আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

কারাতে: সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৮

শেয়ারঃ
24 0



‘কারাতে’ শব্দটা জাপানি; এর অর্থ “খালি হাত”। কারাতে হল খালি হাতে একধরনের ‘মার্শাল আর্ট” বা মল্লযুদ্ধ - যে মল্লযুদ্ধের উদ্ভবের পিছনে একজন ভারতীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে ...বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি কারাতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং এর বিচিত্র কলাকৌশলের কারণেই অসম্ভব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।


বোধিধর্ম ছিলেন খ্রিস্টীয় ৫ম শতকের একজন ভারতীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু। মাঝে-মাঝে আমি ভাবি বোধিধর্ম বাঙালি ছিলেন কি না; কেননা ঐ সময়ে প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধধর্মের জয়জয়াকার। ৭ম শতকের চর্যাপদের কথা তো জানি। সম্ভবত বোধিধর্ম ছিলেন সেই চর্যাপদের রচয়িতাদের পূর্বসূরি। বোধিধর্ম চিনে গিয়েছিলেন এবং ইনিই বিশ্বের এক পরিশীলিত দর্শন-জেন বৌদ্ধদর্শনের জনক।



চিনের মানচিত্র।পশ্চিমে ভারতবর্ষ, উত্তরে চিন এবং পুবে জাপান। কারাতের উদ্ভব ও বিকাশ স্থল।

কারাতের উদ্ভব সর্ম্পকে চিন ও জাপানে একটি উপকথা রয়েছে। বৌদ্ধধর্মে প্রাণী হত্যা নিষিদ্ধ। তো খ্রিস্টীয় ৫০০ শতকে বোধিধর্ম যখন বৌদ্ধধর্ম প্রচারের উদ্দেশে হিমালয় অতিক্রম করে ভারত থেকে চিন গেলেন, সে সময় শ্বাপদসঙ্কুল যাত্রাপথে বন্যপ্রাণী ও দস্যুতস্করের হাত থেকে রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার যে কৌশল অবলম্বন করেন পরবর্তীকালে সে পদ্ধতিই চিন ও জাপানে খালিহাতে আত্মরক্ষা বা কারাতে হয়ে ওঠে।



বোধিধর্ম। অহিংস বলেই বোধিধর্ম চিন যাওয়ার সময় অস্ত্রশস্ত্র বহন করেন নি। এই নিরস্ত্র ভাবই কারাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। চিনে পৌঁছলেন বোধিধর্ম । স্থানীয় চৈনিক মল্লযুদ্ধের কলাকৌশল লক্ষ করলেন। সেই কৌশলের সঙ্গে নিজস্ব কৌশল মিশিয়ে এক ধরনের ধ্যানের পদ্ধতি আবিস্কার করেন। যে ধ্যানের অর্ন্তগত গভীর নিঃশ্বাস আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রসারণ বা ষ্ট্রেসিং। যে ধ্যানের নাম পরবর্তীকালে হয়ে উঠবে কুংফু।




চিন, জাপন ও ওকিনাওয়া।

ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কালক্রমে বোধিধর্ম প্রবর্তিত এই খালিহাতে আত্মরক্ষার কৌশলটি আশেপাশের অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে রাইইউকিউ রাজ্যে। জাপান থেকে তাইওয়ান অবধি রাইইউকিউ দ্বীপ রাজ্যটি ছড়িয়ে ছিল। দীর্ঘকাল এটি স্বাধীন রাজ্য ছিল। ১৯ শতকে রাইইউকিউ জাপানের অঙ্গীভূত হয়ে যায়।



ওকিনাওয়ার মানচিত্র। ওকিনাওয়া দ্বীপটি ছিল রাইইউকিউ রাজ্যেই। চিনের মূলভূমির ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে ওকিনাওয়া দ্বীপটি ৬ মাইল চওড়া ও ৭০ মাইল দীর্ঘ। ওকিনাওয়া প্রবাল দ্বীপ। গুরুত্বপূর্ন নৌ-বানিজ্য পথের মাঝখানে দ্বীপরটির অবস্থান। জাপানিরাই প্রথম দ্বীপটি আবিস্কার করে।

ইতিহাসের নানা সময়ে অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহারের ওপর ওকিনাওয়ায় অবরোধ আরোপ করা হয়েছিল। প্রতিরক্ষার তাগিদেই ওকিনাওয়ায় এক ধরনের বক্সিং বা মুষ্টিযুদ্ধের উদ্ভব ঘটেছিল, যার নাম ছিল ‘তে’। ‘তে’ মানে হাত। আর, ‘কারা’ মানে শূন্য। এ থেকেই উদ্ভব হল কারাতে। খালি হাতে আত্মরক্ষাই হল কারাতে।




ওকিনাওয়া।

একটা সময়ে অভিজাত এবং ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে চিন থেকে এল বোধিধর্ম প্রদর্শিত অভিনব খালিহাতে আত্মরক্ষার কৌশল। এতে করে ওকিনাওয়ায় কারাতের আমূল পরিবর্ত ঘটে।




ওকিনাওয়ায় রাজধানী নাহা।

যা হোক। ওকিনাওয়ায় তিনটি নগরের নাম শুরি, নাহা ও তোমারি। এ তিনটে নগরেই প্রচুর সংখ্যক কারাতে চর্চাকারীরা ছিল। অনেকে গুপ্তচক্রও গড়ে তুলেছিল। ( এরকম গুপ্তচক্র ঢাকাতেও আছে। ঢাকাইয়া ফিলমের ভিলেনের আন্ডারে কাজ করে!) ... এই চক্রের সদস্য ছিল রাজা অভিজাত বণিক ব্যবসায়ী কৃষক জেলে- এক কথায় সবাই।
এখন আমরা দেখব কি ভাবে ওকিনাওয়া দ্বীপের মার্শাল আর্ট কারাতে বিশ্বময় ছড়িয়ে গেল।



রাইইউকিউ রাজ্যের মানচিত্র।

মনে থাকার কথা ওকিনাওয়া দ্বীপটি ছিল রাইইউকিউ রাজ্যে। দীর্ঘকাল রাইইউকিউ রাজ্যটি স্বাধীন ছিল। ১৯ শতকে রাইইউকিউ রাজ্যটি জাপানের অঙ্গীভূত হয়ে যায়। কুড়ি শতকে রাইইউকিউ রাজ্যের সঙ্গে জাপানের সাংস্কৃতিক বিনিময় চুক্তি হয় । এই প্রথম কারাতে এল জাপানে । ওকিনাওয়ার কারাতেগুরুদের জাপান সরকার জাপানে আমন্ত্রন জানিয়ে কারাতে শেখার ব্যবস্থা করে। ১৯২৪ সালের পর থেকে জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ে কারাতে ক্লাব গড়ে ওঠে। তখন থেকেই কারাতে তে জাপানি ষ্টাইল এর ছোঁওয়া লাগে।



কারাতে।হংকং ভিত্তিক প্রচুর অ্যাকশন মুভি কারাতেকে যত বিকৃত উপস্থাপনা করেছে তত হিংস্র এ নয়!

এদিকে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর ওকিনাওয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপিত হয়। ওখানকার অফিসারদের মধ্যে কারাতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কাজেই কারাতে পৌঁছে যায় ইউরোপ-আমেরিকায়।



ষাট ও সত্তর দশকে ‘ওরিয়েন্টার মার্শাল আর্ট ’ হিসেবে কারাতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে।



বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি কারাতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং এর অভিনব বৈশিষ্ট্যের কারণেই অসম্ভব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মার্জাররাও এই খেলায় অংশ নেয়।



কারাতেরত মার্জার।

ভাবলে অবাক লাগে কারাতের মূলে একজন ভারতীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু বোধিধর্ম। তাঁর প্রদশির্ত পথেই তো রাইইউকিউ রাজ্যের ওকিনাওয়া দ্বীপের স্থানীয় মুষ্টিযুদ্ধের আমূল পরিবর্তন ঘটেছিল ।



মেয়েটি কাঠ ভাঙছে। আজকাল যে হারে মেয়েরা বখাটেদের আক্রমনের শিকার হচ্ছে ...মেয়েরা এখন কারাটে শিখলে কেমন হয়?

কারাতে প্রসঙ্গে দুটো প্রশ্ন উঠতে পারে।
আমাদের পরিচিত জুডো ও কুংফু-র সঙ্গে কারাতের কি পার্থক্য?
কুংফু হলো চৈনিক মার্শাল আর্ট বা মল্লযুদ্ধ যার উদ্ভব খ্রিষ্টীয় ৫ম শতকে চিনের জেন উপাসনালয় শাওলিন টেম্পলে। মনে থাকার কথা। চিনের শাওলিন টেম্পলের আদি প্রতিষ্ঠাতা ভারতীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু বোধিধর্ম। তাঁর প্রশিক্ষিত মার্শাল আর্টই কালের পরিক্রমায় কুংফু-র রূপ নিয়েছে।


‘শাওলিন টেম্পল’ ছবির পোস্টার। কারাতে আর কুংফু-র ওপর হংকং ভিত্তিক প্রচুর অ্যাকশন মুভি হয়েছে।

আর জুডো হল হালের জাপানি মল্লযুদ্ধ। এর ইতিহাস অপেক্ষাকৃত নবীন। ১৮৮২ সালে ডক্টর কানো জিগোরো এই কমব্যাট ক্রীড়াটি উদ্ভাবন করেন। জুডো অর্থ ‘জেনটেল ওয়ে।’


জুডো অর্থ ‘জেনটেল ওয়ে।’


তথ্যসূত্র ও ছবির উৎস: কুংফু-কারাতে সংক্রান্ত বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইতিহাস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইতিহাস  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১১
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: একটা অপ্রাসঙ্গিক মামাবাড়ির আবদার করতে চাই, আশা করি কিছু মনে করবেন না। খিচুড়ি খুব প্রিয় খাবার আমার। এই খাবারটার ইতিহাস নিয়ে কি একটা পোস্ট দেবেন? মানে কারা আবিষ্কার করেছিল, কোথায় ইত্যাদি নিয়ে আর কি। প্লিজ!!!!
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: খিচুড়ি নিয়ে আমার কৌতূহলও অনেক। আচ্ছা, দেখি কি করা যায়।
অনেক ধন্যবাদ।

২. ২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১৩
ভাঙ্গন বলেছেন: অনেক অনেক অনেক জানলাম।
........
এক সময় কারাতে শেখার আমার খুব শখ ছিল। একবার কিছুদিন হাত-পা ছোঁড়াছুড়ি শিখেছিলামও। তবে সেটা কারাতে হয়ে ওঠেনি।

.............
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: আমিও একবার ক্লাস সিক্সে জুডো শিখতে চেয়েছিলাম। আমার এক আত্মীয় গুন্ডাদের মারামারি শিখতে দেয় নাই :(

২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত।

৪. ২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৩১
সহিদুল হক বলেছেন: লেখাটি খুব ভালো হয়েছে। বিশেষ করে কুংফু, কারাতে, জুডু সহ ইত্যাদি মার্শাল আর্টের ইতিহাস খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন লেখক এখানে। গ্রাফিকেল প্রেজেনটেশন ভালো ছিল । তথ্য নির্ভর ছিল।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৩
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: +++++

আমার এক বান্ধবী কলেজে পড়বার সময় জুডো শিখতো।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আর আপনি কি করতেন?

৮. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:১১
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: :( না এই ইচ্ছেটাও হবে না! তবে জানা হল অনেক কিছু।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: হবে না কেন? শুরু করে দেন।

২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন:

১০. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৩০
কালপুরুষ বলেছেন: জানলাম অনেক কিছু। আমার ছোট এক ভাই কারাতে ব্ল্যাক বেল্ট পেয়েছে। ওর কাছ থাকে কারাতের উপর বেশ কিছু অসাধারণ ভিডিও দেখেছিলাম। হিমালয়ের কাছাকাছি তিব্বতের এক ভিক্ষু সম্প্রদায় তীব্র শীতে তাদের শরীরের উত্তাপে পরণের কাপড় শুকায়। তারা মেডিটেশনের মাধ্যমে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করতে পারে।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ঐ যে বললাম ...চিনে পৌঁছলেন বোধিধর্ম । স্থানীয় চৈনিক মল্লযুদ্ধের কলাকৌশল লক্ষ করলেন। সেই কৌশলের সঙ্গে নিজস্ব কৌশল মিশিয়ে এক ধরনের ধ্যানের পদ্ধতি আবিস্কার করেন। যে ধ্যানের অর্ন্তগত গভীর নিঃশ্বাস আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রসারণ বা ষ্ট্রেসিং। যে ধ্যানের নাম পরবর্তীকালে হয়ে উঠবে কুংফু।

অনেক ধন্যবাদ।

১১. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: সে খুব ডানপিটে ছিল। পাঁচ ফুট ছ ইঞ্চি লম্বা। সব রকম খেলাধুলাই করতো।

আমি কিছু করতাম না। খেলাধুলায়.....আমি দৌড় দিলে সবার পেছনে পৌঁছাতাম। এমনকি আমি কখনো গাছে চড়তেও শিখিনি, সাঁতারও শিখিনি। আমার বাবা সেজন্য আমাকে বলতেন "হোপলেস"।

এটা হল ইতিহাস..............
বর্তমানটা আফসুসময়, সেটা হল, এক সময়ের ডানপিটে খেলোয়ার মেয়েটা এখন স্বামীর ভয়ে সারাক্ষন কাঁটা হয়ে থাকে। তার স্বামীর পছন্দ নয় বলে সে আমাদের সব বন্ধুদের সঙ্গ এড়িয়ে চলে। তার ভেতরের সব আগুন এখন একজন লক্ষী স্ত্রী হবার চেষ্টায় নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ...বর্তমানটা আফসুসময়, সেটা হল, এক সময়ের ডানপিটে খেলোয়ার মেয়েটা এখন স্বামীর ভয়ে সারাক্ষন কাঁটা হয়ে থাকে। তার স্বামীর পছন্দ নয় বলে সে আমাদের সব বন্ধুদের সঙ্গ এড়িয়ে চলে। তার ভেতরের সব আগুন এখন একজন লক্ষী স্ত্রী হবার চেষ্টায় নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।

এইই হয়। :(

১২. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৩
দীপান্বিতা বলেছেন: দারুন! :)


এই লোকটাকে আমার খুব ভাল লাগে...:D
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: এই মানুষটি অনেকেরই প্রিয়। :P

২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সামিউর।

১৪. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৫
রোডায়া বলেছেন: আহা, ছেলেবেলার দিনগুলা মনে পইড়া গেলো৷
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: ব্ল্যাক বেল্ট?

২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: মা টি সি লু --------

১৬. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৭
বৈকুন্ঠ বলেছেন: আপনের লেখার বিষয় বৈচিত্র দেইখ্যা ওবাক না হয়া উপায় নাই। সংগীত কলা থেইকা মাইরপিট - জুতা সিলাই থেইকা চন্ডিপাঠ। এক্কথায় ওলরাউন্ডার। আপনের মত এমন ব্যাপক আগ্রহ সম্পন্ন ব্যাক্তি সত্যিই বিড়ল। আপনে একটা চলমান উইকিপিডিয়া।
পোস্টের লাইগা ধন্যবাদ। ওনেক্কিসু জানলাম
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ ...
আপনাকেও ধন্যবাদ।
আরও ২/১ বছর পরে কি বলবেন, সেটা মনে করে মুচকি-মুচকি হাসিতেছি। :P

১৭. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০২
Neelpoddo বলেছেন: জানলাম।অনেক আগ্রহ ছিল কারাটে নিয়ে।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৫
রোডায়া বলেছেন: ব্ল্যাক বেল্ট? হা হা হা...

ছোটকালে শখ ছিলো৷ পরে আগ্রহ হারাইয়া ফেলছি৷
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: আচ্ছা ;)

১৯. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কারাতে -কংফু সবসময়ই আমার প্রিয় বিষয় । ছেলেবেলা থেকে প্রেমে পরে গেছি ।
আগ্রহ নিয়ে পড়লাম । ধন্যবাদ ।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২০. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩১
আগত বলেছেন: বসৃ কারাতে পারেন?
আমি হলুদ বেল্টের অধিকারী ।
মাত্র চার মাস শিখেছি ।
এরপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলি ।
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: না। পারি না।
ইয়েলো?

২১. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ছুডোকালে কারাতে শিখার শখ আছিল; সেইসময়ে পুলাপাইনের লগে যেই হারে পিডাপিডী করতাম- কারাতে শিখলে তো আর রক্ষা নাই- এইডরে আম্মাজান সায় দেয় নাই!
:((:((:((
২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: :-B :-B :-B :-B

২২. ২২ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
রাজীব বলেছেন: জুডো ও কুংফু সম্পর্কে আরো বিস্তারিত লিখতে পারতেন।
২২ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: আলাদা পোস্ট হবে।
ধন্যবাদ।

২৩. ২২ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: পোষ্টটি খুব ভালো লাগলো। আমি কিন্তুক কুংফু মাস্টার। :D:D:D:D
২২ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। :P

২২ শে মে, ২০১০ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ২২ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০২
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: হোয়াইট বেল্ট হোল্ডার , নয়দিন ক্লাস করসিলাম !!! :-B :-B
২২ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: :P

২২ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: :)

২৭. ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৫৮
আকাশ অম্বর বলেছেন: দারুণ!

আজকাল যে হারে মেয়েরা বখাটেদের আক্রমনের শিকার হচ্ছে ...মেয়েরা এখন কারাটে শিখলে কেমন হয়? - ইমন ভাই, সাআআবধান, এই ব্লগে কিন্তু কলকাতার এক কারাতে মাষ্টার আছে! ক্ষিয়া ক্ষিয়া! B-)
২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: তার কারাতে-জীবন নিয়ে পোস্ট দিতে বল ...

২৮. ২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১২:১৭
শিরীষ বলেছেন:
differentiation গুলো ডিটেইলস জানা ছিলো না। বোধিধর্মও অজানা ছিলেন। মন মত পড়লাম।
২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: বোধিধর্ম জেন বৌদ্ধদর্শনের পথিকৃৎ।
চিন জাপানের এই ব্যাপারগুলি আসলেই অসাধারন।

২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কবি।

৩০. ২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪২
নাজিম উদদীন বলেছেন: ছোটবেলায় এসব খুব ভাল লাগত, এখন আর তেমন টানে না। তবে লাইফস্টাইল হিসেবে খুবই মানানসই।
২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: কয়েকজন প্রফেশনার ছাড়া সবারই এরকমই হয় আসলে ....

৩১. ২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১৫
রেজোওয়ানা বলেছেন: আরো অনেকের মতো আমিও গেছিলাম শখ করে শিখতে একবার (একটু বড় বেলায়), কিন্তু নাকে বেকায়দায় ঘুসি খেয়ে :(( শখ পালিয়েছে।
এম্নিতেই নাকের অবস্থা বেশি সুবিধার না /:)

লেখাটা জটিল হইছে........
২৩ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ইস্ কারাতে শিখলেন না! কারাতে শিখে ব্ল্যাক বেল্ট হলে এরপর চিটাগাঙ গেলে কাজে লাগত ;)

পোস্ট জটিল বলায় :P

৩২. ২৫ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: "৭ম শতকের চর্যাপদের কথা তো জানি। সম্ভবত বোধিধর্ম ছিলেন সেই চর্যাপদের রচয়িতাদের পূর্বসূরি"

যদি ভুল না হয়ে থাকে , যতদূর জানি , চর্যাপদ ১০ম শতাব্দির।

সুন্দর লেখার জন্যে ধন্যবাদ।
০৪ ঠা জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৪ ঠা জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৭
মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না বলেছেন: ৩৭ মাস কারাতে করসিলাম, আর ৫ মাস বাকি ব্ল্যাক এর, এমন সময় ভার্সিটিতে ভর্তি হলাম, আর পড়াশোনার চাপে দিনে দু'বার তো দূরস্থান, একবারই ঠিক মতো প্র্যাকটিসে যেতে পারিনা। সেই থেকে বাদ.......

ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছি মার্চে। সম্ভবত ড্যান (ফার্স্ট ড্যান = ব্ল্যাকবেল্ট) এক্সাম দু'এক মাসের মধ্যেই হবে। আফসোস........ :(

পোস্টে আধুনিক কারাতের প্রতিষ্ঠাতা গিচিন ফুনাকোশি আর বর্তমানে পৃথিবীতে একমাত্র টেনথ ড্যান ধারণকারী হিরোকাজু কানাজোয়া এর ব্যাপারে কিছু কথা অ্যাড করে দেন..............
২২ শে জুন, ২০১০ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯৬৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ