খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ । একটি গুমোট রাত্রির পর ভোরের আলো ফুটে উঠছে ব্যাবিলন নগরে। তামমুজ মাসের মাঝামাঝি। এ সময়টায় সচরাচর ঝড়বৃষ্টি হয়, তবে ক’দিন ধরে কাঁচের মতো ঝকঝকে আকাশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই । ইউফ্রেতিস নদীর দিক থেকে লোনা বাতাস ভেসে এসে নগরে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সে বাতাস এই একতলা ঘুপচি ঘরে ঢোকে না, যে অন্ধকার ঘরটিতে শুয়ে এই মুহূর্তে ছটফট করছে আমাতা । রাতভর ঘুম হয়নি ওর। তার চোখে কেবলি উবার-এর তাম্রবর্ণের তরুণ মুখটি ভাসছে। সে যুবক তরুণি আমাতার দু’চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।
জানালার ওপাশে সংর্কীণ গলিপথ। ঘর্ঘর শব্দ তুলে একটি রথ চলে যায় ...
এখনও অন্ধকার পুরোপুরি কাটেনি। অল্প অল্প আলো ফুটে উঠছে কেবল। উঠানে ভেড়ার ডাক শোনা যায়। একটু পর স্নান আর খাওয়াদাওয়া সেরে আমাতার বাবা বেল-ইবনি ভেড়া নিয়ে বেরিয়ে যাবেন। ভেড়াটি তিনি নিকটস্থ একটি উপাসনালয়ে বলির জন্য দান করবেন। আমাতার বাবা পেশায় স্বর্ণকার। ব্যাবিলন নগরের প্রধান উপাসনালয় এসাগিলা-র প্রধান পুরোহিতের নির্দেশ মতো অলঙ্কার তৈরি করে। আমাতার ভাই এনশুনু বাবাকে সাহায্য করে। আজ অবশ্য বাবার সঙ্গে এনশুনু কাজে যাবে না। এনশুনু আজ আমাতাকে দেবী ইশতার-এর উপসনালয়ে নিয়ে যাবে। দেবী ইশতার এর উপাসনালয়ে আজ ‘উর্বরতার কৃত্যে’ অংশ নেবে আমাতা। সে কথা ভাবতেই আমাতার বুকের ভিতরটা কেমন হিম হয়ে আসে। ইশতার-এর উপসনালয়ের নারী পুরোহিত আরউইয়া কে ব্যাবিলনবাসী স্বয়ং দেবী ইশতার-এর সমতুল্য মনে করে। প্রতি নববর্ষে ‘পবিত্র বিবাহ উৎসব’ পালন করেন আরউইয়া, সে সময় ব্যাবিলনের রাজার সঙ্গে যৌনমিলনে অংশ নেন ... কেননা, ইশতার দেবীর আর্শীবাদে বসন্তকালেই তো নবীন পাতারা লাভ করে নবজীবন ...
অন্ধকারে আমাতা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে।
আরউইয়ার অনেক ক্ষমতা, অনেক শক্তিশালী তিনি -তার কথা অমান্য করা যাবে না। দেবী ইশতার-এর উপসনালয়ে তাকে যেতেই হবে, না গেলে বাবা আর এনশুনু কে রাজার সৈন্যরা অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করবে। না, দেবী ইশতার-এর উপসনালয়ে আমাতাকে যেতেই হবে ... অথচ ...অথচ আমাতার চোখে সারাক্ষণই উবার-এর ঝকঝকে তামাটে মুখটি ভাসছে।
উবার কে আমাতা প্রথমবার দেখেছিল এ বছর। নববর্ষের দিনে। ইশতার দরওয়াজা পেরুনোর সময়। এনশুনু উবার-এর সঙ্গে কথা বলছিল। ঠিক তখনই আমাতার বুক ধক করে উঠেছিল। পরে ফিসফিস করে ভাইকে জিজ্ঞেস করেছিল- ওকে চিনিস নাকি তুই এনশুনু?
হুম, চিনি তো।
কি নাম তার?
উবার।
উবার? (কী চমৎকার নাম) কই থাকে শুনি?
কাছেই ...
কাছেই? কোথায়?
হাম্মুরাপি সড়কে।
সংসারে তার আর কে কে আছে?
বিধবা মা। আর কেউ নেই।
তা সে কি করে?
ফল ব্যবসায়ী।
উবার ফল ব্যবসায়ী শুনে হতাশ বোধ করে আমাতা। প্রাণ থাকতে ব্যবসায়ী বিয়ে করবে না ও। ব্যবসায়ীরা সংসার ফেলে দূরদূরান্তে চলে যায়। এত বিরহ কি করে সহ্য করবে আমাতা? ও ভাইকে জিজ্ঞেস করে, তুই ওকে চিনিস কি করে রে এনশুনু?
এনশুনু বলে, আহা, চিনব না কেন-উবার-এর ফলের দোকান তো সুমের বাজারে, জাবাবা দরওয়াজার কাছে ...জায়গাটা আমাদের দোকানের কাছে।
আমাতা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
উবারকে ভালোবাসে ও। অথচ প্রেমের দেবী ইশতার এর উপাসনালয়ে যেতে হবে। ব্যাবিলনের প্রতিটি মেয়েকে জীবনে অন্তত একবার ইশতারের উপসনালয়ে যেতে হয়। সেখানে আগত অচেনা পুরুষকে দেহদান করতে হয়। সেই অচেনা পুরুষটি মেয়েদের কাছে যায়, বাছাই করে, পছন্দ হলে পয়সা ছুড়ে দেয়। তারপর মেয়েটি সেই অচেনা পুরুষটিকে দেহদান করেই তবে বাড়ি ফিরতে পারে। না, আমাতা দেবী ইশতার এর উপাসনালয়ে যেতে পারবে না। তার চোখে উবার এর ঝকঝকে মুখচোখ ভাসছে। অথচ, দেবী ইশতার-এর উপসনালয়ে না গেলে আগুনে পুড়ে মরতে হবে ...
রোদ উঠল। দাসী এসে ঘরে ঢুকল। আমাতার হাত ধরে স্নানঘরে নিয়ে গেল। শরীরে ডলে ডলে জলপাই তেল মেখে দিল। স্নান সেরে পোশাক বদলে ঘরে এল আমাতা। আমাতার মা বেঁচে নেই। বাবা বিয়ের তোড়জোর করছে। প্রেমের দেবী ইশতার এর উপাসনালয়ে ‘উর্বরতার কৃত্যে’ অংশ নেওয়ার পর আমাতার বিয়ে। আমাতার পছন্দ উবারকে। কিন্তু সে কথা তো ও মুখে বলতে পারে না। ভালো লাগছে না। দাসী একটি মাটির পাত্রে সিদ্ধ সবজি নিয়ে এল, তারপর আমাতার হাত ধুইয়ে দিল। আমাতার খিদে নেই, বমি বমি লাগছে। সামান্য সবজি চামচ দিয়ে তুলে মুখে দিল।
রোদ উঠল। এনশুনু এসে ঘরে ঢুকল। বলল, নে, চল। রথ তৈরি।
বুক কেঁপে উঠল আমাতার।
পায়ে পায়ে ঘরের বাইরে এসে উঠান পেরিয়ে রথে উঠল।
সারথীর আসনে এনশুনু। সংকীর্ণ গলিপথ থেকে বড় সড়কে রথ তুলে নিয়ে আসে। আমাতাদের বাড়ি ব্যাবিলন নগরের
মারডুক দরওয়াজার কাছে-দেবী ইশতার এর উপাসনালয়টির পুবে। রাস্তায় রোদ ঝলমল করছে। পথচারীদের উৎফুল্ল মনে হল আমাতার। তার কারণ আছে। ব্যাবিলনের রাজা ২য় নেবুচাদনেযর এখন ব্যাবিলন নগরে নেই। তিনি সামরিক অভিযানে বেরিয়ে জেরুজালেম নগর তছনছ করছেন; সে সংবাদ ব্যাবিলন নগরে এসে পৌঁছেছে। রাজা বিপুল ধনরত্ন নিয়ে নগরে ফিরবেন, তাতে নগরের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে। পথচারীদের খুশির কারণ এই ...
রাজা ২য় নেবুচাদনেযর কে শ্রদ্ধা করে আমাতা।
রানী অ্যামিটিস পারস্যের মদ্র রাজ্যের মেয়ে। মদ্র দেশটি ব্যাবিলনের তুলনায় সবুজ-শ্যামল। ধূসর ব্যাবিলন রানীর মন বিষন্ন করে রাখে। রানীকে ভীষণ ভালোবাসেন রাজা। রানীকে খুশি করতে রাজার নির্দেশে রাজপ্রাসাদের অলিন্দে ও ছাদে সবুজ বাগান তৈরি করা হয়েছে, সে বাগানে সুগন্ধী উদ্ভিদ রোপন করা হয়েছে। ব্যাবিলনের লোকে বলে ঝুলন্ত বাগান। রাজা এত ভালোবাসেন রানীকে অথচ ... অথচ, নববর্ষে ‘পবিত্র বিবাহ উৎসব’ পালনের সময় রাজা আরউইয়ার সঙ্গে যৌনমিলনে অংশ নেন । কী ভাবে সম্ভব? রানীকে ভালোবাসেন অথচ ... অথচ ... আরউইয়া কে শয্যাসঙ্গীনি করতে দ্বিধা করেন না। একজনকে ভালোবেসে অন্য আরেকজনের সঙ্গে শরীর ভাগাভাগি করা যায়?
আমাতা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
দেবী ইশতার-এর পীঠস্থানটি ব্যাবিলন নগরের উত্তরপুবে। বাৎসরিক ধর্মীয় মিছিল যে পথে যায়, তার ঠিক পাশে। বড় একটি তোরণের পরে সিঁড়ি উঠে গেছে। তার সামনে রথ থামাল এনশুনু। ধীরেসুস্থে রথ থেকে নামল আমাতা। চারিদিকে সকালের নির্মল আলো ছড়িয়ে আছে। যেন মৃত্যুকে বরণ করার যথার্থ সময়। রাস্তার পাশে বড় একটি পিঁপের উপড় দাঁড়িয়ে একজন মাঝবয়েসি লোক চিৎকার করে দাসের বিবরণ বলছে । দাসটি পালিয়ে গেছে।
এনশুনু রথ ঘুরিয়ে নেয়। সে এখানে বোনের জন্য অপেক্ষা করবে। সে পুরুষ বলেই আমাতার বিষন্নতা টের পেল না। অথচ সেও দেবী ইশতার এর একান্ত ভক্ত। দেবী ইশতার ব্যাবিলন নগরের দেবী। অথচ, নারী কে লুকিয়ে কাঁদতে হয়।
উপাসনালয়ে ঢোকার মুখে সার সার পিঠার দোকান। আমাতা পিঠা কিনল। ছিঁড়ে ছিঁড়ে ঘুঘুদের খাওয়াবে। উপাসনালয়ের প্রাঙ্গনে অনেক সাদা ঘুঘু । দেবী ইশতার-এর প্রিয় পাখি ছিল সাদা ঘুঘু। মুখ তুলে দেখল উপাসনালয়ে ওপরে তৈরি করা হয়েছিল ঘুঘু পাখির থাকার ঘর ।
এর আগে দেবী ইশতার এর উপাসনালয়ে অনেকবারই এসেছে আমাতা । রাজকীয় প্রাসাদের আদলের মতো করে নির্মান করা হয়েছে দেবী ইশতার এর উপাসনালয়টি- ভিতরে সুপরিসর প্রাঙ্গন অভ্যর্থনা কক্ষ, শয়নকক্ষ এবং উপাসনালয়ের অন্যন্য কর্মচারীদের ঘর, রান্নাঘর । বড় একটি সাজানো গোছানো শয়নকক্ষ নারী পুরোহিত আরউইয়ার।
সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকে আমাতা। ভিড়। ‘উর্বরতার কৃত্য’ পালন করতে নগর থেকে মেয়েরা এসেছে। তারা অচেনা পুরুষদের খুশি করে চলে যাবে। মেয়েরা ছাড়াও ওয়ারদু -রা(দাস) আছে। এরা বলিষ্ঠ ও কৃষ্ণকায়।
সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে উঠতে আমাতা উবার-এর কথা ভাবে।
উবার একদিন বাড়িতে এসেছিল এনশুনু এর খোঁজে । তখন, কী সৌভাগ্য আমাতার, বাবা কিংবা এনশুনু কেউই বাড়িতে ছিল না। ঘরে কেবল দাসী ছিল। আসুন। ভিতরে আসুন। বসুন। বলতে উবার ভিতরে এসে বসেছিল। হাতে একটা ঝুড়ি। ঝুড়িটা আমাতার হাতে দিয়ে উবার বলল, এটা এনশুনু কে দেবেন। ও ডালিম চেয়েছিল । এবার ইলাম রাজ্যের সুসা নগরে চমৎকার ডালিম হয়েছে। ওহ্ । আমি যে ডালিম খেতে ভালোবাসি তা উবার জানল কি করে। নিশ্চয়ই স্বপ্নে ওকে দেবতা মারদুক জানিয়েছেন। আপনি বসুন আমি এক্ষুনি আসছি। বলে ভিতরে চলে আসে আমাতা। ময়দা, তিলের তেল, খেজুরের রস আর শূকরচর্বি দিয়ে পিঠা তৈরি করছিল । তারই খানিকটা একটা পাত্রে এনে উবারকে খেতে দিল। এরই ফাঁকে সেজেও নিল। মনে মনে দেবতা মারদুককে ডাকছিল। উবার পিঠা খেয়ে ভারি প্রশংসা করল। খাওয়া শেষে অবশ্য বসল না, উঠে দাঁড়াল। আমাতা বলল, আবার আসবেন কিন্তু।
আচ্ছা, আসব। বলে চলে গিয়েছিল উবার।
সিঁড়ির শেষে সুপরিসর প্রাঙ্গন। অনেক ঘুঘু পাখি। প্রাঙ্গনটি সুগন্ধী ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। কে যেন বাঁশি বাজাচ্ছে। একজন সুর করে গাইছে-
ইশতার যাচ্ছেন এগিয়ে,
পুড়ছে সুগন্ধী ভেষজ
বাতাসে ছড়িয়েছে সৌরভ।
ব্যাবিলনের ইশতার-এর পাশে
তার ভৃত্যগন বাজায় বাঁশী,
ব্যাবিলনবাসী হাঁটছে আনন্দে।
প্রাঙ্গনের মাঝখানে দেবী ইশতার-এর দু-হাত ছড়ানো পাথরের মূর্তি। দেবীর মুখে মায়া ছড়ানো। নগ্ন দেবীর স্তন দুটি প্রকট, পেটটি উচুঁ, যেন সন্তানসম্ভাবা। প্রেমের দেবী ইশতার-যিনি বলেন: আমি পুরুষকে রূপান্তরিত করি নারীতে।
আমিই নারীর জন্য সাজিয়ে তুলি পুরুষকে ...আমিই পুরুষের জন্য সাজিয়ে তুলি নারীকে ...
আমাতা শ্বাস টেনে পশ্চিম দিকে তাকালো। ইউফ্রেতিস নদীটি চোখে পড়ে। ঝলমলে রোদ ছড়িয়ে আছে। নদীর ওপারে নতুন নগর; তার উদ্যান, ঘরবাড়ি আর উপাসনালয়। আরও উত্তর-পশ্চিমে রাজা ২য় নেবুচাদনেযর-এর উদ্যান-প্রাসাদ। এক ঝাঁক পাখি উড়ছে।
দেবীমূর্তির সামনে নারী পুরোহিত আরউইয়া দাঁড়িয়ে। ছিপছিপে শরীরের দীর্ঘদেহী নারী। পরনে শ্বেত রঙা স্বচ্ছ বসন, শরীরের বাঁকগুলি স্পষ্ট। মুখটা কেমন ফ্যাকাশে। চোখের দৃষ্টিতে ঘোর, যেন মাদকে আচ্ছন্ন। চুলে সোনালী রং করেছে। চোখে ঘন কাজল। হাতে রুপালি জরি বসানো দন্ড, দন্ডের মাথায় ঘুঘু পাখি।
আমাতাকে দেখল আরউইয়া । উনিশ বছরের শরীরে যৌবন স্থির হয়ে আছে। সন্তুষ্ট হয়ে মাথা নাড়ল। হাসল। তারপর হাত তুলে পাশের একটি ঘরে যেতে নির্দেশ দিল।
আমাতা দাঁড়িয়ে থাকে।
কী হল তোর? কর্কস স্বরে বলে এগিয়ে এল আরউইয়া।
আমাতা দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকার ভঙ্গিটা অনঢ়। প্রাঙ্গনের ওপর ছায়া ঘনিয়ে উঠেছে। বাতাস এলোমেলো আর শীতল হয়ে উঠছে। তামমুজ মাসের মাঝামাঝি। আকাশে মেঘ জমতে শুরু করেছে। বৃষ্টি হবে নাকি? আমাতা অবাক হল।
কাছেই একজন কৃষ্ণকায় ওয়ারদু দাঁড়িয়ে ছিল। আরউইয়া তাকে চোখের ইশারায় কী যেন বলল। দাসটি দ্রুত পায়ে চলে যায়।
কী হল তোর? অচেনা পুরুষকে খুশি করতে যাচ্ছিস না যে? আরউইয়া কর্কসস্বরে চেঁচিয়ে ওঠে।
আমাতা ভীষন চমকে উঠলেও চুপ করে থাকে।
তুই চাস দেবী ইশতার রাজার ওপর অভিশাপ বর্ষন করুক? ব্যাবিলন নগরের ওপর অভিশাপ বর্ষন করুক? আমাদের ওপর অভিশাপ বর্ষন করুক?
আমাতা চমকে উঠল।
আহ্! উবার যদি এসে উদ্ধার করত। সে আশা নেই অবশ্য। কপালে যা হওয়ার হবে, অচেনা পুরুষকে খুশি করবে না। আরউইয়া ফ্যাকাশে মুখ রক্তিম হয়ে উঠতে দেখা গেল। দু’জন ওয়ারদুকে চোখের ইঙ্গিত করল। আমাতার বুক কেঁপে উঠল। তারা আমাতাকে টানতে টানতে প্রাঙ্গনের কিনারে নিয়ে এল ।
বহু নীচে, দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। আগুন ঘিরে লোকজনের ভিড়। অগ্নিকুন্ডের পাশে সেই দাসটিকেও দেখা গেল।
আরউইয়া আঙুল তুলে কর্তৃত্বের সুরে বলে, এখনও সময় আছে, ওই ঘরে যা ...
না! চিৎকার করে ওঠে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল আমাতা ।
তারপর ঝাঁপ দিল নীচে ।
তথ্যসূত্র
http://www.aina.org/books/eliba/eliba.htm

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


