আমার প্রিয় পোস্ট
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- জীবনের কথা-শেষ পর্ব (একটি অধ্যায় শেষ হলো) - নীল মুদ্রা
- পাহাড়ি নিপীড়িত জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বায়ত্তশাসন দাবীর প্রশ্নে শাসকশ্রেণীর বিভিন্ন অংশের রঙ বে রঙের জোড়াতালি তত্ত্বের বিপরীতে একটি বিশ্লেষণ। - মনজুরুল হক
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- করপোরেট বেনিয়াদের হাতে বন্দী দ্রোহ আর প্রতিবাদের প্রতীক একুশে ফেব্রুয়ারি এখন একুশ উৎসব! - মনজুরুল হক
- এক পাহাড়ির শৈশবকাল (পর্ব-৩) - জেনন
- আপোকপা - কুঙ্গ থাঙ
- এক পাহাড়ির শৈশবকাল (পর্ব-১) - জেনন
- নাক উঁচুদের বিত্ত সচেতনতা বিড়ম্বনা - মাসকাওয়াথ আহসান
- কেন গনতন্ত্র চাই,কেন হাসজারু শাষন চাই না - হোসেইন-দ্য এ টিম
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ইভটিজার ডারউইনশিশু সমীপে - মাসকাওয়াথ আহসান
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- যেই কোয়াল (কপাল), হেই মাথা, ঘুরি ঘুরি কোয়াল হাতা [যে কপাল সেই মাথা ঘুরে ঘুরে কপাল খুঁজো, লাভ নেই] - মেঘ
- বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- ছবি ব্লগ : যে যুদ্ধটা একাত্তরে শেষ হয়নি - অমি রহমান পিয়াল
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- বিজ্ঞাপন নির্মাতাদের পক্ষে একহাত - মারুফ ব্লগ
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- মণিপুরী মুসলিম আদিবাসীদের ঈদ উদযাপন এবং জীবনযাত্রা নিয়ে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো...২ - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- শিবনারায়ণ দাশ - বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা - রাগিব
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- ম্যারিয়েটা, জ্যাক এবং অতঃপর ভ্যালেরী - সৈয়দ দেলগীর
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- মুক্তিযুদ্ধের কবিতা : বুদ্ধদেব বসু - অমি রহমান পিয়াল
কল্পনা চাকমা অপরহরণের ১৩ বছর: একটি প্রচারপত্র
১২ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৪
![]()
আজ কল্পনা চাকমা অপহরণের ১৩ তম বার্ষিকী।
১৯৯৬ সালের এই দিনে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদিকা কল্পনা চাকমা রাঙামাটির দুর্গম বাঘাইছড়ির নিউ লাইল্যাঘোনা গ্রামের বাড়ি থেকে অপহৃত হন। কল্পনার মা ও দুই ভাই, যারা এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শি, তারা এই অপহরণের জন্য স্থানীয় সেনা ক্যাম্পের লেফটেনেন্ট ফেরদৌসকে দায়ী করেছিলেন।
এই ঘটনা সে সময় দেশি-বিদেশী মিডিয়ায় ঝড় তোলে। পাহাড় ও সমতলে গড়ে উঠে যুগপদ আন্দোলন।...
এরপর সরকারের পর সরকার বদল হয়। কাচালং, চেঙ্গী, মাইনী, শঙ্খ, মাতামুহুরি, কাপ্তাই ও কর্ণফুলিতে গড়িয়ে যায় অনেক ঘোলা জল। ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়ে তা কাগুজে চুক্তিতেও পরিনত হয়। ...
কিন্তু পাহাড়ি মেয়েটির আর সন্ধান মেলে না। সুরাহা হয় না বাঘাইছড়ি থানায় দায়ের করা অপহরণ মামলাটি। হিমাগারের অতল গহব্বরে হারিয়ে যায় সরকারি তদন্ত রিপোর্ট। স্তিমিত হয়ে আসে তাকে উদ্ধারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন।
আর এই ১৩ বছর ধরে কল্পনা চাকমা অপহরণের মতো এতো বড় একটি মানবাধিকার লংঘনের দায় বাংলাদেশ নামক কথিত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বহন করে চলে। ...কল্পনার পাহাড়ি বন্ধুরা তাদের সহকর্মী হারানো বেদনা বহন করে চলেন ওই ১৩ বছর ধরেই।...
আর আমরা যারা নিজেদের শুভ বুদ্ধির মানুষ বলে দাবি করি, সেই সব সংখ্যাগুরু বাঙালিদের মনের গহিনে কী ১৩ বছরের পুরনো এই কাঁটা কী ক্ষত সৃষ্টি করে না?
*
![]()
আজ কল্পনার অপহরণ দিবসে সকাল ১০টায় 'পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন' ঢাকার শাহবাগের জাদুঘরের সামনে আয়োজন করে এক মানববন্ধন কর্মসূচির। পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের এই কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন সাংবাদিক, শিক্ষক, নারী নেত্রী, রাজনীতিবিদ, উন্নয়নকর্মীসহ বুদ্ধিজীবী মহল।
মানববন্ধনের কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট কলামিস্ট আবুল মোমেন, লেখক শাহরিয়ার কবির, আদিবাসী নেতা ও লেখক সঞ্জিব দ্রং, অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, অধ্যাপক সাদেকা হালিম, ঢাবির শিক্ষক রুবাইয়াৎ ফেরদৌস, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা হায়দার আকবার খান, নারী নেত্রী ফরিদা আখতার, অ্যাডভোকেট খালেদা খাতুন, সাঁওতাল আদিবাসী নেতা রবীন্দ্র নাথ সরেন, পাহাড়ি নেতা দীপায়ন খীসা প্রমুখ।
![]()
তো এই মানববন্ধনের কর্মসূচিতে 'পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন' যে প্রচারপত্র বিলি করে, তার নির্বাচিত অংশ অনেকটা এরকম:
কল্পনা চাকমা অপহরণের ১৩ বছর: রাষ্ট্র আর কতকাল মূক ও বধির হয়ে থাকবে?? তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে
সংগ্রামী দেশবাসী,
কল্পনা চাকমা শাসকশ্রেণীর জাতিগত নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামের আগুয়ান সৈনিক। তিনি লড়াইয়ের ময়দানে সরাসরি অংশ গ্রহণ করে জুম্ম (পাহাড়ি) জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রামকে সংগঠিত করেছেন। তিনি ছিলেন নারী-পুরুষের বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার। শ্রমজীবী জনতার মুক্তি-সংগ্রামের দর্শনকে আত্মস্থ করেছিলেন তিনি।
কল্পনা অপহরণের পর জুম্ম জনগণ যেভাবে প্রতিরোধে গর্জে উঠেছিলো, ১৯৯৬ সালের ২৭ জুন কাচালং জনপদে রূপম, সুকেশ, মনতোষদের বীরত্বপূর্ণ আত্নবলিদানের সেই সুমহান পথে জুম্ম জনগণ এখনো সমভাবে আগুয়ান। হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি কল্পনা চাকমার প্রদর্শিত পথে আপোষহীন ধারার জুম্ম জনতার আত্ন-নিয়ন্ত্রাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গৌরবজ্জ্বল ভূমিকা পালনের সাহসী শপথ নিতে চায়।
আসুন, আমাদের সাথে সোচ্চার হয়ে আওয়াজ তুলুন:
১. অবিলম্বে অপহরণ রিপোর্ট প্রকাশ ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
২. পার্বত্য অঞ্চলে সংগঠিত নারী ধর্ষণ, অপহরণ ও গণহত্যাসহ মানবাধিকার লংঘনের সকল ঘটনার শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে।
৩. সকল অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প ও 'অপারেশন উত্তরণ' প্রত্যাহারপূর্বক সেনা বাহিনীকে স্থায়ী সেনা নিবাসে ফিরিয়ে আনতে হবে।
এবং
৪. অবিলম্বে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করতে হবে।।
![]()
---
ছবি: ১. শুভাশীষ চাকমা, ২, ৩ ও ৪. লেখক।
আরো পড়ুন, ১. কল্পনা চাকমা: একটি আহ্বান http://www.sachalayatan.com/biplobr/24938,
২. কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পাহাড় ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জেনন বলেছেন:
সুষ্ঠ তদন্ত চাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেনন।
পাহাড় বিষয়ক আপনার পুরনো লেখাগুলো দেখে ভালো লাগলো। চাকমা বর্ণমালা বিষয়ক লেখাটা তো অসাধারণ!
জয় হোক!
দস্যু বনহুর বলেছেন:
অবিলম্বে অপহরণ রিপোর্ট প্রকাশ ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদ্যোগ নেয়া হোক।
লেখক বলেছেন: একমত।
এই গুরুতর দাবিটি আমরা সংখ্যাগুরু বাঙালিরা ব্যক্তিগত সুখ-স্বার্থের কারণে একদিন যদি ভুলেও যাই, সেদিনও কল্পনার সহকর্মী পাহাড়িরা এই দাবিটি কখনোই ভুলবে না। ...
রবিনহুড বলেছেন:
রবিনহুড বলেছেন:
(৩. সকল অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প ও 'অপারেশন উত্তরণ' প্রত্যাহারপূর্বক সেনা বাহিনীকে স্থায়ী সেনা নিবাসে ফিরিয়ে আনতে হবে।)এই পয়েন্ট নিয়ে আমার আপত্তি আছে। ব্যপারটা অনেকটা "আমার বাসার সামনে কেন পুলিশ পাহাড়া দিবে?" এই রকম হয়ে গেলো।
সেনা বসানো হয়েছে দেশ ও পাহাড়ীদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে। সুতরাং তাদের নিজের নিরাপত্তার জন্য গৃহীত কোনো কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে না। এটা স্ববিরুধিতা।
পাহাড়িরা এই কথা বলতে পারছে না কেন, সেনাদের কোন কাজের দ্বারা তারা কিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে? এটা ষ্পষ্ট ভাবে অনুপস্হিত।
যদি তারা প্রমান করতে পারে সেনা সদ্যস্যদের কোনো কর্মকান্ড দ্বারা সমস্যা হচ্ছে তা হলে সেই কর্মকান্ড বন্ধ করা যেতে পারে। তাই বলে সমগ্র সেনা প্রত্যাহার দাবি করতে পারে না।
সেনাদের দ্বারা কোনো সমস্য হলে সুনিদিষ্ট সেই সমস্য নিয়ে আলোচনার দাবি করতে পারে, এবং আলোচনার দ্বারা সমাধান হওয়া উচিৎ।
কোনো সেনা সদশ্য যদি অপরাধ করে থাকে, তা হলে তার বিচার করা হোক। তাই বলে সমগ্র সেনা প্রত্যাহার... হাস্যকর।
এই সেনারা এ দেশেরই সন্তান, তাদের দেশের প্রয়োজনেই নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের পরদেশীর মত দেখে বিরুধিতার কোনো মানে নেই।
অষ্পষ্ট ভাবে সামগ্রিক ভাবে সেনা প্রত্যহারের দাবি, সন্দেহের সৃষ্টি করে যে, তাদের উদ্দেশ্য শুভ নয়।
লেখক বলেছেন: 'সেনাদের দ্বারা কোনো সমস্য হলে সুনিদিষ্ট সেই সমস্য নিয়ে আলোচনার দাবি করতে পারে, এবং আলোচনার দ্বারা সমাধান হওয়া উচিৎ।
কোনো সেনা সদশ্য যদি অপরাধ করে থাকে, তা হলে তার বিচার করা হোক। তাই বলে সমগ্র সেনা প্রত্যাহার... হাস্যকর।'
...আপনার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দুই দশকেরও বেশী সময় ধরে পাহাড়ে সাংবাদিকার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে সংক্ষেপে বলছি:
১. পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের আগে পাহাড়ে লোগাং, নানায়ারচর, লংগদু, বরকল, কাউখালি, মহাজনপাড়া, পানছড়ি, দীঘিনালাসহ অনেক বড় বড় গণহত্যা হয়েছে।
এইসব পাহাড়ি নিধনযজ্ঞে সরাসরি অংশ নিয়েছে সেনা বাহিনী ও বাঙালি সেটেলাররা।
এছাড়া গণধর্ষণসহ সব রকমের মানবাধিকার লংঘনের সঙ্গেও এই দুটি গ্রুপ সে সময় সরাসরি অংশ নিয়েছে।
আর কল্পনা চাকমাকে অপহরণ করেছে কিন্তু সেনা কর্মকর্তাই।...
২. পার্বত্য চট্টগ্রামে চুক্তির আগে ছয়টি স্থানী সেনা নিবাস ও সাড়ে ৫০০ অস্থায়ী সেনা ছাউনি ছিল। সে সময় সেখানে চলেছে বিশেষ সেনা অভিযান 'অপারেশন দাবানল'।
আর শান্তিচুক্তি অনুযায়ী, চুক্তির পরে পাহাড়িদের গেরিলাগ্রুপ শান্তিবা
অস্ত্র সমর্পন করবে। অন্যদিকে সেনা বাহিনী সমস্ত অস্থায়ী ছাউনি ও সেনা অভিযান প্রত্যাহার করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, এক দশক আগেই শান্তিবাহিনী বিলুপ্ত হয়েছে। কিন্তু এখনো পাহাড়ে প্রায় সাড়ে ৪০০ অস্থায়ী সেনা ছাউনি রয়েছে; চলছে 'অপারেশন উত্তোরণ' -- যা শান্তিচুক্তির সরাসরি লংঘন।
৩. আপনি লক্ষ্য করবেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনা মোতায়েন নেই। এ জন্য বিডিআর, ড়্যাব, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপিই যথেষ্ট।
তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিচুক্তির এতোদিন পর সেনা মোতায়েনের যুক্তিটি কেনো 'হাস্যকর' হবে না।
তাছাড়া রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান-- এই তিন পার্বত্য জেলার ছয়টি স্থায়ী সেনা নিবাস (ক্যান্টনমেন্ট) প্রত্যাহারের দাবি কিন্তু করা হয়নি। দাবি করা হয়েছে, অস্থায়ী সেনা ছাউনি (ক্যাম্প) প্রত্যাহারের। ...
প্রচেত্য বলেছেন:
অবশ্যই সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার অত্যাবশ্যক
লেখক বলেছেন: জয় হোক!
রণদীপম বসু বলেছেন:
মানব-বন্ধনে থাকতে পারলাম না !
লেখক বলেছেন: শাররীকভাবে উপস্থিতির মূল্য একরকম; কিন্তু সংহতি জানানোর চেতনাটুকুর মূল্যও কিন্তু কম নয়।
---
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
ণৃকণ্যা বলেছেন:
আমার পূর্ণ সংহতি পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় জুলুমের প্রতিপ্রথম আলোতে ইলিরা দেওয়ানের লেখা থেকে মেজর ফেরদৌস এর নাম কি ইচ্ছে করেই কেটে দেয়া হয়েছে? জানেন কিছু?
লেখক বলেছেন: ইলিরার অসাধারণ লেখাটি পড়লাম। সেখানে সরাসরি লেফটেনেন্ট ( মেজর নয়) ফেরদৌস-এর নাম নেই ঠিকই তবে সে সময় দায়িত্বরত স্থানীয় সেনা সদস্যদের কথা উল্লেখ আছে। ...
গণমাধ্যমের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে বৈকি।
---
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
ধীবর বলেছেন:
পত্রিকার পাতা খুললেই, এহেন দিন নেই যেখানে দেখা যাবে না যে নারীর প্রতি সহিংসতা খবর নেই। আন্তর্জাতিক ফোরামগুলি মাঝে মাঝে যে জরিপ চালায়, তাতে বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের যে চিত্র ফুটে উঠে সেটা ভয়াবহ। কিন্তু একটি বিচ্ছিন্নতাবাদি গোষ্ঠির নেত্রি বলেই তার অন্তর্ধ্যানকে কেন্দ্র করে কিছু চিহ্নিত বাংলাদেশ বিরোধী মহলের এধরণের উদ্যোগ দেশদ্রোহিতা বৈত নয়। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভি্যান চালানোর পুর্ণ অধিকার বাংলাদেশ সরকারের রয়েছে। আর এধরণের অভিযানে চালানোর সময় অনেক অযাচিত ঘটনা ঘটা বিচিত্র কিছু নয়। কিন্তু বিচ্ছিন্ন এই ধরণের একটি দুটি ঘটনা নিয়ে ইস্যু তৈরি করে, মাঠ তোলপাড় করার মধ্যে যুক্তি নেই।
আর পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসিরা সেখানে বার্মা থেকে এসে ঘাটি গেড়েছে বৃটিশ আমল থেকে। তারা সেখানকার আদিবাসি এটা একটা অপপ্রচার বৈত নয়।তাই সেখানে বাঙ্গালিদের সেটেলার বলার মত দুঃসাহস মেনে নেওয়া যায় না। আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে খোদ চাকমা রাজা এবং তার অনুগতরা যেভাবে পাকিস্থানি বাহিনীকে সাহায্য করেছে, সে অপরাধ গো আযম, নিজামীদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।
বাংলাদেশের অখন্ডতা রক্ষায়, সেনাবাহিনীর সমালোচনা করা হচ্ছে। অথচ ৩০ লাখ শহিদের রক্তে স্নাত বাংলাদেশের অংশ দ্বিখন্ডিত করার জন্য যারা দিনের পর দিন হত্যা লুট অপহরণের মত সন্ত্রাসে জড়িত ছিল, তাদেরকে মহিমান্বিত করার অপচেস্টা চালাচ্ছে, চিহ্নিত কিছু দালাল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোন রকম বিচ্ছিন্নবাদকে প্রশ্র্য দেয়া ঠিক হবে না। অখন্ড বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং সন্ত্রাসি বিচ্ছিন্নতাবাদিদের পক্ষ্যে নির্লজ্জ সাফাই এর বিরুদ্ধে মাইনাস।
লেখক বলেছেন:
আপনার বক্তব্যের সঙ্গে তীব্র দ্বিমত।
"যারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভি্যান চালানোর পুর্ণ অধিকার বাংলাদেশ সরকারের রয়েছে।"...
পার্বত্য চট্টগ্রামকে পাহাড়িরা বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলো (আপনার ভাষায়-ষড়যন্ত্র), এই আজগুবি তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? একটু রেফারেন্স দেবেন প্রিজ?
আপনার অন্যান্য বক্তব্য উগ্র জাতীয়বাদী ও সাম্প্রদায়িক বক্তৃতায় ভরপুর। সেখানে যুক্তি-তর্কের অবকাশ নেই।
ধন্যবাদ।
জেনন বলেছেন:
@ধীবর, আপনার মন্তব্য শান্তির সম্পূর্ন বিপরীত। পা:চট্টগ্রামের আদিবাসীরা বাইরে থেকে আসতে পারে, কারন পৃথিবীতে মানুষের বিস্তৃতি ঘটেছে ক্ষুদ্র কয়েকটা জায়গা থেকে। আর বাংলাদেশের পরিসংখ্যান থেকে জেনে নিতে পারেন একসময় পা:চ: এ আদিবাসী এবং বাংগালির অনুপাত ছিল ৯৭:৩। পা:চ: এর আদিবাসীরা বার্মা থেকে এসেছে এমন তথ্য আপনি কোথা থেকে পেয়েছেন। কয়েকটা আদিবাসী আসতে পারে, কিন্তু সবগুলো নয়। পা:চ: গ্রামের আদিবসীরা যুদ্ধ করেছিলো নিজ ভূমিতে মানুষের মতো করে বাঁচার জন্য, নিজের জমিকে(দলিল পত্র না থাকার কারনে সরকার যেগুলোকে খাঁস জমি বলে সেটেলারদের নামে দিয়েছিল) রক্ষার জন্য। কখনোই দেশকে বিভক্ত করার জন্য নয়। চাকমা রাজা পাকিস্তানের হয়ে কাজ করতে পারে, তাই বলে সবাই এই কাজে জড়িয়ে পড়েনি। যদি জড়িয়ে পড়তো তাহলে আপনি অনেক পাহাড়িকে রাজাকারদের নামে পেয়ে যেতেন। আপনি তৎকালীন চাকমা রাজা বাদে কোন চাকমার নাম কি দিতে পারবেন যিনি পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছেন। আপনার মত অনুযায়ী আপনি বাংলাদেশের নারীদের উপর যে অত্যাচার চলছে তা এখনো সহনীয় পর্যায়ের মনে করেন!!!! আপনার সহনীয় মাত্রাটি কত?? আপনার মতে কয়েকজন যদি মা বোন ধর্ষিত হয় তাহলে কোন মাথা ব্যাথা আপনার নেই!!!!! কথাগুলোর জবাব পেলে খুশি হবো।
লেখক বলেছেন: হুমম।...ধন্যবাদ জেনন। আপনি আমার অনেক কথাই বলে দিয়েছেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














