৃষ্ণভক্ত নারীপুরুষ সে গান শুনে মুগ্ধ।

সারারাত ঘুমোতে পারিনি

আমি ঘুমাতে পারি না। সারারাত।
প্রাণপ্রিয়র প্রতীক্ষায় থাকি ।
বন্ধুদের প্রস্তাব
বিজ্ঞ বচন।
সব ফিরিয়ে দিই আমি ।

ওকে ছাড়া যে মনে শান্তি পাই না।
অথচ হৃদয় আমার মোটেও ক্রোধান্বিত নয়
আমার নিচের অঙ্গ অবশ
ঠোঁট আমার জপে তার নাম
বিচ্ছেদের এই যাতনা বোঝা কি যায়?
মেঘের প্রতীক্ষায় থাকা আমি এক চাতক পাখি;
আমি এক জলাকাঙ্খী মাছ
মীরা শেষ!
ওর চেতনা অবশ!

তারপর?
তারপর একদিন ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দ এল। মীরাবাঈয়ের মৃত্যুর বছর। মীরাবাঈয়ের নশ্বর দেহটি চিতার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। গানগুলি ভাসছিল বাতাসে। ভারতবর্ষীয় ভক্তেরা কন্ঠে তুলে নিল সে গান। কম তো নয়-প্রায় ৫ হাজার। ৫ হাজার গানের মধ্যে অবশ্য মাত্র ৪০০র মতন গান জনপ্রিয় ও মীরাবাঈ এর লেখা বলে প্রমান মিলেছে।
মীরাবাঈয়ের উতুঙ্গ জনপ্রিয়তার মূলে রাধাকৃষ্ণের লীলা। মীরাবাঈ কখনও বাংলায় কিংবা মনিপুরে এসেছিলেন কিনা জানা যায়নি। বাংলায় কিংবা মনিপুরে রাধাকৃষ্ণপ্রীতি প্রবল। এই দুটি দেশে রাধাকৃষ্ণ লীলা এক অলীক মাহাত্ব্য পেয়েছে; কাজেই আমার মনে হয়, মীরা বাঈ কখনও বাংলায় কিংবা মনিপুরে নিজস্ব জগৎটি খুঁজে পেতেন।



মীরা বাঈয়ের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ:

উইলিস ব্রানসটন এবং উষা নিলসন


তথ্যসূত্র:

উইলিস ব্রানসটন এবং টনি ব্রানসটন সম্পাদিত “লিটারেচারর্স অভ এশিয়া, আফ্রিকা অ্যান্ড লাতিন আমেরিকা” (ফ্রম অ্যান্টিকুইটি টু দ্য প্রেজেন্ট)

উৎসর্গ: কুঙ্গ থাঙ

মীরাবাঈ এর ভজনের ইউটিউব লিঙ্ক

Click This Link

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মীরাবাঈ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ/নিবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন: ভাল লাগল ।
ধন্যবাদ ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: দেখছি। ধন্যবাদ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কবি।

৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
আইলা বলেছেন: আহা আমারে যদি কেউ এমন করে ভালবাসত :( । আবেগে চউক্ষে পানি আইসা পড়ল :((


এটা কি জেমসের গানের সেই ঝাকনাকা মীরাবাঈ নাকি :P
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: (১) হিহি।

(২) জেমস এর গীতিকার কি করছে বলতে পারি না। তবে মীরাবাঈয়ের সঙ্গে ঝাকানাকার কি সম্পর্ক!

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কবি।

৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
ভাঙ্গন বলেছেন: মীরাবাঈ সর্ম্পকে অনেক শুনেছি।
কিন্তু এত বিস্তারিত আজকে জেনে ভাল লাগছে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ভাঙ্গনের প্রতিটি পিক ভালো লাগছে।

৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
রেজোওয়ানা বলেছেন: এতদিন শুধু নামটাই জানতাম, আজ আপনার কল্যানে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারলাম। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
১০০%বাঙ্গালী বলেছেন: ভালোলাগার মত পোষ্ট।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কবি।

১০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৯
ব্যতিক্রমী বলেছেন: আপনাদের মতো মানুষ ব্লগে আছেন বলেই আমাদের মতো মূর্খরা একটু জানতে পারি।

বেঁচে থাকুন যতদিন বাঁচতে মন চায় এই ধরায় সেই দোয়াই করি।

+++
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: অশেষ কৃতজ্ঞতা গ্রহন করুন!

১১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেল।
ধন্যবাদ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
অপ্‌সরা বলেছেন: আমি এতদিন জানতাম মীরাবাঈ কোনো রাজদরবারের বিখ্যাত বাঈজীর নাম । সে যে এত মহীয়সী নারী তার এসব পরিচয় একেবারেই জানতাম না।

অনেক অনেক ভালো লাগলো মীরাবাই এর কথা জেনে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: মীরাবাঈ অনেক অনেক অনেক উচুঁস্তরের একজন সাধিকা।

১৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
বিলাল বলেছেন: একেলা পাইয়াছি রে আজ (!) এই নিঠুর বনে----
এই নিঠুর বনে না, হবে এই নিধুবনে।

নিধুবন মানে হলো------sexual intercourse/union , copulation.

amusements ও হতে পারে।

পোস্ট বরাবরের মতই সুন্দর।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: নিধুবন?
আমারও তাই মনে হয়।
অনেক ধন্যবাদ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
মহলদার বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। স্কুলে থাকতে এক স্যারের কাছে মীরাবাঈয়ের গল্প শুনেছিলাম। তাঁকে জানি কৃষ্ঞ পাগলিনি হিসাবে। তাঁর অনেক কৃষ্ঞ ভজনও রয়েছে জানা আছে। আকাশবানীতে মীরার ভজনও শুনেছি বহুবার। গল্পটি পরিস্কার মনে নেই তবে ভাসা ভাসা মনে পড়ে, মীরা ছোট বেলায় কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে(সম্ভবতঃ কোন বরযাত্রী দল দেখে) তাঁর মাকে নাকি জিজ্ঞেস করেছিল তার বর(স্বামী) কই? বার বার এই প্রশ্ন করায় মা রেগে গিয়ে তাদের ঘরে রাখা গোপালের ছবি দেখিয়ে বলেছিল এই তোর বর। সেখান থেকে নাকি মীরার হৃদয়ে কৃষ্ঞ নামের উত্থান। গল্পটির সত্যতা কতটুকু জানি না। প্রচলিত (কাল্পনিক) গল্প ও হতে পারে। পোষ্ট পড়ে মীরাবাঈ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা হল। ধন্যবাদ ইমন ভাই।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ভাল লাগল।
রাধাকৃষ্ণের গানগুলো ভাল লাগে। অবশ্য আমার শোনা সবগুলোই নজরুলের ।
ওই গানটা খুব ভাল লাগে.......
শ্যাম তুমি যদি রাধা হতে শ্যাম
আমারই মত দিবস নিশি
জপিতে শ্যাম নাম।

মীরাবাঈ তো অসম্ভব সাহসী মহিলা দেখি...........এইরকম কথা এখনো কেউ বললে তো দোররা মেরে লীলা ঘুচাইয়া দিবে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: পথে নামার আগে টর্চারও কম হয়নি।

১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: অনেক অজানা তথ্য জানাবার জন্যে অশেষ ধন্যবাদ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: মীরা বাইএর নাম শুনেছি কিন্তু তার সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
নিউজকাস্টার বলেছেন: NDTV imagine এ MEERA নামে সিরিয়াল চলছে সোমবার থেকে শুক্রবার। দেখছি। ভালই লাগছে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: দেখার চেস্টা করব। ধন্যবাদ।

২২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
অক্টোপাস বলেছেন: চমৎকার লাগলো।
আপনার লেখার হাতই আলাদা!!
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৩
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: জানিলাম অনেক কিছু, বুঝিলাম কানুর ভালোবাসার আকুলতায় বিরহীনি মীরাবাঈ এর গান নিয়া। (হাআআআআআ দীর্ঘশ্বাস...........ফেলিলাম )
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আহা

২৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
অনাহূত বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম ।

ধন্যবাদ ।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১০
সাইফ হাসনাত বলেছেন: জানার ছিলো অনেক কিছু...
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩০
মে ঘ দূ ত বলেছেন: ++++

মীরাবাঈ সম্পর্কে জানার জন্য একসময় কিছুটা ঘেটেছিলাম। তার মধ্যে নীচের লিঙ্কটা আমার অনেক কাজের মনে হয়েছিলঃ

http://www.dollsofindia.com/mirabai.htm

ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩১
মে ঘ দূ ত বলেছেন: মীরাবাঈ এর উপর স্ট্যাম্প

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আগে নাম জানতাম, আজকে উনাকে চিনলাম।+++++++++++

সে সময় কি সতীদাহ ছিল না? মীরা ত মনে হয় কপাল গুণে বেঁচে গেছে।

আলাদা আলাদা দেব দেবীর প্রতি ভক্তি কী মতাদর্শের বিরোধ হতে পারে? মূল হিন্দু বা বৈদিক সনাতন ধর্ম অনুযায়ী সব অবতারই কিন্তু মহাঈশ্বরেরই অংশ। য়ার, দেবতার আর্চনা করা হয় তার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের আরাধনার জন্য।

আমার জানামনে ব্যাপারটা এমনই।
আমার ধারণা, দেবর শাশুড়ির অত্যাচারের হয়ত অন্য কোন কারণ ছিল।

পরে লৌহ শলাকায় ফেলে দেওয়া হল মীরাকে।লোহার শলাকা মানে কী বস?

অফটপিকঃ বস,এটা একটু দেখবেন? এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কী আগ্রহ আছে? Click This Link বই এর ব্যাপারে আগ্রহ না থাকলে বাদ দেন।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: পরে জানাব।

২৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
তারার হাসি বলেছেন:
এই চমৎকার পোস্টের জন্য অগুণিত ধন্যবাদ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: তারার হাসিকেও অনেক ধন্যবাদ।

৩০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৪
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: নটরডেম কলেজের ৫০বছর পূর্তী অনুষ্ঠানে জেমসকে করা গানের অনুরোধের মাঝে মীরাবাঈ সম্ভবত ছিল এক নাম্বারে। গানটা ভালো লাগে, আপনার লেখা এমনিতেই ভালো লাগে তা আর বলতে চাচ্ছিনা।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮
আকাশ অম্বর বলেছেন:

আমার নিচের অঙ্গ অবশ
ঠোঁট আমার জপে তার নাম
বিচ্ছেদের এই যাতনা বোঝা কি যায়?


অথচ হৃদয় আমার মোটেও ক্রোধান্বিত নয়


২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: Guide this little boat over the waters,
what can I give you for fare?
Our mutable world holds nothing but grief,
bear me away from it.
Eight bonds of karma
have gripped me,
the whole of creation
swirls through eight million wombs,
through eight million birth-forms we flicker.
Mira cries. Dark One
take this little boat to the far shore,
put an end to coming and going. The Dark One's love-stain is on her,
other ornaments Mira sees as mere glitter.
A mark on her forehead,
a bracelet, some prayer beads,
beyond that she wears only her conduct.
Make-up is worthless
when you've gotten truth from a teacher.
the Dark One has stained me with love,
and for that some revile me,
others give honor
I simply wander the road of the sadhus
lost in my songs.

-- Poems by Mirabai

৩২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
পল্লী বাউল বলেছেন: বেশকিছু অজানা তথ্য জানা গেল।
অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই, আসলে আপনার পোস্টগুলো একেকটা জ্ঞানের আকর।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৫
তাজা কলম বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। ভাল লাগল। ++
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: হরি এক বিশাল সমুদ্দুর-
আমার চোখ যাকে ছোঁয়।
আনন্দের সমুদ্রে ডুবতে ডুবতে মীরা
ওকে অভ্যন্তরে নেয়!


ওরে নীল যমুনার জল
বললে মোরে বল
কোথায় ঘনশ্যাম?



ঠোঁট আমার জপে তার নাম
বিচ্ছেদের এই যাতনা বোঝা কি যায়?


সুন্দর
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
দীপান্বিতা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ......মীরার সব ভজনগুলো শুনতে হবে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: যাক। পড়লে তাহলে।
ইউটিউব লিঙ্ক দিয়েছি।

৩৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৩
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: অসাধারন! অসাধারন!!
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।ধন্যবাদ ।

৩৭. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২০
সুরঞ্জনা বলেছেন: তোমার বাড়ি এলেই মনটা ভালো হয়ে যায়।
ইতিহাস আমার বড়ই প্রিয়। তুমি এতো সুন্দর করে
সেই সব ইতিহাস তুলে ধর......

অনেক শুভকামনা রইলো তোমার জন্য।
এটাও নিয়ে গেলাম।
২৭ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।ধন্যবাদ ।

৩৮. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৯
কালপুরুষ বলেছেন: লেখাটা আগে চোখে পড়েনি। পড়ছি।
২৭ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কবি।

৩০ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১২
প্রতীক্ষা বলেছেন: ইশ! নাম শুনলেও ওকে চিনতাম না!
লেখা অনেক সুন্দর হইছে! :)
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: লেখা সুন্দর বলার জন্য ...

৪১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
প্রতীক্ষা বলেছেন: এত এত্ত মজার সব বিস্কুট! :-* :-*

আমি পোস্ট টাই প্রিয়তে রেখে দিচ্ছি! যেন প্রতিদিন খেতে পারি! :P
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: :P

৪২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
রিমি (স. ম.) বলেছেন: নিঃসন্দেহে পছন্দ হবার মত একটি পোস্ট।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৩. ০২ রা মে, ২০১১ সকাল ৮:০১
নাজিম উদদীন বলেছেন: মীরার ভজন কার গলায় ভাল লাগে। অনুপ জালোটার গলায় শুনছি তত ভাললাগে নাই।
০৩ রা অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১১:৪৮
জটিল বলেছেন: মীরা বাঈ এর প্রতি শ্রদ্ধা ...
০৩ রা অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ