somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সায়েন্টোলজি: উদ্ভব ক্রমবিকাশ এবং দর্শন (প্রথম পর্ব)

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লাফেয়েটি রোনান্ড হাববার্ড (১৯১১-১৯৮৬) ইনি Scientology -র প্রবর্তক। চার্চ অভ সায়েন্টোলজি বা সায়েন্টোলজি হল একটি আধুনিক ধর্মদর্শন। ধর্মটি একাধারে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী এবং ফ্রয়েডিয় মনোবিদ্যার চিত্তাকর্ষক মিশ্রণ। অবশ্য আধুনিক একটি ধর্মের সে রকমই হওয়ার কথা। কেননা, সায়েন্টোলজি প্রাচীন কিংবা মধ্যযুগীয় ধর্ম নয়, ধর্মটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৯৫১ সালে। Scientology শব্দটির উদ্ভব হয়েছে লাতিন এবং গ্রিক শব্দের সমন্বয়ে । লাতিন Scio (জানা) এবং গ্রিক logos (অধ্যায়ন করা) অর্থ ‘the study of knowledge’’ কিংবা knowing how to know’. তবে Scientology বলতে একটি বিশেষ ধর্মীয় দর্শন বোঝায়। ১৯০১ সালে অ্যালেন আপওয়ার্ড Scientology শব্দটি উদ্ভব করেন। তখন এর মানে ছিল- ‘বৈজ্ঞানিক মতবাদের প্রতি অন্ধবিশ্বাস’। অবশ্য সায়েন্টোলজি ধর্মটির প্রবর্তক মার্কিন লেখক লাফেয়েটি রোনান্ড হাববার্ড বা এল. রন হাববার্ড এর মতে Scientology শব্দটির অর্থ 'আত্মার পাঠ'। Scientology ধর্মদর্শনে বিজ্ঞানের বদলে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীই বেশি। প্রচুর বৈজ্ঞানিক পরিভাষার ব্যবহার ধর্মটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।




একটি Scientology গির্জার ভিতরে


Scientology দর্শনটি উদ্ভব হয়েছে Dianetics মতবাদ থেকে । এটিও অর্থাৎ Dianetics এল. রন হাববার্ড -এরই উদ্ভাবন। দুটি গ্রিক শব্দের সমন্বয়ে ডায়ানেটিক্স শব্দের উদ্ভব। গ্রিক dia অর্থাৎ ‘ভিতর দিয়ে’ এবং nous অর্থাৎ, ‘মন।’ এক কথায় ডায়ানেটিক্স হল: মন ও শরীরের অধিবিদ্যা । এল. রন হাববার্ড প্রবর্তিত সায়েন্টোলজি ধর্মেও মানবমনের এক বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এক কথায় :Scientology is the study of man, and his interaction with the universe, and further, provides practical tools for improving himself, both in his present environment, and on a spiritual level.



Dianetics: The Modern Science of Mental Health বইটির প্রচ্ছদ। ১৯৫০ সালে এল. রন হাববার্ড এই বইটি প্রকাশ করেন। এই বইটিই সায়েন্টোলজি ধর্মটির ধর্মগ্রন্থ । যারা বইটি পড়তে চান তাদের জন্য মিডিয়া ফায়ার লিঙ্ক ।
http://www.mediafire.com/?vy4hdijqync

সায়েন্টোলজির মূলকথা হাববার্ড Dianetics: The Modern Science of Mental Health বইতে লিখেছেন। যার সারমর্ম হল মানবমন অবচেতন (সাবকনশাস) চিন্তা দ্বারা সীমাবদ্ধ। মনের এই অবস্থাকে হাববার্ড- reactive mind বলেছেন ; মানবমন প্রায়শই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা (engrams) দ্বারা আচ্ছন্ন থাকে। সুখি ও সুন্দর জীবন যাপন করার জন্য এই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকে মনকে মুক্ত করা দরকার। মানুষের ভিতরে রয়েছে চিরন্তন আত্মা; এই চিরন্তন আত্মাকে বলা হয়-thetan ; এই দিতানকে মুক্ত করা দরকার। আর এর জন্য প্রয়োজন একজন উপদেষ্টার (auditor); উপদেষ্টার সাহায্যে একবার মনের ভিতরের নেতিবাচক চিন্তাভাবনা সরিয়ে ফেলতে পারলেই মানুষ আধ্যাত্বিকভাবে মুক্ত জীবন যাপন করতে পারে। এই অবস্থাকে বলা হয়- Clear বা নির্মল। নির্মলতা অর্জনই একজন সায়েন্টোলজি ধর্মের অনুসারীর মূল সাধনা।



অন্যান্য ধর্মের মতোই সায়েন্টোলজি মানুষরের মনের আবিলতা দূর করে সুখি ও শান্তিময় জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। ২০০৫ সালের হিসেব অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে সায়েন্টোলজি ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা ৮ মিলিয়ন বা প্রায় ৮০ লক্ষের কাছাকাছি।


সায়েন্টোলজি বিশ্বজগতের সঙ্গে আত্মা বা thetan -এর সর্ম্পক খতিয়ে দেখে । ঈশ্বর কিংবা ‘সুপ্রিম বিয়িং’ -এর সঙ্গে মানবাত্মার সর্ম্পকের বিষয়টিও সায়েন্টোলজির অর্ন্তভূক্ত (বিষয়টি বৈষ্ণব এবং সুফিমতের মতোই) । মানুষ অমর প্রাণি (alien অর্থে! ) এবং thetan বা আত্মা পৃথিবীতে ভৌতদেহে বন্দি হয়ে রয়েছে। এই ধারণাটি একেবারেই অপরিচিত না হলেও সায়েন্টোলজির সঙ্গে ভিনগ্রহের প্রাণিদের (এলিয়েন) সম্পর্ক এই ধর্মদর্শনটিকে একেবারেই ভিন্ন চরিত্র দান করেছে। এল. রন হাববার্ড এর বইতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আত্মা বা দিতান দের অনেক অতীত জীবন রয়েছে। পৃথিবীর আসার আগে দিতানরা ভিন্ন ভিন্নও গ্রহে ছিল (এই চিত্তাকর্ষক বিষয়টি আমি দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করব) সায়েন্টোলজি ধর্মের অনুসারীর এসব মহাজাগতিক উপকথা সত্য বলে বিশ্বাস করে।
সে যাই হোক। এবার আমরা এই বিচিত্র ধর্মটির প্রবর্তকের জীবন সম্বন্ধে আলোচনা করব।



লাফেয়েটি রোনান্ড হাববার্ড।

১৯১১ সালের ১৩ মার্চ আমেরিকার নেব্রাস্কায় এল. রন হাববার্ড- এর জন্ম । বাবা ছিলেন উর্ধ্বতন নৌকর্মকর্তা। পরিবারের সঙ্গে আমেরিকার নানা জায়গায় কৈশর জীবন কেটেছে, এতে কিশোর রন-এর উৎসুক দৃষ্টিভঙ্গির প্রসারতা লাভ করেছিল। শৈশবে মন্টানা থাকার সময় স্থানীয় আদিবাসীদের সংস্পর্শে এসেছিল কিশোর রন। অন্যদের মতো আদিবাসীদের এড়িয়ে যায়নি কিশোর রন; বরং আদিবাসী ধর্মসংস্কৃতির নিগূঢ় বৈশিষ্ট্য অনুধাবন করার চেষ্টা করেছিল। আদিবাসীরাও ভবিষ্যতের এক আধুনিক ধর্ম প্রবর্তককে আপন করে নিয়েছিল।




কৈশরে


তরুণ বয়েসে হাববার্ড নৌকমান্ডার জোসেফ সি থম্পসন-এর কাছে ফ্রয়েডিয় মনোবিদ্যা শিক্ষা লাভ করেন । এরপর তিনি চিন, জাপান, ফিলিপাইনসহ নানান এশিয় দেশে ভ্রমন করেন; এ সময়ে তিনি বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন । হাববার্ড চিনা জাদুকরে সংর্স্পশে আসেন, বৌদ্ধ দর্শন সম্বন্ধে জানেন, মঙ্গোলিয় যাযাবরদের সঙ্গে মেশেন । প্রাচ্যের গভীর নৈতিক শিক্ষায় হাববার্ড মুগ্ধ হন। তবে প্রাচ্যের দারিদ্র তাঁকে পীড়িত করে। এ প্রসঙ্গে হাববার্ড লেখেন: despite the wisdom of its ancient texts, the East did not have the answers to the miseries of the human condition. পরবর্তীকালে আমরা অবশ্য তাঁকে দারিদ্র নিয়ে মাথা ঘামাতে দেখি না। তিনি মানবমন এবং মানবাত্মা নিয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। মনে হয় তিনি অভিন্ন একটি সূত্র আবিস্কারের মাধ্যমে জীবনের অসংগতি দূর করতে চেয়েছিলেন ।



তরুণ বয়েসের ছবি।


১৯২৯ সালে হাববার্ড এশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন । ফিরে এসে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত ও প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হন। ওই সময়েই তিনি theorized that subatomic particles might assist in understanding how the human mind worked, and recognized the great importance of keeping mankind under control in light of atomic studies. He also became keenly disappointed with the knowledge of the psychologists he consulted with. (মন কীভাবে কাজ করে সেটি বোঝার জন্য পরমাণুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কণিকাসমূহ সহায়ক হতে পারে। পরমাণু বিদ্যা মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে (আমাদের মনে রাখতে হবে সময়টা উনিশ শো তিরিশের দশকের প্রথমার্ধ) । আর মনোবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি হাতুরে ডাক্তারের চেয়ে উন্নত নয় বলে হাববার্ড হতাশ হয়েছিলেন ।) এ রকম উপলব্দির পর আর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেন না হাববার্ড । বরং তিনি সারা বিশ্বকেই বিশ্ববিদ্যালয় করে তুললেন!



দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্বের অনেক সৃজনশীল দরদি মানুষকে ভাবিয়েছে। হাববার্ড কেও ...

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ ঘনিয়ে এল। হাববার্ড পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসারে যোগ দিলেন নৌবাহিনীতে। যুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মানুষের অর্থহীন মৃত্যু তাঁকে ভাবিয়ে তোলে। মানবমনের প্রকৃত স্বরূপ অন্বেষণে হয়ে ওঠেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ১৯৪৫ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ঔক নল নৌ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। তিনি লক্ষ করেন যে সক্রিয় হয়ে ওঠার মাধ্যমে মানসিক অবসাদ (মেন্টাল ব্লক) কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি সিদ্ধান্ত নেন, চিন্তাই প্রধান। তিনি লেখেন: Thought is boss. অবশ্য এই ধারণা বুদ্ধ হাববার্ড -এর ২৫০০ বছর পূর্বেই জানতেন। বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থ ধর্মপদের সূচনার শ্লোকটি এরকম :

Mind precedes all mental states.
Mind is their chief; they are all mind-wrought.
If with an impure mind a person speaks or acts suffering
follows him like the wheel that follows the foot of the ox.





মানবিক চিন্তা প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের কৌতূহলের যেন শেষ নেই। প্রাচীন ভারতের যোগশাস্ত্র থেকে বর্তমানের কগনিটিভ সায়েন্স এই থট প্রসেসকে বুঝতে চাইছে।


মন সম্পর্কে হাববার্ড তাঁর ধ্যানধারণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাতেকলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। তাঁর উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে অনেকেই সুস্থ কর্মক্ষম হয়ে ওঠেন। তাঁর উদ্ভাবিত পদ্ধতির নাম Dianetics; এ সম্বন্ধে এ লেখার শুরুতে সামান্য ইঙ্গিত দিয়েছি। (ডায়ানেটিক্স এর মূলকথা মনের ভিতরের নেতিবাচক চিন্তাস্রোত পরিহার করে নির্মল হয়ে ওঠা।) ১৯৪৯ থেকে হাববার্ড ডায়ানেটিক্স সম্বন্ধে লিখতে থাকেন।



হাববার্ড লেকচার দিচ্ছেন।

তিনি মানবমন সর্ম্পকে তাঁর ধ্যানধারণা আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং আমেরিকান সাইক্রিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন-এ উপস্থাপন করেন। অবশ্য মনোবিদ ও চিকিৎসগণ সে বিষয়ে আগ্রহ দেখায়নি। হাববার্ড -এর অহং আহত হয়েছিল বলেই কি তিনি নিজেই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন? বলেছিলেন:You don't get rich writing science fiction. If you want to get rich, you start a religion. যা হোক। এরপরই তিনি বিখ্যাত Dianetics: The Modern Science of Mental Health বইটি লেখেন। যার ১৭ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়। সম্পদশালী হয়ে ওঠেন হাববার্ড । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা জায়গায় ডায়ানেটিক্স সম্বন্ধে ভাষণ দিতে থাকেন । ১৯৫০ সালেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫০ গোষ্ঠী ডায়ানেটিক্স চর্চা করতে থাকে ।



যদিও হাববার্ড ভেবেছিলেন যে তিনি মনের ‘ম্যাকানিযম’ আবিস্কার করেছেন, তবুও সব প্রশ্নের উত্তর তখনও মেলেনি। তিনি খানিকটা বিভ্রান্ত হয়েই লিখলেন: ‘যতই গবেষনা করছি ততই বুঝতে পারছি যে ‘হোমো সাপিয়ান্স’ এখনও অনেক অজানা প্রাণি।’ এই প্রাণির আত্মাই অতপর হাববার্ড- এর গবেষনার বিষয় হয়ে ওঠে। অর্থাৎ হাববার্ড মন থেকে আত্মায় উপনীত হলেন। বিজ্ঞানচর্চা পর্যবেশিত হল ধর্মে!
জন্ম হল সায়েন্টোলজির।



সায়েন্টোলজি নিয়ে লেখালেখি কম হয়নি ...

১৯৫৪ সালে চার্চ অভ সায়েন্টোলজি প্রতিষ্ঠা করা হয় লস এঞ্জেলেস এ। অবশ্য হাববার্ড চার্চ অভ সায়েন্টোলজি প্রতিষ্ঠা করেন নি। চার্চ অভ সায়েন্টোলজি প্রতিষ্ঠা করেছিল যারা সায়েন্টোলজি চর্চা করত, তারা। সে কারণে বলা হয়:'L. Ron Hubbard founded the subject - early Scientologists founded the church.'



সায়েন্টোলজি নিয়ে কম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি!

ওদিকে হাববার্ড ক্রমাগত লিখে যাচ্ছিলেন। হাববার্ড এর লেখা, গবেষকরা হিসেব করে দেখেছেন, মোট শব্দের সংখ্যা ১০০ মিলিয়ন!
হাববার্ড মূলত একজন লেখকই ছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁর রচনাবলী মোট আঠারো খন্ডে প্রকাশিত হয়েছে । এর মধ্যে ১২ খন্ড প্রশাসনিক বিষয় অর্থাৎ চার্চ অভ সায়েন্টোলজি কীভাবে পরিচালিত হবে । ডায়ানেটিক্স এবং সায়েন্টোলজি বিষয়ে ৩,০০০ রেকর্ডকরা লেকচারও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া Dianetics: The Modern Science of Mental Health বইটির বিক্রি অব্যাহত ছিল। সর্বমোট ২২ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল ষাটের দশকে । বইটি ৬০০টি বেষ্ট সেলার তালিকায় ছিল।
পরবর্তী পোস্টে হাববার্ড-এর ধর্মীয় বিশ্বাস সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করব।



হাববার্ড রোগী দেখছেন!

ছবি : ইন্টারনেট।
তথ্যসূত্র: ২য় পর্বে সংযুক্ত করা হবে।



১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×