বিল গেটস এর বাড়িতে এক সন্ধ্যা
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
মাইক্রোসফট এ আমার ইন্টার্ণশীপ শুরু হয় ২০০৭ সালের জুন মাসের ১২ তারিখে। কিন্তু ইন্টার্ণশীপ অফার পাই প্রায় তিন মাস আগে। অফার পাওয়ার পরপরই ইন্টারনেট ঘেঁটে জানতে পারি যে মাইক্রোসফট এর চেয়ারম্যান বিল গেটস প্রতি বছর ইন্টার্ণদের তাঁর বাসায় একটা বার্বিকিউ ডিনার এর দাওয়াত করেন। এটা শোনার পর মনে হচ্ছিলো ইন্টার্ণশীপের চেয়ে এই ডিনারটা বেশি গুরুত্মপূর্ণ! তার উপর জানতে পারলাম এই বছরই বিল গেটস শেষ ডিনার অনুষ্ঠান করবে, কারণ পরের বছর উনি মাইক্রোসফট ছেড়ে দিচ্ছেন। তাই অপেক্ষা করতে থাকলাম সেই কাংখিত দিনটির জন্য।
অবশেষে সেই বহু প্রত্যাশিত ইমেইলটি পেলাম। আমাকে অন্য সব ইন্টার্ণদের সাথে ২৮ শে জুন (যতোদূর মনে পড়ে) সন্ধ্যাবেলা মহামতি(!) বিল গেটস এর বাসায় ডিনার এর নিমন্ত্রণ করা হয়েছে! মাইক্রোসফট রেডমন্ড হেডকোয়াটার্সে প্রতি বছর প্রায় চার পাঁচ'শ ইন্টার্ণ গ্রীষ্মের ছুটিতে কাজ করতে আসে। সংখ্যাটা বড় মনে হতে পারে, কিন্তু মনে রাখতে হবে সারা পৃথিবীতে মাইক্রোসফট এর প্রায় ৯৫,০০০ এম্পলয়ী আছে, যার মধ্যে রেডমন্ড এর হেডকোয়াটার্সেই আছে প্রায় ৩৫,০০০। এক জায়গায় ৩৫,০০০ লোক কাজ করা মানে বিশাল ব্যাপার। মাইক্রোসফট এর রেডমন্ড ক্যাম্পাস ঢাকার অনেক আবাসিক এলাকার চেয়ে বড় হবে। প্রায় শ'খানেক বিল্ডিং জুড়ে এর অফিস, শ'খানেক শাটল কার দিনরাত চলাচল করে এই বিল্ডিংগুলোর মধ্যে মানুষ পারাপার করে।
যাই হোক। মাইক্রোসফট নিয়ে আরেকদিন লিখবো। আজকে বিল গেটস মামা'র সাথে মোলাকাতের গল্প বলি। ওই দিন বিকাল তিন টার দিকে বিল্ডিং ৩৩ এর সামনে চলে যাই। বিল্ডিং ৩৩ হচ্ছে মাইক্রোসফট এর কনফারেন্স সেন্টার। অনেকগুলো কনফারেন্স রুম আছে এখানে। বিল গেটস এর ৩০ শে জুন ২০০৮ এর বিদায়ী মিটিংও এখানে হয়েছিলো। আমার সাথে আমার দুই ইন্ডিয়ান বন্ধু ছিলো। ওরাও আমার মতোই ইন্টার্ণ। একজন রচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছে আরেকজন টেক্সাস অস্টিনএ মাস্টার্স করছে। আমরা তিন জনই উইন্ডোজ নেটওয়ার্কিং গ্রুপ এ ছিলাম। তো বিল্ডিং এর সামনে অনেকগূলো বাস দাঁড়ানো ছিলো যেগুলো আমাদের বিল গেটস এর বাসায় নিয়ে যাবে। ইন্টার্ণরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে গল্পগুজব করছে। একে অন্যের সাথে পরিচিত হচ্ছে। আমাদের লাইনে অনেকের মধ্যে ক্যালটেক থেকে আসা দুই বন্ধু ছিলো যাদের সাথে আমি অনেক্ষন কথা বলেছি। একজন কম্পিউটার সায়েন্সে আরেকজন গণিতের উপর পড়ছে ক্যালটেকে। একজন এখন আমাদের গ্রুপ নেটয়ার্কিংএ, আর আরেকজন উইন্ডোজ কার্নেল গ্রুপএ ইন্টার্ণশীপ করছে। ওদের সাথে কথা বলে বুঝতে পারলাম মানুষ কেন ক্যালটেক এর এতো সুনাম করে। দুজনই অসম্ভব প্রতিভাবান। যে নেটয়ার্কিং গ্রুপ এর সে এর আগের বছর ইন্টার্ণশীপ করেছে গুগলএ, তার আগের বছর ইয়াহু তে! এবার মাইক্রোসফটএ এসেছে দেখার জন্য মাইক্রোসফট তার কেমন লাগে! আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনটাই তো দেখলে, কোন কোম্পানীতে কাজ করতে চাও? আমি আশা করছিলাম ও গুগল বা মাইক্রোসফট এর নাম বলবে। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে ও আমাকে বললো ও একটা স্টার্ট-আপ, মানে নিজেই নতুন একটা কোম্পানী খুলতে চায়! তখন আমি বুঝলাম কিভাবে আমেরিকাতে সিলিকন ভ্যালীর জন্ম হয়। এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপকে এরা খুব দাম দেয়। এরা ঝুঁকি নিতে পারে।
সে যাক, বারবার অন্যদিকে চলে যাচ্ছি। তো একসময় আমাদের সবাইকে বাসে উঠানো হলো। বাসে ইন্টার্ণদের গল্পগুজবে একটা হাউকাউ অবস্থা। বিল গেটস এর বাসা মাইক্রোসফট অফিস থেকে খুব দূরে নয়। জ্যাম না থাকলে ১০/১২ মিনিটের ড্রাইভ হবে বড়জোর। তাই মিনিট দশেক পরে যখন বাস থেমে গেল ভাবলাম চলে এসেছি বোধহয়। বাস থেকে নেমে ভুল বুঝতে পারলাম। আমাদের আসলে নিয়ে আসা হয়েছে একটা বড় গীর্জার সামনে। অবাক হলাম। বিল গেটস এর বাসায় ডিনার খেতে যাওয়ার আগে গীর্জায় প্রার্থনা করতে হবে নাকি? আস্তে আস্তে ব্যাপারটি পরিস্কার হলো। আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছে সিকিউরিটি চেক এর জন্য! গীর্জার সামনে পেছনে যেহেতূ অনেক খোলা জায়গা, তাই আমাদের এখানে লাইন ধরে মেটাল ডিটেকটর এর মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আমাদের আগেই বলে দেওয়া হয়েছিলো কোন মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা সাথে আনা চলবে না (এর চেয়ে দুঃখের ব্যাপার আর কী হতে পারে!)। আর এখন মেটাল ডিটেকটর দিয়ে শেষবারের মতো চেক করে নেওয়া হলো কোন ধাতব জিনিস আছে কিনা কারো সাথে।
সিকিউরিটি চেক করা শেষ হবার পর আমাদের এবার ছোট ভ্যানের (মাইক্রোবাস এর মতো) মতো গাড়িতে তোলা হলো। বিশাল সাইজের বাস যেহেতূ বিল গেটস এর বাড়িতে ঢুকবেনা, তাই ছোট গাড়ির ব্যবস্থা। গীর্জা থেকে বিল গেটস এর বাড়ী ছিলো খুব কাছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আমাদের গাড়িটি বাড়ির মূল গেইট দিয়ে ঢুকে পড়লো। বাড়িটি চারদিকে গাছগাছালীতে ঢাকা। তাই তেমন কিছু খেয়াল করতে পারিনি বাড়ির বাইরের অংশের। গাড়ি থেকে নেমেই আমাদের একটা দরজা দিয়ে বিল গেটস এর বাড়িতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ঢুকেই আমাদের একটা সিঁড়ি দেখিয়ে দেওয়া হয়।। কাঠের সিঁড়ি। আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখান থেকে সে সিঁড়ি নেমে গেছে প্রায় চার-পাঁচ তলা সমান নিচের দিকে।
সিঁড়ি বেয়ে নামা শুরু করলাম আমরা। একপাশে মূল বাড়ির ভেতরের অংশ আর আরেকপাশে একটা বিশাল ড্রয়িং রুম দেখলাম। যেহেতু আমাদের ডানেবামে কোথাও ঢুকার অনুমতি নাই, তাই সোজা নিচে নেমে যেতে হলো। নিচে নেমে দেখতে পেলাম বিশাল ঘাসে ঢাকা বাড়ির ব্যাক-ইয়ার্ড। জায়গাটা ছিলো লেক ওয়াশিংটন এর পাশে। লেক এর পাড়ে বিল গেটস এর প্রাসাদপ্রম বাড়ি। সবুজ ঘাসে ঢাকা উঠানের এখানে সেখানে টেবিল এর উপর নানা রকম খাবার রাখা। সবই আমেরিকান খাবার। আমেরিকানরা লতাপাতা (সালাদ হিসেবে) টাইপের অনেক খাবার খায় সেগুলো ছিলো, বিভিন্ন ধরণের বার্গার ছিলো, স্যান্ডউইচ ছিলো, সামুদ্রিক মাছের কিছু আইটেম ছিলো, নানারকম ড্রিঙ্কস ছিলো। আরো অনেক রকম খাবার ছিলো যেগুলোর নাম মনে নাই।
সেদিন কোম্পানীর অনেক বড় এক্সিকিউটিভরা ছিলেন সেখানে। সবাই মাইক্রোসফট এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কিংবা সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বা এই গোছের কিছু। ইন্টার্ণরা কেউ কেউ খাবার নিয়ে নিজেদের মধ্যে আড্ডা দিচ্ছিলো, আবার কেউ কেউ কোম্পানীর সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের ঘিরে ধরে নানারকম প্রশ্ন করছিলো। আমি আমার ইন্ডিয়ান বন্ধুদের সাথে বসে গল্প করছিলাম। আর কয়েকজন এক্সিকিউটিভ এর কথা শুনছিলাম। এদের মধ্যে একজন হচ্ছেন উইন্ডোজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টিভেন সিনফস্কি। ইন্টার্ণরা ওনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করছিলো আর উনি প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। আমি কথা বলেছিলাম আমাদের কোর অপারাটিং সিস্টেম গ্রুপ এর একজন জেনারেল ম্যানেজার এর সাথে। উইন্ডোজ নিয়ে টুকটাক কথা বলেছিলাম আমরা ওনার সাথে। এদের সাথে কথা বললে বুঝা যায় এরা কতো স্মার্টভাবে একটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। টেকনিকাল এবং মার্কেটিং উভয় দিকে এদের দারুন দখল।
প্রায় আধঘন্টা-পৌণে একঘন্টা পর মুল বাড়ির সাথে সংলগ্ন অপর একটি সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসেন বিল গেটস। আর যায় কোথায়। এখানকার বেশির ভাগ ইন্টার্ণই বিশ-বাইশ বছর বয়সের। সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়লো তাঁর উপর। ওনার চারদিকে তৈরি হয়ে গেলো বিশাল ভিড়। প্রথমে উনি ইন্টার্ণদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিলেন। ইন্টার্ণরা দুনিয়ার সব প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছিলো তাকে। অনেক্ষণ ওদের সাথে কাটিয়ে উনি ভিড় থেকে বের হয়ে একটু উঁচুমতো একটা যায়গায় গিয়ে মাইক এর মাধ্যমে সবাইকে স্বাগতম জানালেন। বললেন তাঁর স্বপ্নের কথা, পরিশ্রম করে মাইক্রোসফটকে এই পর্যায়ে নিয়ে আসার কথা। গুগলের কথা বললেন। ওরা যে সার্চএ ভালো করছে আর আমাদের জন্য যে এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ সেটি বললেন। প্রায় মিনিট পনের মাইক্রোসফট সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে কথা বললেন।
সেদিন অনেক কাছে থেকে ওনাকে দেখেছি আর কথা শুনেছি। মাইক্রোসফট এর ব্যাবসায়ীক পলিসি নিয়ে অনেকরকম মতামত থাকতে পারে, কিন্তু "সফটওয়ার শিল্প" বলতে আমরা যা বুঝি এটা প্রায় এককভাবে মাইক্রোসফট তথা বিল গেটস এবং তাঁর টিম প্রতিষ্ঠা করেন। বিল গেটস একজন চরম প্রতিভাবান ব্যক্তি। তার ব্যাবসায়ীক এবং প্রযুক্তিগত দুই দিকেই অভাবনীয় দখল। মানবতার প্রতিও তাঁর অনেক টান। সেজন্য এই বছর তিনি মাইক্রোসফট থেকে অবসর (পুরোপুরি নয়, কিন্তু উনি এখন মূলত উপদেষ্টা ধরণের ভূমিকায় আছেন) নিয়ে মনোনিবেশ করেছেন মানবসেবায়। তাঁর বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দাতব্য প্রতিষ্ঠান। অনেকে বলছেন বিল গেটস হয়তো একদিন শান্তির জন্য নোবেল প্রাইজ পাবেন তাঁর মানবতাবাদী কাজের জন্য। গতো বছর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া তাঁর সমাবর্তন বক্তৃতার একটা মূল বিষয় ছিলো মানবসেবা।
বিল গেটস চাল-চলনে একেবারে সাধারণ। কেউই তাকে দেখে মনে করবে না কতো ক্ষমতাধর, কতো স্মার্ট উনি। সেদিন একটা সাধারণ জিন্স আর টিশার্ট পরে এসেছিলেন তিনি। তাঁর কথাবার্তা খুবই সহজসরল। এই বছর যেদিন তিনি মাইক্রোসফট থেকে বিদায় নেন, মঞ্চে সবার সামনে অনেকটা ঢুকরে কেঁদে উঠেছিলেন। তাঁকে দেখেই বুঝা যায়, তিনি বাইরে আর দশজন সাধারণ মানুষের মতন হলেও ভেতরে তাঁর অগাধ জ্ঞান। এই সারল্য, বুদ্ধি, আর জ্ঞানের বলেই তিনি আজ মাইক্রোসফট এর মতো এক বিশাল কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন।
খাওয়া-দাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে আমি ঘুরে দেখেছিলাম বাড়িটি। চারদিকে সিকিউরিটির লোকজন ছিলো, তার উপর আমাদের বাড়ির ভেতরে যাবার অনুমতি ছিলো না। তাই বাইরে থেকে যতোটুকু দেখা যায় তাই দেখেছি। লেক এর পাশে বাড়ি হওয়ায় লেক এর উপর কাঠের পাটাতন ছিলো। সেখানে একটা বড় স্পীডবোট বাঁধা ছিলো। লেক এর অপর পাড়ে সিয়াটল শহরের উঁচু উঁচু বিল্ডিং এর আকাশরেখা দেখা যাচ্ছিলো। যতোদূর মনে পড়ে ওনার ব্যক্তিগত জিমনেশিয়ামটি দেখেছিলাম যেটি মূল বাড়ি থেকে বাইরে অবস্থিত। বাড়িটি আকারে বেশ বড়। অনেক টাকা খরচ করে বানানো। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনাঢ্য ব্যক্তির বাড়ি বলে কথা!
সব মিলিয়ে ঘন্টা দুই এর মতো থাকা হলো ওখানে। ফেরার সময় হয়ে এলো। ইন্টার্ণরা ধীরে ধীরে বের হওয়া শুরু করলো বাড়ি থেকে। এক সময় আমিও বের হলাম। আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম আমার ভাগ্যের কাছে। এমনিতে আমার সৌভাগ্য জিনিসটা পাওয়া হয়ে উঠেনা কখনো। তাই এমন একটা সু্যোগ পেয়ে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করেছি। তার উপর ওই বছরই ছিলো বিল গেটস এর শেষ ইন্টার্ণ ডিনার। এটাকে নির্দ্বিধায় বড় ধরণের সৌভাগ্য বলা যায়, কী বলেন?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এন এইচ আর বলেছেন:
অনেক বড় পরে পড়ব কিন্তু মামার সাথে দেখা করার জন্য প্লাস।
লেখক বলেছেন: টেংকু!
...অসমাপ্ত বলেছেন:
বাহ... বেশ লাগল। ....আরো লিখুন। বিশেষ করে আপনার মাইক্রোসফট এ ইন্টার্ন এর কথাগুলো। ...এর আগে রাগিব ভাই বেশ চমৎকার করে গুগোল কথন সিরিজ টি লিখেছিলেন।লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। রাগিব অনেক ভালো লিখে, সে তুলনায় আমি নতুন লেখক। চেষ্টা করবো তবুও!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আপনি কি সাস্ট এর বিলাস ভাই ...?
বিলাশ বিডি বলেছেন:
হ্যাঁ। আপনি?
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
সরি বিলাস ভাই, আগে প্রোফাইল ছবি টা দেখি নি , তাই চিনতে পারিনি ...কেমন আছেন ...?আমি ০১ ব্যাচ এর...
লেখক বলেছেন: ভালো আছি। তোমার নাম কী? এখন কোথায় আছো?
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আমার নাম অমিত, শিবলীদের ব্যাচ এর...এখন একটা সফট ওয়ার ফার্ম এ আছি ...
আপনার মেইল এড্রেসটা দেয়া যাবে?
লেখক বলেছেন: ভালো ভালো। শিবলীর কাছের আমার মেইল এড্রেস আছে। এখানে পাবলিকলি দিতে চাচ্ছিনা, বোঝইতো স্প্যামিং এর ভয় আছে। সাস্ট এর অনেকের কাছেই আমার মেইল এড্রেস পাবা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিঃসঙ্গ!
একাকী একজন বলেছেন:
++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
অদ্ভুত কাজী বলেছেন:
বিলাস ভাই,দারুন ।অসাধারন +++++++,ভালো লাগলো আপনার লেখাটা পড়ে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাজী।
লেখক বলেছেন: কেমন আছো হরি? কী করছো আজকাল?
প্রলয় হাসান বলেছেন:
গেট ভাইয়ের লগে কোন ফটুক তুলেন নাই?
লেখক বলেছেন: নারে ভাই, ক্যামেরা বা মোবাইল ফোন কোনোটাই নিতে দেই নাইঃ-(
কৌশিক বলেছেন:
সৌভাগ্যবান নিঃসন্দেহে আপনি
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ!
মদন বলেছেন:
ভাল লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আরিয়ানমাসুদ বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: :-)
লেখক বলেছেন: :-)
নিবিড় বলেছেন:
ভয় পাইলাম বস
লেখক বলেছেন: হে হে।
মেহবুবা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যও আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি, আমেরিকান খাবার বেশিরভাগই আমার ভালো লাগে না! সুতরাং ওই দিন সেরকম মজা করে খেতে পারিনিঃ-(
ভালো কথা, কেউ কি আমাকে একটু বলবেন, কিভাবে ইমোটিকন ইনসার্ট করতে হয় কমেন্টে?
রোবোট বলেছেন:
আপনি গেটস সাহবকে কদমবুসি করেন নাই? দাওয়াতে কয় কেজি মিষ্টি নিয়ে গেসিলেন? ওনার আব্বা-আম্মা, শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর শরীর স্বাস্থ্যের খোজ খবর করসিলেন তো? ওনার বেগম সাহেবার রান্নার প্রশংসা করসিলেন তো? ওনার কি বিবাহযোগ্যা শ্যালিকা আসে নাকি, আপনাকে দাওয়াত দিলো যে?
লেখক বলেছেন: হে হে। ওনার সব জীবনবৃত্তান্ত ইন্টারনেটএ সার্চ করলেই পাবেন! শ্যালিকা থাকতে পারে, ঘটক পাখী ভাই ভালো জানতে পারেনঃ-)
রাগিব বলেছেন:
তোমাদের কি বাড়ির ভেতরে ঢুকতে দিয়েছিলো, নাকি বাইরের লনেই? একবার পড়েছিলাম বিল গেটসের বাড়িটা নাকি স্মার্ট বিল্ডিং, অতিথিরা ট্যাগ গায়ে লাগিয়ে কোনো ঘরে ঢুকলেই সেই ঘরের সেন্সর বুঝে নেয় কে এসেছে, আর সে অনুযায়ী তাপমাত্রা আলো সেট করে।গুগলের ব্রিন আর পেইজ এই দিকে খুব মিতব্যয়ী। বছর কয়েক আগে পর্যন্তও ওরা সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টে থাকতো। পেইজের গাড়িটাও ছিলো পুরানো, হ্যাচব্যাক টাইপের। ইদানিং অবশ্য ওরা আস্তে আস্তে খরুচে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: আমরা বাড়ির একটা অংশের ভেতর দিয়ে ঢুকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে লনে নেমে গিয়েছিলাম। শুধু বসার ঘরটি দেখেছিলাম। হ্যাঁ, স্মার্ট বিল্ডিং এর কথা আমিও শুনেছি, কিন্তু চেক করার সুযোগ আর হয়ে ওঠেনিঃ-(
বিলাশ বিডি বলেছেন:
ধন্যবাদ নিবিড়। আমি চেষ্টা করবো, কিন্তু নিশ্চিত না থাকতে পারবো কিনা।
পাপী বলেছেন:
বাপরে জম্পেশ অভিজ্ঞতা। গল্পের মতো করে লিখেছেন। ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য!
অয়ন আহমেদ বলেছেন:
জটিল লাগল লেখাটি পড়ে। বিল গেটসের সাথে দেখা করা যে কোন মানুষের জন্যে এক বিরল সৌভাগ্য।
পাই বলেছেন:
বিলাস ভাই এতদিন কেবল আপনার কথাই শুনে এসেছি।আজ আপনার এই লেখাটা পড়ে অনেক কিছু জানলাম।আপনি তো আমাদের একজন আইকন।আর হ্যা মুনীর ভাই ও মাইক্রোসফটের কানাডা অফিসে জয়েন করেছে তা নিশ্চয় জানেন।
ভালো থাকবেন।
তালকানা বলেছেন:
ভাই এইটুকূন পড়ে ভালো লাগ্লো।কিন্তু আরো নতুন পোস্ট চাই।আপনার অভিজ্ঞতার কথাগুলো শেয়ার করুন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
সৌভাগ্যবানই বটে..... বিশাল ভাগ্য আপনার। লেখাটা একটানে পড়লাম।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
দারুণ লাগলো।
আপনি সম্ভবত এখন স্থায়ীভাবেই মাইক্রোসফট এ আছেন?
আচ্ছা , মিষ্টি রসমালাই কিছু নিয়া যান নাই
জুহো. বলেছেন:
সবই ভাল। ছবি নাই এইটাই যা খারাপ। আপনার কি দোষ ! কারনটাতো বলেছেন ই। নীচে আরো দুইটা যা আছে তাও ছোট ছোট। তবে একটা জিনিষ শিক্ষনীয়, মেধা, পরিশ্রমের সাথে মানুষ মূল্যায়ন করাও সাফল্যের একটা চাবিকাঠি।
সুবিদ্ বলেছেন:
অনেক পরে চোখে পড়লো.......খুবই ভালো লাগলো.......আপনার প্রতি শুভকামনা
জটিল বলেছেন:
যদিও অনেকদিন পর পড়লাম , অনেক ভাল লাগল
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন:
প্লাস
মৈত্রী বলেছেন:
এই রকম সৌভাগ্য কয়জনের হয়? মানে জানতে চাচ্ছি কতজন বাংলাদেশী মাইক্রোসফ্টে চাকরি করেন?? লেখক উত্তর দিবেন প্লিজ? ব্যক্তিগত কৌতুহল থেকে জানতে চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: সব মিলিয়ে এখন মনে হয় প্রায় এক'শ এর মতো বাংলাদেশী আছেন মাইক্রোসফটে। এটা রেডমন্ড হেডকোয়াটার্স এবং অন্য সব জায়গা হিসেবে নিয়ে।
রিজভী নেয়াজ খুলনা বলেছেন:
অসাধারন...দুটোই...লেখা এবং অভিজ্ঞতা
জেসমিন মলি বলেছেন:
ভাল অভিজ্ঞতা ।
দুঃখ বলেছেন:
আপনি সৌভাগ্যবান।
আতিকুর রহমান সুমন বলেছেন:
ভাই আপনার কপাল দেখে হিংসা লাগে। শত চেষ্টাতেও হিংসা আটকাতে পারলামা না বলে দুঃখিত।
ফয়সাল খান ডালি বলেছেন:
ভালো।
শায়েরী বলেছেন:
Valo laglo..
নীল২০১০ বলেছেন:
আতিকুর রহমান সুমন বলেছেন: ভাই আপনার কপাল দেখে হিংসা লাগে। শত চেষ্টাতেও হিংসা আটকাতে পারলাম না বলে দুঃখিত।অনেক ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে।
নীল + আকাশ বলেছেন:
আমি ঈর্শান্বিত।
chai বলেছেন:
আপনি সৌভাগ্যবান
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















