কিছু, ঠিক কিছু না অনেক কীট আছে, ফকির ভাতে মরে, মশার কামড় খায়, ডাইল ফেন্সিডিল এর উপরে থাকে, ১০-৩০ হাজার টাকা বেতন পায়, আর মনে করে মহা সুখেই আছি।
উন্নত জীবন কি দেখেও নাই শুনেও নাই । পৃথিবির কোন দেশের এম্বেসি এদের কে ভিসা দেয় না । নিজের বাপ মা বা সন্তানের চিকিৎসা করানোর ক্ষমতা নাই। লেখা পড়ায় পন্ডিত মনে করে নিজেকে কারণ তাদের লেখা পত্রিকায় ছাপা হয় বা মাইক্রোডাইনামিক্স কি জিগাইলে এক দমে কইতে পারে।
এই কীট গুলাই বাংলাদেশের অভিশাপ । এদের সংখা ৯০% যুবক (২০-৩৫ বছর) এবং ৯৫% শিক্ষিত প্রায় ৫০% ভাগ সামুর ব্লগার।
কি মনে করলেন? আমি তাদের দারিদ্রতা কে উপহাস করলাম? তাদের অসহায়ত্ব কে ব্যাংগ করলাম? মোটেই না লেখাটা শেষ পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরে পড়ুন আপনি একমত হবেন।
আচ্ছা বলেন তো ২৫-২৬ বয়সের একজন সু্স্হ ফকির আপনার কাছে ভিক্ষা চাইলে কেন বিরক্ত হন ? কেন খারাপ লাগে? কেন রাগ করেন? সত্যিই তো তার কাছে টাকা নাই তা হলে রাগ কেন? ঘৃণা কেন?তার দারিদ্রতাকে কি ঘৃণা করলেন? তার অসাহয়ত্ব কে ব্যংগ করলেন?
নাকি সে সুস্থ সবল সামর্থবান হয়েও ভিক্ষাবৃত্বির জ্বীবন বেছে নিয়েছে তাই? অবশ্যই দ্বীতিয় টাই কারণ।
সেই অর্থেই বলি প্রথমতঃ বাংলাদেশের ৯০% ভাগ মানুষ এমনিতেই গরিব যে ১০-১২% ধনী আছে তাদের ৯৫% ভাগ আবার পৃথিবির যে কোন উন্নত দেশ এমন কি ভারত বা পাকিস্তানের ধনীদের তুলনায় ধনী নয়। বর্তমান পৃথিবী তে ধনকুবের বলতে বুঝায় বাংলাদেশী টাকায় ৭০০,০০০ কোটি টাকা ব্যাংকব্যালেন্স থাকলে (সাদা টাকা) । ফোর্বস ম্যাগাজিন মতে ভারতে আছে ১৩ জনের পাকিস্তানে আছে ৮ জনের । বাংলাদেশের জন্মের পরে কাল টাকার মালিক সহ এরকম একজন কখোনই ছিলনা।
এরকম একটা গরিব দেশের মানুষ হওয়ার পরেও একজন শিক্ষিত সামর্থবান যুবক যদি সাবলম্বি হওয়ার চেস্টা না করে বরংচ আরো গরিব হওয়ার মত কোন কান্ড কে সমর্থন করে যায় বা বিরোধিতা না করে তা হলে এই যুবকও কি ঐ ফকির এর মত ঘৃণার পাত্র নয়?
প্রশ্ন হলো কে বল্ল চেস্টা করে না ? কে বল্ল বিরোধিতা করে না ?
বলছি,
আওয়ামীলিগ ,বি,এন,পি , জামাত, জাপা সহ এমন কোন দল কি আছে ?যে দলে এমন কোন নেতা নাই যে অন্য দল বদল করে বর্তমান দলে যোগ দেয় নাই? আতি পাতির তো অভাব নাই এমন কি একদম প্রথম শ্রেণীর ডিগবাজি নেতা কোন দলেই কম নাই । নেতা সার্থবুঝে দল বদল করতে পারেন তাই উনি "গাধা" না "নেতা" আর ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা হল এই অন্ধ সমর্থক রা । দল বদল তো দূরের কথা নিজে যে দলের সমর্থক নিজের জিবন ঝুঁকি তে পড়লেও সে দলের বিপক্ষে যায় এমন কিছু কে সমর্থন করবে না উল্টা ঐ কথাটার বিরোধিতা করবে এই ভয়ে যে বিরোধিতা না করলে না জানি আমার দল ছোট হয়ে যায়।
জগতের আমোঘ সত্য হল কান্না কাটি না করলে চরম মমতাময়ী মা ও দুধ দেয় না। এই বিরোধিতা আর দাবী না করা টাই হল মেনে নেওয়া আর চেস্ঠা বিমুখতা ঠিক ঐ সাস্থবান ফকির এর মত যে হয়ত পারতো বদলে দিতে অন্ততঃ পারত অধঃপতন ঠেকাতে শুধু সে নিজেকে চিনতে পারলেই হত, কিন্ত সে না পারে আত্বসমালোচনা করতে না পারে কারো টা গ্রহণ করতে।
কেন দোষ দিলাম ব্লগার দের ।
যে কোন শিবির ছাগুর ব্লগে যান দেখেন, ভাব টা এমন যে সব কিছুই সম্ভব কিন্তু শর্ত হইল জামাতের হাতে ক্ষমতা দাও । যত দিন ক্ষমতা পাব না তুমি মরলেও ফিরে তাকাব না । যেই শিবির ধর পাকড় শুরু হইল জামাত নড়ে চড়ে বসল ১১ জানুয়ারী ২০০৭ এর পরে এই প্রথম জামাত মাঠে, কেন? নিজেকে বাঁচাতে এখন জোট হবে সব কিছুই হবে ।
জামাতের বিরুদ্ধে কিছু লিখছেন তো হইছে । দল বাইধা হামলায়া পড়ব। একজন শিবির রেও দেখবেন না শিবির এর সমালোচনা করছে। মানে কি? শিবির কি ওহি তে চলে ? এমন তেলেসমাতিটা কি যে একটাও তাদের ভূল নাই? নাকি আত্নসমালোচনা থেকে দূরে থাকার প্রবণতা ?
দেখেন আওয়ামীসমর্থক ব্লগার দের অবস্থা এমন কিছু যদি কেও লেখে যা লীগের বিরুদ্ধে যায় তাহলে আপনাকে সোজা মগবাজার পাঠাবে , নর্দমার কীটের মত জিবন যাপন করলেও পৃথিবির যে কোন প্রান্ত থেকে ডাইরেক্ট মগবাজার ফ্রি ট্রানসপোর্ট সুবিধার এক মাত্র এজেন্ট।
যে হেতু আওয়ামীলিগ ক্ষমতায় স্বভাবতঃই তাদের সমালোচনাই বেশি হবে বেশির মধ্যে অনেক ফালতু সমালোচনা থাকাও স্বাভাবিক তাই বলে কি এমন কিছুই নাই যা সঠিক? বরংচ লীগার দের ই তো এখন বেশি সুবিধা ও দায়ীত্ববোধ থাকা দরকার।
আওমীলিগের নির্বাচন অংগিকার ছিল মুজিব হত্যার বিচার আবার অংগিকার ছিল প্রতি পরিবার থেকে ১জন কে চাকরি দেওয়া। বাস্তবতার নিরিখে কোন টা আগে করা উচিৎ ছিল? বিচার ও রায় কার্যকর অবশ্যই একটা সফলতা। এই সফলতায় উৎফুল্ল দেশ প্রেমিক রা কি ১০০,০০ মানুষের চাকরির কি হইল খবর নিছেন বা নিবেন? সব চাকরি যদি লীগ সমর্থক দের কেও দেওয়া হয় তাতেও আমাদের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে, নিজের সার্থে হলেও তো লীগার দের এই দাবী করা উচিৎ এবং সর্বাগ্রে এই প্রতিশ্রুতি পূরন না করার সমালোচনায় মূখর হওয়া উচিৎ।
শুধু ২০০৯ সালে ভারত (মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের ২০০৯ সালের বাষিক রিপোর্টে থেকে জানা যায় "১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত ৯৬ জন বাংলাদেশী নাগরিককে বিএসএফ হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ৭৯ জন বাংলাদেশী আহত, ২৫ জন অপহৃত, ৯২ জন নিখোঁজ এবং ১১ জন বাংলাভাষী ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফ বাংলাদেশে পুশইন করেছে বলে জানা গেছে।" * )
পোস্ট টা এইখানে Click This Link
এই পর্যন্ত ১৯৭১ থেকে এই পর্যন্ত বি এস এফের হাতএ নিহতর সংখা ১৭০০ উল্লেখ করা আর আরকটা পোস্ট Click This Link
উভয় পোস্টের লেখকদ্বয় কে লিগার কীট রা মগবাজার ফ্রি ট্রান্সপোর্ট অফার করতেছে। ভারতের বিপক্ষেও কি নিজের দেশের সার্থ দেখা সম্ভব না? লেখা গুলো ত আওয়ামী লিগের বিরুদ্ধে নয় ভারতের অন্যায়ের বিরুদ্ধে !!!
এমন যদি হত যে এরা ব্রুনাই এর নাগরিক তেলের উপর ভাসছে তাই বিবেকের ব্যাবহার অপ্রয়োজনী্য় যা ভাল পাই ঐ টাই ভাল হু কেয়ারস। বা ৮০ বছরের বৃদ্ধ হইত যে আমার জিবন তো শেষ আমি কেন আগ্রহ দেখাব ? বা মুর্খ হইতো যে আমি বুঝি না জানি না কি বলব ?
এরা শিক্ষিত, যুবা, সামর্থবান, অভাবী ও বন্চিত কিন্তু দায়িত্ব ও অনুভুতিহীন। হয় এরা লাশ অথবা কীট। ভাইরাস।
উৎসর্গ : বাস্তব সার্থের উর্ধে সকল দলও মতবাদের অন্ধ সমর্থকদের কে । তারাই হল আসল ছাগু এবং তিন নম্বর বাচ্চা যে দল আর মতবাদের হোক না কেন ।
আলোচিত ব্লগ
Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ
![]()
প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকি রইলো; কাঁচা কলা

স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্মৃতির নৌকা
কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।
কোন কোন সন্ধ্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।