পাকিদের জন্য গেলমান আর দাদাদের জন্য ঘেটুর কোন অভাবই নাই এই দেশে !!!!
ট্রানজিটের জন্য ফি চাওয়ার মত নিল্লজ্জ কাজটা বাংগালী শেষ পর্যন্ত আর করলনা । নিজে বাঁশ খেয়ে হলে দাদা দের জন্য সে দিল দরিয়া। দাদারা পানি দেয় নাইতো কি হইছে- দরকার হলে আমরা পাছার কাপড় খুলে দিব। দালাল উপদেস্টারা তাদের কথা রেখেছেন- আর তাই বিনা পয়সায় মালামাল এপার উপার হচ্ছে .........সাবাশ বাঙ্গালী সাবাস দালালী !!!!
বহুল আলোচিত ট্রানজিটের প্রথম নিয়মিত চালান ত্রিপুরায় যাচ্ছে আজ। আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে এ চালান আগরতলা যাচ্ছে। এ জন্য কোনো মাশুল নেওয়া হচ্ছে না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গতকাল সোমবার এ-সংক্রান্ত যে চিঠি স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে দিয়েছে, তাতে পরীক্ষামূলক ট্রানজিট কথাটি উল্লেখ নেই। ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই নিয়মিত ট্রানজিট শুরু বলে মনে করা হচ্ছে।
আখাউড়া স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, নিয়মিত ট্রানজিটের এ পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকগুলো ত্রিপুরার আগরতলা স্থলবন্দর ইয়ার্ডে গিয়ে খালাস করার অনুমতি দিয়ে এনবিআর আদেশ জারি করেছে। গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনারের কার্যালয় থেকে তার একটি কপি আখাউড়া শুল্ক বিভাগের কাছে আসে।
ওই আদেশে এ পণ্যের জন্য কোনো ধরনের শুল্ক আরোপের কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে এ পণ্য ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে আনা বলে শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
আখাউড়া স্থলবন্দর শুল্ক কর্মকর্তা সুবাস চন্দ্র কুণ্ডু প্রথম আলোকে বলেন, লোহাজাতীয় ওই পণ্যগুলোর বিষয়ে পরীক্ষামূলক কথাটি উল্লেখ নেই। আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে এ পণ্যগুলো যে ট্রাকে করে আখাউড়া স্থলবন্দরে আনা হয়েছে, ওই ট্রাকই আগরতলা স্থলবন্দর ইয়ার্ডে গিয়ে খালাস করবে।
আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ট্রানজিটের পণ্যগুলো বাংলাদেশের আখাউড়া স্থলবন্দর ইয়ার্ডে নামানো হলে স্থানীয় অনেক শ্রমিক কাজ করতে পারতেন। ট্রানজিট পণ্য সরাসরি চলে গেলে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এদিকে জানা গেছে, আখাউড়া স্থলবন্দরে পরীক্ষামূলক ট্রানজিটের দ্বিতীয় চালানের প্রায় ৪৬৬ টন লোহাজাতীয় পণ্য এখনো রয়ে গেছে। এই অবস্থায় নিয়মিত ট্রানজিটের প্রায় ১৬০ টন লোহাজাতীয় পণ্য (কাঁচা লোহা) আজ ত্রিপুরায় যাচ্ছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরে নিয়মিত ট্রানজিটের পণ্য নিয়ে নয়টি ট্রাক অবস্থান করছে। ওই ট্রাকের পণ্য ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরা ইস্পাত কোম্পানির।
স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে ইন্দো-বাংলা শিপিং লাইনসের নীলকণ্ঠ নামে একটি জাহাজে করে ওই পণ্য আশুগঞ্জ নৌবন্দরে আসে। ১২ অক্টোবর ওই জাহাজ থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়।
Click This Link
ভারত মাতার ব্লগীয় দালাল বাঙ্গালদের মতামত টা কি........নাকি তারাও কাপড় খুলে বসে আছে।
পাকিদের জন্য গেলমান আর দাদাদের জন্য ঘেটুর কোন অভাবই নাই এই দেশে !!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

