আমার প্রিয় পোস্ট
- SSC এর মাথা খারাপ করা রেজাল্ট ও আমার কিছু অশোভন মতামত... - ভবের পাগল
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি< ১ >আল্লারাখা তোমায় ভুলিনি বন্ধু!! - মনজুরুল হক
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- পুরান আর রূপকথা নিয়ে আরও কিছু কথা... - খারেজি
- মনির হোসেনের পোস্ট ধরে কিছু আলোচনা: বিষয়- নারীর নারীত্ব ও সতীত্ব (উৎসর্গ: মনির হাসান ও সালাউদ্দীন শুভ্র) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৫) - পি মুন্সী
- গিটারিষ্ট পিয়েরে বেনসুসান-এর DADGAD গিটার টিউনিং মেথড (উৎসর্গ: জটিল) - ইমন জুবায়ের
- ফকির লালনের গানের অর্থ: বিপ্লবীর কর্তব্য (দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব) - ভূপর্যটক
- বিষণ্ণতার প্রোলগ এক - মাসকাওয়াথ আহসান
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
অণু গল্প
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
১.
সফিয়া ব্যভিচার করছে, কিন্তু আমি কি অবিচার করতে পারি?
'ল, বউ' ...শান্তির ধর্ম এছলামের দেশ থেকে পালায় আঁধারে দুই দোযখী।
২.
ডান হাতে কুরআনের পাতা উল্টায় রহিম মোল্লা, বাম হাতে মাথা চুলকায়।
সালিশে অধৈর্য গুঞ্জন, মাঝখানে বসে তৃতীয়বারের মত ধরা-পড়া মনা চোর।
৩.
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ধ্বংস হল বিশাল জনগোষ্ঠী ও সম্পদ।
যালেম পথভ্রষ্ট মোশরেক সম্প্রদায় কিংবা কাফেরদের আল্লাহ এভাবেই শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
৪.
ডান্স-পার্টিতে প্রথম-আসা খাটি মুসলিমের মেজাজ প্রচন্ড গরম।
জিহাদী কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রকৃত এছলামী রাষ্ট্র গঠনের শপথ নেয়।
৫.
চন্দ্র-সূর্যের আবর্তনে, দিন-রাত্রির পরিবর্তনে জ্ঞানী ব্যক্তিদের জন্য নিদর্শন : নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থ হাতে চেয়ে থাকে বর্তমান সভ্য জ্ঞানী ব্যক্তিরা...অনুভব করে ঈশ্বরের সর্বব্যাপী অস্তিত্ব প্রশান্ত চিত্তে।
সহস্র বছর পূর্বের ধর্মগ্রন্থবিহীন প্রশান্ত মহাসাগরের কোন দ্বীপের অসভ্য অজ্ঞানী ব্যক্তিরাও প্রশান্ত চিত্তে চেয়ে থাকে...ঈশ্বরবিহীন চন্দ্র-সূর্যের আলোয় ।
৬.
'এই আযান দিচ্ছে রে...
গানের ভল্যূমটা একটু কমিয়ে দে।'
৭.
বিনিদ্র রাত শেষে মোল্লা পরিবারের ছোটন সকালে খোয়াড়ে গিয়ে দেখে গরু-ছাগলগুলো দাঁড়িয়ে আছে।
অবুঝ শিশুমনে প্রশ্ন খেলে, ওরাও কি তবে সারারাত শবেবরাতের প্রার্থনা করেছে?
৮.
মৃত্যুর পূর্বেও মুখে স্বর্গীয় প্রশান্তি আত্নঘাতী কর্মীর...
টিভি অফ করে বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করেন আমীর।
৯.
"মোবাইল ব্যালান্সে বরকত নাই।"
অ্যাডসেন্সে বরকত খুঁজে পায় বিশ্বাসী।
১০.
'বেসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।'
বোতলে "মডারেট চুমুক" দেয় অভ্যস্ত ঠোট।
১১.
ক্লাস্টার বোমায় ক্ষত- বিক্ষত শিশুর শরীর...
পাশে ইমাম মাহদীর অপেক্ষায় নামাজে বৃদ্ধ বাবা।
১২.
ফলহীন একটানা শ্রমের পর সহসা নিজেকে কেমন জানি বোকা মনে হয়।
'দূর হ শয়তান আর তোর কুমন্ত্রণা!' পুনরায় পাথর তুলে মারতে থাকে হাজ্বী নতুন উদ্যমে।
১৩.
একমাত্র ছেলে পেটের দায়ে নবীর দেশে, ভিসার মেয়াদ শেষ।
দ্যাশে ক্ষয়িষ্ণু তসবীহ গোনেন মা।
১৪.
সূর্য ওঠে, অস্ত যায়...মুগ্ধ বিস্ময়ে চেয়ে থাকে সমুদ্রপারে বালকের দার্শনিক চোখ ।
পেছনে মুরুব্বী এগিয়ে আসে।
১৫.
নায়িক বনাম ক্যাম্পবেল : গ্রান্ড ডিবেট... সত্যধর্ম অন্বেষণকারীদের ভিড় টিভির ভেতরে ও টিভির দোকানের বাইরে।
পেটে ক্ষিধা, চোখ সরিয়ে আরো জোরে রিকশার প্যাডেলে চাপ দেয় নছিমনের বাপ।
১৬.
শয়তান কুমন্ত্রণা দেয়...ঘুম ভেঙ্গে যায় ছোটনের।
মাঝরাত্রির প্রথম আকাশে বেরিয়ে দেখে অসীম শূণ্যতা।
১৭.
অদূরেই বেআব্রু একটি সুন্দরী মেয়ে।
প্রথম 'নাউযুবিল্লাহ'-র পর দ্বিতীয়বার থেকে প্রতিবারই আন্তরিক তওবা করে নব্য হুজুর।
১৮.
ফাঁসুড়ে নির্বিকার; মডারেটরা ঘৃণা ছুড়ে দেয়।
প্রকৃত বিশ্বাসীর গলায় সহনশীল রাষ্ট্রের ফাঁস।
১৯.
অবশেষে আলোর দেখা পায় বহুদিনের সত্যসন্ধানী, মসজিদের পথে রওনা দেয়
পেছনে গ্রন্থাগারের দরজায় তালা... তারও পেছনে অন্ধকার জমাট বাঁধে।।
20.
ল্যাম্পের আলোয় পরম প্রাচীণ পুঁথির এনকোডেড সাইন্টিফিক মেসেজ পাঠোদ্ধারে ব্যস্ত হাই- পাওয়ারড চশমার ওপাশে আনুগত্যে-মোড়া বিশ্বাসীর ক্লান্ত দু'চোখ।
রাত্রি বাড়ে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
একটানে প্রিয়তে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মদন বলেছেন:
+
কমজান্তা বলেছেন:
ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করতে খুব মজা লাগে বুঝি?
লেখক বলেছেন: দেখুন ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করার চেয়ে যুক্তিপূর্ণ আলোচনাতেই বরং আমি বেশি আগ্রহী। তবে ধর্মের পন্ডিতদের একপেশে দৃষ্টিভঙ্গিতে বেশ বিরক্ত হই।
আর আমি যেহেতু মুসলিম পরিবারে বড় হয়েছি সেহেতু ইসলাম ধর্ম প্রসঙ্গেই প্রশ্ন বেশি করতে আগ্রহী, জানাটাও তুলনামূলকভাবে ওদিক দিয়ে বেশি।
স্বজন বলেছেন:
সব শয়তানের এক রা
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আমি ঠিক অণু গল্পের মাজেজা বুঝি না। অণু কতটুকু হলে তা তখন পর্যন্ত গল্প থেকে যায়-ভেবে উঠতে পারি না। নাকি অণু মিলিয়ে হয়ে ওঠে গল্প। গল্প আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না। যেমন এন্টি গল্প আমি বোধহয় বুঝি-কিন্তু অণুগল্প কিছুতেই মানতে পারি না যে-কবিতা তাহলে কি। উণবচন অবশ্য শুনেছি-আগেই-বুঝেছিও বোধহয়।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আক্ষরিক সংজ্ঞা গ্রহণ করলে হয়তো অণু গল্প টার্মটি বিতর্কের মুখে পড়বে। অবশ্য সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যাথ্যা নেই। আমি দুইটি বাক্যের মধ্যে একটি ভাব ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি।
নেক্সাস বলেছেন:
ভাই ইসলাম আর বিসমিল্লাহ কে কটাক্ষ করে অনেক বড় আতেঁল হয়ে গেলেন বুঝি?সরাসরি মাইনাস..
লেখক বলেছেন: বহু বাংলা শব্দ যা আরবী থেকে গৃহীত হয়েছে যেমন : কাফের, মোনাফেক মোশরেক, মোছলেম, জালেম, আলেম, এলাহ, এবাদত, জেহাদ, গায়েব, আলেম, ফাযেল, নাযেল, কেতাব ইত্যাদি । এগুলোর পরিবর্তে কিন্তু কাফির, মুনাফিক মুশরিক, মুসলিম, আলিম, জালিম, ইলাহ, ইবাদত, জিহাদ বা গায়িব হবে না। স্বতন্ত্র বাংলা শব্দ হিসেবে গৃহীত হলে ভিন্ন কথা। কিন্তু একটু সমস্যা যে আছে...
দেখুন, বিকৃতির কারণে 'মোছলেমরা' বর্তমানে 'মুসলিম' হলেও 'গায়েবী' জগত এখনো 'গায়েবী'ই আছে।
মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে হুজুররা মাখরাজের ব্যাপারে পূর্ণসতর্ক থাকতে বলতেন, বিশেষ করে সূরা এখলাছের উদাহরণ প্রায়ই দিতেন, (এখানে লেখাবাহুল্য হবে দেখে আর উল্লেখ করলাম না)।
যেমন: বর্তমানে এ-কার ও-কার বাদ দিয়ে যারা 'বেছমেল্লাহ'-কে 'বিসমিল্লাহ্' পড়েন তারা যে ভুল করছেন তাই শুধু নয়, আরবী ভাষার মূল সৌন্দর্যই বিকৃত করে ফেলছেন যা দেখে অন্যরাও একই ভুল করছে।
'স' এবং 'ছ'-এর উচ্চারণ নিয়ে পন্ডিতগণের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। মওলানা আঁকরাম খাঁ-এর 'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থটিতে 'এসলাম'-কে 'এছলাম' লিখা হয়েছে। মাদ্রাসায় পড়ার সময় বেহেশতি জেওর-এ 'মাসায়েলা' বা 'মাছায়েলা' দুইটি বানানই সঠিক দেখেছি। তাই 'এসলাম' বা 'এছলাম'-দুটিই সঠিক। এ ব্যাপারে যার যেটি ইচ্ছে লিখতে পারে।
জানি, অনেকে আপত্তি তুলবেন ইসলাম যেহেতু এখন লেখা হচ্ছে তাহলে সমস্যা কোথায়? আসলে এছলাম ধর্মের বিধি-বিধান অত্যন্ত সূক্ষ্ণ, চুলচেরা উচ্চারণগত ভুলের কারণে আপনি দোযখী হয়ে যেতে পারেন। আর কোন কিছু গৃহীত হয়ে গেলেই যে সেটি মেনে নিতে হবে এমন বিধান নবীজি দিয়ে যাননি, তাও যখন ইবলিশ দ্বীণের পথ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মোছলেম জাতিকে সূক্ষ্ণ চাল দিয়ে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে ।
আপনারা জানেন প্রথম সালামে সত্তুর নেকী, সালামের জওয়াবে দশ নেকী। অথচ উচ্চারণগত এতটুকু ত্রুটি হলে আপনার নেকীর ভান্ডারতো সমৃদ্ধ হচ্ছেই না, বরং আল্লাহর ক্রোধে নিপতিত হয়ে ভয়াবহ আযাবের শিকার হতে পারেন।
কয়েক দশক আগে এই সঠিক বানানরীতি অনুসরণ করা হলেও সময়ের আবর্তনে ইয়াহুদি-নাসারাদের সূক্ষ্ণ ষড়যন্ত্রের প্রেক্ষিতে শুদ্ধ উচ্চারণ না করে আমরা বর্তমানে প্রকৃত 'এছলাম' থেকে সরে নতুন 'ইসলাম' ধর্ম বানিয়েছি যে ইসলামে সালাম দেই "আস্লামালাইকুম্" বা "স্লামালাইকুম্" বলে।
সৃষ্টিকর্তার নিকট পানাহ্ চাই এই ধরনের বিভ্রান্তি হতে।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
আপনার ব্লগে কিছুক্ষন ঘোরাফেরা করে মনে হলো। আপনি কখনও মুসলমান ছিলেন না। এবং এখনও নাস্তিক না। খুব সম্ভবত পেইড ব্লগার। প্রকৃত নাস্তিকের বিন্দুমাত্র গুনাগুন আপনার মধ্যে অনুপস্থিত।বি:দ্র: মুসলিম বিদ্বেষী আর নাস্তিক কখনও এক হতে পারেনা।
মাইনাস
লেখক বলেছেন: দেখুন, আমি কি সেটি নিয়ে মাথাব্যাথা কেন?
ঈশ্বর আছে কি নাই তার চেয়েও বেশি জোর দেই দার্শনিক সমস্যাগুলোর উপর। আমার পোস্টটি কিন্তু সেটিকেই প্রাধান্য দিয়েছে, একটু ভালো করে বুঝতে চেষ্টা করুন। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে আক্রমণাত্বক বক্তব্যের রেশ অস্বীকার করছি না।
নাস্তিকতাকে কি অর্থে আপনি নিচ্ছেন সেটা বিশ্লেষণের দাবি রাখে। হকিং 'ঈশ্বরের মন' বুঝতে চেষ্টা করছেন, আপনি যদি বাংলায় অনুবাদ করেন সে 'আল্লাহর মন' বুঝতে চেষ্টা করতেছে- তবে আমার কিছু বলার নাই। আশা করি বুঝেছেন আমার বক্তব্য।
আমি নাস্তিক না এবং পেইড ব্লগার। আমার ব্লগে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে আপনি এই সিদ্বান্তে এসেছেন। আপনার এ সিদ্বান্ত টানার কারণ কি?
তনুজা বলেছেন:
ভাই রে , বেচে বর্তে থাক, সাবধানে থাক, তোমার লেখা নিয়ে আবার নতুন করে নাই বা বললাম। ভাল থেকো যতটা পারা যায়। নিজের বোধ ও বিশ্বাসের বেদনা বহন করতে হও সমর্থ হও! শুভকামনা শুধু সেটুকুরই
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
আপাতত বেশি কিছু বলে সময় নষ্ট করছি না। ৭ নং কমেন্টর প্রতিউত্তরে যা লিখেছেন তা রীতিমত হাস্যকর। আরবী উচ্চারন সম্পর্কে আপনার ধারনা ভুল।খুব একটা ভালো পোষ্ট এটি .... চাইলে দেখতে পারেন..
Click This Link
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: নিজের ভুল স্বীকার করতে দ্বিধা নেই।
আরবী উচ্চারণ সম্বন্ধে আসলে বেশ কয়েক জনের সাথে কথা বলে কাল নিজেও একটু বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছি। আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্বন্ধে সর্বদা সচেতন...শৈশব থেকে মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে যা জেনেছি সেই জানায় ভুলও থাকতেও পারে। যদি একটু সাহায্য করেন এ ব্যাপারে...।
লেখক বলেছেন: পোস্টটা দেখলাম।
পুরোটাই দুর্বল...ওই পোস্টে কেউ যুক্তিগুলো খন্ডন করেনি দেখেই কি পোস্টটির বক্তব্য শক্তিশালী হয়ে গেল?
লেখক বলেছেন: ভাই,
শৈশবে যখন নানান মনীষীর জীবনী পড়তাম তখন আমিও ভাবতাম মহান ব্যক্তিরা যুগে যুগে তাদের জীবন উত্সর্গ করেছেন মানবকল্যাণে যা প্রকারান্তরে ঈশ্বরেরই ইবাদাততুল্য...কিন্তু ওদের অনেকেইতো ইসলামের অনুসারী ছিল না বা ইসলাম গ্রহণ করেনি...তবে ইসলামে ওদের মূল্যায়ন কি?
ইসলামের উত্তর হল : আপনি যদি ইসলাম গ্রহণ না করেন তবে যতই মানবতাবাদী কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুন না কেন আপনার মাঝে ইসলামের প্রকৃত গুণাবলী (তাওহীদে বিশ্বাস, ত্বাকওয়া ইত্যাদি) বিকাশ না হওয়ার কারণে আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন না।
সুতরাং ওই পোস্টের বক্তব্য ইসলামের আলোকে ভুঁয়া প্রমাণিত।
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন:
নাস্তিকতা বলতে কি মুসলিম বিদ্বেষী বোঝায়?নাস্তিকতা তার নিজেস্ব অধিকার। কিন্তু আমাদের উচিৎ না এমন বক্তব্য রাখা যাতে অন্য পক্ষ কষ্ট পায়।
লেখক বলেছেন: পরম ধর্মীয় অনুভূতি আঘাতপ্রাপ্ত কিভাবে হয় সেটিই আমার মাথায় ঢোকে না। তবে আমাকে কট্টর ভাববেন না।
দুরের পাখি বলেছেন:
ভালো লিখছতো ।
লেখক বলেছেন: হে হে। থ্যাঙ্কস।
দুঃখবিলাস বলেছেন:
প্রিয়তে...
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
ভাইয়া জবাবে এই লাইন টা বাদ পইড়া গেসে.... ভুলে অবশ্যই...."মাদ্রাসায় পড়ালেখা করার সুবাদে এই কথাটার সাথে একমত হতে পারলাম না। "
লেখক বলেছেন: কোথায় কি ভুল করেছি সেটা স্পষ্ট করে বলেন?
আমি অনলাইনে আছি।
লেখক বলেছেন: জ্বী ঠিকই বলেছেন। মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে যা জানছি তার অধিকাংশই ভুল; ওটা উগ্র, কট্টর, গোঁড়া। এছলাম আসলে অতটা কঠিন না।
জাতিশ্বর বলেছেন:
ফাটায়া দিছেন রে ভাই। জোশ। তীর ছুইট্টা আইব কইলাম। চালায়া যান। +++++
জাতিশ্বর বলেছেন:
ওহহো, কইতে ভুলে গেছি---------- গুল্লি জিনিস নামায়ালাইসেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নেক্সাস বলেছেন:
ইসলামী শিক্ষার অন্যতম পাদপীঠ মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষক কে খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল।তাদের কে কখনো এসলাম বলতে শুনিনি।বরাবরি তাদের কে ইসলাম বলতে শুনেছি।এখন প্রশ্ন হল আপনার এসলাম বলাটা সঠিক না ইসলাম সঠিক?তবে এসলাম শব্দ দিয়ে শুরু করা লিখার পরবর্তি অংশে বিসমি্ল্লাহ এবং হ্বাজ্জ নিয়ে রসিকতা করার মানসিকতা দেখে এটা বুঝা যায় এসলাম শব্দটা ইসলাম সম্পর্কে আপনার ধুলিকণাসম জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ।পৃথিবীর তাবৎ সুন্দর কে আমরাই অসুন্দর করেছি।বুড়িগঙ্গার পানি কোনোদিন দুষিত ছিলনা,আমরাই তাকে দুষিত করেছি।
মানুষের সমাজে প্রচলিত এবং মানুষের দ্বারা চর্চিত ও পরিবাহিত জীবন ব্যবস্থা হিসেবে ইসলামেও মানব সৃস্ট দুষন প্রবেশ করেছে তা অস্বিকার করা যায়না। অনেক সামাজিক ইস্যু নিয়ে ইসলামে অপব্যাখ্যা আছে কিংবা গোড়ামী আছে। তবে এর জন্য ইসলাম নিজে দায়ী নয়।দায়ী আপনার মত আমার মত কিছু তথাকথিত মাদ্রাসা পড়ুয়া কিংবা অপড়ুয়া মানুষ।
কোন ধর্মের গোঁড়ামী বা অপব্যাখ্যা নিয়ে প্রতিবাদ বা লিখালিখি করা সেই ধর্মের প্রত্যেক সচেতন অনুসারীর অধিকার এবং দায়িত্ব।কিন্ত ভাই আপনি যা লিখেছেন তা হল ইসলাম ,বিসমিল্লাহ এবং হ্বাজ্জ কে নিয়ে কটাক্ষ করা।
বিসমিল্লাহ উচ্চারণ করা হ্বাজ্জ পালন করা কি গোঁড়ামী ?আপনার মদ্রাসালব্দ জ্ঞানের কাছে আমার প্রশ্ন।ভালো থাকবেন ভাই...
লেখক বলেছেন: ইসলাম সম্বন্ধে আমার জ্ঞান অনেক কম এটা ঠিকই বলেছেন, আমার পড়াশোনার অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু আবেগী কথার ধোঁয়াশা ছাড়া আপনার বক্তব্যের সার বলে কিছু দেখছি না। উচ্চারণ নিয়ে বিতর্কের জন্য দু:খিত এবং লজ্জিত। কিন্তু ওইটা পোস্টের মূল বক্তব্য না।
"এসলাম শব্দ দিয়ে শুরু করা লিখার পরবর্তি অংশে বিসমি্ল্লাহ এবং হ্বাজ্জ নিয়ে রসিকতা করার মানসিকতা দেখে এটা বুঝা যায় এসলাম শব্দটা ইসলাম সম্পর্কে আপনার ধুলিকণাসম জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ।"
একটু ঘাঁটাঘাটি করে বুঝলাম, ইসলাম এবং এছলাম দুইটাই সঠিক। আরবী হরফের বাংলা উচ্চারণে বে, তে, ছে যেমন সঠিক তেমনি বা, তা, ছা-ও সঠিক। নবীজি নিজেই তার আমলে বিভিন্ন কেরায়াতে কোরআন তেলাওয়াতের সমর্থন দিয়ে গিয়েছেন। এছলাম বা ইসলামের উচ্চারণের বিতর্কের চেয়ে পোস্টে আমি জোর দিয়েছি মডারেটদের ভন্ডামির উপর...
"এসলাম শব্দটা ইসলাম সম্পর্কে আপনার ধুলিকণাসম জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ।"
পৃথিবীর নানান অসভ্য উপজাতিগুলোর বিভিন্ন গাল-গল্প আপনি যখন হেসে উড়িয়ে দেন তখন আপনি কি সেই উপকথা-রূপকথা সম্বন্ধে গভীর সমুদ্রসম জ্ঞান রেখেই অবিশ্বাস করেন? আপনি আমাকে একটু রেফারেন্স দেন, যা পড়ে বুঝতে পারি যে এছলাম উচ্চারণটি অনুচিত্ বা সঠিক না।
এছলাম শব্দটাই আমার জ্ঞানের বহি:প্রকাশ, কিন্তু ভাই আপনি এত লম্বা মন্তব্য করলেন তার ভেতর আমার জন্য জ্ঞানের নিদর্শন হিসেবে বললেন, "কিছু শিক্ষক কখনো এসলাম ব্যবহার করেনি", অথচ আমি কিন্তু আমার জ্ঞানের স্বল্পতা স্বীকার করেই বলেছি, আমার জানায় সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে...পারলে সঠিক তথ্য দেন, পড়ে নিজের ভুল সংশোধন করি। তা না করে অহেতুক কথা বাড়ান কেন?
"বিসমিল্লাহ উচ্চারণ করা হ্বাজ্জ পালন করা কি গোঁড়ামী ?আপনার মদ্রাসালব্দ জ্ঞানের কাছে আমার প্রশ্ন।"
কীসের কী মানে করেন আর কোথা থেকে কোথায় বক্তব্য টানেন...দেখাতে চাইছি ইসলামের একটি অন্ত:সারশূণ্য অনুষ্ঠাণের উপর যার সাথে অসভ্য উপজাতিদের ভিত্তিহীণ আচার-অনুষ্ঠাণের বিন্দুমাত্র পার্থক্য নাই।
"কিন্ত ভাই আপনি যা লিখেছেন তা হল ইসলাম ,বিসমিল্লাহ এবং হ্বাজ্জ কে নিয়ে কটাক্ষ করা।"
বিসমিল্লাহকে আমি ব্যঙ্গ করিনি। মূলত বিসমিল্লাহর বরাত দিয়ে মডারেটরা তাদের ভন্ডামি বেশ ভালোই চালাচ্ছে, সেটিই বুঝাতে চেয়েছি। হাজ্বীর যে সাইকোলজিক্যাল অবস্থাটা কোন যুক্তিতে অস্বীকার করবেন?
"মানুষের সমাজে প্রচলিত এবং মানুষের দ্বারা চর্চিত ও পরিবাহিত জীবন ব্যবস্থা হিসেবে ইসলামেও মানব সৃস্ট দুষন প্রবেশ করেছে তা অস্বিকার করা যায়না। অনেক সামাজিক ইস্যু নিয়ে ইসলামে অপব্যাখ্যা আছে কিংবা গোড়ামী আছে। তবে এর জন্য ইসলাম নিজে দায়ী নয়।দায়ী আপনার মত আমার মত কিছু তথাকথিত মাদ্রাসা পড়ুয়া কিংবা অপড়ুয়া মানুষ।"
জ্বী ভাই এটা ঠিকই বলেছেন। মাদ্রাসায় যা পড়েছি তার অধিকাংশই ভুল ছিল। ওগুলো অনেক উগ্র নিয়ম-কানুন। মাদ্রাসায়
পর্দা প্রথা সম্বন্ধে পড়েছি,
ঘরে প্রাণীর ছবি থাকলে সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না জেনেছি,
ব্যভিচারীকে পাথর মেরে হত্যার কথা পড়েছি,
মোরতাদদের জন্য একমাত্র বিধান হত্যা পড়েছি,
চুরির বিধান হাত কেটে দেওয়া পড়েছি,
হত্যার বদলে হত্যা পড়েছি...
আজ জানতেছি ওটা ভুল এছলাম।
ওটা অনেক উগ্র এছলাম।
তবে কোনটা সঠিক এছলাম সেটা বুঝতে বুঝতে সারা জীবন পার করে দেবার ইচ্ছে নেই দেখেই আর মডারেটদের মতন নিজে এছলাম বানাই নাই।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ভাল লেগেছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















