somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কণাদ-এর বৈশেষিক দর্শন

২০ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Every object of creation is made of atoms which combine to form molecules. Kanada. (600 BC)
প্রাচীন ভারতের পরমাণু চিন্তার পথিকৃৎ ছিলেন কণাদ। কণাদ-এর মতবাদটি বৈশেষিক দর্শন নামে পরিচিত। কণাদ-এর বৈশেষিক দর্শনেই সর্বপ্রথম ভারতীয় পরমাণু চিন্তার প্রকাশ ঘটেছিল। কণাদের বৈশেষিক দর্শনটিকে বৌদ্ধ ও জৈনধর্মের চেয়েও প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়। (সাম্প্রতিক এক গবেষনার ফলে জানা গেছে, গৌতমবুদ্ধের সময়কাল ৪৯০-৪১০ খ্রিস্টপূর্ব) ... কণাদ-এর সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ট শতক।
উল্লেখ্য যে, প্রাচীন ভারতে ছটি দার্শনিক মত ছিল। যেমন: সাংখ্য, যোগ, মীমাংশা, বেদান্ত, ন্যায়, এবং বৈশেষিক। ন্যায় দর্শনের অনেক সিদ্ধান্ত বৈশেষিক দর্শনের মতো বলে দর্শনটিকে ন্যায় বৈশেষিকও বলা হয়ে থাকে। তবে এই ছয়টি দর্শনের মধ্যে কণাদ-এর বৈশেষিক দর্শনের প্রতি তত্ত্বজিজ্ঞাসু মানুষ আজও গভীর কৌতূহল বোধ করে। বিশ্বসভ্যতায় কণাদ- এর অবিস্মরণীয় অবদানের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রখ্যাত ভারততত্ত্ববিদ A.L. Basham লিখেছেন, Ancient Indian theories were brilliant imaginative explanations of the physical structure of the world, and in a large measure, agreed with the discoveries of modern physics.
কিন্তু, দর্শনটির নাম বৈশেষিক কেন?
এর একটি ব্যাখ্যা পন্ডিতেরা উপস্থিত করেছেন। কণাদ তাঁর দর্শনে ছয়টি পদার্থের উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে পঞ্চম হল: ‘বিশেষ’ (particular)। এই বিশেষ পদার্থটি অপর কোনও দর্শনে স্বীকৃত হয়নি। সুতরাং বিশেষ পদার্থ স্বীকার করার জন্যই দর্শরটির নাম বৈশেষিক।
বৈশেষিক দর্শনের নামকরণ সম্বন্ধে জানা গেল। এবার কণাদ সম্বন্ধে কিছু কথা জানব। ছেলেবেলায় কণাদ-এর নাম ছিল কাশ্যপ। কাশ্যপের বাবার নাম ছিল উলকা। তিনিও দার্শনিক ছিলেন। সে সময়কার প্রাচীন ভারতে বেদ-উপনিষদ-এর ব্যাখ্যা করে বিভিন্ন ধারায় দর্শন চর্চা হত। কাশ্যপের বাবা উলকা সম্ভবত সেরকমই কোনও ধারার দর্শন চর্চা করতেন। কথিত আছে যে কিশোর কাশ্যপ একবার তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে তীর্থ করতে গঙ্গাতীরের প্রয়াগ নগরে গিয়েছিল । তো সেই নগরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভিড়। ভক্তেরা গঙ্গায় স্নান করে। মন্দিরে ফুল ও শস্যকণা অর্ঘ দেয়। সে জন্য নগরের রাস্তায় ফুল আর শস্যকণা পড়ে ছিল । কিশোর কাশ্যপ কে দেখা গেল রাস্তা থেকে শস্যকণা কুড়িয়ে নিচ্ছে। কৌতূহলী লোকজন ভিড় করে । কি ব্যাপার সবাই গঙ্গার ঘাটে স্নান করছে, মন্দিরে পূজো দিচ্ছে আর এ ছেলে কিনা শস্যকণা কুড়োচ্ছে।
একজন সৌম্যদর্শন ঋষি এগিয়ে এলেন। হে, বালক। তুমি কী করছ? তুচ্ছ কণা কুড়িয়ে নিচ্ছ কেন?
কাশ্যপ মুখ তুলে বলল, মাননীয়, শস্যকণা তুচ্ছ নয়। এ সমগ্র বিশ্বেরই অংশ। এরকম তুচ্ছ কণা একজন মানুষের আহার হতে পারে। এরকম প্রচুর কণায় একটি পরিবারের অন্নের সংস্থান হতে পারে। এ কণা বিশ্বের মতোই মহার্ঘ। একে তুচ্ছ ভাবা ঠিক নয়।
এভাবেই নাকি কনাদ নামের উদ্ভব।
কণাদ এর সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ট শতক। যা ছিল বেদ এবং উপনিষদের যুগ। তবে সে ধর্মীয় যুগের প্রভাবে কণাদ কেবল ধর্মীয় ব্যাখ্যায় নিমগ্ন থাকেননি; বরং জগতের বাস্তব রূপ নিয়ে ভেবেছেন। এভাবে প্রাচীন ভারতে বিজ্ঞানের পথ উম্মোচন করে দিয়েছেন। এখানেই তাঁর মহত্ব।
বিজ্ঞান চর্চার প্রথম ধাপ হল পরিপার্শ্বের বস্তর Categorize করা। এই উদ্দেশ্যে কণাদ মহাবিশ্বের যাবতীয় পদার্থকে নয়টি উপাদানে বিভক্ত করেছেন: এ থেকে তাঁর বিজ্ঞান মনস্কতার পরিচয় পাওয়া যায়। কেবল জগতের বাস্তব রূপই নয়, কণাদ কার্যকারণ তত্ত্ব (law of causation) নিয়েও ভেবেছেন। এবং সে ভাবনা লিখে প্রকাশ করেছেন। কণাদ বস্তুর অভ্যন্তরীন গঠন নিয়েও গভীর ভাবে ভেবেছেন। তারপর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন: Every object of creation is made of atoms which combine to form molecules!
কণাদ বৈশেষিক দর্শনটির প্রবক্তা হলেও কীভাবে কণাদ যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী হয়েছিলেন-সে বিষয়ে এ যুগের মানুষের মনে কৌতূহল কম না। এ কালের গবেষকগণ প্রাচীন ভারতের বৈদিক সাহিত্যে সে সূত্র খুঁজেছেন। খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ট শতকের উপনিষদের যুগে ভাববাদী চিন্তার পাশাপাশি দার্শনিক চিন্তারও স্ফূরণ ঘটেছিল । বৃহদারণ্যক উপনিষদে একটি অত্যন্ত জ্ঞানদ্বীপ্ত শ্লোক রয়েছে। যেখানে ঋষি যাজ্ঞবল্ক মৈত্রেয়ীকে বলছেন:

আত্মা বা অরে দ্রষ্টব্যঃ শ্রোতব্যে মন্তব্যে নিদিধ্যাসসিতব্যঃ (৪/৫)


অর্থাৎ আত্মার তত্ত্বজ্ঞান লাভের দ্বিতীয় ধাপটি হল মনন। এবং মননের প্রধান সাধন হল যুক্তিতর্ক, আর যুক্তিতর্ক শাস্ত্র হল ন্যায় ও বৈশেষিক। তবে আমরা এও জানি যে সে যুগে মননের স্বাধীনতা নিরঙ্কুশ ছিল না। কেননা, বেদকে অস্বীকার করে যুক্তির চর্চা করা যাবে না-বৈদিক শাস্ত্রকারের এ ধরনের প্রগতিবিরুদ্ধ কথাও বলতেন। কেউ কেউ অবশ্য জ্ঞানের স্বার্থে সমাজপতিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেন।
চিন্তানায়ক বিজ্ঞানমনক্স কণাদ ছিলেন তাদেরই একজন।
কণাদ যে বইটি লিখে তাঁর ধ্যানধারণা প্রকাশ করেছেন সে বইটির নাম: ‘বৈশেষিক সূত্র।’ কণাদ বইটির প্রথম আহ্নিকে (আহ্নিক= অধ্যায়) বলেছেন: অথাতো ধর্মং ব্যাখ্যাস্যামঃ। এর মানে: অতএব আমি এখন ধর্ম ব্যাখ্যা করব। কিন্তু কণাদ ধর্ম ব্যাখ্যা করবেন কেন? তিনি তো সত্যসন্ধানী দার্শনিক। ধর্মের সঙ্গে তাঁর কি সম্পর্ক? বস্তুত সংস্কৃত ভাষার ধর্ম শব্দটির সংজ্ঞা অত্যন্ত ব্যাপক এবং গভীর । বিশ্লেষনধর্মী অনুসন্ধানও যার অন্তর্গত । উপনিষদেই তো বলা হয়েছে: আত্মার তত্ত্বজ্ঞান লাভের দ্বিতীয় ধাপটি হল মনন। কাজেই কণাদ তো ধর্ম ব্যাখ্যা করছেন। এ জন্যই কণাদকে বলা হয় দার্শনিক-ঋষি ।
কণাদ কে দার্শনিক-ঋষি ছাড়াও আচার্য কণাদও বলা হয়। আচার্যের কাছে শিষ্যরা আসে জ্ঞানলাভের জন্য। কণাদ শিষ্যদের বলছেন: আমি এখন ধর্ম ব্যাখ্যা করব। তাঁর কাছে শিষ্যরা এসেছে অনিবার্য দুঃখের হাত থেকে পরিত্রান পেতে। জগৎ দুঃখময়- কপিলের সাংখ্যদর্শনের প্রভাবে প্রাচীন ভারতে এরকম বিশ্বাস প্রচলিত ছিল । দুঃখ থেকে পরিত্রাণ পেতেই দর্শনের চর্চা । এ কারণেই দার্শনিক-ঋষি ধর্ম (একালের দর্শন অর্থে) শিষ্যদের কাছে ব্যাখ্যা করছেন।
কণাদ বৈশেষিক সূত্র বইটির পরবর্তী আহ্নিকসমূহে তাঁর পরমাণুবাদ ব্যাখ্যা করেছেন। কেবল তাইই নয়-বৈশেষিক সূত্র বইটিতে কার্যকারণতত্ত্ব ব্যাখ্যা করে কণাদ লিখেছেন- Every effect is a fresh creation or a new beginning. এভাবে কণাদ কার্যর পিছনে পরমকারণের অস্তি¡তকে অস্বীকার করেন। কণাদ, বুদ্ধের মতোই ঈশ্বর অস্তিত্ব সম্বন্ধে নিশ্চুপ ছিলেন। তবে বৈশেষিক দর্শনের পরবর্তী টীকাকারগণ পরমাত্মা হিসেবে ঈশ্বরের ভূমিকাকে স্বীকার করে নিয়েছেন: যে ঈশ্বর পরিপূর্ণ ও শাশ্বত। এবং এই পরিপূর্ণ ও শাশ্বত ঈশ্বরই জগৎকারণ। এভাবে কণাদের বৈশেষিক দর্শন বস্তুবাদ থেকে ভাববাদে পরিনত হয় এবং প্রাচীন ভারতের স্বাধীন চিন্তার পথটি রুদ্ধ হয়। সমাজপ্রগতির পথও রুদ্ধ হয়ে যায় ...
বৈশেষিক সূত্র বইতে কণাদ বিশ্বের যাবতীয় পদার্থকে ৭টি category তে বিভক্ত করেছেন। যেমন: দ্রব্য (substance), গুণ (quality), কর্ম (action), সামান্য (universal), বিশেষ (particular), সমবায় (inherence) এবং অভাব (non-existence).
এখানে বলে নিতে চাই যে ভারতীয় দর্শনের সঙ্গে বাংলার বাউলগানের একটা সম্পর্ক রয়েছে। আজ যে রাষ্ট্রটি ভারত- সে রাষ্ট্রটি কালের বিবর্তনে বহু ভাঙাগড়ার মধ্য দিয়ে গিয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। প্রাচীন বাংলা প্রাচীন ভারতেরই অন্তর্গত ছিল। এই কারণে ভারতীয় দর্শন তথা বৈশেষিক দর্শনের আলোচনার এ পর্যায়ে কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হলেও লালনের একটি গান সম্বন্ধে কিছু কথা বলা আবশ্যক। গানটি হল:


পাবে সামান্যে কি তাঁর দেখা/
বেদে নাই যার রূপরেখা ...


লালনকথিত এই "সামান্য" হচ্ছে universal বা সার্বিক ধারণা। যেমন -মনুষত্ব। আর বিশেষ (particular) হল মানুষ। লালন বলছেন তাঁকে (Ultimate Reality=মনের মানুষ/অচিন পাখি) সামান্যে কিংবা সার্বিক ধারণার মধ্যে পাওয়া যাবে না। তাহলে মনের মানুষকে কোথায় পাওয়া যাবে? মনের মানুষকে পাওয়া যাব বিশেষ-এ; অর্থাৎ particular এ। মনুষত্ব সামান্য হলে মানুষ হল বিশেষ । তাই লালন বলছেন:


পাবে সামান্যে কি তাঁর দেখা


অর্থাৎ সামান্যে তাঁকে পাওয়া যাবে না। তাকে পাওয়া যাবে বিশেষে ... অর্থাৎ মানুষে। লালন তাই মানুষের (বিশেষে) ভিতর মনের মানুষের সন্ধান করতে বলেছেন। লালন তাই গেয়েছেন:

মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি
নইলে ক্ষ্যাপা রে তোর মূল হারাবি ...


সেই যাই হোক। বলছিলাম ... বৈশেষিক সূত্র বইতে কণাদ বিশ্বের যাবতীয় পদার্থকে দ্রব্য, গুণ, কর্ম, সামান্য, বিশেষ, সমবায় এবং অভাব এই ৭টি category তে বিভক্ত করেছেন। পদার্থকে ৭টি বর্গে বিভক্ত করা ছাড়াও কণাদ নয়টি পরম পদার্থের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে পাঁচটি হল ভৌত এবং চারটি অ-ভৌত। পাঁচটি ভৌত পদার্থ হল: পৃথিবী পানি আগুন বাতাস এবং আকাশ। এবং চারটি অ-ভৌত পদার্থ হল: স্থান কাল (সময়) আত্মা ও মন। এদের মধ্যে পৃথিবী পানি আগুন ও বাতাস হল আণবিক। কিন্তু আকাশ হল অ-আণবিক এবং শাশ্বত। এছাড়া স্থান ও কালও শাশ্বত এবং অনন্ত। আত্মার বৈশিষ্ট্য অনেকটা সত্তার মতোই। কণাদ মনে করতেন চৈতন্য হল দৈব । যখন আত্মা শরীরে সংলগ্ন হয় তখনই শরীর চৈতন্য লাভ করে। Thus, consciousness is not considered an essential quality of the soul. মন হল আণবিক কিন্তু অবিভাজ্য এবং শ্বাশত পদার্থ। জগতে যে সব বস্তু রয়েছে মন তার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সাহায্য করে।
কণাদ লক্ষ করেছেন যে নতুন মৃৎপাত্র তাপে কালো হয়ে যায়। এর মানে বস্তুর ওপর তাপের প্রতিক্রিয়া হয়। কিন্তু এর কারণ কি? কণাদ ঠিকই উপলব্দি করতে পেরেছিলেন বস্তুর অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলেই বস্তুর বাইরের দিকটা বদলে যায়। কণাদ মনে করতেন বস্তুর এই বৈচিত্র আসলে পরমাণুরই বৈশিষ্ট -যা ওই বিশেষ বস্তুটিকে তৈরি করেছে। এসব পর্যবেক্ষণের পর কণাদ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে- বিশ্ববহ্মান্ডের সব পদার্থ আর বস্তুই পরমাণু দ্বারা গঠিত।
পরমাণু সম্বন্ধে ভারতীয় ধারণা সম্ভবত গ্রিসে পৌঁছেছিল গ্রিক সম্রাট আলেকজান্দারের ভারত আক্রমনের পর। গ্রিকরা ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বে উত্তর-পশ্চিম ভারতে আক্রমন করেছিল। এর পরপরই গ্রিস ও ভারতের মধ্যে বৈদেশিক ও বানিজ্যিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়। গ্রিকরা পারস্য ও আফগানিস্তানে বসতি স্থাপন করে। তাদের মাধ্যমেই গ্রিসে তথা ইউরোপে ভারতীয় পরমাণু ধারণা পৌঁছেছিল বলে পন্ডিতদের ধারণা।

এই পোস্টটি বৈশেষিক দর্শন সম্বন্ধে ভূমিকামাত্র। পরে আরও বিশদ ভাবে বৈশেষিক দর্শন সম্বন্ধে লিখব।


তথ্যসূত্র:


দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় পরিকল্পিত এবং মৃণালকান্তি গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত ও ভাষান্তরিত বৈশেষিক সূত্র ও তর্কসংগ্রহ
http://www.unitedindia.com/laws_of_atoms.htm
Click This Link
http://www.aazad.com/acharya-kanada.html
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪১
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×