আমার প্রিয় পোস্ট
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো...২ - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- শিবনারায়ণ দাশ - বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা - রাগিব
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- ম্যারিয়েটা, জ্যাক এবং অতঃপর ভ্যালেরী - সৈয়দ দেলগীর
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- পল্লবের পরীরা (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- মুক্তিযুদ্ধের কবিতা : বুদ্ধদেব বসু - অমি রহমান পিয়াল
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- হায়! এমনো হয়, চাঁদ নেমে আসে ঘাসের ডগায়, মানুষ চাঁদ হয়ে যায়। (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- একটি লোমহর্ষক গণহত্যার কাহিনী (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
ব্রেকিং নিউজ: উত্বপ্ত ঢাবি
২০ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে নেওয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা সোমবার ক্যাম্পাসে একের পর এক মিছিল করেছে। এই দাবিতে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটও ডেকেছে ছাত্ররা। দাবি মানা না হলে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছে তারা। এদিন বিকালে আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলা চলার সময় এক সেনাসদস্য লোকপ্রশাসনের এক ছাত্রকে মারধর করায় শির্ক্ষাথীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। খেলার মাঠে তাৎক্ষণিক বের হওয়া মিছিল পরে ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতে আটটায় এই রিপোর্ট লেখার সময় ছাত্ররা হলে হলে মিছিল করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাম্পাসে বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতে ক্ষুব্ধ ছাত্ররা সেনাক্যাম্পের দিকে ছুটে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ চলার খবর পাওয়া গেছে।
(ছবি ও তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)
শাহরীয়ার বলেছেন:
সাবাস! রাজাকার সেনাবাহীনির ফাসী চাই!!
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ছোট্ট একটি স্ফুলিঙ্গ বিপুল অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়ে দিতে পারে। পরে পানি বা ফেনা ছিটালে কোনো কাজ নাও হতে পারে।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
সেনাবাহিনীর হইছে ডা কী?হেরা কি জানে না, তারা যেমন দেশ পাল্টাতে পারে, আমরা ছাত্ররাও পারি?
রাশেদ বলেছেন:
সাবাস!
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
ছাত্ররা থাইমো না। এবার কিছু একটা হইতে পারে।
সাইমুম বলেছেন:
তবে কি শুরু হলো ঢাবি থেকে। শুরু হোক, জলপাই রঙ খসে যাক। ৫।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
অবস্থা মনে হয় আরো জটিল। স্পটে বিডি নিউজের গোলাম মরতুজা অন্তু ভাই আছেন। এহনই ফোন দিলাম। রিসিভ করলেন না।
রাশেদ বলেছেন:
বিডি নিউজের সার্ভার কি বেশি ভাল না নাকি? ঢুক্তে মেলা কষ্ট হয়।
অমিত বলেছেন:
এভাবেই শুরু হয়। যাক, ঢাবি এখনও মরে নাই।
নিন্দুক বলেছেন:
বিপ্লব আমি বিপ্লবের গন্ধ পাচ্ছি। ছাত্র ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী অবস্থান করলে এমনটাই হবার কথা। ছাত্র হামলার প্রতিবাদ জানাই। দেখা যাক রাজনৈতিক দলগুলো কোন ফায়দা লুটতে পারে কিনা। আপনা কি বলেন?
জায়দান বলেছেন:
জলপাই এখন গোয়ামারা খাবে।
কক্সবয় বলেছেন:
কোন মন্তব্য ছাড়া ৫।
নিন্দুক বলেছেন:
*ছাত্রদের উপ্র হামলার প্রতিবাদ জানাই।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
সেই পুরানা কায়দা। ছাত্রগো উপর হামলা কইরাই মামারা প্রমাণ করিল তারা আসলেই জলপাই।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ @ বিপ্লব দা
৫০ জন হাসপাতালে।
এই মূহুর্তে মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন একজন সাধারন ছাত্র( জাতীয় দলের খেলোয়াড়)।
কিন্তু ছাত্রদলের ফজলুল হক হল শাখার সাধারন সম্পাদক 'হাসান' কে দেখা গেছে। মনে হ্য় এবার আন্দোলন রাজনৌতিক রূপ পাবে।
মিছিল এই মূহুর্তে ভিসির বাসভবনের দিকে যাচ্ছে।
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
জলপাই রঙ খসে যাক
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
এ্যাটেম পার্টি,আপনি বলতে চাচ্ছেন টা কি? প্লিজ, অযথা নিরর্থক মন্তব্য করবেন না।
এস্কিমো বলেছেন:
এইতো আমার বাংলাদেশ...........
শাহরীয়ার বলেছেন:
আমরা আপডেট এর লগে ইতিহাস ও জানতে চাই। জলপাই চেতল ক্যানে? আর ছাত্র ভাইরা কি কাম করবার চাইতাছে ইখন?
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
শাহরীয়ার,ভাই আপনার সমস্যা কোথায়?
এস্কিমোর মতই বলি, "এই তো আমার বাংলাদেশ.....
আমি কে বলেছেন:
@ শাহরীয়ার...অশ্রুর পোস্ট দেখেন।
কক্সবয় বলেছেন:
তাজা খবর টিভি ওয়ালারা কি পায় নাই?কোথাও কিছু বলছে না!
আমি কে বলেছেন:
@ শাহরীয়ার...ইতিহাস জানতে চাইলেন না? ঐখানে কিংকা জানাইছে কেন ঘটল।
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
১ জন নাকি মারা গেছে? আর হলে নাকি টিয়ার শেল মারতেছে?
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
বাক্সঅলারা পরিস্কার করে কিছু বলছেও না, দেখাচ্ছেও না।
এস্কিমো বলেছেন:
শাহরীয়ার ভয় পেয়েন না..এটাতে এই সরকার বিদায় হচ্ছে না..আপাতত।সুতরাং জামাত বুট পালিশ করে কিছুদিন নিরাপদ থাকবে।
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
কেউ মারা গেলে জলপাইদের নিশ্চিত কপাল এখনই পুড়ছে
কক্সবয় বলেছেন:
ইজঊঅকওঘএ ঘঊডঝপ্প্ব্ভপ্প্বজ্জপ্প্ব্লপ্প্ব্ত্রপ্প্বমপ্প্ম েপ্প্বন্প্প্বজ্জপ্প্বমপ্প্ম প্প্বক্ক-প্প্ব্রপ্প্ম প্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্ষ প্প্বমপ্প্ম প্প্বষপ্প্ম প্প্বক্ষ্ম প্প্বগুপ্প্বূপ্প্বদ্প্প্বক্কপ্প্ম প্প্বক্স, প্প্ব্তপ্প্ম প্প্বসপ্প্বজ্জপ্প্বগু-প্প্বক্কপ্প্বজ্জপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্লপ্প্ম প্প্বক্ষ্মপ্প্মপ্প্ব্বে প্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্বঙ্প্প্ম প্প্বক্সপ্প্মপ্প্ব্রে .
যঃঃঢ়://িি.িনফহবংি24.পড়স/নধহমষধ/ফবঃধরষং.ঢ়যঢ়?পরফ=2্রফ=6506
মুক্তপাখী বলেছেন:
এটাই আমার বাংলাদেশ...
কোপা সামচু বলেছেন:
সাবাস ঢাবি!!! এই সরকার পতন কর!!!
মইন বলেছেন:
চলুক, সুদিনে সন্ত্রাস চাইনা, দিতে চাইনা হাজারো ছাত্রের প্রাণ
দুর্দিনে আছি, থাকব সদা দেশের তরে,
আমরা ছাত্র, আমাদের শিখা জ্বলুক অনির্বান।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্বে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করচি
শাহরীয়ার বলেছেন:
এস্কিমো ভাই। আর অই বুটের লাথি জাইয়া পরে সন্ত্রাসী আর চাদাবাজ আওয়ামিলীগের পাছায়। এই জন্যি এত ভয় আপনাগো।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
শাহরীয়ার আপনার কি হইসে, সকালে ব্রেকফার্ষট খান নাই। আসেন আমার সাতে বলেন:দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্বে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করচি
হযবরল বলেছেন:
প্রতিবাদ জানাই।
এস্কিমো বলেছেন:
শাহরীয়ার - আপনি কেন মনে করলেন আমি আওয়ামীলীগের লোক। এটাই জামাতে সমস্যা। সবকিছুতে আওয়ামী আর ভারতে ভুত দেখতে পায়।তবে বুট পালিশে জামাত কিন্তু ভাল দক্ষতা অর্জন করেছে। যতদিন বুট ওয়ালারা থাকবে ততদিন জামাতের সুদিন।
গন্ডমূর্খ বলেছেন:
বিডিনিউজে তো ঢুকতেই পারছিনা।
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
কই আমি তো সেই কখন থিকা ঢু্ইকা বইসা আছি@গন্ডমূর্খ
এহহামিদা বলেছেন:
ভাই আরো আপডেট দ্যান!! চ্যানেল আই এর খবরের মাঝা মাঝি সময়ে ছোট একটা ভিডিও দেখাইল!!সাধারন সেনা সদস্যরাও কি চায় না মইন-মাসুদ থাকুক!!! সাবাস!!!
রাশেদ বলেছেন:
আমিও ঢুকতে পারতেছি না বিডিনিউজে।
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
সবাই খুব খেয়াল কইরা,আমাগো লোল-পুরুষ দেখেন আইয়া মুরগী খোজে,
এইসব আন্দোলনে তার কোন কথা নাই।
আসেন আমরা সবাই তারে ই-দেই।
এহহামিদা বলেছেন:
বিবিসি খবরে আছে!!
এহহামিদা বলেছেন:
এন টি ভি সংবাদ শিরোনামে কোন খবর নাই!!শালা তপন চৌ এর প্রেতাত্মা ভর করছে এনটিভির উপরে!!
এহহামিদা বলেছেন:
এ টি এনে এটিএনএর মালিক আর পররাষ্ট্র উপদেস্টার প্রেম পীরিতির খেলা চলতাছে এখন!!২ জনে মিলা একসাথে এত পুরস্কার নিতাছে!! ইয়াত্তা নাই!!
আমি কে বলেছেন:
কোন চ্যানেলেই দেখাচ্ছে না।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
একজন মে. জে. হাসপাতালে গেলে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়ছে
সংগ্রাম আর দূর্নীতি এ দুই ব্যাপারে।
তবে সকল প্রকার সীমা লংঘনের বিচার হওয়া উচিত।
রাশেদ বলেছেন:
এত সাংবাদিক ব্লগে, কেউকি এইটু আপডেইট জানাইতে পারতেছেন না?
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
এখনো হাসপাতালে আহতরা আসছে। ৫০ জনের মতো ভর্তি। ব্যাপক টিয়ার গ্যাস মারা হয়েছে। আহত আরো অনেক। একজন বড় সা. কর্মকর্তা মেডিকেলে যেয়ে বিক্ষোভের মুখে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।
নাভদ বলেছেন:
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়, আগস্ট ২০ (বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে নেওয়ার দাবিতে সোমবার বিকেল থেকে বিক্ষোভরত ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কয়েক দফা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। রাবার বুলেট ও শর্টগানের গুলিও নিক্ষেপ করেছে। সেনাসদস্যদের মারধর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছে শতাধিক ছাত্র। এদিন বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলা চলার সময় এক সেনাসদস্য লোকপ্রশাসনের এক ছাত্রকে মারধর করার শির্ক্ষাথীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। খেলার মাঠে তাৎক্ষণিক বের হওয়া মিছিল ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়। রাত দশটায় এই রিপোর্ট লেখার সময় ছাত্রদের বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ক্যাম্পাসে রাস্তায় রাস্তায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতে ক্ষুব্ধ ছাত্ররা সেনাক্যাম্পের দিকে ছুটে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। সেনা ক্যাম্প সরানোর দাবিতে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট ডেকেছে ছাত্ররা। দাবি মানা না হলে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছে তারা। রাত সাড়ে ১০টায় সূর্যসেন হলের ভেতরে ঢুকে ছাত্রদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পরিস্থিতি জানাচ্ছেন জান্নাতুল ফেরদাউস, গোলাম মর্তুজা অন্তু, লিটন হায়দার, প্রদীপ কুমার চৌধুরী ও সোহেল পারভেজ। (আরও তথ্যসহ-৫) প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে খেলার মাঠে লোকপ্রশাসন বিভাগের সঙ্গে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ফুটবল খেলা চলার সময় এ ছাত্রকে সেনাসদস্যদের মারধর করায় এই বিষ্ফোরোন্মুখ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। রাত আটটার দিকে প্রায় ৩০০ ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সমাবেশ করে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়। ছাত্ররা অভিযুক্ত ওই সেনা কর্মকর্তার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানিয়েছে। রাত সাড়ে আটটার দিকে ছাত্ররা মিছিল নিয়ে খেলার মাঠের সেনা ক্যাম্পের দিকে ছুটে যায়। জহুরুল হক হল, মুহসিন হল, জিয়া হল, সূর্যসেন হল ঘুরে কয়েক হাজার ছাত্রের মিছিলটি সেনাক্যাম্পের সামনে গিয়ে ক্যাম্পের গেটে লাথি ও লাঠির বাড়ি মারতে থাকে। ক্যাম্পের ভেতরে ইটপাটকেল ছোড়ে। কার্জন হল এলাকার হলগুলো থেকে একটি মিছিলও এসে মূল মিছিলের সঙ্গে যোগ দেয়। তবে ছাত্ররা সেখানে এক মিনিটও দাঁড়াতে পারেনি। পুলিশ ও সেনাসদস্যরা ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। ছত্রভঙ্গ ছাত্ররা কার্জন হল, মোকাররম ভবন, মেডিক্যাল শহীদ মিনারের দিকে দৌড় দেয়। পুলিশও তাদের ধাওয়া করে এগিয়ে যায় ।
ছাত্রদের মূল মিছিলটি সেনাক্যাম্পের দিকে এগুনোর সময় উপাচার্যে বাসার সামনে, কলা ভবনের সামনে, টিএসসিতে পুলিশ তাদের কয়েকদফা থামানোর চেষ্টা করেও পারেনি। উপাচার্যের বাসার সামনে মিছিল থেকে পুলিশের একটি ভ্যান ভাঙচুর করে ছাত্ররা। পুলিশ এসময় বাধা দেয়নি।
রাত ৯টার দিকে উপাচার্যের বাসার সামনে অবস্থান নেওয়া প্রায় ৩০০ পুলিশের দিকে ছাত্রদের মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে থাকে। বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদক প্রদীপ কুমার চৌধুরী সেখান থেকে জানান, উপাচার্যের বাসার সামনে অবস্থান নেওয়া পুলিশের প্রতি ইটপাটকেল ছোঁড়ে স্যার এফ রহমান হল থেকে আসা একদল ছাত্র। পুলিশ তাদের হটিয়ে দিতে একের পর এক কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে থাকে।
খেলার মাঠে ঘটনার সূত্রপাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে মারধরের শিকার লোকপ্রশাসনে মাস্টার্সের ছাত্র মেহেদী মোহাম্মদ বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বিকেলে খেলা দেখার সময় আমি ছাতা নিয়ে গ্যালারির পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় পিছন থেকে দুই ব্যক্তি অশ্লীল গালি দিয়ে আমাকে ছাতা সরাতে বলে। কে দিল এই গালিÑ আমি তা বললে একজন এসে আমার কলার ধরে বলে, 'জানস আমি আর্মি। সেনা ক্যাম্পে এসে মাস্তানি করিস।"
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মেহেদী ওই সেনাসদস্যের পাল্টা কলার ধরে। তখন দুই সেনাসদস্য তাকে বেদম পেটাতে থাকে। এই সময় পাশের ক্যাম্প থেকে আরও কয়েকজন সেনা সদস্য ছুটে এসে মেহেদীকে মারতে থাকে এবং তাকে ক্যাম্পের নিয়ে যাওয়ার জন্য টানাহেঁচড়া শুরু করে। ওই সময় লোকপ্রশাসনসহ অন্য বিভাগের ছাত্ররাও ছুটে আসে। এই পরিস্থিতিতে ক্যাম্পের কর্মকর্তা লে. কর্নেল হুদা এসে তার সৈনিকদের নিবৃত্ত করেন। এই ঘটনার সময় বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক মাহবুব আলম রনী সেখানে ছিলেন।
সেখানে ক্যাম্প থেকে আসা সেনাসদস্যরা প্রতিবাদকারী চার ছাত্রকেও পেটায়। এরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র লুকাত, দিপু , শফিক ও তৃতীয় বর্ষের মারুফ।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক কীভাবে আরও উন্নত করা যায় সে বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ কর্তৃপক্ষের এই মতবিনিময় সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটল।
বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে স্থাপিত সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা লে. কর্নেল হুদা ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, "অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সেনাক্যাম্প কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে। বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন, "তারা (সেনা ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ) দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ঘটনায় জড়িত পাঁচ সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে তারা।"
সংঘর্ষ ও লাঠিপেটার আরও খবর
রাত সোয়া ৯টার দিকে জগন্নাথ হল থেকে ছাত্রদের একটি মিছিল টিএসসির দিকে আসতে চাইলে পুলিশ অন্তত ২০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে ও লাঠিচার্জ করে। এসময় পুলিশ দুই সাংবাদিককেও পেটায় বারবার পরিচয় দেওয়া সত্ত্বেও সমকালের প্রতিবেদক ইশতিয়াক হুসেইন ও বাদশা মোল্লা মারের হাত থেকে রেহাই পায়নি। পুলিশ এখানে অন্তত ১৫ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। ছাত্ররা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
কিছু ছাত্র ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে পুনরায় সংগঠিত হয়ে আবার টিএসসির দিকে আসতে থাকে। পুলিশ তাদের আবার ধাওয়া দেয়। কিছু ছাত্র রোকেয়া হলের দিকে দৌড় দিলে পুলিশ তাদের পিছু নেয়। তাদের না পেয়ে কয়েকজন পুলিশ রোকেয়া হলের ফটকে লাথি মারতে থাকে।
কিছু ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে ঢুকে পড়লে পুলিশ সেখানে গিয়েও ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করে ও চিকিৎসা কেন্দ্রের ভেতরে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। জসীমউদদীন হলের ছাত্র মামুনুর রশদি সেসময় সেখানে ছিলেন। তিনি বলেন পুলিশ ঢুকে দোতালার বারান্দায় কয়েকজনকে মারধর করে। সেসময় কয়েকজন কর্তব্যরত চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকতে চাইলে অন্যরা তাদের বাধা দেন। চিকিৎসক ডা. শরীফ কামরুদ্দীন বলেন, টিয়ারসেলের কারণে আমরা কিছুক্ষণ এখানে চিকিৎসা দিতে পারিনি।
লাঠিপেটায় আহত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্র ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত একশ' শিক্ষার্থী।
রাত পৌনে ১০টার দিকে জহুরুল হক হল, মুসসিন হল, এফ রহমান হল, জসীমউদদীন হল, সূর্যসেন হল, জিয়া হল, বঙ্গবন্ধু হল, জগন্নাথ হল, এসএম হল থেকে ছাত্রদের খণ্ড খণ্ড মিছিল টিএসসির দিকে যাচ্ছিল। এসময় এফ রহমান হলের সামনে একটি মিছিলে ১০/১২ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় উপাচার্যের বাসার সামনে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়।
রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের আবারও সংঘর্ষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। জিয়া, সূর্যসেন, জসীমউদদীন ও বঙ্গবন্ধু হলের ভেতরেও টিয়ারগ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। রাত সাড়ে ১০টায় সূর্যসেন হলের ভেতরে ঢুকে ছাত্রদের ওপর বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ।
খেলার মাঠে সেনাসদস্যের মারধরে আহত মেহেদীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পিঠে এক্সরে করা হয়েছে।
মেহেদী জানান, "মারধরের সময় তার মোবাইিল ফোন ও মানিব্যাগ হারিয়ে যায়। ব্যাগে ছয় হাজার টাকা ছিল।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্ররা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলার মাঠে মিছিল করে দায়ী সেনাসদস্যের বিচার দাবি ও সেনাক্যাম্প সরানোর দাবি স্লোগান দেয়। সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসেও মিছিল করে।
ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা কমিটির সভাপতি ও বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম, প্রক্টর আ কা ফিরোজ, সহকারি প্রক্টর সিদ্দিকুর রহমান খান, উপ-উপাচার্য আ ফ ম ইউছুফ হায়দার, লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান াধ্যাপক. ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোবাশ্বের মুনিম বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে আসেন।
রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মলচত্বরে আরেক দফা সংঘর্ষ হয়। জিয়া, সূর্যসেন, জসীমউদদীন ও বঙ্গবন্ধু হলের ভেতরেও কাঁদানে গ্যাস ছোাড়ে পুলিশ। তিন ছাত্রকে পুলিশ ধরে যাওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। এই তিন ছাত্রকে পুলিশ সেনাক্যাম্পে সোপর্দ করেছে বলে ছাত্রদের মধ্যে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাশরীক হাসান মেহেদী, তরিকুল ইসলাম, মাজেদুল হাসান পায়েল, নাসিম, তরিকুল (সমাজবিজ্ঞান), শাহীন আক্তার, মোকাদ্দেস হোসেন, সাইফুল ইসলাম, শফিক, জাকির, রুবেল, মানরবেন্দ্র দেব, মলয় সাহা, লিটন, আইনুল হক, নাহিদ, ইমরান, ইমন, সাইদ মাহমুদ, আফজাল হোসেন, মিরাজ, তৌহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে। পুলিশ কনস্টেবল সাকায়েত, শহীদ এতে আহত হন।
আহত সাংবাদিকরা হলেন দেশবাংলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক তারেক আহমেদ, সমকালের প্রতিবেদক ইশতিয়াক হুসেইন, বাদশা মোল্লা, বাংলা বাজারের খোমেনী ইহসান।
এদিকে নীলক্ষেত মোড় থেকে বিডিনিউজের সিনিয়র প্রতিবেদক লিটন হায়দার জানান, নীলক্ষেত মোড়, পলাশী, শাহবাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে অনেক শিক্ষার্থী আটকা পড়ে আছেন। তাদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। এদিকে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস সেল শেষ হয়ে যাওয়ায় রাত সাড়ে ১০টার সময় একদম চুপ হয়ে যায় পুলিশ। টিয়ারগ্যাস পাঠানোর জন্য ওয়ারলেসে পুলিশ সদস্যরা বারেবারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। এরপর পৌনে ১১টার দিকে একটি রায়ট কার থেকে টিয়ার সেল ছুঁড়তে ছুঁড়তে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে।
২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর সেনাবাহিনী ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের জিমনেশিয়ামে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র সাইফুল ইসলাম জুয়েল জানান, ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শির্ক্ষাথীদের জন্য শিক্ষাবর্ষের ৪০ দিন জিমনেশিয়ামে ক্লাস বা শারীরিক অনুশীলন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। দুই বর্ষে ৪০টি ক্লাস না করতে পারলে কোনো শির্ক্ষাথী উত্তীর্ণ হতে পারবে না। সেনাবাহিনী জিমনেশিয়ামে ক্যাম্প স্থাপন করায় শিক্ষার্থীরা তাদের বাধ্যতামূলক ক্লাস করতে পারছে না বলে অনেক ছাত্র অভিযোগ করেছেন।
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘট ডাকছে।
রাশেদ বলেছেন:
নাভদ অসংখ ধন্যবাদ।
কক্সবয় বলেছেন:
জ্বাজ্বাজ্বাজ্বালালালালাওওওও.............জ্বাজ্বাজ্বাজ্বালালালালাওওওও


















আপডেটের জন্য ধন্যবাদ।