ইদানিং আড্ডা বাজি নিয়ে অনেক ফুর্তি দেখা যাইতাছে সামুর কতিপয় ব্লগারদের। সামনেও কি ফল্টন না কুতায় একডা আড্ডা হইবে। তাই ভাবলাম যে লাস্ট ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরের আড্ডাটাতে আমি কেনু যাই নাই এইটা জাতির কাছে একটু খোলসা করার দরকার..
আড্ডাতে আমি যাইতেই চাইছিলাম, পরে হটাৎ করে চিন্তা হইলো গুরুজন কহিয়াছেন, ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।
তাই ভাবতে বসলাম। ভেবেতো আমি চমকে গেলাম , তাইতো সমস্যতো অনেক।
১। ঐ আড্ডার একজন উদ্যোক্তা রাতমজুর। আমি গভীরভাবে ভেবে দেখলাম রাতমজুর দিনের বেলার আড্ডার উদ্যোক্তা হয় কিভাবে? আমি গভীর কোন ঘাপলার গন্ধ পাইলাম। রাতমজুরেরতো রাতের বেলার আড্ডার আয়োজক হওয়ার কথা দিনে সে কি কাজ করবে?
২। চান্দাবাজীর একটা আশন্কাও আমার মনে উকি দিয়া গেল। (আমার এই আশন্কার প্রমান আফনারা ইতোমধ্যেই আড্ডা পরবর্তী কয়েকটা ' যা নিছ ফিরায় দেও'... কিংবা 'ফেরত চাই দিতে হবে' টাইপ পোস্টে পেয়েছেন
৩। ভাবিলাম লইবে ২০০ টাকা, ইহা দিয়ে তো পিজা হাটের পিজা, কে এফ সির বার্গার, কিংবা শেরাটন, সোনারগাঁও এর প্যকেটতো দেয়াই উচিত
৪। এরপর একটা গভীর চিন্তার উদ্রেক হইলো। ব্লগে যে হারে মাইনাস পরে। অনেকে চুপিচুপি মাইনাস দিয়ে গেলেও বোঝা যায় কে মাইনাস দিছে। অনেকে মহা খাপ্পা হয়ে থাকে তারা যদি দলবল নিয়ে আসে.. যদ্দুর খবর পাইলাম নিরাপত্তার জন্য র্যবরে খবর দেয় নাই আয়োজকরা..
৫। এরপরও যাইতে মন চাইতেছিল শেষ পর্যন্ত.. শত হলেও ব্লগারদের আড্ডা আর আমি একজন শিষ্ট ব্লগার... আর কিছু পরীদের আগমনেরও সম্ভাবনা দেখা যাইতেছিল
এই সমস্ত গুরুত্বপুর্ন কারনেই ধানমন্ডির আড্ডা আমাকে বয়কট করছে থুক্কি আমি ধানমন্ডির আড্ডা বয়কট করছিলাম । আসছে ফল্টন না কুতায় যে আড্ডা হবে তাতে আমি উপরোক্ত সমস্যগুলো দুর করার জন্য আয়োজকদের প্রতি জোর দাবি জানইতেছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

