কেন এই এত অল্প বয়সে এই চলে যাওয়া?
অসূখ নেই, দূর্ঘটনা নয়- স্রেফ একজন মানুষ রুপি হায়েনার অমানুষিক নিষ্ঠুরতা! তার জেদ, রাগ, হিতাহিত জ্ঞানশূণ্যতা, পশুত্ব, তার বিবেকহীন ক্রোধ এই শিশুটির স্বপ্ন কুড়ি মেলবার আগেই ঝড়ে গেল।
প্রেসক্লাবের সামনে জটলা। একটু শিশুর লাশ নিয়ে পরিবারের কয়েকজন ও তার বন্ধু সাতীরা দাড়ানো।
পিয়াস। কোরআনে হাফেজিতে ৩য় শ্রেণীর ছাত্র। মাদ্রাসা থেকে বাড়ী ফেরার পথে সহপাঠির সাথে ধাক্কা লাগলে সাথী নামের সহপাঠী পড়ে যায়। সে কাঁদতে কাঁদতে তার গার্জেন কে জানালে তার জেঠু মোঃ ইউসুফ, (৫৫), জাফল (৩৮) গং পরদিন সকালে পিয়াসের বাসার সামনে এসে পিয়াসকে ধরে আছাড় মারে, খুটির সাথে মাথা ঠুকে দেয়!! এবং পেটে পারা মারে। ফলে পিয়াসের মস্তিস্কে রক্তক্ষরন, লিভার ফেটে যাওয়া সহ ভীষন ভাবে আহত হয়।
সোনাইমুড়ি চন্দ্রগঞ্জ ন্যাশনাল হাসপাতালে অবস্থার উন্নতি না হলে মাইজদি প্রাইম হাসাপাতালে নিযে যায়। সেখানে ৩ দিন চিকিৎসা করানোর পর অবস্থার আরো অবনতি হলে ৪-০২-১২ তািরেখ সন্ধ্যায় ঢাকা শিশু হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে। তারা অবস্থা খারাপ দেখে চিকিৎসা না দিযেই মেডিক্যালে রেফার করে। ম্যডিকেলে রাত্রে ভর্তি করে। সকালেই তারা ছাড়পত্র দিযে দেয়।
তারা চলে যায় পিয়াসের বড় খালার বাসায় চলে যায়। সকালে অবস্থার আরো অবনতি হলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করে এবং কর্তব্যরত ডাক্তার পিয়াসকে মৃত ঘোষনা করে।...
এই অকাল মৃত্যুর দায় জাতির কাছে বড় বোঝা নয়????
আমাদের নৈতিকতা, সহনশীলতা, মানবতা আজ কোথায় হারাল!!!!
ম্যাডিকেল সমূহের এই দায় এড়ানোর মানসিকতা কি অবহেলা যোগ্য!!! একটা রুগীকে নিয়ে এই হাসপাতাল ঐ হাসপাতাল নিযে পেরেশান অভিভাবকদের দৌড়াদৌড়ি যে কি পরিমাণ কষ্টের যন্ত্রনার তা ভুক্তভূগি ছাড়া কে বোঝে????
তার দরিদ্র দিনমজুর পিতা
দুঃখিনী অবলা মায়ের কান্না ....
চোখ জ্বালা করে ওঠৈ। সরে আসি চুপি চুপি। সরকারের কাছে যাওয়ার সাধ্য আমার মতো আম জনতার নেই।
পাঠকের মধ্যে যারা যে উপায়ে পারেন বিষয়টি আইন, বিচারও ন্যায্যতা প্রাপ্তির জন্য যার যা সম্ভব যদি করেন- হয়তো সেই বিদেহী নিষ্পাপ ৬-৭ বছরের শিশুটির কাছে খানিকটা হলেও দায়মোচন হয়।
আর ঐ মানুষ নামের বিবেকহীন পশুটার দৃষ্টান্ত শূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে অনাগত অনেক পিয়াস হয়তো নিরাপদ হবে। অকালে ঝড়ে যেতে হবে না এই ধরনী ছেড়ে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

