সংবিধানে ‘আল্লাহ’র পরিবর্তে ‘সৃষ্টিকর্তা’ সংযোজনের চিন্তা!
একটা ছোট্র সংবাদ।
আমাদের সময়ে প্রকাশীত সংবাদটি নিম্নরুপ-
শামছুদ্দীন আহমেদঃ ধর্মনিরপেক্ষতা প্রমাণের লক্ষ্যে সংবিধানে ‘মহান আল্লাহ তালার ওপর অগাধ বিশ্বাস’ কথাটির স্থানে কিছু পরিবর্তন আনার চিন্তা-ভাবনা করছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’-এর জায়গায়ও কিছু সংযোজনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
কমিটির এক সদস্য, যিনি আওয়ামী লীগের নন, তিনি আমাদের সময়-কে জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রস্তাব দিয়ে বলেন, যেহেতু ’৭২-এর সংবিধানে ও আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা আছে, সেজন্য ‘আলস্নাহ’ শব্দটির স্থলে ‘সৃষ্টিকর্তা’ শব্দটি ব্যবহার করা যায়। ‘বিসমিলস্নাহির রাহমানির রাহিম’-এর আগে ‘আউজুবিল্লাহ হিমিনাশ সাইতনির রাজিম’ কথাটিও সংযোজনের প্রস্তাব দেন তারা। এ সময় অন্য দলের দু’একজন বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা’ করা হলে এটি কি অন্য ধর্মের বোঝাবে? যদি সেটি ইঙ্গিত করা হয় তাহলে বিষয়টি নিয়ে দেশ উত্তপ্ত হবে। তখন প্রস্তাবকারীরা বলেছেন, এক জায়গায় ‘আল্লাহ’ রেখে অন্য সব স্থানে ‘সৃষ্টিকর্তা’ ব্যবহার করা যায় কিনা তা ভেবে দেখা যায়।
==
আমাদের ভাবনা কি?
আমরা গণমন্ত্রের কথা বলি। গণতন্ত্রে বহুজন বা সংখ্যাগরিষ্ঠেরই প্রাধান্য। তাদের মৌলিক বিশ্বাস চাহিদা, স্বপ্ন প্রাধান্য পাবে- এটাই মূল কথা।
আম্রিকায় বাইবেলে হাত দিয়ে শপথ গ্রহন করে। এটা স্বাভাবিক তাদের জনগন এবং জনমতের সাপেক্ষে। আমরাও বলী তাই।
কিন্তু আমাদের দেশে কোরআনে হাত দিয়ে মন্ত্রী এমপি বা সরকার প্রধানের শপথ! বলতেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠবে কথিত প্রগতিবাদীরা। অথচ তাদের গুরু আম্রিকার ক্ষেত্রে তারা নিরব!!!
ভারতীয় গান নাটক সিনেমায় তাদের পূজা, মন্দির বা মূর্তি ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। তাদের ঐ গুলৌ হয় তাদের জীবন, বিশ্বাসের প্রতি আনুগত্য আর কালচারের সমার্থক!
অথচ আমাদের আজান, নামাজ, মসজিদ যদি জীবনাচারের অংশ হয়েও আসে - হয়ে উঠৈ মৌলবাদ!!!!
এই বৈপরিত্য থেকে বেরিয়ে সত্য কে দৃঢ় ভাবে ধারন করতে হবে। দেশপ্রেম আর ধর্মের মাঝে যে বিস্তর ব্যবধান তৈরি করা হচ্ছে তা দূর করতে হবে। তবেই বোধকরি আমরা সন্দুর একটা সমাধানে পৌছতে সক্ষম হবো।
আত্ম পরিচয়ের এই ক্ষনে আমাদের খুব সতর্কতার সহিত এবং সচেতনতার সাথে সাহসের সাথে যুক্তি বুদ্ধি এবং চেতনার দৃঢ়তার সাথৈ এগিয়ে যেতে হবে।
হঠকারী কোন সিদ্ধান্ত যেন দেশটাকে জনগনকে পরষ্পরের মূখৌমূখি দাড় না করিয়ে দেয়। পারস্পারিক সহনশীলতা, শ্রদ্ধার পারদ যেন নীচে নেমে না যায়, ধর্মীয় সহনশীলতার সুনাম যেন ক্ষুন্ন না হয়, সদাশয় সরকারের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ করবো।
আত্ম পরিচয়ের আর বিশ্বাসের সাথে আপোষ নির্বোধ আর কুলাঙ্গার ছাড়া কেউ করে বলে জানা যায় না।
তবেই বোধ করি গণতন্ত্র তার মৌলিকতায় অটুট থাকবে। এবং বাংলাদেশের জনগনের শুধু ৩৬ বছরের ধর্মীয় সহনশীলতার সমৃদ্ধ ইতিহাস নয় পিছনের হাজার বছরের ধর্মীয় সহনশীলতার সমৃদ্ধ ইতিহাসের মতোই দীর্ঘস্থায়ী হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



