One of the most important theories of the Gnostic religion is that God is not somewhere “out there”, away from us but instead God and His Kingdom dwell within us. Laurie McLaughlin
মার্কিন ঔপন্যাসিক ড্যান ব্রাউন-এর The Da Vinci Code বইটির জনপ্রিয়তাই বলে দেয় নসটিক মতবাদ একুশ শতকে কী রকম আলোরণ তুলেছে । ড্যান ব্রাউন-এর ওই বেষ্ট সেলার বইটিতে (Gnostic) তরিকার মতবাদের ইঙ্গিত রয়েছে। নসিস (Gnosis) শব্দটি গ্রিক। এর মানে- গুপ্ত অধ্যাত্মরহস্যের জ্ঞান। নসিস থেকেই নসটিক শব্দটির উদ্ভব হয়েছে। অবশ্যি নসটিক (Gnostic) শব্দটির মানে- গুপ্ত অধ্যাত্মরহস্যের জ্ঞানবাদী খ্রিস্টান গোষ্ঠীবিশেষ।
মার্কিন ঔপন্যাসিক ড্যান ব্রাউন। এঁর লেখা The Da Vinci Code বইটিতে (Gnostic) তরিকার মতবাদের ইঙ্গিত রয়েছে।
বস্তুত নসটিক চিন্তাধারাটি খ্রিস্টপূর্ব যুগের একটি ধর্মীয় আন্দোলন । ওই চিন্তাধারা উৎস মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ার ইহুদি সমাজে। আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাসরত চিন্তাশীল ইহুদি সম্প্রদায়ে গ্রিক ধাবধারায় আচ্ছন্ন হওয়াই ছিল স্বাভাবিক। তাইই হয়েছে। নসটিক ভাবধারার উদ্ভব হয়েছে। পরবর্তীতে অবশ্য কিছু খ্রিস্টান সম্প্রদায় সে ভাবধারা আত্মস্থ করে ফিলিস্তিনের জুদাহ ও গালিল প্রদেশে প্রবর্তন করে। এই মতবাদেরই বিকাশ হয়েছিল খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শতকে। এর ফলে অর্থডক্স খ্রিস্টান ধর্মটি কঠিন এক চ্যালেঞ্জের সম্মূখীন হয়ে পড়েছিল। তার কারণ আছে। নসটিক সম্প্রদায় খ্রিস্টধর্ম মানত ঠিকই, তবে তাদের কিছু বিস্ময়কর বিশ্বাস ছিল। গোল বাঁধল সেখানেই।
খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকের সাধু ইরেনাউস। ইনিই প্রথম খ্রিস্টীয় বিরুদ্ধবাদীদের বোঝাতে Gnostic শব্দটি ব্যবহার করেন।
মূলধারার খ্রিস্টানরা নসটিক মতবাদকে বরাবরই ধর্মবিরুদ্ধ মত বা Heresy বলে এসেছে। নসটিকরা তবু তাদের নিজস্ব দর্শনটি নির্মানের পথ থেকে সরে যাননি। বরং তাঁরা নতুন এবং পুরনো বাইবেল দুটি শ্রদ্ধাভরে বইয়ের তাকে রেখে আত্মদর্শনের পথে স্বর্গরাজ্যের (divine realm) গুপ্তজ্ঞান অন্বেষন করেছিলেন। ক্রমে তারা এই বিশ্বাসে উপনীত হন যে মানবজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার অতীত এক ঐশীরাজ্যের পরম সত্তার (Divine Being) বীজ বা স্ফূলিঙ্গ এই ভৌত বিশ্বে (material universe) পতিত হয়-যা কিনা সম্পূর্নরূপে অশুভ। এবং সে ঐশী স্ফূলিঙ্গ বন্দি হয়ে আছে মানবদেহে। এটা ঠিক নয়। এটা অনুচিত। এই ঐশী স্ফূলিঙ্গ যেখান থেকে পতিত হয়েছে তাকে সেখানেই ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।
কী ভাবে?
জ্ঞানের মাধ্যমে।
তাই জ্ঞান দ্বারা পুর্নজাগরিত হয়ে, মানবসত্তার ঐশী উপাদান মানবজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার অতীত ওই ঐশী রাজ্যের প্রকৃত ঘরে ফিরে যেতে পারে। এই সবভাবনা ব্যক্ত করে নসটিকগল বইপত্রও লিখেছিলেন। যা মূলধারার খ্রিস্টানদের আক্রমনে কালের অতলে তলিয়ে গিয়েছিল। অবশ্য অনেকটা আকস্মিক ভাবেই কুড়ি শতকের মাঝামাঝি মিশরে কিছু নসটিক পান্ডুলিপি আবিস্কৃত হয়। আর এভাবেই একুশ শতকের মরমী মনের মানুষ নতুন এক জ্ঞানরাজ্যের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়।
মিশরের মানচিত্রে নাগ হামাদির অবস্থান।
১৯৪৫ সাল। উত্তর মিশরের নাগ হামাদির গ্রাম। মুহাম্মদ আলী এস সামমান নামে এক উটচালক চাষাবাদের সারের জন্য নাইট্রেট সমৃদ্ধ মাটি খঁড়ছিলেন।তখনই মাটির তল থেকে বড় একটি মাটির পাত্র উঠে এল । বিস্মিত মুহাম্মদ আলী এস সামমান দেখল পাত্রের ভিতর অনেকগুলি চামড়ায় বাঁধানো বইপত্র। পরবর্তীতে পন্ডিতেরা সেসব নসটিক পান্ডুলিপি বলে সনাক্ত করলেন। মিশরের নাগ হামাদিতে সব মিলিয়ে নসটিকদের ৫১ ধরনের ১৩ খন্ড বই পত্র পাওয়া গেছে; যার পৃষ্ঠাসংখ্যা সব মিলিয়ে ১১৫৩।
নসটিক সৃষ্টিতত্ত্ব বেশ জটিল। অর্থাৎ নসটিক তরিকার সৃষ্টিতত্ত্বটিই সম্ভবত বিশ্বের ধর্মসম্প্রদায়সমূহের মধ্যে সবচে জটিল ।
নসটিক মতে, পরম ঈশ্বর অজ্ঞাত এবং মানবজ্ঞানের অগম্য। সেই অজ্ঞাত পরম ঈশ্বরের দ্বারা ধারাবাহিকভাবে নিম্নতর দৈবী সত্তা উৎসারিত হয়েছে। নিম্নতর দৈবী সত্তার শেষজন হলেন প্রজ্ঞা (Sophia); প্রজ্ঞার ভিতরে পরম অজ্ঞাত ঈশ্বরকে জানার বাসনা তৈরি হয়েছিল। এই বাসনা থেকে কিংবা এই অবৈধ আকাঙ্খা থেকে এক বিকৃত এবং অশুভ ঈশ্বর উৎপন্ন হয়েছিল। এর নাম ডেমিআর্জ বা demiurge. আমরা যে বিশ্বজগৎ দেখি ডেমিআর্জ সেই বিশ্বজগৎটিই সৃষ্টি করেছে। আগে একবার বলেছিলাম যে মানবদেহে অজ্ঞাত পরম ঈশ্বরের ঐশী স্ফূলিঙ্গ বন্দি হয়ে আছে । মানবশরীরে যে ঐশী স্ফূলিঙ্গ বাস করে সেটি এই ডেমিআর্জসৃষ্ট মহাবিশ্বেই পতিত হয়। নসটিকরা ডেমিআর্জ কে অশুভ ঈশ্বর মনে করেন। এবং ডেমিআর্জ কে ওল্ড টেস্টামেন্টের ঈশ্বর বলে শনাক্ত করেন। এই ঈশ্বর মানবজাতিকে ভৌত জগতের অজ্ঞানতায় ডুবিয়ে রাখে এবং মানুষ জ্ঞান আরোহণ করতে গেলে মানুষকে শাস্তি দেয়। এ কারণেই আদম ও ঈভকে স্বর্গরাজ্য থেকে বিতরণ করা হয়েছে। মহাপ্লাবন ছাড়াও সদোম এবং গোমোরাহ নগরের ধ্বংসের কারণও এই ঈশ্বরের ক্ষোভ!
ভিন্নধর্মী বিশ্বাসের কারণে রোমান সৈন্য ও মূলধারার খ্রিস্টানরা নসটিকদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন করেছে। যে কারণে খ্রিস্টীয় ষষ্ট শতকের মধ্যেই নসটিক মতবাদটি রোমান সাম্রাজ্য থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সুতরাং মিশরের নাগ হামাদিতে যারা বইপত্র লুকিয়ে রেখেছিল তাদের আতঙ্কের কারণটি অনুমান করা যায়।
নসটিস তরিকার বিরুদ্ধে মূলধারার খ্রিস্টানদের কয়েকটি বিষয়ে ঘোর আপত্তি ছিল। (১) খ্রিস্টধর্ম ধর্ম নয়,খ্রিস্টধর্ম হল সর্ম্পক। ঐশী সম্পর্ক (অর্থাৎ, খ্রিস্টধর্ম রিলিজিয়ন না বরং ডিভাইন রিলেশন)। (২) মৃত্যুর পর স্বর্গে যাওয়াই প্রকৃত মুক্তি। (৩) ভৌত জগৎ অগুরুত্বপূর্ন। (৪) প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম অকল্যাণকর। (৫) জগতের কিছুই চিরস্থায়ী নয়। (৬) যিশুর স্বর্গরাজ্যটি এই জগতে নয়। (৭) জ্ঞানই মুক্তি। (৮) ঈশ্বর প্রাকৃতিক উপায়ে সাহায্য করতে অক্ষম।
সোফিয়া। মনে থাকার কথা মৌলিক অজ্ঞাত ঈশ্বরের দ্বারা ধারাবাহিকভাবে নিম্নতর দৈবী সত্তা উৎসারিত হয়েছে। শেষটি হল প্রজ্ঞা (Sophia)
আশ্চর্য হলেও সত্য যে শত নির্যাতন সত্ত্বেও নসটিক তরিকার সদস্যরা নিজেদের খ্রিস্টানই মনে করত । কয়েকটি নসটিক সম্প্রদায় কিছু খ্রিস্টান শাস্ত্রগ্রন্থ নিজেদের তরিকায় অন্তভূক্ত করেছিলেন বটে, তবে তারা ওল্ড টেস্টামেন্টের ঈশ্বরসহ যিশুর পিতা নতুন বাইবেলের ঈশ্বরকে অস্বীকার করেছিলেন! পৃথিবীতে যিশুর কাজ বা মিনিষ্ট্রির ভিন্নতর (আনঅর্থডক্স) ব্যাখ্যা তৈরি করেছিলেন তারা । নসটিকরা কিছু গসপেল (যিশুর জীবনকাহিনী ও শিক্ষা) লিখেছিলেন যাকে ‘আপাক্রাফল গসপেল’ বলে। যেমন দ্য গসপেল অভ থমাস এবং দ্য গসপেল অভ ম্যারি। এর কারণ আছে। নসটিকরা দাবি করেছিলেন যে যিশু তাঁর শিষ্যদের কাছে বিশ্বজগতের সত্যিকারের নসটিক ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। যিশু হলেন সেই ঐশী আত্মা যা ‘মানুষ যিশুর’ দেহে ছিলেন; যিনি ক্রসবিদ্ধ হয়ে মারা যাননি। তিনি যে মানবজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার অতীত এক ঐশীরাজ্য থেকে এসেছিলেন সেখানেই ঊর্ধ্বগমন করেছেন। এ কারণে নসটিকরা যিশুর পুর্নজাগরণেও বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বাইবেলের রূপক এবং প্রথাগত বয়ানও অস্বীকার করেন।
নসটিকরা মনে করত জ্ঞানই মুক্তি।
কিছু নসটিক তরিকা খ্রিষ্টীয় দীক্ষা গ্রহন অস্বীকার করেছিলেন। কেউ বাপ্তিজম এবং Eucharist পালন করতেন। তারা মনে করতেন এসব কৃত্য আসলে Gnosis (গুপ্ত অধ্যাত্মরহস্যের জ্ঞান) এরই জাগরণের সংকেত। নসটিক তরিকার প্রধান ধর্মীয় কৃত্য হল মানবাত্মায় ঐশী উপাদানের জাগরণ। ঈশ্বর দর্শনের জন্য মন্ত্রপাঠ এবং যাদুমন্ত্র উচ্চারণ করতেন তাঁরা। অশুভ আত্মা ঊর্ধ্বমূখী আত্মাকে পুর্নবার শরীরে বন্দি করে ফেলবে এই আশঙ্কায় অনেকে আবার মৃত্যুকালীন অশুভ আত্মা বিতরণের জন্য মন্ত্র উচ্চারণ করতেন । কোনও কোনও নসটিক সম্প্রদায় হারানো আত্মা এবং স্বর্গরাজ্যের মিলনের জন্য ‘বাসর রাত’ কৃত্যটি উযযাপন করত।
নসটিক সম্প্রদায়ে নারী পুরুষের মর্যাদা সমান।
নসটিক তরিকায় নারীর মর্যাদা বিষয়ে Laurie McLaughlin লিখেছেন:
According to the Gnostics, Mary Magdelene was an apostle and some believe was Jesus’ main apostle. There is even a gospel of Mary found among the gospels in the Nag Hammadi collections. Since their God was the God that dwelled within, certainly there is male and female in each of us, therefore there could be no way to exclude one for the other or make one of more importance than the other. তাছাড়া The Gnostics also, apparently consumed women’s menstrual blood. মূলধারার ইহুদি-খ্রিস্টান নারীর ঋতুকালকে অবিশুদ্ধ মনে করার ফলেই এই প্রথার উদ্ভব কিনা কে জানে। নারীর ঋতুকালে বাংলার বাউলেরও একটি মূল কৃত্য অনুষ্ঠিত হয় ।
কেবল ওল্ড বা নিউ টেস্টামেন্ট নয়, বাইবেলের যে আরও ভাষ্য হতে পারে এই নসটিস ভাবনাই একুশ শতকে শিহরণ জাগিয়েছে
নসটিক সম্প্রদায়ের সদস্যগণ রক্ষণশীল এবং উদার দুই ধরণেরই ছিলেন। শরীর ও ভৌতবিশ্ব অশুভ -এই নীতির কারণে নসটিক তরিকায় বিবাহ এবং যৌনতাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অন্যরা মনে করতেন যে যেহেতু আত্মা এ জগতে আগন্তুক (এলিয়েন) ... কাজেই যাই করা হোক না কেন-তাতে কিছু যায় আসে না। এই ধারণার পাশাপাশি নসটিকগণ ওল্ড টেস্টামেন্টের নীতি প্রত্যাখান করেছিলেন। কেননা তাদের মতে ওল্ড টেস্টামেন্টের ইয়াওয়ে হল ডেমিআর্জ বা অশুভ ঈশ্বর; যার কাজই হল মানবজাতিকে বন্দি করে রাখা।
সুফিবাদের ওপরও নসটিক তরিকার প্রভাব এমনকী মুসলিম ঐতিহাসিকগণও স্বীকার করেছেন।
ইতিহাসের ধারায় অনিবার্যভাবেই ইসলামি সুফিবাদের ওপরও নসটিক তরিকার প্রভাব পড়েছিল। এ বিষয়ে সৈয়দ আমীর আলী তাঁর ‘দ্য স্পিরিট অভ ইসলাম’ বইতে লিখেছেন,‘সুফিবাদী দর্শন সুসংবদ্ধ করার প্রচেষ্টায় আস্-সাররাজ ইমাম গাযযালীর পূর্বসূরি ছিলেন। সুফিবাদকে একটি সুশৃঙ্খল ধারায় রূপ দেওয়ার জন্য তার চেষ্টা সত্ত্বেও তা পুরনো নসটিক এবং প্রায়ই অ্যান্টিনোমিয়ান ধারায় প্রবাহিত হতে থাকে। (পৃষ্ঠা, ৪৭৪)
ইরাকের নসটিক তরিকার Mandaeans নারীপুরুষ
ইরান এবং ইরাকে Mandaeans নামে ক্ষুদ্র এক নসটিক তরিকা আজও টিকে আছে। এরা অবশ্য অ-খ্রিস্টান। তাছাড়া এরা মূল নসটিক আন্দোলনে জড়িত ছিল কিনা সেটিও জানা যায়নি। তাছাড়া যুগে যুগে নসটিক তরিকার বিশ্বাসের অদলবদল ঘটেছে । যেমন দ্বৈতবাদী চিন্তায় আচ্ছন্ন প্রাচীন পারস্যের একটি ধর্মমত ম্যানিকিইজম নসটিক গোত্রেরই অর্ন্তভূক্ত। মধ্যযুগের ইহুদি কাববালাহ, রেঁনেসা যুগের আলকেমি, উনিশ শতকের থিওসফি (ধর্মতত্ত্ব) ;কুড়ি শতকের অস্তিত্ববাদ ও নৈরাজ্যবাদ এবং ওই শতকেরই সুইস মনোবিদ কার্ল গুস্তাফ জুং- এর মতবাদে নসটিক ভাবনাটি উঁকি দেয় যেন। এ কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন কলেজের থিওসফির অধ্যাপক Pheme Perkins মন্তব্য করেছেন:The essence of Gnosticism has proved very durable: the view that the inner spirit of humanity must be liberated from a world that is basically deceptive, oppressive, and evil.( Perkins, Pheme. "Gnosticism." Microsoft® Student 2008 [DVD]. Redmond, WA: Microsoft Corporation, 2007. )
একুশ শতকের মুক্ত চিন্তার মানুষ নসটিক মতবাদের প্রতি ঝুঁকছে দ্রুত।
মিশরের নাগ হামাদি আবিস্কারের ফলেই বিংশ শতকে নসটিক জ্ঞান লব্দ হয়েছে। একুশ শতকে নসটিক তরিকা সম্বন্ধে বিশ্বময় কৌতূহল বাড়ছে। এর মূল কারণ কি মূলধারায় আস্থাহীনতা? নাকি নারীবাদের উত্থান? কিংবা সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতা বাইরে যাওয়ার প্রয়াস? অথবা প্রাচীন রহস্যে অবগাহন করার আকাঙ্খা? যাই হোক।একুশ শতকে নসটিক ভাবনার অভিঘাত সম্পর্কে একজন লেখকের মন্তব্য এই রকম .... It appears that Gnosticism became popular with the interest in The Da Vinci Code, but perhaps because its teachings are strikiing a responsive chord with us today, it continues to grow in interest.. For example,since January, 2005, there have been over one million visitors to the Gnostic website Gnosticteachings.org.
শেষ করছি একটি প্রশ্ন দিয়ে।
মধ্যপ্রাচ্যের নসটিক তরিকার সঙ্গে বাংলার বাউলের কি কি সম্পর্ক লক্ষ্য করলেন?
ইরাকের নসটিক তরিকার Mandaeans দের ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র
http://www.youtube.com/watch?v=UP1JORRcIao
ছবি: ইন্টারনেট
তথ্যসূত্র:
http://www.gnosis.org/whatisgnostic.htm
http://www.religioustolerance.org/gnostic.htm
http://www.gnosis.org/gnintro.htm
http://www.newadvent.org/cathen/06592a.htm
Click This Link
Click This Link
http://www.gnosticteachings.org/
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


