আমার প্রিয় পোস্ট
- অমোচনীয় কালি স্বাক্ষী থাকলো - সবাক
- জনপ্রতিনিধির বত্তৃতার নমুনা - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- বাংলাদেশঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির প্রশ্ন - তরিকুল হুদা
- ভারতে ২০০১'র পর কোন বোমাবাজী ও হত্যার বিচার হয়নি। লজ্জার কথা !! - জুয়েল হাসান
- Policy making cycle in Bangladesh - নস্যরাজ
- আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্যরকম... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোদাচ্ছের চরিত্রহীণ ও যৌন হয়রানিকারী, হাসিনার কাছে তার শাস্তি দাবি করছি
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সবচেয়ে প্রাচীন দলটির সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চক্ষু চিকিৎসক প্রফেসর ডা. মোদাচ্ছের একজন চরিত্রহীণ ব্যক্তি। তিনি চিকিৎসা করানোর নামে মেয়েদের যৌনহয়রানি করে বেড়ান। তার হাতে ১৫ বছরের কিশোরী মেয়েও নিরাপদ নয়।
এ ধরণের একজন ব্যক্তির সাথে প্রফেশনাল জায়গা থেকে হাসিনার একট সম্পর্ক আছে। হাসিনার চিকিৎসাও না রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ডা. মোদাচ্ছের গণমাধ্যমে বক্তব্য বিবৃতি দিয়ে নিজেকে হাসিনার সাথে সম্পর্কিত করেছেন। তাই এ ডাক্তারের এ ধরণের স্বভাব চরিত্র ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকতে পারেনা।
হাসিনাকে খুব তাড়াতাড়ি এই বিষয়টাকে পরিষ্কার করতে হবে, তিনি একজন দুশ্চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তির কাছে আর চিকিৎসা নেবেন কি না, তিন তার সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলবেন কি না।
আমার মনে হয় দেশের কোটি কোটি মানুষের নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা যদি বিষয়টা সম্পর্কে একটা প্রকাশ্য ঘোষণা দেন তাহলে ডা. মোদাচ্ছির সম্পর্কে খুব সহজেই মানুষ সতর্ক হতে পারবে।
এই ব্লগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অনেক সমর্থক আছেন। অনেক সাংবাদিক আছেন তাদের আওয়ামী লীগের সাথে ভালো যোগাযোগ আছে। তাদের সকলের প্রতি দাবি তারা যেন ডা. মোদাচ্ছেরের ব্যাপারে হাসিনাকে একটা শক্ত প্রকাশ্য অবস্থান নিতে বলেন।
দেখা যাক হাসিনা কী করে।
ডা. মোদাচ্ছেরের লাম্পট্যের কথা নিচের লিঙ্ক থেকে জানাজানি হয়েছে।
http://www.somewhereinblog.net/blog/456789/28874801
---------------------
তবে লিঙ্কটা খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ায় নিচের লিঙ্কের বয়ান তুলে ধরছি-
চোখের ডা: মোদাচ্ছের আলীর নষ্টামী (নম্রতার কাছে ক্ষমা চাওয়া পূর্বক............)
পোস্ট দাতা: উপমাআহমদ
নম্রতা আমার বোনের একমাত্র মেয়ে। নম্রতার যেদিন জন্ম হয় সেদিন আমি চিৎকার দিচ্ছিলাম আর বলছিলাম " আমার বোন হয়েছে"!! বোনের মেয়েকে যে ভাগ্নী বলতে হয় তা আমার বোধগম্যতার বাইরে ছিল। এ কথাটা অনেক বড় হবার পর আম্মা আমাকে বলেছিলেন। শুনে বেশ হাসি পেয়েছিল।
নম্রতার প্রতি আমার বাড়াবাড়ি রকমের আদর দেখে ওর ভাইয়ের অভিযোগের অন্ত নেই। খালামনি নারীবাদি তাই শুধু নারীদের আদর করে! যদিও বোনের জন্য ওর আদর প্রদর্শন আমার চে' ঢের বাড়াবাড়ি রকমের। কোন এক ছেলে নম্রতাকে দেখে কি বলেছে তাতে সে তার বাবার লাইসেন্স করা বন্দুক নিয়ে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল সে ছেলেকে শায়েস্তা করতে !
আসলে আমাদের নম্রতা পেলব ফুলের মতো সুন্দর। এত সুন্দর, মায়াবী, নরম সে যে আমার মাঝে মাঝে ভ্রম হয় মেয়েটা কি পরীর দেশের কেউ?
নম্রতাকে ছোট বেলা থেকেই চোখে চশমা পরতে হয়। ওকে যে ডাক্তার দেখতেন তিনি হঠাৎ করে বিদেশে চলে গেলেন। আমরা ভাবনায় পড়লাম কাকে দেখাই। দীর্ঘদিনের পরিচিত ডাক্তার। যাহোক। আপা আমাকে বললেন নতুন কারো খোঁজ করতে। আমি খোঁজ খবর নিয়ে জানলাম প্রফেসর ডা: মোদাচ্ছের আলী নামে একজন চিকিৎসক আছেন যিনি বেশ ভালো চিকিৎসা করেন।
একদিন আমি আর নম্রতা গেলাম সেই ডাক্তারের কাছে। ধানমন্ডি ২৮ এ মুজিবুন্নেসা চক্ষু ক্লিনিকে বসেন তিনি (বর্তমানে সেটা ৬ নাম্বারে)। বেশ ব্যস্ত ডাক্তার। সময় নিয়ে রোগী দেখেন। আমাদের সিরিয়াল এলো একসময়। নম্রতার চোখ দেখলেন। আমি কিছুটা তফাতে বসে তার যন্ত্রপাতি দেখছি। দেখার পালা শেষ। আমি প্রেসকিপশন বুঝে নিলাম। হঠাৎ ডা: মোদাচ্ছের আলী আমার নম্রতার মুখে চুমু দিয়ে বসলেন। তারপর হাঁক ছাড়লেন নেক্সট............।
ঘটনার এমন ভয়াবহতায় আমি বিমুঢ়। তড়িঘড়ি করে বললাম, এর মানে কি, মানে কি..................ততক্ষনে পরের রোগী রুমে প্রবেশ করেছে। নির্বিকার ডাক্তার পরের রোগীর দিকে মনোনিবেশ করলেন।
আমরা বেরিয়ে এলাম।
আমি বুঝতে পারলামনা প্রায় পনের বছরের একটি তরুণীকে কি করে একজন ডাক্তার চুম্বন করে। আমার মাথা এলোমেলো হয়ে গেল।
গাড়ীতে আমি সারাক্ষণ বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। নম্রতাকে একটা লম্পট হায়েনার কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম ফুলের মতো। ফেরত আনছি ফুলে কাঁটা লাগিয়ে।
(পোস্ট প্রদান সময়: ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২২ )
লেখক বলেছেন: ব্যাখ্যা দিলাম। কথা আজাইরা হলে দায়ী ব্লগার উপমাআহমদ। আমি ভাই দায় নিতে রাজি না। তবে সহ ব্লগারে ইমান আছে বিধায় আমি নিজের বক্তব্যে স্থির আছি।
লেখক বলেছেন: দিলাম।
আপনি আমি ধিক্কার জানাই-নাজানাই তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ লোকটা খুঁটি তো শেখ হাসিনা। তিনি যদি ব্যবস্থা নেন, তয় কিছু একটা কাজ হবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক করছি।
তার হাতে ১৫ বছরের কিশোরী মেয়েও নিরাপদ নয়।
অশেষ ধন্যবাদ ভুলটা ধরায়ে দেওয়ায়।
মুকুট বলেছেন:
শুধু হাসিনার ডাক্তার বলে নয়, পশুকে পশু হিসাবে দেখুন, এমন সকল পশুদের যথাযথ শাস্তি দাবী করছি!
লেখক বলেছেন: যথাযথ শাস্তি হোক।
ধন্যবাদ।
সরপ বলেছেন:
সুন্দর পষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শালারে পিছমোরা দিয়া বাইন্দা টিএসসিতে জুতার মালা দিয়া ঝুলায়া রাখতাম চাই। দুপুরে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ছাড়ে ঐ সময় কাজটা করুম। তখন দেখবেন চরিত্র কিভাবে ঠিক হয়।
লেখক বলেছেন: কী বলতে চান?
নির্বাচন সামনে তাই মোদাচ্ছের কে কিছু বলা যাবে না?
তাকে আরও অনেক কিশোরীকে কষ্ট দেয়ার সুযোগ দিতে হবে?
পষ্ট করেন।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা একটু বুঝায়া বলেন। আমি এসব খুঁটিনাটি কাজে খুব আনাড়ি। শিখায়ে দিলে চিরকৃতজ্ঞ হই।
জটিল বলেছেন:
বাংলাদেশ এ গ্যে বার বা ক্লাব নেই , থাকলে একরাত ঐখানে পাঠায় দিলেই সারাজীবনের শাস্তি পেয়ে যেত ।
লেখক বলেছেন: এই সবের দরকার নাই। হাসিনা তার একটা বিচার করলেই হয়।
তারপর তিনি নির্দেশ দিলে ছাত্রলীগের ভায়েরা শালারে পিছমোরা দিয়া বাইন্দা টিএসসিতে জুতার মালা দিয়া ঝুলায়া রাখবো। দুপুরে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ছাড়ে ঐ সময় কাজটা করতে হবে। তখন দেখবেন চরিত্র কিভাবে ঠিক হয়।
হমপগ্র বলেছেন:
আপনি ব্যাপারটাকে রাজনৈতিক ইস্যু করছেন!
লেখক বলেছেন: এমন ধরণের ব্যক্তিদের কেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জায়গা দেবেন। ওর জন্য কী দেশের কোটি কোটি আওয়ামী লীগের কিছু আসে যায়। কিন্তু এরাই আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতার জোরে অকান্ড-কুকান্ড করে। অথচ আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ সমর্থকের স্বভাব-চরিত্র ভালো। তারা তদের নেত্রীকেও অনেক পরহেজগার মনে করে। সুতরাং তাকে তো হাসিনা একটা সাজা দিয়ে এই ভোটারদের মধ্যে তার বড়ত্বকে কায়েম রাখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: অশ্লীল মন্তব্য করার জায়গা এটা নয়।
আমরা মোদাচ্ছেরের বিহিত করতে চাই। ওয়াজেদকে প্রমোট করার দায় আমাদের নাই।
ধন্যবাদ।
তীর্যক বলেছেন:
কিছুদিন আগেও কে জানি একটা পোষ্ট দিয়েছিল, রোগী না দেখেও হুমকি ধমকি দিয়ে জোর পূর্বক ফীঃ আদায় করেছিল তথাকথিত এই ডাক্তার। টিভি তে যখন তার চেহারা দেখি, তার চাহনি, বাচনভঙ্গী ... ইত্যাদিতে মনে হয় সে কোন ডাক্তার নয়, হিংস্র কোন জানোয়ার।
তবে, ডাক্তার আর রোগীর অস্বাভাবিক রকম মিল।
লেখক বলেছেন: শোনেন এই ডাক্তার যদি রোগী হিসেবে শুধু হাসিনার চিকিৎসা করতো আমাদের কিছু বলার ছিলো না। কিন্তু তিনি অনেক কিশোরী, যুবতী ও বৃদ্ধার চিকিসাও করেন। এই হিংস্র জানোয়ারের কাছে হাসিনা রোগী না। নিশ্চিত যথেষ্ট সম্মান ও সমীহ আদায় করে থাকেন। কিন্তু অন্য রোগীদের তিনি মানুষ হিসেবে সম্মান প্রদর্শন করেন না। তাই তার সমীহ আদায়কারিনীর জায়গা থেকেই বিচার চাই।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
মোদাচ্ছের এর সমস্যা, তাতে হাসিনার কী সম্পর্ক মাথায় ঢুকলো না। হাসিনার বাড়িতে পেপার দেয় যে হকার, খুঁইজা বাইর করতে পারেন, তারও মেয়ে মানুষের দোষ থাকতে পারে।
লেখক বলেছেন: গজ দেখিয়ে তো ভালো যুক্তি দিলেন। হাসিনার বাড়ির পেপারঅলাকে নিশ্চয় রেডিও,টিভি ও সংবাদপত্রে প্রমোট করা হয় না। আর হাসিনার চিকিৎসক এই কারণেই তো সে অনেক রোগী পায়। অনেক বেশি নির্যাতন চালাতে পারে।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
বালের আবাল পাবলিক খালেদা আর হাসিনা কইরা ব্লগটারে নষ্ট করলো।
এই দুইটারে খাগড়াছড়িতে নির্বাসনে পাঠানো দরকার। দুইটারই এক পা কবরে, কিসের কি নাতি নাতনির দেখাশোনা করবে, আল্লাবিল্লা করবে, তার আবার ক্ষমতায় বসার সখ।
লেখক বলেছেন: চাচা মিঞারা আকামা বইল্যাইতো দুই দাদী-নানীই এখনও শেষ ভরসা। আপনারা কোমড়ে আরেক্টু জোর আনেন। এই দুই জন আপনাদের পথের কাটা হবে না।
শেষ আশা বলেছেন:
Ggb A‡bK Wv³vi Av‡Q, hviv KzKz‡ii gZ ¸ †`L‡jB PvUv †`q, Avgvi GK AvZ¥xqv wcwR-‡Z †M‡jb †eª®U K¨vÝvi †Uó Kiv‡Z| cÖ_g whwb †`L‡jb, wZwb kvjxY fv‡e gv †W‡K GKRb Avqv †W‡K GKUv cvZj Kvco w`‡q †W‡K †`L‡jb Ges †U‡ói Rb¨ Avi GK RvqMvq cvVv‡jb| H Wv³vi i“Mx †`‡LB ejv †bB KIqv †bB KPjv‡bvi nvZ jvMv‡bvi mv‡_ mv‡_ i“Mx fxlY †‡c hvq Zv‡Z Aek¨ cvwR Wv³vi fq †c‡q hvq| ZvB GLb †_‡K †hLv‡bB GiKgb †mLv‡bB RyZv †cUv Ki‡eb|
হমপগ্র বলেছেন:
@নির্বাক সুশীলবুঝলেন না, হাসিনাকে খোচাতে হবে না? বাঙ্গালী খোচাতে না পারলে কেমন করে বাঁচে বলুন? মানুষটার চরিত্রে দোষ থাকতেই পারে। তার জন্য হাসিনাকে টেনে আনতে হবে কেন?
পত্রিকায় ছাপায়া দিক, মোদাচ্ছের এর চরিত্র নিয়ে তো ব্লগেও লেখালেখি হইছে। একটু পরে দেখবেন দোষটা হাসিনার উপরে গেছে। তীর্যকের মন্তব্য পড়েই বুঝলাম!
লেখক বলেছেন: শোনেন, হাসিনা-খালেদাকে নিয়া টানাটানিটা উদ্দেশ্য না। তারা দু'জন যেহেতু জাতীয় নেত্রী সুতরাং তাদের প্রত্যেকটি সম্পর্ক ও কর্মের ব্যাপারে নাগরিক হিসেবে আমাদের কথা বলার দরকার আছে। কারণ তাদের ছাতার নিচে থেকেই মানুষ ফালু, মামুন, হাজারী, শা. ওসমান হয়। সুতরাং জাতীয় নেত্রী হিসেবেই তাদের দায় থাকে এদের শায়েস্তা করার।
শঙ্খচীল বলেছেন:
এ আর নতুন কি ? আওয়ামীলীগ যখন ক্ষমতায় ছিল , তখন পুরানো ঢাকার হাসিনার এক বান্ধবী পুত্র একজন কে খুন করে ৮ টুকরা করছিল। হাসিনার বন্ধু, বান্ধবীদের কুকর্ম নতুন কিছু না।
লেখক বলেছেন: আমি এ ধরণের বক্তব্য প্রদানের জায়গা তৈরি করতে পোস্ট দেইনি। আমি যা বলতে চাই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় ৮ টুকরা লাশের ব্যাপারে যদি প্রায়োরিটি বিচারে হাসিনা বিচার করতেন তাহলে আপনি এ কথা বলার সুযোগ পেতেন না। এখন মোদাচ্ছেরের যদি তিনি বিচার না করেন হয়তো আপনার মতো অনেকেই হাসিনারে দোষ দিতে পারবে।
চোরকাঁটা বলেছেন:
আমার তো মনে হয় এই দোষে অন্তত ৫০% ডাকতার দুষিত। হাসিনার কি ঠেকা পড়ছে?! মোদাচ্ছেররে পাবলিকের উচিত লাথিটা মারা। হাসিনার না!
লেখক বলেছেন: ঠিক।
তয় হাসিনাকে পষ্ট করতে হবে পাবলিক যদি তারে লাথি দেয় তখন তিনি নিজ ক্ষমতাবলে কোন শাস্তি দেবেন কিনা, আমজনতারে।
এই বিষয়টার জন্যই আমি পোস্ট দিছি। তিনি পষ্ট হলে বাকি কাজতো আমরা করতে পারবোই।
নুশেরা বলেছেন:
বিষয়টা রাজনৈতিক মনোযোগের দিকে চলে যাচ্ছে; অথচ পোস্টদাতার সম্ভবত সেই উদ্দেশ্য ছিলনা। শিরোনামটা একটু বদলে শেখ হাসিনার বিষয়টি বাদ দিয়ে চিকিৎসকের পূর্ণ নাম-চেম্বারের ঠিকানা দেয়ার প্রস্তাব করছি। পোস্টের বক্তব্যে সহমত। এসব ঘটনা বহুল প্রচারিত পত্রিকায় আসা দরকার; তাহলে আরও ভিকটিমের নাম জানা যেতো।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আপনার-আমার কিছুই বলার থাকবে না। যদি না নেত্রীর তরফে কিছু বলা হয়। খালেদার ক্ষেত্রেও একই কথা। তাদের তরফে সমাজে কোন ব্যক্তি যদি পরিচিত হয়ে যান তাহলে তার ঠ্যালা অনেক সাধারণ মানুষকেই সইতে হয়।
আমি হাসিনার নাম নিছি বুঝেশুনে, রাজনীতি করার জন্য। অবশ্যই। তবে দলবাজি অর্থাৎ আওয়ামী লীগকে ডুবিয়ে বিএনপিকে খাড়া করার জন্য নিশ্চয়ই নয়। যেহেতু তিনি একজন জাতীয় নেত্রী, সেহেতু তার দায়-দায়িত্ব অনেক। তাদের প্রত্যেকটি সম্পর্ক ও কর্মের ব্যাপারে নাগরিক হিসেবে আমাদের কথা বলার দরকার আছে। কারণ তাদের ছাতার নিচে থেকেই মানুষ ফালু, মামুন, হাজারী, শা. ওসমান হয়। সুতরাং জাতীয় নেত্রী হিসেবেই তাদের দায় থাকে এদের শায়েস্তা করার। ব্যক্তি সম্পর্কের জায়গা থেকে অপরাধী যে গুরুত্বপূর্ণ-অগুরুত্বপূর্ণ হয় তাতো আমরা চলতি সময়ের জেল কোড থেকেই জানি। অতএব এই ভিআইপি অপরাধীকে তার সম্পর্ক বিচারের জায়গা থেকেই আমি দেখতে চাই।
আশা করি আমি স্পষ্ট হয়েছি।
ধন্যবাদ।
নুশেরা বলেছেন:
দু:খপ্রকাশ বা ক্ষমাপ্রার্থণার সংস্কৃতিটুকুও আমাদের জাতীয় চরিত্রে প্রায় অনুপস্থিত। নেতা-নেত্রীদের কাছে এই ধরণের বিচার চাওয়া আসলে অর্থহীন। অভি-নীরু-ইলিয়াস আলী বলুন আর জাহাঙ্গীরনগরে মানিকই বলুন-- প্রভুদের পক্ষ থেকে কারোই বিচার হয়নি।
লেখক বলেছেন: একদম ঠিক কথা।
আহারে! জাতীয় নেত্রীদ্বয় নিজের মর্যাদার আসনটা বুঝলে না!!!!!!
লেখক বলেছেন: পোস্টের বক্তব্যের বয়ান ও ভাব সম্পর্কে পষ্ট করা আছে।
তাই অযথা কারও পোস্ট মুছে দেয়ার পরামর্শ দেওয়াটা আপনার অধিকারে যাবে না।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
আমি বুঝলাম না একজন ছোট্ট মানুষকে আদর করাকে কেন এভাবে দেখা হল? প্রমাণ কোথায়? আমিও এভাবে যে কারো সম্পর্কে বানিয়ে লিখতে পারি; ওমনি সেটা বিশ্বাস করতে হবে??
লেখক বলেছেন: ভাই খোদার দোহাই ১৫ বছরের কোন কিশোরীকেই এভাবে আদর করতে যাবেন না। কোথায় এমন নিয়ে আছে যে, আদর করতে গিয়ে কারও মুখে চুমু দিয়ে দিতে হবে? আর এসব আদর বলে চালিয়ে দিলেও নিশ্চয় ভিক্টিম পক্ষে দীর্ঘ মানসিক যন্ত্রণা বজায় থাকে।
লেখক বলেছেন: সমস্যাটা কী?
স্পষ্টভাষৗ বলেছেন:
লোকটার চেহারা দেখে আমারও লম্পট লন্পট মনে হয়েছে। তবে ঘটনা সত্য হয়ে থাকলে মাননীয় শেখ হাসিনার উচিত লোকটির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা । কারণ এ ধরনের মানুষের হাতে নিজ কন্যাও নিরাপদ নয়। তবে যারা পোষ্টটি দিয়েছেন তাদের উচিত ঘটনার সত্যতার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে নেয়া। কারণ কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হলে আল্লাহ তাকে কোন দিন ক্ষমা করবেন না।লেখক মহোদয় তার এক মন্তব্যে ছাত্রলীগের মাধ্যমে ডক্তারকে শায়েস্তা করার কথা বলেছেন। আপনাদের সকলের নিশ্চয়ই মনে আছে যে , আওয়ামী লীগের আমলে যারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেঞ্চুরী উদযাপন করেছিল মহান নেত্রী তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেন নি।
লেখক বলেছেন: আমি লেখাটার সূত্র হিসেবে ব্লগার উপমাআহমদ'র পোস্টকে ব্যবহার করেছি। তিনি নিজেই দাবি করেছেন কিশোরী তার ভাগ্নি। এখন কেউ কী নিজের ভাগ্নিকে নিয়ে বেহুদা কথা বলবে। যদি বলে থাকে তার দায়তো তারই। আমি শুধু আমাদের একজন জাতীয় নেত্রীর এ ধরণের ঘটনায় যে দায় থাকে তা পষ্ট করেছি।
ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
মাইনাস।এই ডাক্তারের বিরুদ্ধে আগে কি এই ধরনের অভিযোগ আসছে।একেবারে বয়স্ক ডাক্তার ১৫ বছরের মেয়েকে হালকা চুমু দেয়ার অভিযোগে লুচ্চা বলার আগে পুর্বের রেকর্ড জানতে হবে।
আর হাসিনা কিংবা আ'লীগ নিয়ে আপনার চুলকানি থাকলে সেটার জন্য আরো টপিকস আছে তুলে ধরার।সেইগুলো নিয়ে লিখুন।এইসব ফালতু লেখা বাদ দেন।
লেখক বলেছেন: আমি লেখাটার সূত্র হিসেবে ব্লগার উপমাআহমদ'র পোস্টকে ব্যবহার করেছি। তিনি নিজেই দাবি করেছেন কিশোরী তার ভাগ্নি। এখন কেউ কী নিজের ভাগ্নিকে নিয়ে বেহুদা কথা বলবে। যদি বলে থাকে তার দায়তো তারই। আমি শুধু আমাদের একজন জাতীয় নেত্রীর এ ধরণের ঘটনায় যে দায় থাকে তা পষ্ট করেছি।
ধন্যবাদ।
টংকেশ্বরী বলেছেন:
আজাইরা কথা কওয়ার জন্য মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আমি লেখাটার সূত্র হিসেবে ব্লগার উপমাআহমদ'র পোস্টকে ব্যবহার করেছি। তিনি নিজেই দাবি করেছেন কিশোরী তার ভাগ্নি। এখন কেউ কী নিজের ভাগ্নিকে নিয়ে বেহুদা কথা বলবে। যদি বলে থাকে তার দায়তো তারই। আমি শুধু আমাদের একজন জাতীয় নেত্রীর এ ধরণের ঘটনায় যে দায় থাকে তা পষ্ট করেছি।
ধন্যবাদ।
অরণ্য আনাম বলেছেন:
আমি মনে করি এই ব্যাপরটা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম থেকে আলাদা করে আইনত অথবা জনমত সৃষ্টি করে কোন সমাধানে আসা উচিৎ। তবে একটি কথা ভেবে দেখবেন, যে মেয়েটিকে ঘিরে এমন একটি তথ্য প্রকাশ ঘটেছে তার বয়স মাত্র ১৫ বছর।দয়া করে এমন কোন কিছু করবেন না বা বলবেন না, যাতে তার জীবন বিপন্ন বা হতাশায় ডুবে যায়।
ব্লগে অনেক সাংবাদিক আছেন। আশা করি তাঁরা কিছু একটা করবেন। অনুসন্ধানি ফিচার এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
লেখক বলেছেন: আমিও তাই আশা করি। কিন্তু প্রশ্ন হলো রাজনীতিরে আলাদা করে দেখার দরকার হয় কেন?
যে যতো বেশি জনগণ সম্পৃক্ত তার দায়ও ততো বেশি। আমরা আমাদের রাজনীতিবিদদের কাছে তো ভাত-কাপড় চাইনা। যা চাই তারা আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নেবেন। কিন্তু তাদের আশপাশটা যদি একটু পরিষ্কার না হয় তাহলে কেমন হয়।
রেজওয়ানউর রহিম বলেছেন:
কিছু যদি করতে হয়, তাহলে আমাদের কেই করতে হবে। শেখ হাসিনার কিছু করবে না, তার ওপর সে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। মোদাচ্ছের মতন লোকদের পাবলিক মার দেয়া উচিত। পুলিশও কিছু করবে না।
লেখক বলেছেন: না এইটা ভালো পথ না। এসব আব্দার করে কাজের কাজ হবে না। মোদাচ্ছের যে জাতীয় নেত্রীর সাথে সম্পৃক্ত তার একটা স্পষ্ট অবস্থানই সুবিচারের পথটা দেখিয়ে দেবে। না হলে তার জোরেই পুরা ব্যাপারটা বিচারহীনতায় পরিণত হবে।
আকাশ সুনীল বলেছেন:
শেখ হাসিনার কাছে বিচার চেয়ে কোন লাভ নাই। জাবির ধর্ষনের ঘটনায় তিনি কোন ব্যবস্থা নেন নি। আর এই ঘটনায় তো খোদ তার ডাক্তার জড়িত।এক্ষেত্রে আমরা যে যার অবস্থান থেকে যা করতে পারি তাই করতে হবে। এই যে ব্লগের মাধ্যমে অনেকে জানলো এটাও এক ধরনের ব্যবস্থা। আর এই ব্যাপারে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন যদি কোন রিপোর্টার করতে পারে তাহলে তো আরো ভাল।
লেখক বলেছেন: আমিও বিষয়টার একটা ফয়সালা চাই। তবে শেখ হাসিনার তরফে কোন ব্যবস্থা হলেই বিষয়টার রফা করা সহজতর হবে।
লিপিকার বলেছেন:
ঐ নরপিশাচের উপযুক্ত শাস্তি পাওয়া জরুরী...
ইয়র্কার বলেছেন:
প্রমাণবিহীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট। রিপোর্ট করা হলো।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই আমার পোস্টটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কারণ আমি জাতীয় নেতৃবৃন্দকে একটা পরিষ্কার জায়গায় দেখতে চাই। তারা নিজেরা কোন অকান্ড-কুকান্ডে না জড়ালেও তাদের আশেপাশের মানুষ সমাজটাকে এত্তো নোংরা করে যে তাদেরও অবৈধ সরকারের প্রমাণহীন অভিযোগে জেলে যেতে হয়।
আমি এখানে এমন কিছু বলিনি যে তাতে শেখ হাসিনা বিদ্বেষী রাজনীতি হবে। বরং আমি বলতে চেয়েছি যেন বিষয়টার একটা রফা হয়ে আমার আস্থার জায়গা মতো হাসিনা নিজেকে পস্ট রাখতে পারেন।
ধন্যবাদ।
অ্যামাটার বলেছেন:
দেখা যাক, এই দুশ্চরিত্রটাকে শেখ হাসিনা আঁচলের তলা থেকে এখন বের করেন কি না, কেননা ঐ লোকটাকে কোলে নিয়ে বসে থাকলে শেখ হাসিনা কেবল নিজের ভাবমূর্তিই খারাপ করবেন।
লেখক বলেছেন: ভাবমূর্তির প্রসঙ্গটায় একটা পাকসাফ অবস্থান দেখতেই আমি পোস্ট দিয়েছি। এর বেশি কিছু চাওয়ার নাই।
ইয়র্কার বলেছেন:
এই পোস্ট পড়ে মনে হয় শেখ হাসিনাই চুমাইছে বা চুমাইতে কইছে। একজন পোস্টাইছে কোনো প্রমাণ ছাড়া। এই ছাগু আবার পাইছি হাসিনারে সিস্টেমে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। হাইলাইট হাসিনা।
লেখক বলেছেন: ভুল পর্যবেক্ষণ। গ্রহণ করতে পারছি না।
নস্যরাজ বলেছেন:
প্রথমত-আপনাদের হাতে যথেষ্ট প্রমান নেই।
তারপর, আপনারা ব্যাপারটাকে রাজনীতির সাথে গুলি্যে মাঠা বানাচ্ছেন।
Problem এবং Issue এই দুইয়ের মাঝে বিস্তর ফারাক আছে।বুঝবেন আশা করছি।
আর যে উপমা আন্দোলন শুরু করেছিলেন সে তো এখন লেজ গুটিয়েছেন। ব্যক্তিগত দ্বন্দ দয়া করে ব্লগে আনবেন না।
লেখক বলেছেন: শোনেন, বাংলাদেশে এর চেয়ে বিস্তর ভয়ানক যৌন নিযাতন হয়, তা নিয়ে আন্দোলন হয়, অনশন হয়, কিন্তু কিছুতেই কিছু হয় না। অপরাধীর টিকিটিও ছোয়া যায় না। উল্টো বিচার দাবি করারই বিচার করা হয়। তাই স্বাভাবিক বিবেচনায় এসব নিয়ে কথা বলার কোন মানে হয় না।
কিন্তু একজন অপরাধীর সাথে যদি জাতীয় কোন নেতা-নেত্রীর সম্পর্কের জায়গাটা নির্ণীত হয় তাহলে কথা থাকে। আমরা গরীব দেশের অগা-মূর্খ নাগরিক হতে পারি। তাই বলে কী আমরা আমাদের জাতীয় পর্যায়ের নেত্রীদের আশপাশটা পরিষ্কার দেখার দাবি করতে পারি না। তারা না আমাদের আইকন!!
ব্লগে ব্যক্তিগত দ্বন্দের কোন প্রচারণাই আমি করছি না। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে একজন মানবকি বোধসোধ সম্পন্ন চিকিৎসককেই শেখ হাসিনার চোখের চিকিৎসক হিসেবে দেখতে চেয়েছি।
রাজর্ষী বলেছেন:
আমরা ডাক্তারের লুইচ্ছামীর বিহিত করতে চাই। তবে প্রামান সাপেক্ষে কারন বিষয়টা খুবই সেনসিটিভ। এই ডাক্তার সহ আরো অনেক ডাক্তার এবং অনেক শিক্ষকরাও এই দোষে দুষ্ট বলে আমি মনে করি। এমনকি ঘাটের মরা ইয়েসউদ্দীন এর কথাও আমি শুনছি যে বুইড়া বয়সে তার ভীমরতি। বাসে কি পরিমান লোক বাজে চান্স নেয় সেটাও চিন্তার বিষয়।আর এই পুস্টের উদ্দেশ্য এই ধরনের লুইচ্ছামীর বিহিত করার চেয়ে এটাকে নিয়া পলিটিক্স করা বলে মনে হচ্ছে। কিছু লোক আবার দুইলাইন আগাইয়া কমেন্ট করতাসে জাহান্গীর নগর, মানিক আর শেখ হাসিনা মিলাইয়া। তাদের বলছি যে শেখ হাসিনা ব্যাবস্থা নিসিলো
সেটা আমি জানি, কারন কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মাধ্যমে তাকে অনুরোধ করা হইসিলো। এমন কি মানিকের লুইচ্ছামীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে ছাত্রলীগের আরেকটা গ্রুপ সক্রিয় ছিলো, তারা মানিকের ক্যাডারদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে হাসপাতালেও ছিলো। ভালো খারাপ সবজাগাতেই আছে কিন্তু একবিষয় নিয়া যখন পলিটিক্স হয়া যায় তখন অনেক সত্য চাপা পইরা যায়। পাবলিক খালি তখন সাদা আর কালো এই দুইটা রং দেখে আর ভুইলা যায় যে সাদা আর কালোর বাইরেও আরো অনেক রং আছে।
লেখক বলেছেন: এখানে আমি কোন ধরণের রাজনীতি করিনি। আমি যদি রাজনীতি করতাম তাহলে হাসিনার কাছে বিহিত দাবি করতাম না। আমি হাসিনারই বিহিত দাবি করতাম। কিন্তু দেখায যাচ্ছে কেউ কেউ বিষয়টাকে রাজনীতি বলে জাতীয় নেতা-নেত্রীদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের জায়গাগুলো পরিষ্কারের যে আন্তরিক প্রত্যাশা রয়েছে তাকে ধামাচাপা দিতে চান।
এর ফলে কী হবে?
আশপাশের পাপে তারা আবারও জেলে যাবেন, আঙ্গুল ভাঙ্গবেন, পা পিছলে ভাতরুমে পড়ে যাবেন। কিন্তু কোন হিয়াল-কুত্তাও এ জন্য হাত তালি দিবো।
এটা যদি কারও চাওয়া হয় তাকে রুখবে কে????
চোরকাঁটা বলেছেন:
এইটা বুঝছি ব্লগে পেডোফিলিকের অভাব নাই। খোমেনী তুমিও চিপা দিয়া পলিটিকস কইরা লইলা কিন্তু।
লেখক বলেছেন: কোন পলিটিক্স করি নাই। যদি করতাম তয় বলতে পারতাম- দেখো দেখো হাসিনার চিকিৎসক যেহেতু একটা বদ সেহেতু এর দায় হাসিনা নিক। কিন্তু আমি হাসিনার উচ্চস্থানটা উচু রেখেই এ লোকটার বিষয়ে একটা বিচার আশা করেছি। কারণ একজন জাতীয় নেত্রীর রাজনৈতিক-পারিবারিক-ব্যক্তিগত সম্পর্ক নির্ধারণের জায়গাগুলোতে এমন কোন উপাদান যোগ হওয়ার সুযোগ নেই যা তাদের সব অর্জনই বিসর্জন দিতে বাধ্য করে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কেনে??
!!
মিছে মন্ডল বলেছেন:
আপনার উদ্দেশ্য সৎ নয়। একজন মানুষ ব্যক্তিগত জীবনে কী করেছেন তা শেখ হাসিনার জানার কথা না। আর যে অভিযোগ করছেন তার কোন প্রমান নেই। তারপরও আসল কথা শেখ হাসিনার কাছে এই ধরনের অভিযোগের জন্য ব্লগ কোন মাধ্যম নয় । আমি সেই পোস্টে ব্যক্তি মোদাচ্ছিরের কার্যক্রমের জন্য কোন প্রমাণ ছাড়াই ,শুধু মাত্র পোস্টের বক্তব্যের সাথে সহমত প্রকাশ করে তার শাস্তির কথা বলেছিলাম। কিন্তু তখনো বুঝতে পারিনা, বা বুঝতে চাইনি যে এটার একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। এখন বুঝতে পারলাম আপনাদের নোংরা রাজনীতি ও নোংরা মানষিকতা। এখন আমার সত্যিই সন্দেহ হচ্ছে আসলেই আপনাদের অভি্যোগ সত্যি কিনা। আমি নিজে খোঁজ নিয়ে দেখবো ডাঃমোদাচ্ছির এর সম্পর্কে। আপনার মানষিকতা নিয়ে আমি আসলেই সন্দিহান।
লেখক বলেছেন: আপনার খোঁজ-খবর স্বার্থক হোক।
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুক।
জাতীয় পর্যায়ের নেতা-নেত্রীদের তোষণ না করে তাদের নিজেদের ছুরত ও আশপাশের ছুরতগুলো যদি কোন বিতর্কের জন্মই না দেয় তাতে নিশ্চয় তারাই লাভবান হবেন।
কারও অভিযোগ পাওয়া গেলে তার অনুসন্ধান করে অভিযুক্তদেরই উচিত পরিষ্কার করা। একজন নিতান্ত সাধারণ মানুষ কোন বিষয়ে ওজর-আপত্তি উত্থাপন করলেই যে তার মানসিকতা নিয়ে সন্দিহান হতে হবে এটা কেমন কথা।
বরঞ্চ কোন নাগরিককে এভাবে পিষে ফেলার চেষ্টার মধ্যেই তো একটি স্বৈরাচারী মনের দেখা মেলে।
ধন্যবাদ।
লেখার সাথে অনেকাংশে সহমত। এই পয়েন্টে প্লাস। খারপ লাগছে নম্রতার জন্য।
তবে এভাবে দুই নেত্রি যদি মাইনষের চরিত্র রেক্টিফিকেশান প্রোগ্রামে নামেন তাহলে তো সমস্যা। প্রতিদিনই এমন অনেক ঘটনা ঘটছে। সবার জন্য নেত্রী বা ম্যাডাম দায়ভার নিতে পারেননা। হোক না তিনি ব্যক্তিগত চিকিৎসক বা আরও কাছের কেউ।
রাজনৈতিক ইমেজ বাড়াবার জন্য নেত্রী বা ম্যাডাম এর কি করা উচিত মূলক টিপস্ এর সাথে সহমত নই।
লেখক বলেছেন: রাজনৈতিক ইমেজ বাড়ানোর কি দরকার??
তাদেরতো রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবেই নিজেদের বিদ্যমান ইমেজ রক্ষা করা দরকার।
জ্যামিতি বলেছেন:
শিবির খোমেনী সবকিছুর মধ্যেই দেখি রাজনীতি করেনর চান্স খোজে....ব্যাপারটা কি ?কেউ যদি লাম্পট্য করে তার বিচার করেব রাষ্ট্র, আইন আদলত , সেখানে শেখ হাসিনা বিচার করার কে ??
শিবির খোমেনী পূর্বপুরুষ জামাতীদের মতন বাজে অভ্যাস ছাড় ।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
সর্বনাশ!শুধু ব্লগের একটা পোস্টের ওপর ভিত্তি করে আপনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রধানের ব্যাক্তিগত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এতো বড়ো অভিযোগ আনলেন?
প্রশ্ন-
'উপমাআহমেদ' কে আপনে নন-ভার্চুয়ালি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন? এই ঘটনার কোনো স্বীকৃত সংবাদসূত্র আছে?
উত্তর যদি না হয়ে তবে আপনার পোস্ট সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ রইলো।
লেখক বলেছেন: আপনার পরামর্শ গ্রহণ করলাম না। যদি কোন সাধারণ চিকিৎসক প্রসঙ্গে বিষয়টা আসতো তাতে প্রমাণ খোঁজাখুঁজির ব্যাপার আসতো। কিন্তু একজন চিকিৎসক যখন একজন জাতীয় নেত্রীর সাথে সম্পর্কিত হন তখন এ বিষয়টা নিয়ে নাগরিক অভিমত-দাবি খাড়া হতে পারে। অভিযোগকারীকে যদি আস্থার জায়গায় দাড় করায়ে কারও পোস্ট সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে থাকেন, তাহলে আরও কতো জনের কতো পোস্ট সরানোর অনুরোধ করা অতীতেই আপনার উচিত ছিলো তার হিসাবটা প্লিজ করে নেবেন।
শোনেন একটা সুস্থ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতিই যদি দাড় করানো না যায়, তাহলে আর দেশটাকে নিয়ে কোথায় দাড়াবে নাগরিকরা। ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে এ ধরণের ঘটনাতো সমাজে ঘটছেই কিন্তু কোথাও প্রতিকার মিলছে না। কারণ সমাজে বড় কোন উদাহরণই তৈরি করা যায়নি। সেই সুযোগটা হাসিনা-খালেদা তো তৈরি করতে পারেন।
কিন্তু ব্লগারের বক্তব্য-ভাষায় একটা বিষয়ই শেষ পর্যন্ত খাড়া হয় জাতীয় নেত্রীরা যেহেতু দেবী তুল্য সেহেতু তাদের সম্পর্কীয় সকল বদমায়েশকেও ভগবান হিসেবে পুজো করতে হবে।
একজন জাতীয় নেত্রীর আশপাশটা নিয়ে যদি কেউ কোন অভিযোগ তুলে থাকে তাহলে ঐ নেত্রীর অবশ্যই উচিত তার একটা বিহিত করা। এ জন্য প্রমাণ-তদন্ত-বিচার করার দায় তার আছে। আমি এটাই প্রত্যাশা করেছি।
যেহেতু তারা মানুষের ম্যান্ডেট চান, সেবা করতে চান সেহেতু তাদের এ দায় নিতে হবে। আর আমি একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে নিশ্চয় নাগরিক দায় শোধ করেছি। ধন্যবাদ।
ম্যাকলাভিং বলেছেন:
মাইনাস

















+++