রমযানের ঐ রোযার শেষে আসলো ভূমিকম্প। আজ ভুলে যাহ তোর দোস্ত দুশমন, ভাগরে দালান ছেড়ে । চাপা খাইয়া থাকবিরে ঈদে, মোবাইল চার্জে দে। পোলাও কোরমা নিয়া ডুকিস বিছনারি তলে.................
স্কুল ছুটি হয়ে গেলো।আজ ২টা ক্লাস ছিলো। বাংলা আর ইংরেজী। অংক ক্লাস হয়নি। আম্মুর কোলে চড়ে এসেছিলাম। রিক্সায় আমার ভয় করে। স্কুল কাছেই ছিলো। স্কুল ছুটির পর সবার আম্মু আসলো। অনেক্ষন হয়ে গেলো, আম্মুর খবর নাই। এক এক করে সবাই চলে গেলো। শুধু দাড়োয়ান আর আমিই ছিলাম শেষমেষ। ইংরেজি ম্যাডাম দাড়োয়ানকে বলে গেলেন যেন আমাকে একলা রেখে না যায়। কিন্ত দাড়োয়ান আংকেল ম্যাডাম যাওয়ার একটু পরেই আমাকে রেখে চলে গেলেন। আমি অনেক চেষ্টা করলাম, কিন্ত চোখ দিয়ে পানি বের হয়েই গেলো। অনেক সময় কেটে যাওয়ার পরেও যখন আম্মুর খবর নাই। তখন ভাবলাম একাই বাসাই যাব, কিন্ত খুব ভয় লাগতেছিল। রাস্তা ভয়ে অপরিচিত লাগতেছিল। ব্যাগটা খুব ভাড়িও লাগতেছিল। ভয়ে শক্তিও কমে গেছিলো আমার। আম্মার সাথে যখন আসি রাস্তা খুব সোজাই মনে হচ্ছিলো। এখন আর বাসার রাস্তা সোজা মনে হচ্ছেনা। পানির খুব পিপাসাও টের পাচ্ছিলাম। আমার কাছে টাকাও ছিলোনা। রাস্তায় একটা আংকেল আমকে দেখতে পেলো। আব্বার বন্ধু ছিলেন উনি। আমাকে বাসায় নিয়ে আসলেন আংকেল। এসে দেখি বাসায় তালা দেওয়া। পরে আংকেল বললেন উনার বাসায় যেতে, আমিও গেলাম । উনি একলা একটি বাসায় থাকতেন। ভিতরে ডুকেই দ্দেখলাম আম্মু। এই আম্মুকে আমি চিনতেই পারলামনা। আমাকে ঘরের ভিতর নিয়ে আংকেল দরজা জানলা সব ভালো করে বন্ধ করে দিলো। আম্মু আমার হাত শক্ত করে ধরলো । আংকেল আমার গলা চেপে ধরলো। আস্তে আস্তে আমার সব অন্ধকার হয়ে গেলো। খুব যে কষ্ট হলো আমার তা না। কিন্ত আমি আম্মার কান্ড দেখে এতোটাই অবাক যে, কষ্ট টের পাওয়ার আগেই মারা গেলাম। মারা যাওয়ার পরও সব কথা ঠিকই শুনতে পারতেছিলাম। আংকেল বললো, এটাকে নিয়ে করবা এখন। আম্মা বললো এটার লাশ দিয়েই আসল কাজ করতে হবে। ওর আব্বার নামে কেস দিতে হবে, যে আরেক মহিলার সাথে আকাম কুকাম করছে এইটা আমার ছেলে দেখে ফেলছিলো, তাই ছেলেকে মেরে ফেলছে। এরপর আংকেল বললো বাহ তোমার তো অনেক বুদ্ধি। তোমার জামাইকে জেলে ভরে আমরা শুধুই মজা লুটবো। কিভাবে লুটবো জানো। আম্মা বললো নাহ তো। এরপর…….. . .. . . .. . . .. . . . . .. . . . . . . . ..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



