ভারত নিজেদের বিশ্বের বৃহত্তম ধর্ম নিরপেক্ষ রাস্ট্র বলে দাবী করে। আর আমরা সংবিধানে রাস্ব্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকল কি থাকলো না তাই নিয়ে ফালতু রাজপথ গরম করি। ভাবি রাস্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকলেই ধর্ম রক্ষা হয়ে গেল, ইসলাম প্রতিস্ঠা হয়ে গেল।
অথচ বাস্তব চিত্রটা হচ্ছে ভারতে ঘোষনা দিয়ে শত বছরের পুরান একটা মসজিদ ভান্গা হয়, দিলে দরদ নিয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখে পুলিশ এই নিয়ে রায়ট লাগানোর নামে চলে গরীব মুসলিম নিধন -নাম হয় হিন্দু মুসলিম দাংগা, গুজরাটে নিজেরাই ট্রেনে আগুন লাগিয়ে চলে মুসলিম নিধনযজ্ঞ, ধর্ষন আর তার ভিডিও , ধর্ম নিরপেক্ষ দেশের পুলিশ দাড়িয়ে দাড়িয়ে চুক চুক করে, নিরপেক্ষতার শপথ নেয়া বিচারপতিরা সেই মসজিদ ভাংগার পক্ষেই রায় দিয়ে দেন, এই ধর্ম যুদ্ধকে পুজি করে রাতারাতি ক্ষমতায় আসে উগ্র হিন্দুবাদী দল- তারপরও ভারত ধর্ম নিরেপেক্ষ রাস্ট্র।
আর আমাদের দেশে রাস্ট্র ধর্ম ইসলাম , এখানে মিডিয়ার একটা বড় অংশে নাস্তিকতার মোড়কে চলে ইসলামকে কটাক্ষ আর ভারত বন্দনা। হিন্দুরা দেশের জনসংখ্যার দশ শতাংশের কম হলেও মিডিয়াতে এদের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশী। অনেকে হয়ত ভাববেন তাতে সমস্যকি। হিন্দুরা তাদের ধর্মীয় চিন্তাকে কত কদর্যভাবে তাদের কর্মে ফুটিয়ে তোলে সেটাতো ভারতের ঘটনাবলী থেকেই দেখা যায়। আমাদের দেশের একটি বহুল প্রচলিত পত্রিকা কালেরকন্ঠে বাবরী মসজিদের রায় নিয়ে কলকাতার এক দাদা কি রিপোর্ট করেছে দেখুন Click This Link পড়লে মনে হয় রায়ে হিন্দু মুসলিম দুই পক্ষকেই আদালত সুন্দর ভাবে সব ভাগ করে দিয়েছে। অন্য পত্রিকার এই রিপোর্ট টা পড়ুন, কত পার্থক্য। আদালত তিন পক্ষকে ভাগ করে দিয়েছে, অথচ পক্ষ এখানে দুইটা হিন্দু আর মুসলিম। যার দুইটা ভাগই দুই সংগঠনের নামে হিন্দুদের দেয়া হয়েছে এবং মসজিদের মুল কাঠামোতে মন্দির হবে।
শুভংকরের ফাঁকি আর কাকে বলে।
(আমার এই লেখাটি সেই সব উগ্র হিন্দুত্ববাদের বিপক্ষে যারা কোথাও শক্তিতে কোথাও কৌশলে মুসলিম নিধনকেই ধ্যন জ্ঞান মনে করেন। নিরীহ শান্তি প্রিয় হিন্দুদের মনে আঘাত দেয়ার বিন্দুমাত্র অভিপ্রায় নেই আমার)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




