বোধ - জীবনের নতুন মানে

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৭

শেয়ারঃ
0 74 0

কিছুদিন আগে একটা ওয়েব সাইটে চমৎকার একটা লেখা পড়েছিলাম। লেখাটা ভালো লেগে যাওয়ায় ভাবলাম অনুবাদ করে ফেলি। যথারীতি অনুবাদটায় লেখাটির মূল ভাব পুরোপুরি ফুটিয়ে তোলা যায়নি। তারপরও যদি এটা পড়ে কেউ উপকৃত হন ভেবে অনুবাদটা করে ফেললাম!

মূল ইংরেজীটি পাওয়া যাবে এখানে

===========================================

জীবনে একটা সময় আসে যখন তোমার সত্যিকারের একটা বোধ জন্ম নেয়, যখন তুমি জীবনকে সত্যিকারভাবে বুঝতে পারো। তীব্র হতাশা আর দুঃখের একটা পর্যায়ে একসময় তোমার ভেতরের "আমি" জেগে ওঠে এবং চিৎকার দিয়ে বলে - যথেষ্ট হয়েছে! নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করতে করতে একসময় তুমি শান্ত হয়ে আসো, তোমার কান্না থেমে যায়, তুমি আয়নায় তোমাকে দেখো, তুমি জানালা খুলে বাইরের আকাশটাকে দেখো। আর তখন আস্তে আস্তে তুমি জীবনকে আবিষ্কার করো একটু অন্যরকমভাবে, পৃথিবীটাকে দেখো একটু অন্য চোখে।

এটা হচ্ছে তোমার নতুন জীবন বোধঃ

তুমি বুঝতে পারো তোমার চারপাশের সবকিছু বদলে যেয়ে তোমার সব আশা আর স্বপ্নগুলি সত্যি করে দিবে এটা কখনোই হবার নয়। তুমি যে সুখ, শান্তি, আর নিরাপত্তা চাচ্ছো সেটা এমনি এমনি তোমার কাছে ছুটে আসবেনা। তুমি মেনে নিতে শেখো যে তুমি কোন রাজপুত্র কিংবা রাজকন্যা না এবং বাস্তব জীবনে "দি এন্ড" সবসময় সুখকর হয়না। "অতঃপর তাহারা সুখে শান্তিতে বাস করিতে লাগিলো" এই ব্যাপারটা শুরু করতে হবে তোমার নিজের কাজের মাধ্যমে এবং এটা মেনে নেওয়ার মাধ্যমেই শান্তি ও সুখ আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

তুমি আনুধাবন করতে পারো যে তুমি নিজে পারফেক্ট না এবং সবাই সবসময় তোমাকে পছন্দ নাও করতে পারে, তোমার সব কাজে খুশি নাও হতে পারে - এবং এতে দোষের কিছু নেই। সবার নিজস্ব দৃষ্টিকোন এবং মতামত থাকতে পারে। তখন তুমি নিজের অবস্থানকে শক্ত করার জন্য, নিজেকে আরো পরিপূর্ণ করার জন্য কাজ শুরু করো। এভাবে তোমার মধ্যে তৈরি হয় এক নতুন আত্মবিশ্বাস।

অন্যরা তোমার জন্য কী করলো কিংবা কী করে নাই সেটা নিয়ে তুমি অভিযোগ অনুযোগ করা বন্ধ করো। এবং তুমি বুঝতে পারো জীবনে অনিশ্চয়তার উপর ভর করেই তোমার এগিয়ে যেতে হবে। তুমি আবিষ্কার করো যে মানুষ সবসময় যা বুঝাতে চায় তা বলেনা এবং যা বলে তা বুঝাতে চায়না এবং তোমার প্রয়োজনের সময় সবাই তোমার পাশে নাও থাকতে পারে। সবার নিজের জীবনে ব্যস্ত থাকার অনেক জিনিস আছে, অতএব তোমাকে নিজের উপর নির্ভর করা শিখতে হবে। আর স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে তোমার নিজের জীবনে নিরাপত্তাবোধ আসবে।

তুমি মানুষের দিকে আঙ্গুল তাক করা বন্ধ করো এবং তাদের দুর্বলতা ও ভুলত্রুটি মেনে নিতে শেখো। আর এভাবে মানুষের ভুলত্রুটি ক্ষমা করার মাধ্যমে তোমার মনে একধরণের প্রশান্তি জন্ম নেয়।

তুমি বুঝতে পারো যে তুমি নিজেকে এবং তোমার চারপাশের পৃথিবীকে যেভাবে মূল্যায়ন করো সেটা এসেছে তোমার মনের মধ্যে চারপাশ থেকে ঢুকানো অসংখ্য তথ্য ও তত্ত্বের মাধ্যমে। তুমি তখন তোমার মগজে ঢুকানো এইসব হাজার হাজার তথ্য ও তত্ত্বের যাচাই বাছাই করতে থাকো। তোমার নিজের সম্পর্কে মূল্যায়ন, তোমার কী পরা উচিৎ কী পরা উচিৎ না, তোমার কী ভালো লাগে কী ভালো লাগেনা, তোমার কী বিশ্বাস করা উচিৎ কী বিশ্বাস করা উচিৎ না, তুমি কোথায় থাকবা কোথায় থাকবানা, কী পেশা হবে তোমার, কাকে বিয়ে করবে, বাব-মা কিংবা সন্তানের সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন হবে - এই সবকিছু নিয়ে তুমি নতুন করে ভাবতে বসো। তুমি তোমার চিন্তাভাবনার বদ্ধ পৃথিবীকে খুলে দাও এবং নতুন ধরণের, ভিন্ন ধরণের দৃষ্টিকোন এবং মতামতকে গুরুত্ম দিতে শেখো। তুমি জীবনের মানেকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করো।

জীবনে তোমার কী লাগবে এবং তুমি কী চাও এটা তুমি আরো ভালোভাবে বুঝতে পারো, এবং পুরনো, ভুল বিশ্বাস এবং তত্ত্ব থেকে তুমি বের হয়ে আসো। আর এভাবেই তুমি অন্যের মতামত ও কন্ঠ থেকে বের হয়ে এসে তোমার সত্যিকারের সত্ত্বার কথা শুনো।

তুমি শেখো যে দানের মধ্যে বড় প্রাপ্তি থাকে এবং সৃজনশীলতা এবং অন্যদের সাহায্য করা একটা চমৎকার মর্যাদাকর ব্যাপার।

তুমি শেখো যে সততা এবং সত্যবাদিতা পুরনো যুগের নীতিকথা নয় শুধু। জীবনের মূল ভিত্তি হতে হবে সততা এবং সত্যবাদিতা।

তুমি বুঝতে শেখো যে সবকিছু তোমাকে জানতে হবে এমন কোনো কথা নেই; পৃথিবীকে বাঁচানো তোমার একার দায়িত্ব নয়, এবং গাধা পিটিয়ে মানুষ করাও তোমার পক্ষে সম্ভব নয়। তুমি দোষ এবং দায়িত্ব এর মধ্যে পার্থক্য করতে শেখো, বিভিন্ন জিনিসের সীমারেখা টানতে শেখো, এবং অন্যকে প্রয়োজনে "না" বলতে শেখো।

এরপর তুমি ভালোবাসা সম্পর্কে জানতে পারো - রোমান্টিক ভালোবাসা এবং পারিবারিক ভালোবাসা। তুমি শেখো কতোটুকু ভালোবাসা উচিৎ, কতোটুকু স্যাক্রিফাইস করা উচিৎ, কখন স্যাক্রিফাইস বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ, কখন ভালোবাসাবাসি বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ।

তুমি সম্পর্ককে যেমন আছে তেমনই দেখতে শেখো, কল্পনায় তুমি কী চাও তেমনভাবে নয়। তুমি মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করা শেখো। তুমি শেখো যে মানুষ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়, তাদের ভালোবাসাও কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তুমি তোমার মতো করে, শুধু মাত্র নিজেকে সুখী করার জন্যে নিজের মতো করে ভালোবাসা দাবী করতে পারোনা।

তুমি বুঝতে শেখো নির্জনতা মানেই একাকীত্বতা নয়। আয়নার দিকে তাকিয়ে তুমি অনুধাবন করো তুমি কখনোই তোমার মনমতো সুন্দর হতে পারবেনা; অতএব তুমি তোমার মাথার ভেতরে থাকা তোমার মডেল চেহারাটি সরিয়ে ফেলো।

তুমি তোমার শরীরের মূল্য বুঝতে শেখো। তুমি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে শুরু করো, ব্যায়াম করা শুরু করো। তুমি বুঝতে শেখো যে ক্লান্তি আমাদের প্রানশক্তি কমিয়ে দেয় এবং আমাদের মনে দূর্বলতা এবং ভয় ঢুকিয়ে দেয়। অতএব তুমি প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেয়া শুরু করো। খাবার যেমন শরীরকে চালু রাখে, হাসি তেমনি আত্মাকে চালু রাখে। তাই তুমি আরো বেশি বেশি হাসো এবং খেলাধুলা করো।

তুমি বুঝো যে নিজেকে যতোটা যোগ্য মনে করো ঠিক ততোটাই তুমি পাও। জীবনে পরিশ্রম না করলে কিছু পাওয়া যায়না, অতএব তুমি চাওয়া এবং পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝ এবং চাওয়াগুলিকে পাওয়ার জন্যে সত্যিকারের পরিশ্রম করো। সফলতার জন্যে সঠিক লক্ষ্য ঠিক করে কাজ করে যেতে হয় এবং দরকার হলে অন্যের কাছে সাহায্য চাওয়া যায়।

তুমি জানতে পারো পৃথিবীতে যদি কিছুকে ভয় করতে হয় সেটা হবে ভয়কে। যে মুহুর্তে তুমি কোনো কিছুকে ভয় পাওয়া শুরু করবে সেই মুহুর্তে আসলে তুমি নিজের মতো করে বেঁচে থাকার সুযোগ হারাচ্ছো। তোমাকে ভাবতে হবে যে যাই ঘটুকনা কেনো তুমি এটা সামলে নিতে পারবে এবং তুমি যা সিদ্ধান্ত নিবে তোমার জীবনে তাই ঘটবে।

তুমি জীবনে যুদ্ধ করতে এবং জীবনটাকে দুশ্চিন্তা এবং ভয় এর মধ্য দিয়ে পার না করে দিতে শেখো। তুমি মেনে নিতে শেখো যে জীবন সবসময় ফেয়ার না এবং মাঝে মাঝেই সবচেয়ে ভালো মানুষগুলোকে অনেক দুঃখ কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এর জন্যে তুমি ভাবো না যে ঈশ্বর তোমাকে শাস্তি দিচ্ছে অথবা তিনি তোমার প্রার্থনা শুনছেন না। এই ঘটনাগুলো জীবনেরই অংশ।

তুমি এ জীবনের ছোটখাট সুখগুলোর জন্যে কৃতজ্ঞ হতে শেখো। তোমার জন্ম আফ্রিকার কোনো যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বা দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশে হয়নি এটা ভেবে তুমি শান্তি পাও। ধীরে ধীরে তুমি নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নেয়া শুরু করো। তুমি কান পেতে তোমার মনের কথা শুনো এবং মন যা চায় তাই পাবার জন্যে পরিশ্রম করতে শুরু করো। তুমি জানালা খুলে বুক ভরে শ্বাস নাও এবং মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলো। তুমি জীবনকে নতুন করে শুরু করার প্রস্তুতি নাও এবং সবসময় পজিটিভ চিন্তাভাবনা করার সিদ্ধান্ত নাও।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
জটিল বলেছেন: এই বোধোদয় যেন সবার দ্রুত হয় ...
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: আমিন!

২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
লিবিব বলেছেন: অসাধারন!এই Speech টা কার?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: এটা কারো বক্তৃতা না। একটা ওয়েবসাইটে পাওয়া লেখা। ভালো লাগলো তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম :)

৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৭
সাগর ঢাকা বলেছেন: বিলাস ভাই , আমি সাস্ট এর , ৯৯ বাচ , আপনার লেখা ভালো লাগলো... বিশেষ করে এই কথা গুলো ..

"তুমি বুঝো যে নিজেকে যতোটা যোগ্য মনে করো ঠিক ততোটাই তুমি পাও। জীবনে পরিশ্রম না করলে কিছু পাওয়া যায়না, অতএব তুমি চাওয়া এবং পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝ এবং চাওয়াগুলিকে পাওয়ার জন্যে সত্যিকারের পরিশ্রম করো। "

ধন্যবাদ , প্রিয়তে :)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ তোমাকে চিনেছি :)

কথাগুলো ভালো লেগেছে বলেই শেয়ার করলাম। পড়ার জন্যে ধন্যবাদ!

৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০১
হেলথ ভিশন ০০৭ বলেছেন: ছুটির দিনের সকালবেলা সুন্দর একটি ব্লগ পড়ে ভালো লাগলো।কথাগুলো গভীর জীবনবোধ সম্পন্ন যা বুঝতে পারলে এবং মেনে চলতে পারলে আমাদের পারিবারিক,সামাজিক এবং কর্মজীবন অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে।অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্যে!

৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭
আরজু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ । মাঝে মাঝে আপনি এ রকম সুন্দর সুন্দর কথা লিখে অনুপ্রেরণা দিবেন।আপনি গ্রেট বস।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: আমি নিজের জীবনে এধরনের লেখা পড়ে অনেক অনুপ্রানিত হয়েছিলাম, তাই এধরনের লেখার প্রতি আমার অনেক দুর্বলতা।

৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬
তুষার আবরার বলেছেন: সারাদিন ক্লাস করে ফিরলাম, কিন্ত আপনার পোষ্ট টি পরে কান্তি পুরো চলে গেলো। প্রত্যেকটি শব্দ বাস্তব, এবং বেচে থাকার জন্য নতুন করে প্রেরণা যোগায়। অনেক কিছু শেখার মত আছে এখানে। ধন্যবাদ এতো সুন্দর কথা গুলো শেয়ার করা জন্য।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার এতো ভালো লাগলো জেনে আমারো খুব ভালো লাগছে!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩
দীপান্বিতা বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার উপস্থিতি যেমন ভাল লাগছে, তেমনি আপনার এই অনুবাদটা পড়ে অনেকটা মনে জোর পাচ্ছি....
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ভয়াবহ ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। ব্লগ লেখার অনেক ইচ্ছে থাকলেও কাজের চাপে সেটা আর হয়ে উঠছেনা। আশা করি শীঘ্রই কিছুটা ফ্রি হয়ে লেখালেখি আবার শুরু করবো।

আপনি কেমন আছেন? লেখালেখিটা আগের মতো চলছে তো?

১০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫১
আকাশ অম্বর বলেছেন: হুম। সুন্দর কথামালা।


কেমন আছেন বিলাশ ভাই?
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ!

আমি ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন? আপনিও কি আমার মতো অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন নাকি?

১১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০
দীপান্বিতা বলেছেন: আরেকবার পড়ে নিলাম......ভাল আছি.....:)
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: :)

১২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৪
টেকি মামুন বলেছেন: ্ওই্ ভাই খুবই ভালো লাগলো ধন্যবাদ
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুমাম!

১৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৬
টেকি মামুন বলেছেন: বিলাস ভাই আমি ভেবেছিলাম আপনি আমার মন্তব্য দেখবেন না এজন্য কিছু লিখি নাই এখন দেখলাম আপনি মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন।
ভাই আপনার লেখাগুলো আমার অনেক ভালো লাগে।আমি আপনার সবগুলো লেখা পড়ে ফেলেছি।মাইক্রোসফট নিয়ে লেখাগুলো খুবই উৎসাহব্যান্ঞক ।আমি নিজেও কম্পিউটার সাইন্সে পড়ি ।তাই মাইক্রোসফট নিয়ে লেখাগুলো খুবই ভালো লেগেছে।ইচ্ছা হয় আমারও মাইক্রোতে চাকরি করতে।আপনার অনুবাদগুরোও অসাধারন জীবন নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে শেখায়।ভাই মাইক্রোসফটের কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে আরও পোস্ট চাই সাথে সাথে অনুবাদ লেখাগুলো দিবেন।ভাল থাকবেন।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ নুমাম!

মাইক্রোসফট বা এ ধরণের কম্পানীতে কাজ করতে হলে অ্যালগোরিদম এবং প্রব্লেম সল্ভিংএ ভালো হতে হয়। প্রোগ্রামিংএ ভালো হলে এবং অপারেটিং সিস্টেম এর ভালো কনসেপ্ট থাকলে খুব বেশি সমস্যা হবেনা এসব কম্পানীতে চাকরী পেতে। দরকার অনেক বেশি উদ্যোগ আর জীবনে ভালো করার ইচ্ছা!

একটু ফ্রি হয়ে নিই, মাইক্রোসফট এর টুকিটাকি নিয়ে পোস্ট দিবো একটা। তুমিও ভালো থেকো অনেক!

১৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৩
টেকি মামুন বলেছেন: আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি ।এইসব টেকবিষয়ক পোস্ট যদি আপনি টেকনলজি বিষয়ক সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগসাইট http://techtunes.com.bd/ দিতেন তাহলে আরো বেশি ভালো হত।কারন http://techtunes.com.bd/ এইসাইটেৱর সবাই প্রযুক্তিপ্রেমি।
আর আপনার সময়ের অভাব থাকে তাহলে আমি আপনার লেখার মুল লিংক দিয়ে এবং আপনার নাম সহ http://techtunes.com.bd/ এই সাইটে দিয়ে দিতে পারি।যদি আপনার আপত্তি না থাকে ।কারণ এই লেখাগুলো প্রযুক্তিপ্রেমিদের সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে।ভাল থাকবেন
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: দেখি, সময় পেলে ওখানে যেয়ে লিখবো। সাইটটা ভালো লেগেছে।

১৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৬
শ।মসীর বলেছেন: তুমি শেখো যে সততা এবং সত্যবাদিতা পুরনো যুগের নীতিকথা নয় শুধু। জীবনের মূল ভিত্তি হতে হবে সততা এবং সত্যবাদিতা।

তোমাকে ভাবতে হবে যে যাই ঘটুকনা কেনো তুমি এটা সামলে নিতে পারবে এবং তুমি যা সিদ্ধান্ত নিবে তোমার জীবনে তাই ঘটবে।

-----------------------------------------------------------------------------------

আমি নিজেকে উদ্দীপ্ত করতে হলে আপনার ব্লগে এসে ঘুরে যায়। নতুন করে ভাবার রসদ পাই । এমনকি কোট গুলো ফেসবুকে স্ট্যাটাসেও দিয়ে দিই ।বিশেষ করে সানস্ক্রীন নিয়ে লেখাটা আমার ডেস্কটপে কপিও করে রেখেছি !!!!
-----------------------------------------------------------------------------

ধন্যবাদ দিবনা নতুন একটা আশার কথা জানিয়ে যাব- এমন ধরনের অনুবাদ মাঝে মাঝেই পাবার আশা জানিয়ে গেলাম। সত্যিই এটা কাজে দেয় অন্তত , যে সময়টুকু পড়ছি তার পরও অনেকক্ষন এর রেশ টুকু থাকে। ।

..........................

ভাল থাকুন সবসময় । ।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: লেখা চলবে, অনুবাদও :)

১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫১
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: সুন্দর কথাগুলো। এই কথা গুলো আমরা মাঝে মাঝে বুঝেও কেন যেন বুঝতে চাইনা। সব কিছু যেমটা হওয়া উচিত সবসময় আমরা তেমনটা কাজ করতে পারি না। এটা আমাদের সীমাদ্ধতা। তবে এই সীমাবদ্ধতাটা আছে বলেই আমরা এক একজন এক একরকম। সবাই যদি ঠিক সময় ঠিক কাজটা করতে পারতাম, কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক ঠিকভাবে বুঝতে পারতাম তাহলে এত বারো রকম মানুষ থাকতো না।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: কথা সত্যি, সবাইকে সবকিছু ভালোভাবে করতে পারতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে ভালো এবং দরকারী কথাগুলো বাজতে থাকুক সবসময় ভাঙ্গা রেকর্ডের মতো!

১৭. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: এই পোষ্টটা আমি কয়েকবার পড়ছি। কমেন্টাই নাই কেন আল্লাহই জানে। মনে হয় প্রতিবার পরার পর বোধ শক্তি হারায় ফেলছি। ;) ;)
২৪ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: :)

২৪ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৩১
মুনির হাসান বলেছেন: খুবই ভাল লাগলো।
অবস্থানগত কারণে আমাকে প্রচুর কাউন্সিলিং করতে হয়, মানুষকে বলতে হয় কঠিন প্রতিকূল পরিস্থিতি কী আমাকে সাহস যোগায়। তখন আমি যা বলি তার অনেকখানি এই লেখাতে যুক্ত করা হয়েছে।
মূল লেখাটাতে ভদ্রলোকের নাম আছে কীনা দেখার চেষ্টা করলাম। সফল হয়নি। অনুবাদটি ভাল হয়েছে। কখনো কখনো লাইন ভেঙ্গে দিলে আরো ঝরঝরে হতো।
কাজটা ভাল।
করতে থাকলে খুশী হবো।
অনেক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনির ভাই।

এ ধরণের লেখা আমার নিজের জীবনে অনেক সাহায্য করেছে, তাই অন্যদেরও কাজে লাগবে ভেবেই অনুবাদ করা। অবশ্যই আবার এ ধরণের লেখা পেলে অনুবাদ করে ফেলবো :)

২০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪৮
পবিত্র বলেছেন: এই বোধের সব থেকে মনে হয় অামার দরকার.... ভাল অনুবাদ করেছেন... :)
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পবিত্র!

৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: :)

২২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৮
ফেরদৌস আহমেদ তানিন বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা অসাধারন
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: :)

২৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
নিউটন বলেছেন: আমার জীবনের সাথে পুরোটা মিলে গেছে, এই বোধই মানুষকে প্রগতিবাদী হতে বাধ্য করে।
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০২
_ মিঠু বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো! অসাধারণ!


এ ধরনের লেখা, এধরনের কথা অনেকটা রিফুয়েলিং এর মত; আমাদেরকে রিচার্জ করে। নতুন করে ভাবতে শেখায়, এখনো সব কিছু শেষ হয়ে যায় নি! এখনো সময় আছে সব কিছু নতুন করে শুরু করার!
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্যে এবং সুন্দর অনুবাদ এর জন্যে।

প্রিয়তে।

উদ্দিপনামূলক আরো লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

ভালো থাকবেন।
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্যে ধন্যবাদ মিঠু!

আমি প্রচন্ড আশাবাদী মানুষ। জীবন নিয়ে সেই আশা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা থাকবে সবসময়!

২৬. ০৩ রা জুন, ২০১০ ভোর ৫:৩৯
শরতের মেঘ বলেছেন: খুব ভাল একটি একটা লেখা... এবং অনেক ভাল লেগেছে.....
২৭. ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০
রেনেসা বলেছেন: জীবনের একটা সময় আসে যখন নিজেকে সুপার হিরোদের স্থানে তুলে নেই। এবং কল্পনায় সাজাতে থাকি 'আমি সব কিছু নিমিষে করে ফেলতে পারি।

এবং একটা সময় এসে সেই বোধটাকে ভেঙ্গে দিয়ে, আমাকে শান্ত করে। ভাবতে শেখায়, তুমি একজন মানুষ। ভুল ভ্রান্তি দিয়ে ভরা। এক নিমিষে, চেরাগ দিয়ে তুমি কিছু করতে পারো না। তুমি যা করতে পার তা হলো, চেষ্টা করা। ক্রমাগত চেষ্টা তোমাকে একজন সুপার হিরো তৈরী করতে পারে মাত্র।
২৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: চমৎকার একটা লেখা!
২৯. ১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: আমি মাঝে মাঝেই এসে এই পোষ্টটা পড়ে যাই। :)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৬৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Twenty years from now you will be more disappointed by the things you did not do than by the things...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই