আমার প্রিয় পোস্ট
- পাহাড়, নদী,ঝরনা পেড়িয়ে এক অদ্ভুত স্বর্গরাজ্যে-শেষ পর্ব এবং আমাদের সাতভাইখুম আমিয়াখুম আবিষ্কারের গল্প - শিবলী১২৩
- ইসলামিক স্থাপত্য কলার কিছু মুল বিষয় বস্তু - কিংবা কিভাবে এসেছে আজকের ইসলামিক স্থাপত্য কলা?? - নষ্ট কবি
- বাংলা ব্লগ ও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্লগারদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষন!!! - প্রজন্ম৮৬
- হাজার বছরের পুরোনো রক্তে ভেজা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি, অমর একুশের চেতনা এবং ভিনদেশী সংস্কৃতির নগ্ন আগ্রাসন - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- এন্ড্রয়েড ফোনে বাংলা লিখুন , পড়ুন ! (without rooting) । টেকি পোস্ট - অন্ধকারের রাজপুত্র
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- চর্যাপদ - বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন (চর্যাপদের উপর প্রাথমিকতথ্য…… পোষ্টটি বাংলা ভাষাতত্ত্ব - সাহিত্যর ছাত্র, পেশাজীবি এবং সংস্কৃতি উদ্যমীগণের জন্য নয়
) - সংবাদিকা
- ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় উৎসর্গ:ইমন জুবায়ের - সাঈদ০০৭
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- মনকে দোলা দেয়া কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত (১ম পর্ব) - জাহিদুল ইসলাম জুয়েল
- ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে ও পড়তে সমস্যা??? (রি-পোস্ট) - একজন নিশাচর
- প্রয়োজনীয় কিছু Android Applications . - ই মানব
- ছবি ব্লগ - ইয়ানস ফ্রিবে ও ব্ল্যাক - টর্মেণ্টর্ বিষু
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- পাঁচ হাজার বছর আগের মিশরে বাংলাদেশের স্কুলছাত্র অনন্য - হাফিজুর রহমান মাসুম
- একশত ব্লগার/লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হলো ই-বুক ঈদ সংকলন “ সৃজন ” - সকাল রয়
- অন্তর্জালে আহমদ ছফাঃ একটি লিংক সর্বস্ব পোষ্ট - মুরাদ-ইচছামানুষ
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- (Mozilla Firefox) ফায়ারফক্স কে আমি যেভাবে ব্যাকআপ রাখি - কেন
- আমি কেন হিন্দু? - পাপ্রদজ
- আন্ডারস্ট্যান্ডিং মোহাম্মদ -১ (মূল : আলি সিনা, অনুবাদ: দুরের পাখি) - দুরের পাখি
- বাংলাপিডিয়াতে বাংলা ফন্ট পড়তে পারছি না- প্লিজ হেল্পান।। - বাক স্বাধীনতা
- ভুমির মালিকানা, স্বাধীন গারো রাজ্য এবং আধিপত্যবাদের কাছে গারোদের আদিম সাম্যবাদী সমাজের পতন - কুঙ্গ থাঙ
- মজিলা ফায়ারফক্সের যেই এড ওয়ান গুলো আমারে পাগল করল
- পুশকিন
- ২০টি অতীব জরুরি সফটওয়্যার [টেকি পোস্ট] - শব্দ সৈনিক
- রাজকান্দিঃ লুকানো রাজ্য - দুখী মানব
- বেচারা ইমন জুবায়ের.................ব্যাপারনা - ব্যাপারনা
- মোবাইল থেকে বাংলা লিখুন... - আজব ঢাকা
- আইরিন সুলতানা আমি দুঃখিত কিন্তু কথাগুলো না বলে থাকাটা আরো কষ্টকর - আজিব পোলা
- ব্লগের সব লেখা আপনার কম্পিউটারে!!!!! - আলী প্রাণ
- ডয়েচে ভেলে আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগিতার আর মাত্র ৬দিন বাকী,প্রতিদিন ইমন জুবায়ের ভাইকে একটি করে ভোট দিন। - তৌফিকতুহিন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - ২ - তর্পন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - তর্পন
- ব্ল্যাক এর সব গান! (এপিক পোস্ট)
- দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগীতায় সামহোয়ারইন এর ব্লগার ইমন জুবায়ের কে ভোট দিন - রেজোওয়ানা
- ডয়চে ভেলে সেরা বাংলা ব্লগ প্রতিযোগিতা। ইমন জুবায়ের। - আকাশ অম্বর
- ইমন জুবায়েরকে সেরা ব্লগার হিসাবে দেখতে চাই! - কৌশিক
- এই ব্লগে সবচেয়ে বেশি লেখা পোস্ট করেছেন কে? ইমন যুবায়ের যেমন করেছেন ১১১১টি। - লেখোয়াড়
- কিছু দেশের গান - একলা একজন
- Paintings by Phan Thu Trang - রানা
- ICC Cricket 2011 World Cup - Opening Ceremony *HQ* 550MB MKV - বন্ধুআমার
- আজকে আমার অতি অতি প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের ভাইয়ার জন্মদিন আর সেই উপলক্ষে কিছু স্পেশাল গিফট
- রেজোওয়ানা
- পুরনো দিনে বাংলা সিনেমার যে গানগুলো এতদিন খুঁজছিলাম (প্রায় ২০০ টি গানের লিংক) - shapnobilash_cu
- INSTRUMENTAL--একজন বিদেশী লোকের ফিউশনে যখন বাংলাফোক গান - গানচিল
- ডাউনলোড করলে ফাইল আসব ভাইরাস আটকাইয়া যাইব । (পিছিরে জাল দিয়া আটকান) - সুব্রত সরকার
- ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় আর ছবি আটকে যাবে না - শরীফ মরকার
- আইডিএম ভার্সন ৬.০৩ সাইলেন্ট ইন্সটল! ক্র্যাক/প্যাচ কিস্যু লাগবেনা, খালি ইন্সটলে ক্লিক আর রেজিস্টার্ড রেডিমেড!!
- রাফি মাহমুদ
- মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুদের তিনটি অজানা গল্প শুনুন - কাঊসার রুশো
৫০টির বেশি বাংলা ইবুক এর ডাউনলোড লিঙ্ক এক পোস্টে!
- ডিজে আরিফ রক্স
- বিশ্বব্যাপী মহা মানব ইউনুস নামা প্রকাশিত হইতাছে । এই বার বিশ্ব চিটিং পদকটা যেন দেশের হাত ছাড়া না হয় - রাহিদুল সামান্না রকি
- যে ছোট সফটওয়্যারের কাজ দেখে আমার মুখ হা হয়ে গিয়েছিল….. - হাসান জোবায়ের
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর কিছু ই-বুক - ইদিপাস
- আহাদিলের ভ্রমণ ব্লগ সমগ্র
- আহাদিল
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- ফাইল আপলোড শেয়ারিং আর ব্যাকাপ এর ফাটাফাটি একটা সার্ভিস - ড্রপবক্স! - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- কবিয়াল বিজয় সরকার ও তাঁর গান - আরেফ রিওনেন
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- বর্ষা ও গ্রাম (ছবি ব্লগ) !!!!! - হিবিজিবি
- চৈনিক পুরাণ: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি বিষয়ে ছয়টি কথকতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আত্মগোপন প্রতিটি লেখকের ধর্ম হওয়া উচিত : দেবেশ রায় - সফেদ ফরাজী......
- উইন্ডোজের ড্রাইভারগুলো সংরক্ষণ করুন - শামীম আল মামুন
- জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ - কায়সারহেলাল
- মিশেল ফুকোর বাতি জ্বালানি - সলিমুল্লাহ খান ( দ্বিতীয় পর্ব) - ইকারুসের ডানা
- ই-প্রথম আলোতে দেখুন ব্লক করা বিজ্ঞাপন আর সব খবর পড়ুন জুম করা ছাড়াই

- টেকি মামুন
- অফিস ২০০৭ এর যে কোন Text কে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রুপান্তর করুন - কাজু
- জিযিবেল: সংযুক্তি - আল মুজাহিদ
- প্রসংগঃ আস্তিকের ধর্মকথা-১ - }নবজাতক{
- বিনয় মজুমদারের কয়েকটি কবিতা - পদ্যপালক
- বাংলাদেশের নদ-নদী: কে কোথায় বহমান....৩ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- বাংলাদেশের নদীর নাম : হাজার বছরের কাব্যকীর্তি ! - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৩ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- রক উইথ রবীন্দ্রনাথ - ক্যামেরাম্যান
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি........ - রেজোওয়ানা
- মানিকগঞ্জের জমিদার বাড়ি (ছবি ব্লগ) - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- Ubiquity - ফায়ারফক্সের সেই অল-ইন-ওয়ান এ্যাডঅন যার প্রেমে আজো হাবুডুবু খাচ্ছি
- নাফিস ইফতেখার
- আমার দেখা সবচেয়ে সহজ ইউটিউব ডাউনলোডার
- কুঁড়ের বাদশা
- যাদের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি:: আমার প্রিয় ব্লগার সমগ্র-১ - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ছবি ব্লগঃ পুরাতন প্রাণের টানে - আহমেদ রাকিব
- আসুন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা করি। - মুকুট
- Google Transliteration: বাংলা লেখার সহজতম উপায় - চল বদলাই
- রামপ্রসাদী গান এবং শ্যামাসংগীত - ১ - মে ঘ দূ ত
- আন্তর্জাতীক মুদ্রার হতে বাংলাদেশি টাকার পরিমন নির্ণয় পদ্ধতী - হেডফোন
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্স্পরসের বাহিরে
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- কয়েকটি ওয়েব সাইটের লিংক যেখান থেকে পেতে পারেন সম্পুর্ন গেম,মুভি,সফটওয়্যার,ই-বুকের ডাওনলোড লিংক। - গিফার
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবার দারুন উপায় (১) - রিমঝিম বৃষ্টি
আজ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের জন্মদিন
- সাদা কালো এবং ধূসর
- ইমন জুবায়ের - জন্মলগ্নের শুভেচ্ছা - আকাশ অম্বর
- শুভ জন্মদিন ইমন জুবায়ের ভাই - শ্রাবনসন্ধ্যা
- অভিমান ..... (ব্ল্যাক) - বিষাক্ত মানুষ
- ফায়ারফক্সের দরকারী কিছু অ্যাড-অন - নাসির খান
- তাকে আবার দেখতে উৎসর্গ ইমন জুবায়ের কে - সাদা কালো এবং ধূসর
- তোমাদের জন্য - অপ্সরা
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- প্যালেস্টাইনের লোককবিতা - গেওর্গে আব্বাস
' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

গল্প: স্পর্শ
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৬
বাসে স্টেলাকে বলছিলাম, রবীন্দ্রনাথের মতো কবির কেন পশ্চিম বাংলায় জন্ম হয়েছে জান?
কেন?
পশ্চিমবাংলার তিনটে নদীর নাম ময়ূরাক্ষী, রুপনারায়ন ও সুবর্ণরেখা। যে দেশের নদীর নাম এত সুন্দর আর এত কাব্যিক সে দেশে তো রবীন্দ্রনাথের মতো কবির জন্ম হবেই।
স্টেলাকে কিছুটা বিমূঢ় দেখাল। এমন সব বিস্ময়কর ইতিহাস-পুরাণ বলে বলে ক’দিন ধরে ওকে বিমূঢ় রাখছি। বললাম, দেখ যে ক’দিন পর পৃথিবীর সবাই বলবে যে-বাংলা ভাষাই পৃথিবীর সবচে মধুর ভাষা।
ওহ্ ।
স্টেলা আজ নীল পাড়ের সাদা রঙের সুতীর একটা শাড়ি পরেছে, সেই সঙ্গে কালো ব্লাউজে চমৎকার মানিয়েছে ওকে। মার্কিনী তরুণীর পরনে বাঙালি নারীর ভূষন - বাঙালি পরিচ্ছদের মহিমাই যেন তুলে ধরে। সোনালি চুলগুলি পিছন দিকে টানটান করে বাঁধা। সাদা কপালে বড় লাল টিপ। কানে লাল রঙের মাটির দুল। গোল ফ্রেমের চশমাটা গাম্ভীর্য় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বাসের জানালা দিয়ে ভ্যান দেখেছে। ভ্যানে চড়ব। দশ মাইল বাজারে বাস থেকে নেমেই স্টেলা বালিকাদের মতো আব্দার করে বসল । আমি মুচকি হাসলাম। চারিদিকে বৈশাখের রোদ থইথই করছে। সেই সঙ্গে বাংলার বিখ্যাত উথাল-পাথাল বাতাস। ধুলোও কিছু কম উড়ছে না। অদূরে ভ্যানের জটলা। সেদিকে যেতে থাকি।
চ্যাংড়া মতন দেখতে একজন ভ্যানওয়ালার সঙ্গে কথা হল। আঠারো-উনিশ বছরের ঝকঝকে শ্যামল মুখ। পরনে চেক লুঙ্গি ও ছেঁড়া গেঞ্জি। নাম বলল, মইনুল ইসলাম জুয়েল। বাড়ি এই সুন্দরপুর ইউনিয়নেই-ঢেপা নামে একটি নদীর পাড়ে । নদীটা নাকি এখান থেকে প্রায় এক মাইল পশ্চিমে।
কান্তজিউ মন্দিরে যাব। বলে দু’জনে ভ্যানে উঠে পড়লাম, তারপর পা ঝুলিয়ে পাশাপাশি বসলাম। জুয়েল ভ্যান ঘুরিয়ে নিল। বিদেশিনীকে দেখে উৎসাহ পেয়েছে। ছেলেটি এখনও জানে না আর কিছুক্ষণ পর বিদেশিনী ওর ঘামে ভেজা কালো কপালটি গভীর মমতায় স্পর্শ করবে ।
আমি সিগারেট ধরাতে যাব- ধরালাম না। মেয়েদের শরীর ফুলগাছের মতো, এই মুহূর্তে স্টেলার শরীর থেকে কী রকম বেলী ফুল বেলী ফুল গন্ধ ছড়াচ্ছে। বৈশাখের রক্ষুসী বাতাস সে সুগন্ধকে এলোমেলো করে দিচ্ছে। গন্ধটা আরও নষ্ট করতে আর সিগারেট ধরালাম না ।
সাত সকালে দিনাজপুর শহর থেকে ঠাকুরগাঁওগামী বাসে উঠে দশমাইল নেমেছি। দিনাজপুর শহরে আমরা দু’জন গতকাল সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছি। উঠেছি রাধারানী মাসীর বাড়ি। রাধারানী মাসী মঞ্জু খালার সই, ষাটের দশকের শেষের দিকে মঞ্জু খালা আর রাধারানী মাসী ইডেন কলেজে পড়তেন। ভারি হাসিখুশি মহিলা, ঢাকায় অনেকবারই দেখেছি, আমি কখনও দিনাজপুর শহরে এলে রাধারানী মাসীর বাড়িতেই উঠি। রাধারানী মাসী স্টেলাকে মুহূর্তেই আপন করে নিয়েছেন। স্টেলার গলায় যে রামনগরী পুঁতির মালা ঝকমক করছে, সেটি রাধারানী মাসীর গিফট । রাধারানী মাসী আদর করে ওর নাম রেখেছে শ্রাবণী। স্টেলাকে আমি কখনও-সখনও বলি, বর্ষন। যেহেতু স্টেলার নবজন্ম হয়েছে।
ক’দিন ধরেই স্টেলাকে বাংলার ইতিহাস বলে যাচ্ছি। এখন বললাম, অস্টাদশ শতক ছিল বাংলার জন্য পালা বদলের কাল।
পালা বদলের কাল? কেন?
কারণ অস্টাদশ শতকে বাংলায় মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে আর ইংরেজ শাসন শুরু হয়।
ও।
অস্টাদশ শতকে এই দিনাজপুর জেলার মহারাজা ছিলেন প্রাণনাথ রায়। তিনি কৃষ্ণের আরাধনা করতেন। এই ফাঁকে বলে নিই যে বিষ্ণু হলেন ভারতবর্ষের অন্যতম বৈদিক দেবতা আর কৃষ্ণ হলেন বিষ্ণুর অবতার।
বুঝেছি।
বাংলার নদীয়ার শ্রীচৈতন্যদেব আবার কৃষ্ণর অবতার। যা হোক, সেসব কথা অন্য সময়ে বলব। কৃষ্ণর জন্ম হয়েছিল উত্তর ভারতের মথুরায়। সেই কৃষ্ণের উপাসনা করতেন দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ রায়। দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণর আরাধনা করছেন, মনের ইচ্ছে কৃষ্ণর নামে একটি মন্দির নির্মান করবেন । কোথায় করা যায়। অনেক ভেবেচিন্তে কান্তপুর গ্রামকেই কান্তজিউ মন্দির নির্মাণের স্থান হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
কান্তজিউ?
কান্তজিউ মানে কৃষ্ণজী বা শ্রীকৃষ্ণ।
ওহ্ ।
স্থান নির্বাচনের পর কৃষ্ণ মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তার আগে বাংলার নানা প্রান্ত থেকে শিল্পীরা নির্মাণ শ্রমিকেরা মহারাজা প্রাণনাথ রায়ের দরবারে ছুটে আসে। তাদের বেশির ভাগই মুসলিম। যা হোক। মহারাজ ঘুনাক্ষুরেও টের পাননি একদিন দেশবিদেশ থেকে পর্যটক এসে কান্তজিউ মন্দির দেখে মুগ্ধ অভিভূত হয়ে যাবে। কান্তজিউ মন্দির হয়ে উঠবে দিনাজপুরের গৌরব। বাননগর জায়গাটি দিনাজপুরের গঙারামপুরের কাছে । সেখানে নাকি একটি প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ ছিল। সেই ধ্বংসাবশেষ দিয়েই নাকি নির্মাণ উপকরণ সংগ্রহ করা হয়েছিল। সত্যমিথ্যা জানি না। লোকে বলে। এর আগেরবার যখন এসেছিলাম, তখন শুনেছি। যা হোক। মহারাজা প্রাণনাথের স্ত্রীর নাম রুকমিনি দেবী। প্রাণনাথ-রুকমিনি দম্পতি নিঃসন্তান ছিলেন।
আহা।
তবে একটি পুত্র সন্তান দত্তক নিয়েছিলেন। সেই ছেলের নাম ছিল রামনাথ।
রামনাথ?
হ্যাঁ। রামনাথ। যাহোক। মন্দিরের কাজ অসমাপ্ত রেখে ১৭২২ সালে মহারাজা প্রাণনাথ মারা যান। এরপর তাঁর দত্তকপুত্র রামনাথ রাজা হন। মহারাজা প্রাণনাথ রায়ের মৃত্যুর ফলে মন্দিরের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মহারাজা প্রাণনাথের স্ত্রী রুকমিনি দেবী তখন গভীর শোকে শোকাচ্ছন্ন। তা সত্ত্বেও তিনি প্রবল শোক কাটিয়ে উঠে ছেলেকে বললেন, তুই তোর বাবার আরাব্ধ কাজ শেষ করবি নি রাম? ছেলে বলল, করব মা। মন্দিরের নির্মাণ কাজ আবার শুরু হল। যা হোক। ১৭৫২ সালে মন্দিরের কাজ শেষ হয়। তোমাকে আমি ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনের কথা বলেছি না সেদিন?
হ্যাঁ।
কান্তজিউ মন্দিরের নির্মাণ কাজ শেষ হয় ভাষা আন্দোলনের ঠিক ২০০ বছর আগে।
ওহ্ ।
এর আরও ৫ বছর পর অর্থাৎ ১৭৫৭ সালে বাংলা ব্রিটিশ বেনিয়াদের দখলে চলে যায়।
ওহ্ ।
এই পর্যন্ত বলে আমি চারিদিকে তাকালাম। স্টেলা গভীর চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল। গায়ে রোদ পড়ছে। অপরিসর রাস্তাটি বেশ আঁকাবাঁকা। দু’পাশে নাগলিঙ্গম গাছ, নাড়িকেল গাছের সারি, দীর্ঘ দীর্ঘ কড়–ই গাছ, তার মনোরম ছায়া। প্রবল বাতাসের বিরুদ্ধে প্রাণপন যুদ্ধ করে ভ্যান টানছে জুয়েল । এদেরই পূর্বপুরুষ সম্ভবত এখানকার রাজরাজড়াদের পালকি টানত । কত বছর আগে এ পথেই মহারাজা প্রাণনাথ, রাজা রামনাথ পালকি করে গিয়েছেন । মহারাজা প্রাণনাথ রায়ের স্ত্রী রুকমিনি দেবী কি পালকি কিংবা হাতীর পিঠে চড়ে মন্দির আসেন নি? নিশ্চয়ই এসেছেন। কিন্তু মহারাজা প্রাণনাথ রায়ের রাজবাড়িটি কোথায় ছিল? আশেপাশেই সম্ভবত। মহারাজা প্রাণনাথ রায়ের বসতভিটে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে অথচ তাঁর কীর্তি আজও টিকে রয়েছে। কী আশ্চর্য!
স্টেলার মোবাইলটা বাজল। কার সঙ্গে কথা বলল কিছুক্ষণ। তারপর ফোন অফ করে বলল, মনিকা চাকমা।
ওহ্ ।
মনিকা চাকমা রাঙামাটির মেয়ে। আমরা যখন রাঙামাটির সাপছড়ি যাই তখনই ওর সঙ্গে পরিচয়। মেধাবী ঝকঝকে এক কিশোরী। স্টেলার সঙ্গে মনিকার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর হয়ে উঠেছে। মনিকা চাকমার ছোট ভাইয়ের নাম অঢং চাকমা- বারো বছরের নাদুসনুদুস বালক। অঢং -এর একটি পোষা ময়না ছিল, সেটি কী ভাবে যেন পালিয়ে যায় -আমরা যখন সাপছড়িতে ওদের বাড়ি ছিলাম তখনকার ঘটনা। অঢংয়ের সে কি কান্না, আর সবার মন খারাপ। সেই ময়নাই নাকি আবার ফিরে এসেছে। মনিকা চাকমা তাই জানাল ফোনে। যাক। স্টেলাকে কেমন নিশ্চিত লাগছে।
আশ্চর্য! এক মার্কিনী মন কী ভাবে যেন বাংলার বনপাহাড়ী সত্তায় ক্রমশ মিশে যাচ্ছে।
কান্তজিউ মন্দিরের সামনে একটা পুরনো বটগাছ। তার সামনে ভ্যান দাঁড় করালো জুয়েল। এই সকালেও বেশ ভিড়। ভ্যানের জটলার পাশে ইউএনডিপির একটা মাইক্রোবাস থেমে আছে। মনে পড়ল ফ্রান্সের কারিগররা কান্তজিউ মন্দিরের স্থাপনা অক্ষুন্ন রেখে সংস্কার করেছিল। কয়েক জন ফরেনার দাঁড়িয়ে আছে মাইক্রোবাসের সামনে। বিদেশি মহিলারা স্টেলার দিকে তাকাল। স্টেলা কে শাড়ি পরা কেল্টিক দেবীর মতন লাগছে। (স্টেলার পূর্বপুরুষরা ছিল আইরিশ) ...অদূরের ৫২ বর্গফুট আয়তনের মন্দিরের লালচে অবয়বের দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে স্টেলা । বেশ বুঝতে পারছি পাঁচতলা উঁচু মন্দিরের লাল রঙের স্থাপত্য স্টেলার চোখ কেড়েছে।
জুয়েলকে আইসক্রিম খাওয়ার জন্য কুড়ি টাকা দিয়ে পায়ে পায়ে এগিয়ে যাই। চারিদিক বৈশাখি রোদে ডুবে আছে। মন্দিরের সামনে সিমেন্টের চত্তর, সেই সিমেন্টের চত্তরের এপাশে ঘাস, একটি বাছুর চড়ে বেড়াচ্ছে। সিমেন্টের চত্তরের পর ভিত। ৩ ফুট উঁচু ভিতের ওপর পুরো মন্দির দাঁড়িয়ে। তিনটি ধাপে উঠে গেছে। তিনটে খিলান-দরজার ওপর চোখ রাখতেই মুহূর্তেই সময় যেন আড়াই ’শ বছর পিছনে চলে গেল।
স্টেলা অভিভূত হয়ে দেখছে। মুখে বিস্ময়ের ছাপ স্পষ্ট। ওকে বললাম, এই মন্দিরটি কিন্তু নবরতœ মন্দির নামেও পরিচিত।
নবরতœ মন্দির? কেন?
মন্দিরের চারপাশে ৯টি শিখর ছিল। এখন আর নেই। ১৮৯৭ সালে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে হয়েছিল। তখন ধ্বংস হয়ে যায়।
ওহ্ ।
মন্দিরটি এখন মাটিতে ধীরে ধীরে ডেবে যাচ্ছে ।
ওহ্ ।
আমরা আরও এগিয়ে যাই। স্টেলা ওর ক্যামেরার প্যারামিটার অ্যাডজাস্ট করছে। মন্দিরের ভিত থেকে শুরু করে চূড়া পর্যন্ত দেয়ালের ভিতরে বাইরে প্রতিটি ইঞ্চিতে পোড়ামাটির অলঙ্করণ। পোড়ামাটির এই অলঙ্করণই মন্দিরের মূল আকর্ষন। পোড়ামাটির অলঙ্করণ ফুল-ফল-লতা-পাতাসহ নানা পৌরানিক কাহিনী ফুটে উঠেছে।
খুব কাছ থেকে টেরাকোটার অপূর্ব সব কাজ দেখে স্টেলা অস্ফুট স্বরে বলল, আশ্চর্য!
বললাম, মন্দিরের কাজ শেষ করতে সব মিলিয়ে তিরিশ বছর লেগেছে। পৌরানিক কাহিনীর চিত্রগুলি ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ন ও মহাভারত থেকে নেয়া। দেখ যে ... রাধাকৃষ্ণর কাহিনীও ফুটিয়ে তুলেছে। সেই সময়ের মানুষের সাধারন জীবনের ছবিও আছে। আর দেখ ... এই যে ... মুগল বাদশাদের জীবনযাত্রা। সেদিন তোমায় মুগলদের সম্বন্ধে বলেছি না?
হ্যাঁ।
মনে আছে-তখন আমি বলেছিলাম যে অস্টাদশ শতক ছিল বাংলার জন্য পালা বদলের কাল। কারণ অস্টাদশ শতকে বাংলায় মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে আর ইংরেজ শাসন শুরু হয়।
হ্যাঁ।
এই যে দেখ ... সৈন্যদের পরনে ইউরোপীয় পোশাক। মোট কথা তখনকার দিনের সামাজিক-রাজনৈতিক জীবন ফুটে উঠেছে পোড়ামাটির কারুকাজে । আর, একটা কথা এই মন্দিরের পোড়ামাটির মৃৎশিল্পীরা কিন্তু মুসলিম ছিল।
হ্যাঁ। তখন একবার বলেছিলে।
রাজা প্রাণনাথ রায় ও রামনাথ রায় দু’জনই কিন্তু মানুষ হিসেবে অত্যন্ত উদার ছিলেন। মন্দিরের অলঙ্করণের কাজ মুসলমান শিল্পীদের দিয়ে করিয়েছেন। ভাবলে অবাক হতে হয় ধর্মপ্রাণ মুসলিম শিল্পীরা রামায়ন-মহাভারত রাধাকৃষ্ণের লীলার ছবি এঁকেছে। ধর্মপ্রাণ বললাম এই কারণে যে মুসলিম শিল্পীরা নামাজ পড়ার জন্য নিজেরাই একটি মসজিদ নির্মান করেছিল।
তাই নাকি?
হ্যাঁ। তারাই আবার সেই মসজিদের দেয়ালে পোড়া মাটির অলঙ্করণ করেছে ।
কোথায় সেটি? স্টেলার মুখেচোখে গাঢ় বিস্ময় ফুটে উঠতে দেখলাম।
এখান থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে। নয়াবাদ বলে একটি জায়গায়। গতবার যখন এসেছিলাম, তখনই একবার গিয়েছিলাম।
আমি যাব।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
স্টেলা ঘুরে ঘুরে দেখছে। ছবি তুলছে। এরই এক ফাঁকে ওকে বললাম, সবাই জানে ভারতবর্ষ মন্দিরের দেশ।
হ্যাঁ। তাই তো।
কিন্তু এখন সবাই জানে, কান্তজিউ মন্দিরের চেয়ে সুন্দর মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশে আর একটিও নেই।
ওহ্ । আসলেই। আমি ভীষন ... ভীষন মুগ্ধ। বাংলাদেশের একটি নিভৃত গাঁয়ে পোড়ামাটির এমন অপরুপ কারুকাজ দেখব ভাবতেই পারিনি ...মানে মানে ...আমি কি বলব বুঝতে পারি না ...
আমি চুপ করে থাকি। তারপর বললাম, কান্তজিউ মন্দির কেবল সুন্দরই নয় এর তাৎপর্যও অনেক গভীর।
যেমন?
যেমন মন্দিরটি ব্রিটিশ-পূর্ব সময়ের বাংলার আন্ত;ধর্মীয় স¤প্রীতির অন্যতম নিদর্শন। বিশ্বজুড়ে যার বড় অভাব আজ।
স্টেলা মাথা নেড়ে বলল, হ্যাঁ। কিন্তু, আমি ভাবছি কান্তজিউ মন্দিরে পোড়ামাটির কারুকাজের ভাবনাটা কার মাথায় এসেছিল- মহারাজা প্রাণনাথ রায়ের না রাজা রামনাথ রায়ের?
বললাম, যারই হোক, শিল্পীর মন ছিল তাঁর। মহারাজা প্রাণনাথ রায়, রাজা রামনাথ রায়-এরা দু’জনই ছিলেন অস¤প্রদায়িক। ভাবলেই অবাক হতে হয় প্রায় তিরিশ বছর ধরে একটি কৃষ্ণমন্দির গড়ে উঠছিল কয়েকজন মুসলমান মৃৎশিল্পীর হাতে! সেই মুসলিম শিল্পীরা নামাজ আদায়ের জন্য একটি মসজিদ নির্মান করে। নয়াবাদে সেই মসজিদেও পোড়া মাটির অলঙ্করণ করেছে তারা। নিশ্চয়ই রাজা রামনাথ এর অনুমোদন ছিল, সেজন্য অর্থও বরাদ্ধ করেছিলেন রাজা। আরও গভীরে যাই। মহারাজা প্রাণনাথের স্ত্রী রুকমিনি দেবী, দত্তকপুত্র রাজা রামনাথ এর ওপর যাঁর গভীর প্রভাব ছিল। মুসলমান কারিগরেরা নয়াবাদে একটি মসজিদ নির্মাণ করবে যে মসজিদের দেওয়ালে থাকবে পোড়ামাটির কারুকাজ ... সেই বিষয়ে রুকমিনি দেবীর সম্মতি নিশ্চয়ই ছিল।
স্টেলা শ্বাস টানল। তারপর গভীর আবেগে বলল, শুধুমাত্র ... শুধুমাত্র এই একটি মাত্র কারণেই দুই বাংলার প্রতিটি বাঙালিরই জীবনে অন্তত একবার এই কান্তনগর আসা উচিত তাদের...তাদের উদার মহৎ পূর্বপুরুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে।
স্টেলার আবেগ আমাতেও সংক্রমিত হয়েছে। উত্তরে কি বলতে যাব-বিজবিজ বিজবিজ করে আমার পুরনো নকিয়াটা বাজল । অপরিচিত নম্বর। আমি অবাক। কে হতে পারে? বললাম, হ্যালো।
নমস্কার দাদা। আমি মনোরঞ্জন শীল গোপাল। স্থানীয় সংসদ সদস্য।
জ্বী। বলুন।
একটু আগে রাধারানী সরকার আমায় আপনার নম্বর দিলেন।
রাধারানী সরকার? ওহ্, রাধারানী মাসী ...হ্যাঁ বলুন।
আজ দুপুরে আমার এখানে চারটা ডালভাত খেলে খুউব খুশি হতাম। দুদিন ধইরে আমি দশ মাইলে আছি। কালও থাকব। তারপর কাহারোল চলে যাব, বুইঝলেন। ইরিগেসন সমস্যা চইলছে, বুইঝলেন না?
বললাম, অনেক ধন্যবাদ দাদা। বিদেশি গেস্ট নিয়ে আপনাদের এলাকা ঘুরে ঘুরে দেখছি, কখন কোথায় থাকি ঠিক নেই। পরে আপনার সঙ্গে অবশ্যই যোগাযোগ করব।
ঠিক আছে। তালে আমার নম্বরটা সেভ করে রাখেন। কোনও সমস্যা হলি পর জানাবেন।
ওকে।
ফোনটা অফ করে স্টেলার দিকে তাকালাম। মুখে ঘাম জমেছে। রুমাল বের করে মুছিয়ে দিতে পারছি না। আমরা দু’জন ঠিক এখনও অতটা ঘনিষ্ট বন্ধু হয়ে উঠিনি যে কৌশলে বলব রুমাল বের করে মুখটা মুছে নিলে হয় না। আমি বড়জোড় একজন গাইড। হ্যাঁ, গাইড। যে কি না এই মার্কিনী তরুণীকে কৌশলে জানিয়ে দিচ্ছে এই পৃথিবীরই আশ্চর্য এক লোকালয়ের বিস্ময়কর উপকথা ...যে লোকালয়ের মানুষের জীবনধারা ও চিন্তাভাবনা নিয়ে পৃথিবীর লোকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে ...ফ্রান্সের প্যারিসের লালনের ভাস্কর্য তৈরি হচ্ছে। তারপরও কি এই মার্কিনী মেয়েটাকে সবটা বলা যাবে? যায়? যদি বলি আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেখান থেকে খুব কাছেই ‘পুনর্ভবা’ নামে একটি নদী বয়ে চলেছে, যে নদীর নাম হাজার বছরের পুরনো একটি শিক্ষিত জনসমাজের কাব্য রুচির প্রতিফলন ...অথচ ...অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠা এই সেদিন ১৯২১ সালের পর ...
আচ্ছা মন্দিরের শিল্পীরা কি সবাই দিনাজপুরের?
স্টেলার প্রশ্নে বাস্তবে ফিরে এলাম। বললাম, না, না, তা কি করে হয়। শিল্পীরা তো এক জায়গায় থাকে না। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। তবে শিল্পীরা সবাই বাঙালি। অনেকেই কৃষ্ণনগর বলে একটা জায়গার। কৃষ্ণনগর জায়গাটা এখন পশ্চিম বাংলায়।
বলতে বলতে মন্দিরের মূল প্রাঙ্গন থেকে বাইরে বেড়িয়ে এসেছি। নয়াবাদে যে মসজিদ আছে, ওটা চোখে দেখার আগ্রহ স্টেলার মুখেচোখে প্রবল। মসজিদ দেখে আবার এখানেই ফিরে আসব। বিকেলের আগেই আবার দশ মাইল বাজার থেকে দিনাজপুরের বাসে উঠব।
ভ্যানের জুয়েল দাঁড়িয়ে ছিল। আইসক্রিম খাচ্ছিল। আমাদের দেখে হাসল। কি রে জুয়েল। তুই নয়াবাদের মসজিদটা চিনিস না?
জুয়েল মাথা ঝাঁকাল।
ওখানে যাব। আমাদের নিয়ে যাবি?
জুয়েল মাথা ঝাঁকাল। হাসল।
রসিকতা করে বললাম, যাব তো। কিন্তু, দুপুরে খিদে পেলে-তখন?
জুয়েল হাসল।
তোদের বাড়িতে আজ কি রেঁধেছে রে?
টাকি মাছের ভর্তা।
ঢেপা নদীর টাকি?
হয়। মেজ ভাই ধরিছে।
আজ যদি দুপুরে তোদের বাড়িত যাই তো ? ... আমাদের দু’জনের পাতে ভাতের সঙ্গে অল্পখানি টাকি মাছের ভর্তা
জুটবে তো?
জুয়েল মাথা ঝাঁকাল। হাসল।
স্টেলা আমাদের কথা শুনছিল। আগামাথা বুঝছিল না কিছু। বোঝার কথাও না, এ গভীর মধুর বুঝতে হলে ওকে আরও হাজার বছর বাংলার এই বিস্ময়কর জলহাওয়ায় বেঁচে থাকতে হবে। ঘুরে একবার ক্যামেরায় মন্দিরের শট নিল স্টেলা। তারপর আপন মনে বলল, সে যুগের বাংলার সমাজ এত অসাধারন উদার শিল্পীর জন্ম দিয়েছে যারা প্রার্থনার জন্য মসজিদ তৈরি করেছিল আবার কৃষ্ণমন্দিরে মাটি পুড়িয়ে রাধকৃষ্ণের লীলার ছবি ফুটিয়ে তুলেছিল ... ভাবলে কেমন যেন লাগে ...
হ্যাঁ। মুহূর্তেই আমার জয়নুল আবেদীন আর এস. এম সুলতানের কথা মনে পড়ে গেল। সে কথা ভেবে বললাম, এই জুয়েলও কিন্তু সেই সমাজেরই একজন। বলে পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বার করলাম। অনেকক্ষণ ধোঁয়া গিলছি না, মাথাট টলছে।
কথাটা স্টেলা শুনল। ওর মুখের ঘোর তখনও কাটেনি। অভিভূত স্টেলা সামান্য ঝুঁকে জুয়েলের ঘামে ভেজা কালো কপালটি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্পর্শ করল।
আমি আর সিগারে ধরালাম না।
র্স্পশের এই সুন্দর দৃশ্যটি তামাকের কটূ গন্ধে ম্লান করার অধিকার আমার বিন্দুমাত্র নেই।
উৎসর্গ; রেজওয়ানা আর সোহামনি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস সোহান ...
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
নিচের এই জাফরিন-এর পোস্টে কান্তজীউ মন্দিরের কিছু চমৎকার ছবি পাবেন ...Click This Link
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
বরাবরের মতৈ ভালো লাগা!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস!
রাজসোহান বলেছেন:
পুরো গল্প টা পড়ে খুবই শান্তি লেগেছে। সক্কাল বেলা এ রকম ইতিহাস মিশ্রিত গল্প পড়ে খুবই ভালো লাগতেছে,
আমার সবচেয়ে পছন্দ হয়েছে বিদেশিনীর সৌন্দর্য বর্ণনা টা
স্টেলা আজ নীল পাড়ের সাদা রঙের সুতীর একটা শাড়ি পরেছে, সেই সঙ্গে কালো ব্লাউজে চমৎকার মানিয়েছে ওকে। মার্কিনী তরুণীর পরনে বাঙালি নারীর ভূষন - বাঙালি পরিচ্ছদের মহিমাই যেন তুলে ধরে। সোনালি চুলগুলি পিছন দিকে টানটান করে বাঁধা। সাদা কপালে বড় লাল টিপ। কানে লাল রঙের মাটির দুল। গোল ফ্রেমের চশমাটা গাম্ভীর্য় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
লেখক বলেছেন: গল্প পড়ে শান্তি লাগতেছে শুনে আমার ভালো লাগতেছে।
স্টেলার কথা আর কী বলব ...সে যে ...
লেখক বলেছেন: সোহামনি হল রেজওয়ানা আপুর মেয়ে। রেজওয়ানা আপুর প্রোফাইলের শিশুটিই সোহামনি ... আর এই লিঙ্কে সোহামনির ছবি আছে
Click This Link
মেহবুবা বলেছেন:
লেখাটা পড়ে বলে দেয়া যায় এটা কার লেখা ।এমন লেখায় আপনার তথ্য উপস্থাপনের ভঙ্গী চমৎকার ।
( স্টেলার জন্য গোপনে বলে রাখি দিনাজপুরের এ নদীর নাম পূনর্ভবা , কম সুন্দর নয় এ নাম ) ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আর, ‘পুনর্ভবা’ নিয়ে লিখেছি ...যদি বলি আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেখান থেকে খুব কাছেই ‘পুনর্ভবা’ নামে একটি নদী বয়ে চলেছে, যে নদীর নাম হাজার বছরের পুরনো একটি শিক্ষিত জনসমাজের কাব্য রুচির প্রতিফলন ...অথচ ...অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠা এই সেদিন ১৯২১ সালের পর ...
বানান সম্ভবত পূনর্ভবা হবে ...
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা কপোত
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা দ্বিজু ... উপলব্ধি করবার জন্য।
প্রতীক্ষা বলেছেন:
গল্পের মধ্যে এত সুন্দর করে কান্তজিউ মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরছো! 'কান্তজিউ মন্দিরের চেয়ে সুন্দর মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশে আর একটিও নেই' একদিন ঘুরে আসতেই হয়!
তোমার লেখা পড়লে না জানো খুব অদ্ভূত একটা অনুভূতি হয়! মনে হয় তুমি যা লিখছো তা বাস্তবে ঘটছে!
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। অনেক অনেক কিউট।
সায়েম মুন বলেছেন:
গল্পের ভিতর অনেক কিছু জানতে পারলাম!!!
অট.
রাজসোহান বলেছেন: আচ্ছা একটা প্রশ্ন, রেজওয়ানা আপুকে তো চিনলামই , সোহামনিটা কে? B:-)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আর, সোহামনি হল রেজওয়ানা আপুর মেয়ে। রেজওয়ানা আপুর প্রোফাইলের শিশুটিই সোহামনি ...
লেখক বলেছেন: আমারটা আমার প্লেটে নিয়ে তোমারটা তোমার প্লেটে দিয়েছি
সায়েম মুন বলেছেন:
ও আচ্ছা মনে পড়েছে। রেজোওয়ানা আপুর পিচ্চিটার নাম সোহামনি। ভুলে যাওয়ার জন্য আমাকে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আমি আর মাইনাস দিলাম না। রেজওয়ানা এসেই দেবে
লেখক বলেছেন:
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
দারুণ।+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি।
েদশী িহেরা বলেছেন:
ভীষন ভাল লেগেছে, ++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অপু২৮৩৮ বলেছেন:
অসাধারন ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একা একা খিচুড়ি খেলে?
রি য়া দ বলেছেন:
কান্তজীউ মন্দিরে অনেক বছর আগে গিয়েছিলাম.. নয়াবাদ মসজিদেরকথাটা জানা ছিলনা..এখন আবার দেখতে ইচ্ছে করছে..
আর গল্পটার জন্য++++
লেখক বলেছেন: নয়াবাদের মসজিদ এর সংরক্ষণে প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ নাকি তত যত্ন নেয়নি ...তথ্যটি অত্যন- দুঃখজনক। তুমি সরেজমিন তদন- করে ছবিসহ ব্লগে পোস্ট করতে পার। নয়াবাদের মসজিদ এর গুরুত্ব কান-জীউ মন্দিরের তুলনায় কোনও অংশেই কম নয়।
ভাঙ্গন বলেছেন:
দারুন লেগেছে গল্পটা।তবে ভাবতে ভাল লাগছে যখন সোহামনি বড় হয়ে গল্প পড়তে শিখবে, তখন দেখবে তাকে অনেক আগেই একজন মহৎপ্রাণ একটা গল্প উৎসর্গ করে গেছেন।
সেটা সত্যি দুর্লভ অভিজ্ঞতা!!
লেখক বলেছেন: সোহামনির অনেক সৌভাগ্য, কারণ ও বড় হতে হতে বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে এমন কতগুলি বিষয় জানবে যা প্রতিটি বাঙালি ছেলেমেয়ের জানা উচিত কিন' জানে না ...
লেখক বলেছেন: সুপ্রিয় পাঠক, আমি আর কিছু নাই বলি ...
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
_______________________________________________
ফাতরামিতে আমার আজন্ম আধিকার ....................বাকীটা .............হা হা হা
লেখক বলেছেন:
সিনসিয়ার বলেছেন:
সকালবেলায় ব্লগে ঢুকেই দেখলাম আপনে লগডইন...মনে হলো আরো একটা গল্প আসছে...আসলোও....কিন্তু গল্পটা আসার পর পরই (সোহান পুত্তম পেলাচ দেওয়ার আগেই) এখানে ঢুকেছি....এখনো পড়া হলো না নিজেকে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: মাঝে-মাঝে আমারও এমন হয়। ধীরেসুস্থে পড়বেন না হয়।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
হে প্রিয়তম, আমি আর কিছু নাই বলি
লেখক বলেছেন: তুমি রবে নীরবে নিশিথীনিসম ...
কালপুরুষ বলেছেন:
গল্পের মধ্যে ইতিহাস তাই গল্পটাও ইতিহাস হয়েই থাকবে। খুব ভাল লাগলো। স্টেলাকে নিয়ে আরো কিছু গল্প আসবে আশাকরি।
লেখক বলেছেন: লিখব কবি। অনেক ধন্যবাদ।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
অসাধারন লাগলো ইমন। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মনে আছে তো?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হ্যাঁ। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মনে আছে ...
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
স্টেলা আজ নীল পাড়ের সাদা রঙের সুতীর একটা শাড়ি পরেছে, সেই সঙ্গে কালো ব্লাউজে চমৎকার মানিয়েছে ওকে। মার্কিনী তরুণীর পরনে বাঙালি নারীর ভূষন - বাঙালি পরিচ্ছদের মহিমাই যেন তুলে ধরে। সোনালি চুলগুলি পিছন দিকে টানটান করে বাঁধা। সাদা কপালে বড় লাল টিপ। কানে লাল রঙের মাটির দুল। ইমন ভাই.........এমন আজব সাজ মেয়েরা কখনোই সাজে না। কবি হয়ে আপনি কেমনে এইরকম ভাবলেন! নীল সাদা শাড়ীতে কালো ব্লাউজ আবার লাল কানের দুল.........কিচ্ছু ম্যাচিং হল না।
লেখক বলেছেন: খুঁত একটা ধরতেই হবে?
তারপরও বলি, মেয়েটা বিদেশি, ওকে সাজানো হয়েছে, যারা সাজিয়েছে হয়তো তারা আপনার মতো ভাবে না।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন:
শিরীষ বলেছেন:
আমি মন্দিরটি দেখেছি। মনে পড়ে যাচ্ছে সেই দিনটির কথা। আফসোস হচ্ছে, এরকম একটি লেখা পড়ে গেলে মন্দির দর্শন হয়তো আরো পূর্ণতা পেতো। এই গল্পের মাধ্যমে আবার যেন মন্দির দর্শন হল। ধন্যবাদ ইমন ভাই। সবচেয়ে ছুঁয়ে গেল মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক বোধের বিষয়টি। আপনার বর্ণনায় উপাস্য হয়ে রইল সেই সময়, মহারাজা-রানী'র শুভবোধ, কান্তজিউ, মৃৎশিল্পী, ময়না'র ফিরে আসা, নয়াবাদের মসজিদ, পোড়ামাটির কারুকাজময় অলঙ্করণ...
লেখক বলেছেন: লেখাটা এতক্ষণে সার্থক হল।
লবঙ্গলতিকা বলেছেন:
ইতিহাস জড়ানো গল্প খুব ভাল লাগে আমার।আপনার লেখা প্রায় সবগুলোই পড়েছি, কিন্তু কি লিখবো কো লিখবো ভেবে কিছুই লিখতে পারিনি.........
খুবই চমৎকার লিখেন আপনি............
লেখক বলেছেন: এত ভেবে কি হবে। লেখা শুরু করে দিন।
প্রথম একটি বাক্য লিখুন অতীত-বর্তমান কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে। তারপর পরের বাক্যটি লিখুন। দেখবেন লেখা একসময় শেষ হয়ে গেছে ।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
..............সোহাবাবুর জন্য আমরা একটা ম্যাজিক বক্স বানিয়েছিলাম। এখানে তার একেবারে শিশুবেলার বিশেষ বিশেষ জিনিস, যেমন প্রথম জামা যেটা পড়ানো হয়েছিল, প্রথম পাওয়া উপহার গুলো, প্পথম বিছানা, বালিশ, ফিডার ইত্যাদি রাখা হয়েছে। ওর যখন ১৮ বছর বয়স হবে তখন যদি আল্লাহ বাচিয়ে রাখে, এটার চাবি তার হাতে দেয়া হবে। আজ নতুন একটা জিনিস সংযোজন হলো তার ম্যাজিক বক্সে, যা নি:সন্দেহে ওনেক মুল্যবান একটা উপহার ওর জন্য.............
লেখক বলেছেন: শুনে ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন:
আকাশ অম্বর বলেছেন:
সুন্দর, ইমন ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আকাশ।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
মন্দিরটা দেখতে যাব সুযোগ খুঁজতেছি। সম্ভবত জুন মাসের কোন এক সময়। দিলেন তো মাথার মধ্যে একটা ভুত ঢুকিয়ে।
লেখক বলেছেন:
সুবিদ্ বলেছেন:
অনন্য একটা লেখা পড়লাম.......আমাদের দেশে যারা গাইডের কাজ করেন, তারা যদি সত্যিই এমনভাবে বিদেশিদের কাছে আমাদের ঐতিহ্য তুলে ধরতে পারতেন!!!
নয়াবাদের মসজিদের কথা জানা ছিলনা......খুব ইচ্ছা করছে যেতে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
নয়াবাদের মসজিদে অবশ্যই যাবেন।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
Click This Link নদীর নামের কাব্যিক সৌন্দর্য নিয়ে অতিছোট্ট একটা পোস্ট দিয়েছিলাম।
গল্পটা খুব ভালো লেগেছে। সবাই কান্তজীর মন্দির বলে। আপনাকে ধন্যবাদ সঠিক নামটি ব্যবহারের জন্য।
লেখক বলেছেন: দেখছি।
অনেক ধন্যবাদ।
দীপান্বিতা বলেছেন:
খুব সুন্দর লাগলো, ইমনভাই! মনে হল আপনাদের সাথে আমিও ছিলাম...স্টেলাকে দেখলাম, জুয়েলকে দেখলাম...আর আপনার সুন্দর বর্ণনায় মুগ্ধ হলাম...লেখক বলেছেন: বাহ্ , খুব সুন্দর করে বললে তো ...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















এখন পড়ি