somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হরপ্পা সভ্যতা (চতুর্থ পর্ব)

২০ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
হরপ্পা সভ্যতা নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখছি। সভ্যতাটির ভূমিকা হিসেবে প্রথম পর্বে লিখেছি যে- হরপ্পা সভ্যতা ভারতবর্ষের প্রাচীনতম সভ্যতা । এবং হরপ্পা সভ্যতার আবিস্কার একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেননা, এই আবিস্কারের পূর্বে মনে করা হত যে ভারতের ইতিহাসের সূচনা আর্যদের ভারতবর্ষে আসার পর থেকে । আজ আর এ কথার কোনও ভিত্তি নেই। হরপ্পা সভ্যতা আবিস্কারের পর ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাচীনত্ব এবং মৌলিকত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে। অন্তত পাঁচ হাজার বছরের পরনো হরপ্পা সভ্যতাটি প্রাচীনত্বের দিক থেকে মিশর-ব্যাবিলন আসিরিয়ার সমকক্ষতা অর্জন করেছে। সে যাই হোক। প্রাগৈতিহাসিক ভারতবর্ষে সিন্ধু নদের অববাহিকায় হরপ্পা সভ্যতা গড়ে ওঠার সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল। মাঠ পর্যায়ে গবেষনা করে প্রত্নতাত্ত্বিকগণ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, নবোপলীয়, অর্থাৎ নব্যপ্রস্তর যুগে খাদ্য ও ঘাসের অভাব দেখা দিয়েছিল। নিজেদের এবং পশুদের খাদ্য যোগানোর জন্য নদীর তীরই ছিল উপযুক্ত জায়গা। কাজেই ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ নদীর তীরে বসতি গড়তে থাকে। ঐতিহাসিকদের মতে হরপ্পা সভ্যতার কালসীমা খ্রিস্টপূর্ব ২২০০ থেকে ১৭০০। মিশর কিংবা মেসোপটেমিয় সভ্যতার তুলনায় হরপ্পা-সংস্কৃতি সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান সীমিত। এর প্রধান কারণ লিখিত দলিলের অভাব। প্রায় হাজার দুয়েক সীল পাওয়া গেলেও সেগুলির পাঠোদ্ধার হয়নি। প্রতœতাত্ত্বিক উৎখননের (archaeological excavation) ফলে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তারই ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। অবশ্য এই খননকার্যও মহেনজোদারোয় ভূগর্ভস্থ কয়েকটি স্তর জলমগ্ন থাকায় পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সুবিশাল হরপ্পা সংস্কৃতির আয়তন সব মিলিয়ে ১২,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার ।এ প্রসঙ্গে একজন ভারতীয় ঐতিহাসিক লিখেছেন: The totalgeographical area over which this civilization flourished is more than 20 times of the area of Egyptian and more than 12 times of the area of Egyptian and Mesopotamian civilizations combined.



হরপ্পা সভ্যতার মানচিত্র।১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় সিন্ধু অঞ্চলে সব মিলিয়ে চল্লিশটির মতন প্রতœক্ষেত্র আবিস্কার হয়েছিল। এর পর গত ৫০/৬০ বছরে সব মিলিয়ে ১৪০০ প্রাচীন বসতি আবিস্কৃত হয়। এর মধ্যে ৯২৫ টি ভারতে; এবং ৪৭৫ টি পাকিস্তানে। কাজেই বর্তমানকালের রাজনৈতিক সীমানায় হরপ্পা-সংস্কৃতির বিচার করা যাবে না, কাজেই হরপ্পা-সংস্কৃতির সমীক্ষা চালাতে হবে সভ্যতাটি ভৌগোলিক প্রেক্ষপটে। যা বিশাল এক ভূখন্ডে ছড়িয়ে রয়েছে- পশ্চিমে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের সুতকাজেন্দর; পুবে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট জেলার আলমগীরপুর; দক্ষিণে মহারাষ্ট্রের আহমদনগর জেলার ধাইমাবাদ; এবং উত্তরে জন্মু এবং কাশ্মীরের আখনুর জেলার মানডা। পুব-পশ্চিমে সব মিলিয়ে ১৬০০ কিলোমিটার। এবং উত্তরদক্ষিণে ১৪০০ কিলোমিটার।


এই চতুর্থ পর্বের আলোচনা হরপ্পা সভ্যতার ধর্ম। অনেকেই হরপ্পা ধর্মের সঙ্গে আজকের দিনের হিন্দুধর্ম অর্থাৎ Hinduism -এর মধ্যে একটা সর্ম্পক খোঁজেন। যে কারণে উইকিপিডিয়ার প্রবন্ধকার লিখেছেন,The religion of Hinduism probably has its roots in the Indus Valley civilisation.তবে অনেকে আবার এই সম্পর্ক অস্বীকার করেন। বিখ্যাত ঐতিহাসিক John Keays এঁদের অন্যতম। তিনি লিখেছেন :"The religion of Harappans is unknown. No site has certainly been identified as a temple and most suppositions about sacrificial fires, cult objects and deities rest on doubtful retrospective references from Hindu practices of many centuries later. Such inferences may be as futile as, say, looking to Islamic astronomy for an explanation of the orientation of the pyramids. In short, these theories are all fanciful and do not bear scrutiny. এর মানে হরপ্পার ধর্মটির স্বরূপ অজানা। এ সভ্যতার প্রত্নক্ষেত্রে উপাসনাগৃহ কিংবা অগ্নিবেদি কিংবা তেমন পূজ্যবস্তু পাওয়া যায়নি। যা থেকে পরবর্তীকালের হিন্দুধর্ম সঙ্গে হরপ্পা ধর্মের একটি যোগসূত্র আবিস্কার করা যায়। নিশ্চয় আমরা ইসলামি জ্যোর্তিবিদ্যা ব্যাখ্যা করার জন্য পিরামিডের নির্মিতির মধ্যে যোগসূত্র খুঁজতে পারি না। যে কারণে হরপ্পার ধর্মটির সঙ্গে বর্তমান ভারতীয় ধর্মের শিকড় খোঁজা অর্থহীন ।
দেখা যাক এই ঐতিহাসিকের মন্তব্যে কোন সত্যতা আছে কি না। অন্য কথায় এই পন্ডিতের যুক্তি খন্ডনের জন্যই এই পোস্ট!




হরপ্পা সভ্যতা সম্বন্ধে প্রথম কথাই হল সভ্যতাটি ছিল নগর সভ্যতা ...


গত পর্ব থেকে আমরা জেনেছি যে হরপ্পা সভ্যতাটি ছিল নগর সভ্যতা। আর যে কোনও নগর সভ্যতার পটভূমিতেই থাকে ব্যাপক কৃষিজমি। এতে কিছু মানুষ কৃষিকাজ থেকে অব্যাহতি পায়, তাতে তারা ব্যবসা এবং অন্যান্য কারিগরি পেশায় যুক্ত হতে পারে। যে কোনও সভ্যতার উত্থানের অন্যতম শর্তই হল এটি। হরপ্পা নগরগুলির খাদ্যের যোগান কাছাকাছি গ্রামগুলি থেকেই আসত। (এ বিষয়ে আমরা গত পর্বগুলিতে আলোচনা করেছি) । আজকের দিনের মতোই আয়-রুজির জন্য হরপ্পা নগরের অধিবাসীদের একটা বড় অংশ আসত গ্রাম থেকে । এবং এই অনুমান করা অসংগত নয় যে এদের ধর্মীয় চেতনায় গ্রামীন কৃষিজীবিদের ধ্যানধারণাই প্রবল ছিল। যা বর্তমান যুগের নগরবাসীদের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। এ কারণেই হরপ্পার ধর্মে কৃষিজীবি সমাজের বহুল প্রচলিত মাতৃদেবীর প্রাধান্যই বেশি। হরপ্পা সভ্যতার ধর্মকে বোঝার এটিই মূলসূত্র। যা ঐতিহাসিক John Keays উপলব্দি করতে পারেন নি।



মহেনজোদারোয় প্রাপ্ত পুরোহিত -রাজার মূর্তি। প্রাচীন সভ্যতার রাজা মাত্রই পুরোহিতের ভূমিকা পালন করত। এ সময়ে মাদার গডেস অপসারিত না হলেও মাদার গডেসের পাশাপাশি পুরুষ দেবতার উত্থান ঘটে। হরপ্পা সভ্যতায় তাই হয়েছিল। দেবতা শিব- এর প্রাথমিক ধারণাটি আমরা হরপ্পাসভ্যতায় দেখি। ঐতিহাসিক John Keays এটি উপলব্দি করতে পারেননি!


হরপ্পা নগর থেকে যেসব মাতৃমূর্তি পাওয়া গেছে সেসব মূর্তি ছিল রংহীন। (হরপ্পা সভ্যতার সঙ্গে মিশর ও মেসোপটেমিয়ার সভ্যতার সংযোগ ছিল।অবশ্য এসব সভ্যতার মাতৃমূর্তি রংহীন ছিল না। আবার মহেনজোদারোর মাতৃমূর্তি গুলোর বেশির ভাগই ছিল লাল রঙে মাখানো।) হরপ্পায় প্রাপ্ত মাতৃদেবীদের মস্তকাবরণ আছে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে তা দেওয়া হয়েছে পিছন দিক থেকে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে সোজাসুজি মাথার উপর থেকে। দেবী প্রায় নগ্ন হলেও দেবীর কোমরে জড়ানো ছোট একটা আবরণ আছে। আর আছে শরীরময় অলঙ্কারের বাহুল্য। কিছু কিছু মাতৃমূর্তি অবশ্য আবক্ষ নয়, অর্থাৎ আংশিক নয়;এদের হাত-পা আছে এবং এরা নানারকম ভঙ্গিতে গঠিত।



হরপ্পা সভ্যতার মাতৃমূর্তি। এই মাতৃদেবীর গুণাবলী আত্মস্থ করে পরবর্তী কালে ভারতবর্ষে বহু দেবীর উত্থান ঘটেছে। ঐতিহাসিক John Keays এটি উপলব্দি করতে পারেননি!


কোনও কোনও ঐতিহাসিক হরপ্পার এই মাতৃমূর্তির সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার বিখ্যাত মাতৃদেবীদের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করছেন। মেসোপটেমিয়া সভ্যতার উর, নিনেভ, লাগাস, আক্কাদ এবং ব্যাবিলন প্রভৃতি নগরের মাতৃদেবীর মূলে ছিল সুমেরিয় মাতৃদেবীর কল্পনা এবং আরাধনা। ঠিক একই ভাবে হরপ্পার এই মাতৃদেবীর গুণাবলী আত্মস্থ করে পরবর্তী কালে ভারতবর্ষে বহু দেবীর উত্থান ঘটেছে। হরপ্পায় একটি সীল পাওয়া গিয়েছে, যে সীলে একটি নগ্ন দেবীমূর্তি রয়েছে, যে দেবীর যোনিপ্রদেশ থেকে একটি চারা উত্থিত হয়েছে। অনেক ঐতিহাসিকেরই ধারণা এটি ভারতীয় পুরাণকথিত শাকম্ভরী কল্পনার একটি প্রাথমিক পর্যায়। অন্য একটি সীলে একটি পিপুল গাছের দুই শাখার মাঝখানে মাতৃভূমি রয়েছে। কাজেই The religion of Harappans is unknown. এমন অগভীর সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক John Keays কিভাবে নিলেন?



হরপ্পা সভ্যতার ষাঁড়ের ছবি আঁকা প্রচুর সীল পাওয়া গিয়েছে।

অন্য আর দশটা সুপ্রাচীন সভ্যতার মতোই হরপ্পার ধর্মটিও বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে ছিল বহু ঈশ্বরবাদী । কাজেই সেটি কেবলই দেবী উপাসনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দেবী-দেবী ছাড়াও হরপ্পায় বৃক্ষ এবং এবং পশু-উপাসনার প্রচলন ছিল বলে মনে হয়। গাছের মধ্যে হরপ্পাবাসী পিপুল এবং নিম গাছ পূজা করত। (আজও বাংলায় গাছপূজা করে।বাংলার প্রাচীন রক্তে মিশে রয়েছে দ্রাবিড় রক্ত আর হরপ্পা সভ্যতা তো দ্রাবিড়দেরই কীর্তি) আর হরপ্পায় উপাস্য পশুর মধ্যে যাঁড়ই ছিল অন্যতম। (গরু আজও ভারতীয়দের চোখে পবিত্র) হরপ্পা সভ্যতায় ষাঁড়ের ছবিযুক্ত প্রায় ২০০০ সীল পাওয়া গেছে। প্রাচীন সভ্যতায় ষাঁড় উপাসনা সম্পর্কে Encyclopaedia Britannica লিখেছে, "The Bull Cult was a prehistoric religious practice that originated in the eastern Aegean Sea and extended from the Indus Valley of Pakistan to the Danube River in eastern Europe .... The Bull Cult continued into historic times and was particularly important in the Indus Valley and on the Grecian island of Crete. In both places the bull's 'horns of consecration' were an important religious symbol."




হরপ্পায় প্রাপ্ত পশুপতি শিব। অনেক ঐতিহাসিকের মতে হরপ্পার শিব হলেন আদিশিব। শিব অনার্য দ্রাবিড় জাতির দেবতা হলে পরে বহিরাগত আর্যরা গ্রহন করেছিল।


একটি সীলে যোগাসনে উপবিষ্ট পশুর দ্বারা সমাকীর্ণ তিনমুখ বিশিষ্ট এক পুরুষদেবতার ছবি পাওয়া গিয়েছে। ঐতিহাসিক মার্শাল এঁকে "পশুপতি শিব" বলে ধারণা করছেন। এছাড়া শিবলিঙ্গের মতোই হরপ্পা সভ্যতায় লিঙ্গপূজার ধারণা ছিল বলে পন্ডিতেরা অনুমান করেন। ঐতিহাসিক নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য লিখেছন," হিন্দুধর্মে লিঙ্গ ও যোনি যথাক্রমে শিব ও দেবীর প্রতীক, যাঁদের আদিরূপের নিদর্শন হরপ্পা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া যায়। " (ধর্ম ও সংস্কৃতি: প্রাচীন ভারতীয় প্রেক্ষাপট। পৃষ্ঠা:৪৫)



মহেনজোদারোয় বৃহৎ স্নানাগার।


মহেনজোদারো নগরে কিছু কিছু বড় কাঠামো পাওয়া গেছে। এর একটি হল গ্রেট বাথ বা বৃহৎ স্নানাগার । ইটের তৈরি কাঠামোটির আয়তন ১২ মিটার / ৭ মিটার। গভীরতা ৩ মিটার। এর চারধারে সিঁড়ি। মেঝে মসৃণ ইটের। পাশে বড় কুয়া থেকে পানি। এক প্রান্তে ছিদ্রে নর্দমা। চারিদিকে পোর্টিকো আর ঘর। সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় যাওয়া যেত। কোনও সন্দেহ নেই যে এখানে হরপ্পাবাসী ধর্মীয় কৃত্য সম্পন্ন করত । আজও গঙ্গা হিন্দুদের কাছে পবিত্র।



হরপ্পায় প্রাপ্ত নৃত্যরতা নারী। অনেকের মতে নারীটি ছিল মন্দির-নর্তকী!

মোহেনজোদারো নগরে কবর পাওয়া গিয়েছে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্বন্ধে ধারণা করা যায়। সব গুলি কবর এক ধরণের ছিল না। এক ধরণের কবরে মৃত ব্যক্তির আসবাবপত্র অলঙ্কার সমাহিত করা হত। কিছু কবরে মৃত ব্যক্তির কঙ্কাল স্থাপন করা হত। এ ছাড়া আরও এক শ্রেণির কবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলিতে মৃতদেহ পূর্বে দাহ করে, পরে ভস্ম ওই কবরে রাখা হয়েছে।



হরপ্পা সভ্যতায় প্রাপ্ত স্বস্তিকা। আজও এটি ভারতবর্ষের হিন্দুসমাজে মঙ্গলচিহ্ন হিসেবে সমাদৃত । স্বস্তিকা শব্দের মূলে রয়েছে সংস্কৃত স্বস্তি এবং এর ধারণায় রয়েছে শুভ (শিব)।


কাজেই এইসব আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে হরপ্পা ধর্ম সম্বন্ধে ঐতিহাসিক John Keays এর মন্তব্য অসার বলেই মনে হয়।

হরপ্পা সভ্যতার ধর্মের ওপর নির্মিত একটি ভিডিওচিত্র

Click This Link



ক্রমশ ...

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের লিঙ্ক
Click This Link
Click This Link
Click This Link

ছবি: ইন্টারনেট।
তথ্যসূত্র: শেষ কিস্তিতে সংযুক্ত করা হবে।
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম কর্ম

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



আপনার দিনের পর দিন ধর্মীয় লেখা পোস্ট করার কারণে -
হয়তো, আপনার কম্পিউটারটি স্বর্গে যেতে পারে।
কিন্তু, আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে -
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।


ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ



...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মা আমার পৃথিবী

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৬

" আমার মা,আমার পৃথিবী "

মাঝেমধ্যে হঠাৎ করেই মাগো তুমি আমার স্বপ্নে এসে আমার হ্রদয় ছুঁয়ে যাও। সেদিন সারাটাক্ষন আমি আমার মায়ের মাঝে ডুবে থাকি। কোনো কাজে মন বসাতে পারিনা।
কিশের এতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিমস যুদ্ধ: রাজনীতিতে হাসি-ঠাট্টার কৌশল”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সাম্প্রতিক সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডগুলো বেশ মজার। ট্রল আর মিমসের দুনিয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে যা আমাদের বিনোদনের খোরাক জোগায়। ওপরের তালিকার সাথে আরও কিছু চলমান মিমস... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমার কোন এক মুহূর্তের শব্দ শুনি

লিখেছেন সামরিন হক, ১০ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩১


ছবি- নিজস্ব সংগ্রহ


কেঊ এসে মেরে রেখে যাক তা চাই নি কখনো ।
তবুও সে আসে,মেরে ফেলে চলে যায়।
তখন খুব জোড় করে বেঁচে থাকি,
বলতে পারো জোড় করে বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে।

জীবন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৫১


মাইলস্টোন স্কুলের কথা কি এখনও মনে আছে? একটা ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল স্কুলের ওপর। ছোট ছোট বাচ্চারা ক্লাস করছিল, হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে এল মৃত্যু। ঠিক যেমনটা আমরা সিনেমাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×