ফরহাদ উদ্দীন স্বপনের আস্তিকতা ও নাস্তিকতার সীমাবদ্ধতা.. প্রসঙ্গে

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

Click This Link

চমৎকার একটা লেখা ছিল ফরহাদ উদ্দীন স্বপনের।
অধিকাংশ বিষয়ে দেয়া যুক্তিই মেনে নেবার মত। তারপরেও কিছু বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করায় এই লেখা।

আপনাদের সথে আমার মত পার্থক্য থাকতেই পারে। আমি মহাপন্ডিত নই । তবু সবার প্রতি অনুরোধ থাকল যুক্তি দিয়ে বিচার করবেন এ লেখাটা। কোন কিছু অবান্তর মনে হলে সুন্দর ভাবে ভাবাবেগকে প্রশ্রয় না দিয়ে যুক্তি উপস্থাপন করবেন।
বিঃদ্রঃ “..” (ইনভার্টেড কমা) র ভেতরে বোল্ড হরফে ফরহাদ উদ্দীন স্বপন এর বক্তব্য দেয়া হয়েছে।

“ধর্মগুলো যুগের প্রয়োজন মেটাতেই প্রবর্তিত হয়েছিল এবং সীমাবদ্ধতার পরেও যুগের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।”

কথাটা আংশিক সত্য হলেও কিছু কথা থেকে যায় । মুসলমানদের মতে পৃথিবীর বুকে সবর্শেষ ধর্ম হিসেবে ইসলামের আবির্ভাব। অন্যান্য আসমানী কিতাব (ধর্মগ্রন্থ) ভালমত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এগুলোর কোনটিকেই ‘পূর্নাঙ্গ’ রূপে ঘোষণা কা হয়নি বরং প্রত্যকেটাই সমসাময়িক বিশেষ গোষ্ঠী বা জাতীর জন্য সমসাময়িক প্রাসঙ্গিকতার প্রেক্ষিতেই আবির্ভূত হয়েছিল এবং এসব ধর্মগ্রন্থের প্রতিটিতেই সব শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আগমনের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছিল এবং এসব ধর্ম প্রচারকারী প্রতিটি নবী ও রাসুল ই সব শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আগমনের বার্তা প্রচার করে গিয়েছেন। এমনকি বৌদ্ধ ও সনাতন ধর্মগ্রন্থেও (আমার যতদুর জানা আছে হিন্দু ধর্ম বলে কোন ধর্ম নেই। হিন্দু বলা হয় সিন্ধূ অববাহিকার বাসিন্দাদের এবং ‘হিন্দু’ শব্দটি প্রথম এই উপমহাদেশে আসা মুসলমান ধর্ম প্রচারকরা ব্যাবহার করেছেন এখানকার বাসিন্দাদেরকে বোঝাতে, কোন ধর্মকে নয়।) এমন ইঙ্গিত রয়েছে। (পরবর্তীতে সুযোগ হলে রেফারেন্স দেব, কারো কাছে রেডী রেফারেন্স থাকলে জানালে ভাল হয়)। একমাত্র ইসলামকেই ‘পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান’ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ভালমত কুরআন বিশ্লেষণ করলে অনুধাবন করা সম্ভব এর নির্দেশনা সমূহ এখনও কতটা যুগোপযোগী।

“কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থেই এ ধর্মগুলোর প্রবর্তন করা হয়েছিল”

ধর্ম সবসময় মজলুম গোষ্ঠীর পক্ষেই কথা বলে। তাই সেই বিশেষ গোষ্ঠীটা মজলুম গোষ্ঠীই।

“পৃথিবীর বাক পরিবর্তনকারী ধর্মগুলোকে এখন প্রগতি ও মত প্রকাশের বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে কেন বিবেচনা করা হচ্ছে? কারা এর জন্য দায়ী? আমার বিবেচনায়, এর জন্য দায়ী নিঃসন্দেহে যারা এই ধর্মগুলোকে তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মহীরুহে পরিনত করেছিল তাদেরই উত্তর পুরুষরা।“

একদম খাঁটি কথা। তবে এর জন্য ইসলাম দায়ী নয়, দায়ী সেই সব ‘মজিদ টাইপের কাঠ মোল্লারা’ যারা অযৌক্তিক ভাবে সম্পূর্ণরূপে নিজের স্বার্থ হাসিলে ধর্মের অপব্যাবহার করে। এই প্রবনতা আমাদের উপমহাদেশে সবচেয়ে প্রকট। কয়েকটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ‘মীলাদ পড়া’, ‘পীরের দরগায় যাওয়া ও বিভিন্ন বিপদাপদের মুক্তি প্রার্থনা করা’, করো মৃত্যুতে ‘তিন দিন ও চল্লিশা পালন করা’। এ সবই এসব ‘কাঠ মোল্লা’ প্রবর্তিত রীতি যা তাদের ট্যাঁক ভারী করতে বিশেষ ভাবে সহায়ক এবং ইসলামে এসব আচার পালনের কোন নির্দেশ নেই। এসব মোল্লারা আবার মসজিদের দেয়ালে লিখে রাখে " মসজিদের ভিতর দুনিয়াবী আলাপ নিষিদ্ধ”। ইসলামকে জীবনের সাথে একাত্ম করতে না পারলে কোন লাভ নেই। ইসলাম মানে শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া বা রমজান মাসে রোজা রাখা নয় বরং জীবনরে প্রতি পদক্ষেপে কিছু আদর্শকে ধারণ করে চলা।‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান’। মোল্লারা ইচ্ছাকৃত ভাবেই এমনটা করে যাতে সুন্দর এই ব্যবসা হাতছাড়া না হয়ে যায়। কেউ কখনও কোন মোল্লার বাড়ীতে মীলাদের দাওয়াতে বা কারো চল্লিশার খানা খেতে গিয়েছেন কিনা মনে পড়ে?

প্রতিটি ধর্মই একেকটা প্রতিষ্ঠান।প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন থাকে। এর মধ্যে কিছু অবশ্য পালনীয় যা ফরজ নামে অভিহিত এবং এর বাত্যায় ঘটলে শাস্তি প্রাপ্য হয়। একটা শ্রেণী কক্ষে যেমন ছাত্রদের হট্টগোল না করে সুশৃঙ্খল ভাবে অধ্যায়ন করা ফরজ যার বাত্যায় ঘটানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে শাস্তির ভয় দেখিয়ে কাউকে সুপথে আনার চেয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাকে ক্লাসে আকৃষ্ট করা শ্রেয়।

ইসাম খুবই সাধারন একটা ধর্ম যা সকলের জন্য সহজেই পালন যোগ্য। অতিরন্জিত বাড়াবাড়ি বা অলৌকিক কিছুর স্থান এতে নেই। এটা আমাদের মত মাটির ওপরে চলা মানুষের উপযোগী করেই প্রেরিত। উমুক আয়াত পড়লে অলৌকিক ভাবে রোগ ভাল হবে, তমুক আয়াতের তাবিজ গলায় ধারণ করলে শত্রু পরাস্ত হবে, ব্যাবসায় বরকত হবে, বালা মুসিবত কেটে যাবে- এ সবই সাধারন ধর্মভীরু মূর্খ মানুষকে ভয় দেখিয়ে/ প্রলুব্ধ করে পয়সা কামাইয়ের ধান্দা। সাধারন মানুষ অলৌকিক কে ভালোবাসে, অনেকে আবার শর্টকাট পদ্ধতিতে কাজ হাসিল করতে চায়। আর সেই সুযোগটাই নেয় ধর্ম ব্যাবসায়ী এক শ্রেণী। এরা প্রচার করার চেষ্টা করে জান্নাতের টিকেট এদেরই হাতে। সাধারন মানুষকে ধর্মের দোহাই দিয়ে এরা করে দিকভ্রান্ত আর শেষে দোষ গিয়ে চাপে ধর্মের উপর। তাবীজেই যদ সব মুসকিল আসান হতো তাহলে নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) ও তাঁর চার খলিফাই সবাইকে তাবিজ কবচ, তুক তাক ও মন্ত্র তন্ত্র শিক্ষা দিয়ে যেতেন। রোগ ডাক্তার লাগতনা।

এই শ্রেণীর দৌরাত্ম এত বেশী বলেই আজ বাহ্যিক দৃষ্টিতে মনে হয় ‘এই বুঝি ইসলাম’। আসলে এসবের কিছুই ইসলাম সম্মত নয়। তাই আমার মতে ধর্মের সংস্কার নয়, প্রকৃত ধর্ম বিকাশের প্রয়োজন; এসব জঞ্জাল সাফ করা প্রয়োজন। তাহলেই বোঝা যাবে ইসলাম সময়োপযোগী কি না। ইসলামের কোন আদেশ বা নিষেধ যদি মনে এতটুকু সংশয় সৃষ্ট করে, মুক্ত বিবেকের সাথে বিরোধ সৃষ্ট করে, সেখানেই উচিৎ হবে বিষয়টা ভালভাবে অনুসন্ধান করা; হয়ত যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা পাওয়া যেতেও পারে (আমার বিশ্বাস অবশ্যই পাওয়া যাবে)।

“তাঁরা বুঝাতে চায় বিজ্ঞান, ইতিহাস, অর্থনীতি সব তাঁদের ধর্মপুস্তকের জ্ঞানকে আবর্তন করে ঘূর্ণায়মান হচ্ছে।“

ব্যাক্তিত্বহীনরাই ধর্মের সাথে বিজ্ঞান এর তুলনা করে ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করে। আসলে এর কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করিনা। বারেবারে প্রমানিত হয়েছে বিজ্ঞানের কোন সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত নয়, নিত্য নতুন ধারনা প্রবর্তিত হতেই আছে আর পুরোন ধারনা বতিল হয়ে যাচ্ছে। কেউই বলতে পারবেনা অমুক বিষয়ে অমূক সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত, আর কোন গবেষণার দরকার নেই। খোদ বিজ্ঞানীরাই বলেন বিজ্ঞানে শেষ কথা বলে কিছু নেই। সুতরাং যাঁরা আল কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের তুলনা করতে যান, বলেন “কুরআন বিজ্ঞান সম্মত” তাঁরা পক্ষান্তরে নিজের অজান্তেই আল কুরআনকে খাটো করেন। তবে একটা কথা বলতে পারি, আল কুরআনের বক্তব্য বিরোধী কোন কিছু বিজ্ঞান দ্বারা ‘চরম সত্য’ বলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে এহেন নজীর আজ অবধি কেউ দেখাতে পেরেছেন বলে আমার জানা নেই। (আপনাদের জানা থাকলে জানাবেন আশা রাখি।) কিন্তু কোরআনে উল্লেখ আছে এমন অনেক বিষয় বিজ্ঞানীরা সত্য বলে মেনে নিয়েছেন।

অর্থনীতির প্রসঙ্গে বলতে গেলে বলতে হয়, ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গরীবদের সপক্ষেই কথা বলে। ইসলএম ‘যাকাত’ কে সামর্থ্যবানদের জন্য অবশ্য প্রদেয় করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা যদি সত্যি সত্যিই কোন সমাজে প্রকৃতপ্রস্তাবে প্রয়োগ করা হয় তবে ধনী গরীবের বৈষম্য অবশ্যই ঘুচে যাবে।

আস্তিকতা ও নাস্তিকতা নিয়ে বিরোধ করার কোন কারন নেই। যারা নিজেদের আস্তকি দাবী করে আস্ফালন করেন তাদের প্রতি আহ্বান, শুধু আস্তিক না ঈমানদার হন। এ দুয়ে বিস্তর ফারাক। নিজে আস্তিক তাই নাস্তিক দেখলে েআস্ফালন শুরু করা ভাল লক্ষন না।

আর নাস্তিকতা সম্বন্ধে আমার ধারনা খুব কম তবু কিছু বলি। প্লীজ কেউ যদি নাস্তিক থেকে থাকেন তো আমার ধারনা ভুল হলে ঠিক করে দিয়েন। আমার মতে “নাস্তিকতা হলপ্রচলিত ধর্মের প্রতি অনাস্থা এ সমসাময়িক সমাজ ব্যাবস্থার উপর অনীহা থেকে সৃষ্ট হতাশার ফল।“ গর্দভ ব্যক্তিরা নাস্তিক এমন আমার দেখা নেই, এঁরা খুবই বুদ্ধিমান মানুষ। কিন্ত আমার মনে হয় তাদেঁরও উচিৎ কেন তাদেঁর অনিহা তা বিবেচনা করা। আমার মনে হয় খুব কম নাস্তিকই পাওয়া যাবে যাঁরা ধর্মের ত্রুটির কারনে নাস্তিক। বরং ধর্মের ধারক ঐসব মজিদরাই মূল কারন। কারন এসব মজিদরা ধর্মের নামে যা করে তা সুস্থ্য বিবেকবান কারোরই মেনে নেবার কথা নয়।

আবারও অনুরোধ করব, আমার কথা কারো ভাল না লাগলে দয়া করে উত্তেজিত হবেন না। পারলে যুক্তি দিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করুন।

 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ২৩৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
comment by: জটিল বলেছেন: !!
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: প্লিজ পুরোটা পড়ুন। তারপের কমেন্ট।

২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
comment by: একবাল হুসেন বলেছেন: আমি পুরোটা পড়েছি। খুব ভালো লেগেছে।

তবে নাস্তিকদের বিষয়ে উদাসীন হবার ক্ষেত্রে মতভেদ আছে। নাস্তিকদের প্রতিহত না করলে তারা ইসলামের ক্ষতি করবে।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: তারপেরও সহনশীলতাই উত্তম। সবাই আমরা বন্ধু

৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: গর্দভ ব্যক্তিরা নাস্তিক এমন আমার দেখা নেই, এঁরা খুবই বুদ্ধিমান মানুষ।

ভাল বলেছেন... ফ উ স্বপন আমার প্রিয় লেখকদের একজন...
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
comment by: সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: আপনার লিখাটা ভালো লাগলো। নাস্তিক হতে হলে যে একটু বেশী বুদ্ধি লাগে তা সত্যি, আমি ব্যপারটা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না।

লেখক কে ধন্যবাদ।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: @হুসেন,আপনার যদি ধর্মপালনের অধিকার থাকে একজন নাস্তিকের কেন না পালন করার অধিকার থাকবে না?
৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০
comment by: জিনিয়াস মাসউদ বলেছেন: মানুষের প্রয়োজনেই ধর্মের উদ্ভব। যুগে যুগে ধর্ম দূর্বল মানুষের হয়ে কাজ করেছে এটা সত্য। কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করলে বোঝা যায় ধর্ম কোন ঐশ্বরিক কিছু নয় , এটা সাধারন একটি জীবন ব্যবস্হা। আব্রাহামিক ধর্মগুলো(ইহুদি,খ্রিস্টান,মুসলমান) থেকে আমরা দেখি এরা ঘুরে ফিরে একই প্যার্টান ফলো করে আসছে। তাদের ঈশ্বর সর্বদা একই ধরনের পুরস্কার প্রদানের কথা বলে আসছেন। যেহেতু আব্রাহামিক ধর্মের উতপত্তি মরু সমাজে তাই তাদের ধর্ম সর্বদা মরুর মানুষের চাওয়া পাওয়ার কথা বলেছে এবং চাহিদা মত স্বর্গের ব্যবস্হা করেছে।
অপরদিকে ভারতীয় উপমহাদেশের ঈশ্বর ছিল একটি গন্ডির মাঝে বাধা। কোনো অবতার দেখি নাই আফ্রিকায় নেমেছেন। চৈনিক ধর্ম গুলোতেও একই জিনিস দেখা যায়, কেন? কারন ধর্ম সমাজের প্রয়োজনে, মানুষের প্রয়োজনে সমাজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং গঠিত।
আরজ আলী মাতুব্বরের ভাষায়, "প্রতিটি ধর্ম এক একটি সুগঠিত শৃংখল মাত্র"
নাস্তিকেরা এই শৃংখল ছাড়াও যে পৃথিবীতে অর্থপূর্ন ভাবে বেচে থাকা যায় তাই প্রমানে সচেষ্ট।
ধন্যবাদ লেখককে একটি + দিলাম।
সময় কম ভবিষ্যতে যুক্তিপূর্ন আলোচনায় বসবো এই প্রত্যাশায়....
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: আব্রাহামিক ধর্মগুলো(ইহুদি,খ্রিস্টান,মুসলমান) থেকে আমরা দেখি এরা ঘুরে ফিরে একই প্যার্টান ফলো করে আসছে।

খুবই সত্যি কথা। আসলে প্রাক ইসলামের সব গুলোই ইসলাম আগমনের পূর্ব প্রস্তুতি। ইসলাম (আসলে ইসলাম অর্থ শান্তি এবং যতদুর জানি কেউ ইহুদী বা খৃষ্টান নামে কোন ধর্ম প্রচার করেন নি) হল ফাইনাল ভার্সন।

আপনার আলোচনার অপেক্ষায় থাকলাম। অনেক ধন্যবাদ।

৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
comment by: জিনিয়াস মাসউদ বলেছেন:
আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে ধর্মগুলোর নামের জায়গায় আমি ফলোয়ারদের নাম বলেছি। আসলে Judaism, Christianity, Islam, and Bahá'í এগুলোর সঠিক বাংলা অনুবাদ আমার জানা নাই বিধায় এমনটি হয়েছে।আমি তাই ক্ষমাপ্রার্থী।

ইসলাম হলো আব্রাহামিক বেল্টের ধর্মগুলোর ফাইনাল ভার্সন । তাহলে আব্রাহামিক ধর্মের ঈশ্বর তথা নিয়মকানুন এবং চাওয়া পাওয়া বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ওদের এলাকার মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। যেমন মরুভূমিতে পানি একটি মূল্যবান বস্তু এবং তাদের ঈশ্বর ঘোষিত স্বর্গেও তাই দেখা যায় অনেক মিঠাপানির নদী এবং অন্যান্য পানীয়ের সমাগম।

অন্যদিকে ভারতীয় ধর্মগুলোর ঈশ্বর এর স্বর্গে প্রাধাণ্য পায় গীত নৃত্য এবং বিচিত্র খাদ্যের সমাহার। ইস্ট এশিয়ান বেল্টের ধর্মগুলোতে (Caodaism, Chen Tao, Chondogyo, Confucianism, Jeungism, Shinto, Taoism, Yinguando and elements of Mahayana Buddhism.) এর বিশ্বাস এবং ঈশ্বর তাদের সমাজকে ঘিরেই আবর্তিত।

এখন বেশিরভাগ ধর্মই যদি তাদের নিজস্ব ঈশ্বরকে নিয়ে এসে দাবী করে আমার ধর্মই প্রকৃত সত্য এবং সবাইকে এটাকেই ফলো করতে হবে তাহলে মহা বিশৃংখলার সৃষ্টি হবে।এবং তারই প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।

নাস্তিকতা এসকল প্রকার বিশৃংখলার থেকে অনেক দূরে। তারা বিশ্বাস করে ধর্ম গঠিত হয়েছে সমাজ কর্তৃক এবং সমাজের প্রয়োজনেই ডারউনীয় বিবর্তনের ধারায়। যেটাকে রিচার্ড ডকিন্স বলেছেন মীমপ্লেক্স এর বিবর্তন(অন্যদিন আলোচনা করবো মেমেটিক্স নিয়ে)

যাইহোক নাস্তিকতার বিশ্বাস আমরা সবাই বিশাল মহাবিশ্বের ছোট একাট গ্রহ এক পৃথিবীর সন্তান। ধর্ম বর্ণ জাতি গোষ্ঠী ব্যতিরেকে আমরা এক বিশ্বের নাগরিক মানুষ।

আসুন আমরা জাতি ধর্ম ভূলে একটি সুন্দর পৃথিবী গঠনে সচেষ্ট হই। যুক্তির মাধ্যমে কৃত আলোচনায় বেরিয়ে আসে অনেক গঠনমূলক সমাধাণ, আসুন আমরা সেই সব সমাধান নিয়ে সামনে এগিয়ে যাই। কোনো পারলৌকিক মূলোর পিছনে না ছুটে সামনে এগিয়ে যাই মুক্তচিন্তার বিকাশে।

ধন্যবাদ লেখককে, কারণ আপনার ভিতর একটি যুক্তিপূর্ণ মুক্তচিন্তার মানুষ লুকিয়ে আছে যে কিনা সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে। পৃথিবীতে এমন মানুষের ভীষন প্রয়োজন।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: খুবই ভাল লাগল আপনার মন্তব্য পেয়ে। আমি এসব বিষয়ে পরে আলোচনা করব। আমি আগেই বলেছি আমি মহাজ্ঞাণী নই।আমার আরো অনেক জানার বাকী আছে। আপনার লেখা খুবই তথ্য সমৃদ্ধ। আমার খুব উপকার হল।

একটা ছোট্ট তথ্য অবশ্যই জানেন মনে করি। তা হল পৃথিবীতে ১,৭০,০০০ মতান্তরে ২,৭০,০০০ পয়গম্বর এসেছেন যার হাজার ভাগের এক ভাগ সম্বন্ধেও আমাদের পরিপূর্ণ ধারণা নেই। তাই আফ্রিকা মহাদেশে পয়গম্বর এসেছেন কিনা তা এত জোর দিয়ে বলা সম্ভব না।

যে জাতীর কাছে যেটার মূল্য বেশী তাকে সেটা দিয়েই আকৃষ্ট করা হয়। এটা একটা স্ট্র্যাটেজী। তবে বেহেস্তের বর্ণনায় শুধু নহরই নয়, আরও অনেক কিছুরই বর্ণনা আছে যার আকর্ষণ প্রত্যেক জাতীরই কমন।

আমরাকি জোর দিয়ে বলতে পারি, বুদ্ধদেব একজন পয়গম্বর ছিলেন না? তিনিও হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আগমনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

একটা বিষয় জানালে উপকৃত হতাম; যে ধর্ম গুলোর উল্লেখ করেছেন (Caodaism, Chen Tao, Chondogyo, Confucianism, Jeungism, Shinto, Taoism, Yinguando and elements of Mahayana Buddhism.) এগুলো কি ইসলাম পূর্ব না পরবর্তী?

"যাইহোক নাস্তিকতার বিশ্বাস আমরা সবাই বিশাল মহাবিশ্বের ছোট একাট গ্রহ এক পৃথিবীর সন্তান। ধর্ম বর্ণ জাতি গোষ্ঠী ব্যতিরেকে আমরা এক বিশ্বের নাগরিক মানুষ।"

ইসলাম কখনও জোর করে কারও উপর ধর্মকে চাপিয়ে দেয়না। বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থান ইসলাম নিরুৎসাহিত করেনি (লা কুম দ্বীনুকুম অল ইয়াদ্বীন - তোমার ধর্ম তুমি পালন কর, আমারটা আমি)। তাই আপনার কথার সাথে কোন দ্বিমত থাকল বলে মনে হয়না।

আপনার জবাবের অপেক্ষায় থাকলাম। অসংখ্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

৮. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
comment by: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: সময় নিয়ে মন্তব্য করব। রিপোস্ট করার প্রয়োজন ছিল না।

ধন্যবাদ।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ।

৯. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫০
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: আসুন আমরা জাতি ধর্ম ভূলে একটি সুন্দর পৃথিবী গঠনে সচেষ্ট হই। যুক্তির মাধ্যমে কৃত আলোচনায় বেরিয়ে আসে অনেক গঠনমূলক সমাধাণ, আসুন আমরা সেই সব সমাধান নিয়ে সামনে এগিয়ে যাই। কোনো পারলৌকিক মূলোর পিছনে না ছুটে সামনে এগিয়ে যাই মুক্তচিন্তার বিকাশে।

ধন্যবাদ লেখককে, কারণ আপনার ভিতর একটি যুক্তিপূর্ণ মুক্তচিন্তার মানুষ লুকিয়ে আছে যে কিনা সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে। পৃথিবীতে এমন মানুষের ভীষন প্রয়োজন।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৬
comment by: রামন বলেছেন: পোষ্টটি এবং অংশগ্রহনকারী সকলের মতামত পড়ে সত্যেই ভাল লাগলো। তবে বারবার এখানে যে কথাটি মনে পড়েছে, " বিশ্বাসে মেলায় স্বর্গ,তর্কে বহুদুর। ধন্যবাদ।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: " বিশ্বাসে মেলায় স্বর্গ,তর্কে বহুদুর।

খুবই সত্যি কথা। ধন্যবাদ চিরায়ত প্রবাদটির যথোপযুক্ত প্রয়োগে।

১১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫
comment by: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: প্রথমত যে বিষয়টা পরিস্কার হওয়া প্রয়োজন তা হচ্ছে আস্তিকতা বলতে আমি কোন বিশেষ ধর্মকে মিন করিনি। কিন্তু আপনি একটি নির্দিষ্ট ধর্ম অর্থাৎ ইসলামকে নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমি ধর্মের সত্য অসত্যতা নিয়ে তর্ক করতে চাই না। বিষয়াট খুব সেন্সিটিভ। তারপরেও আপনি যেহেতু বিষয়টা উপস্থাপন করেছেন তাই দু'একটা বলা প্রয়োজন।

প্রথমত আমরা যুগের প্রয়োজনে আইন তৈরি। প্লেটো কিংবা এরিস্টটলরা আইনকে যেভাবে দেখেছেন বর্তমানের আইনের ধারাবাহিকতা কিন্তু আর সে রকম নয়। এমনকি ১২ বছর আগেও যে আইন ছিল বর্তমানে তাঁর ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়েও নানা কথা ওঠে। আইন হবে যুগোপযুগী। ধর্মীয় শিক্ষা বা বিধানগুলোকে তৎসময়ের আইন হিসেবে বিবেচনা করলে কিন্তু কোন সমস্যাই থাকে না। সমস্যাটা হয় তখনই যখন আপনি এটাকে সব সময়ই সর্বজনীন মনে করেন।

ইসলাম পৃথিবীর শেষ ধর্মমত নয়। এটা বলা যেতে পারে যে বহুল প্রচলিত ধর্মগুলোর মধ্যে ইসলাম সর্বশেষ। এরপরেও বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন সেক্টের জন্ম দিয়েছেন। হয়তো তাদের ফলোয়ারের সংখ্যা এতো বেশি নয় বলে আলোচনায় আসে না। চুরি অপরাধ হিসেবে হাত কেটে নেয়া, অবৈধ সম্পর্কের কারণে দোররা ও পাথর মেরে হত্যা করা, হিল্লা বিবাহ, একের অধিক বিবাহ, কিংবা নারীকে আপাদমস্তক ঢেকে নিজ বাড়িতে অবস্থান করার বিষয়টি কোন অবস্থায় আধূনীক নয়। আপনি দেখবেন ইসলামরে এই বিধানগুলো এখন আর মান্য করা হয় না। কারণ শিক্ষার প্রসারে মানুষ এগুলো থেকে মুক্ত থাকার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে। মানুষ অপরাধ করলে তাঁর সংশোধন প্রয়োজন। চুরির অপরাধে আপনি একজনের হাত কেটে নিবেন। ভালো কথা, তবে তাঁর পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্বটা কে নিবে। আপনি দেখবেন আরব দেশগুলো ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য মুসলিম দেশের মুফতী সাহেবরাও একের অধিক বিয়ে করেন না। ইসলাম মহিলাদের দৃষ্টি সংযত করে কথা বলতে বলেছে। অথচ টিভি চ্যানেলগুলোতে দেখবেন অনেক ইসলামী মহিলা পন্ডিত মূখ মন্ডলে পুরোপুরি প্রদর্শন করে উচ্চস্বরে কোরআনের তফসীর করছেন।

ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ধর্মগুলোর প্রবর্তন হয়েছে তা একবারেই হেলায় ফেলে দেয়ার মতো কথা নয়। কুরাইশদের মধ্যে হাশেমী আর উমাইয়াদের বিরোধ ছিল সব সময়। উমাইয়ারা প্রভাবশালী ছিল। নবী মোহাম্মদ হাশেমী গোত্রের ছিলেন। আবু সুফিয়ান, মুয়াবিয়া, ইয়াজিদ ছিলেন উমাইয়া গোত্রের। প্রথমদিকে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিল তাঁরা সবাই হাশেমী গোত্রের ছিল। উমাইয়ারা সব সময়ই ইসলামের বিরোধীতা করেছে। তবে পরবর্তীতে মদিনায় ইসলামের প্রসার ও প্রভাব বৃদ্ধির কারণে উমাইয়ারাও গা বাচাতে ইসলাম গ্রহণ করে। রাসুলের জিবীত অবস্থায় নেতৃত্ব হামেমীদের হাতে ছিল। তাঁর মৃত্যুর পরে নেতৃত্ব পুনরায় উমাইয়াদের হাতে চলে যায়। কিন্তু রাসুলের বংশধর আলী কিংবা তার সন্তানেরা ও অন্যান্য হাশেরী এটাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়নি। ফলশ্রুতিতে হাসান ও হুসাইনের মৃত্যু ও কারবালা হৃদয় বিদারক ঘটনার উদ্ভব হয়। কাজেই এটা অস্বীকার করার উপায় নেই ইসলামের প্রসারে প্রাথমিক অবস্থায় হলেও হাশেমীরা লাভবান হয়েছিল।

বাকি পয়েন্টগুলো নিয়ে অন্য সময় আলোচনার আশা রাখি।

ধন্যবাদ।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য পরবর্তীতে এ বিষয়ে বলবার আশা রাখি।

১২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২২
comment by: জিনিয়াস মাসউদ বলেছেন:
"একটা ছোট্ট তথ্য অবশ্যই জানেন মনে করি। তা হল পৃথিবীতে ১,৭০,০০০ মতান্তরে ২,৭০,০০০ পয়গম্বর এসেছেন যার হাজার ভাগের এক ভাগ সম্বন্ধেও আমাদের পরিপূর্ণ ধারণা নেই। তাই আফ্রিকা মহাদেশে পয়গম্বর এসেছেন কিনা তা এত জোর দিয়ে বলা সম্ভব না।"- Logical evidence supporting this statement please?

"যে জাতীর কাছে যেটার মূল্য বেশী তাকে সেটা দিয়েই আকৃষ্ট করা হয়। এটা একটা স্ট্র্যাটেজী। তবে বেহেস্তের বর্ণনায় শুধু নহরই নয়, আরও অনেক কিছুরই বর্ণনা আছে যার আকর্ষণ প্রত্যেক জাতীরই কমন।"

ঈশ্বরের কেন হঠাৎ strategyর প্রয়োজন পড়লো? আসলে ধর্ম যে কোন ঐশ্বরিক কিছু না এটা এগুলো দেখলেই বোঝা যায়।


"আমরাকি জোর দিয়ে বলতে পারি, বুদ্ধদেব একজন পয়গম্বর ছিলেন না? তিনিও হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আগমনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।"
Logical evidence supporting this statement please?again..

বুদ্ধের দর্শণ কোন ঈশ্বর কেন্দ্রিক দর্শণ ছিলনা বা এখনও নাই। দয়া করে বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে একটু পড়াশুনা করুন।

"একটা বিষয় জানালে উপকৃত হতাম; যে ধর্ম গুলোর উল্লেখ করেছেন (Caodaism, Chen Tao, Chondogyo, Confucianism, Jeungism, Shinto, Taoism, Yinguando and elements of Mahayana Buddhism.) এগুলো কি ইসলাম পূর্ব না পরবর্তী?"

এগুলো ভাই আব্রাহামিক বেল্টের ধর্ম না। এগুলো এশিয়ান বেল্টের তাই ইসলামের সংগে এগুলো মেলানো যাবেনা। তবে এগুলো কোনটা ইসলামের পূর্বে, একসাথে এবং পরে আবির্ভূত। উইকিপিডিয়ায় দেখুন ধর্মের ইতিহাস এবং বিকাশ।


"বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থান ইসলাম নিরুৎসাহিত করেনি (লা কুম দ্বীনুকুম অল ইয়াদ্বীন - তোমার ধর্ম তুমি পালন কর, আমারটা আমি)। তাই আপনার কথার সাথে কোন দ্বিমত থাকল বলে মনে হয়না।"

তাইলে নাস্তিকদের কি হবে?তারা তো ভাই কোনো ধর্ম পালন করে না?

ধন্যবাদ......



 

 


মহা- বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত,
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবেনা
অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবেনা-
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৯০৩