এর আগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সরকারের সময়ও এই দাবি জানানো হয়েছিল।
তবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী তার এ দাবি মানা সম্ভব নয়।
1997 সালে 2 ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি এবং 1998 সালের আঞ্চলিক পরিষদ আইনে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান -- এই তিন জেলায় পাহাড়ের স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে করা ভোটার তালিকা দিয়ে আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে।
অবশ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বয়সের ভিত্তিতে যোগ্য স্থায়ী ও অস্থায়ী সব বাসিন্দাই ভোট দিতে পারবেন।
সংবিধান বলা হয়েছে, নূন্যতম 18 বছরের যে কোনো বাংলাদেশী নাগরিক ভোটার হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
এ বিষয়ে সাবেক গেরিলা নেতা সন্তু লারমা এই প্রতিবেদককে বলেন, "পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে ভোটার তালিকা করা না হলে পাহাড়ে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না। শান্তিচুক্তি ও আঞ্চলিক পরিষদ আইনেও স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে ভোটার তালিকা করার কথা বলা হয়েছে।"
তিনি জানান, গত 29 মার্চ পররাষ্ট্র ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তারা শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের পাশাপাশি ওই দাবিটিও উত্থাপন করেছেন।
শিগগির নির্বাচন কমিশনের কাছেও একই দাবি জানানো হবে হবে বলে জানান সন্তু লারমা।
এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "কমিশনের প েসংবিধানের বাইরে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। তবে পরে যদি কোনো নির্বাচিত সরকার সংবিধান সংশোধন করে তাদের দাবি মেনে নেয়, সেটা ভিন্ন কথা।"
তিনি বলেন, "আমরা শুধু ছবিসহ ভোটার তালিকা করবো। এ জন্য নির্বাচনী আইনের কিছু সংস্কার করা হবে।"
এদিকে, কমিশনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, আঞ্চলিক পরিষদ আইনে ভোটারদের যে যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে, তা মেনে করা ভোটার তালিকা শুধু পরিষদের নির্বাচনে কার্যকর হবে।
আর সংবিধানে ভোটারের যোগ্যতা মেনে করা ভোটার তালিকা ব্যবহৃত হবে অন্য সব স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে। অর্থাৎ তিন পার্বত্য জেলার তিনটি আসনে ভোটার তালিকা হবে দুটি।
পার্বত্য চট্টগ্রামের আয়তন পাঁচ হাজার 93 বর্গমাইল। পাহাড়ি -- বাঙালি মিলিয়ে সেখানের জনসংখ্যা আনুমানিক 15 লাখ।#
(তথ্যসূত্র: বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


