নীল রঙা এই আদিবাসীদের কাছে মানুষ এ্যালিয়েন। খনিজ পদার্থের লোভে মানুষ দখলদারিত্ব চালায় তাদের শান্তিময় জীবনে। আবার শুভ বুদ্ধির কয়েকজন মানুষই নীল আদিবাসীদের মানুষবিরোধী সংঘর্ষে সামিল হয় এবং আগ্রাসন যুদ্ধের হয় অবসান।
এমন কাহিনীকে কেন্দ্র করেই জেমস ক্যামেরন তৈরী করেছেন এ বছরের সাইফাই অ্যাকশন মুভি এ্যাভাটর। যেটি এরইমধ্যে তৈরী করেছে বিশ্ব রেকর্ড। গ্লোবাল বক্স অফিসে এতোটা ব্যবসা সফল হতে এর আগে আর কোনো মুভিকে দেখা যায়নি। এ্যাভাটরের আয় এ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রায় ১শ ৮৬ কোটি ডলার। এর কাছাকাছি ছবিটি হলো গত দশকের শেষ দিককার ছবি টাইটানিক। এর আয় ছিলো ১শ ৮৪ কোটি ডলার।
টাইটানিকে যে প্রযুক্তি পরিচালক ব্যবহার করেছিলেন সে তুলনায় এ্যাভাটরের প্রযুক্তি কয়েক প্রজন্ম এগিয়ে। তাই এর বেস্ট আউটপুট পেতে প্রেক্ষাগৃহে ব্যবস্থা করা হয়েছে থ্রি ডাইমেনশনাল প্রজেকশনের। দর্শকরাও হট কেকের মতো লুফে নিচ্ছেন এই নতুন ধরনের প্রজেকশন। কোনো কোনো হলে টিকিটের দামও বাড়ানো হয়েছে। তবে এতে পিছপা হননি সিনেমা পাগল মানুষ। এ্যাভাটরের এমন ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখে হ্যারি পটার সিরিজের পরের মুভিগুলোকেও থ্রিডি ফরম্যাটে রিলিজ দেয়ার কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্ণবিদ্বেষ, মার্কিন সামরিক-নীতি বিরোধী বক্তব্য এবং পরিবেশবাদের মতো বিষয়গুলোকে সাবটেক্সট করায় এ্যাভাটরকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম হচ্ছে না। তবে এতে অস্কার যুদ্ধে এ্যাভাটরের কোনো সমস্যাই হবে না। টাইটানিক পেয়েছিলো ১১টি, এ্যাভাটর কতগুলো ক্যাটাগরিতে অস্কার পায় এখন তা দেখারই অপেক্ষায় মুভি ফ্যানরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

