বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে জোহরা খান প্রজ্ঞা নামে আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্ট’ায় হলের বাথরুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সে আͧহত্যা করেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছে। এ ঘটনায় হলের ছাত্রীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার চাচা আবদুস সালাম জানান, লেখাপড়া শেষে বড় আইনজীবী হওয়ার ইচ্ছা ছিল ওর। কিন্তু সে আশা আর পহৃরণ হলো না। অঙকুরেই সব শেষ হয়ে গেল।
সে রোকেয়া হলের নতুন ভবনের ১৩ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্রী। সকালে ছাত্রীরা হলের বাথরুমের একটি কক্ষ দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ দেখেন। হলের নিরাপত্তারক্ষীদের ডেকে তারা দরজা ভেঙে প্রজ্ঞার লাশ ঝুলšø অবস্থায় দেখতে পেয়ে আবাসিক শিক্ষিকাদের খবর দেন।
সহৃত্র জানায়, রাত ২টা পর্যন্তšø রুমমেটদের সঙ্গে সে গল্প করেছে। এ মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার সহপাঠীরা। তাদের মতে, প্রজ্ঞা আত্মͧহত্যার করার মতো মেয়ে নয়। ময়নাতদšন্তেøর জন্য সকালেই তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত রোববার সে বাড়ি থেকে হলে আসে। তার রুমমেট ও আশপাশের কক্ষের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সে অনেক রাত পর্যন্তšø প্রায়ই মোবাইল ফোনে কারো সঙ্গে কথা বলত। মোবাইলে কথাবার্তায় মান-অভিমান থেকেই হয়তো সে আত্মͧহত্যা করে থাকতে পারে। প্রজ্ঞার বল্পব্দু একই বিভাগের ছাত্রী নিশাত ফারজানাও মোবাইলে কথা বলার কথা স্বীকার করেন। জানা গেছে, ভিন্ন ধর্মের একটি ছেলের সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে প্রেমঘটিত কারণেই মৃত্যু হয়েছে কি-না সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শাহবাগ থানার এসআই আকতার মোর্শেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি আত্মͧহত্যা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্তšø এ বিষয়ে চূড়ান্তšø মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, গলায় ফাঁস লাগানো থাকলেও তার লাশের পা ফ্লোরের সঙ্গে লেগে ছিল।
তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জে। বাবা নজিরউদ্দীন খান মাদ্রাসা শিক্ষক। মা মরিয়ম খান। ৫ ভাই-বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। তার চাচা আবদুল সালাম দুপুরের দিকে এসে লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

