আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা শহরের আধুনিক ছেলেদের কিছু কর্ম কান্ডের হদিস বুঝতে কস্ট হয়। এর মানে কি? - মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন
- রাইফেল সিরিজ - বিডি ০৮ সাবমেশিন/ মেশিনগান গান - সাধারণমানুষ
- অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন? - ব্রাত্য রাইসু
- ফাহমিদুলের আত্মপরিচয় অনুসন্ধান: পুনর্পাঠ - ভূপর্যটক
- শীতনিদ্রা থেকে ফিরে: পুরাতন কবিতা - মানস চৌধুরী
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- প্রসঙ্গসূত্র জা.বি.: প্রতিরোধ প্রায়শই এনার্কিক; প্রায়শই লাইফস্টাইলে পরিসীমিত; কিন্তু অনেক অপশনও তো খোলা নেই ... - মানস চৌধুরী
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- একটি বাংলা রচনা: জনসংখ্যা সমস্যা - ফাহমিদুল হক
- সিডনীর ভন্ড আলেম থিকা সাবধান!! - সমালোচনাকারী
- পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- পাকমন পেয়ার: নেকাবের আড়ালে ফিসফাস, এক অদ্ভুত সৎ প্রচেষ্টা! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৭
অপদার্থ গোবর গণেশদের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি ধরিয়ে চাকুরি পাইয়ে দিতে
'ব্যবসা প্রশাসনের' জুড়ি মেলা ভার। 'বিজ্ঞান' ও 'শিল্প সাহিত্য' অর্থে 'কলা' বিমুখতায় এদের অবদান ১৮ আনা। জীবন আর কর্মের বাস্তব 'রঙ' বুঝে ওঠার আগেই, ওরা 'সঙ' এর প্রদর্শনী আর 'ঢঙে'র আচরণ (বিহেভিয়ার) রপ্ত করে উপার্জনই তাদের পেশা ও নেশা।সহজে পাঠ যোগ্য 'হিসাব বিজ্ঞান' (আদতে এক মহাবিজ্ঞান) শিখিয়ে ক্যালকুলেটর চেপে কিছু ডেবিট-ক্রেডিট শিখে, ফুল বাবু সেজে অপিসের চেয়ারে বসে নথি পত্রে দস্তখত, আর 'এক্সকিউজ মি' টাইপ ঘিন ঘিনে বাংলিশে ন্যাকামো করাই তাদের জীবিকা। এদের ঠেলায় ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনবিদ্যার সুসার নাই, নাম মাত্র উপার্জনের দুঃখে এরা আবার 'ব্যবসা প্রশাসনে" স্নতোকত্তোর করছে, বেসরকারিতে।
'ব্যবসা প্রশাসনে'র সাথে 'বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়' যোগ হলে তো কথাই নাই,"আলালের ঘরে দুলালদের অদ্বিতীয় ও শেষ সম্বল গাইড"। অঢেল বিত্তকে পুজি করে বিদ্যা কিনে আবার সেই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির 'সেলস একজিকিউটিভ' ফুল বাবু।
পরিচিত এক বড়দা আছেন। ইস্কাটনে আলিশান বাড়ি। বাবা মা দুজনেই পিজি'র জাদরেল ডাক্তার। নর্থ সাউথ থেকে ব্যবসা প্রশাসন পড়ে লক্ষ টাকা ছুই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী (এম্প্লোইই,অফিসার বললে ভাল শোনাত হয়ত।) । এসি ঘর ছেড়ে এসি গাড়িতে তারপর আবার এসি অপিসে। ম্যাগি নুডুলস, রেপ গান, ডিসকো পার্টি, ফি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন বদল, সাকুরা, গ্যালাক্সি, পি ককের নিয়মিত ভোক্তা, কি নেই তার জীবনে!!! এখন এতকাল পর এসে "হা হুতাশ, দুঃখ কষ্টের বিলাসী ভাব ধরে "মরে যেতে ইচ্ছে হয়, নিজেকে খুব হীন আর ক্ষুদ্র মনে হয়, এইসব আবেগ তাড়িত ভাবনা।"
ঢাকা বাসী আইডিয়াল, নটরডেম হয়ে বুয়েট-মেডিক্যাল-আই বি এ বলে কথা নয়, প্রচন্ড সুবিধাভোগী ও অর্থ বিত্তশালী সম্প্রদায় এক "অবাস্তব কষ্ট কল্পনার বিলাসিতা করবে" বিপরীতে পবিত্র শ্রমজীবী রিক্সাওয়ালা কেন ১/২ টাকা বেশি নিবে সেটার তর্ক করবে, গরীবের গলা চিপে দিবে জন্মের মত মা বাপ তুলে গাল। এইসব সমাজের ঝড়কন্যারা "মন খারাপ", "মন খারাপ","মন খারাপ"...."কিছু ভাল লাগেনা", "লাইফ সাকস", "লাইফ ডাল" বলে কাতরাতে থাকবে পুরুষ ব্লগারদের কাছ থেকে রমণী মোহন সমবেদনা, স্তুতি শোনার জন্য। সমালোচনাও যে বন্ধু সুলভ ব্যাপার সেটা এক ঘেয়ে স্তুতি শোনতে অভ্যস্তরা বুঝেনা, "ধমকের স্বর নারীর জন্য নয়", এতে অবলা নারীদের উপর শক্তি প্রদর্শনের কারণে পাল্টা দোষ আসে, নারীদরে মুখের উপর সমালোচনা করাটা "অভদ্রতা", ফলত মেয়েরা অপমানের জ্বালা সইতে না পেরে "আত্মহত্যা করে" পুরুষকে আমৃত্যু বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে যায়।
অনর্থক হাসাহাসি টা পাগলামির প্রকট লক্ষণ বলে ধরে নেয়া হয়, অথচ নারী কন্ঠে পুনঃ পুনঃ হাস্যরোল কিংবা ফিচফিচে হাসি (হাসির সাথে বক্তব্যের নিকটতম সম্পর্ক না থাকলেও) শুনলে পুরুষেরা পুলক অনুভব করে নিরবে। উল্টো মন্তব্য করে মেয়েটা কত জলি, মিশুক। হিন্দী সিরিয়াল আর ছবি দেখে ভাব, ভাষা, পোশাক আমদানি করে ন্যাকা সুরে কথা আর হিস্টিয়ার মত কথায় কথায় হাসা এ প্রজাতিকে পা দিয়ে মাড়িয়ে মারতে ইচ্ছা হয় খুব।
বনানীতে এক পুরনো সহপাঠীর (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) সাথে দেখা করতে গেলাম, দুপুরের খাবার টা জুটানোর জন্য। লিফটের ভিতর সেই বীভৎস অভিজ্ঞতা, গা ঘিন ঘিনে বাংলিশে চারপাশ পরোয়া না করে হাসাহাসি, চিৎকা। নারী পুরুষ, ভদ্রতা বাছ বিচার না করে গায়ের উপর ঢলে পড়া। মেয়েদের হাসি, কান্না প্রকাশের আতিশাজ্যটা মৃদুস্বরে সায় দিতে থাকে তাদের পুরুষ সহপাঠীরা। ফটো কপি পড়বে তাও ভাল, ১০০-১৫০ টাকা দিয়ে পাঠ্য বই কিনতে তাদের আপত্তি। মোবাইলে ১০০০+ টাকার কথা বলে ওদের সুখ।২০,০০০ টাকার ক্যামেরা মোবাইল না হলে চলেনা। ২-৪ টা সিম কার্ডে ও ওদের জৈবিক চাহিদা মিটেনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ডিসটেম্পার' নামে এক মেয়ের খ্যাতি ছিল, চুন কাম করে নিজের কৃত্রিম রূপটা প্রদর্শনী করত নিয়মিত। লিপস্টিক দেয়ার প্রয়োজন কেন, খুব নিরীহ প্রশ্নের জবাব টা হত দাঙ্গাবাজদের মত, 'নিজের কাছে ভাল লাগে তাই'। আমি বলি, আপনি তো আপনার লিপস্টিক আয়না ছাড়া দেখতে পারেন না, ওটা কেমন যেন কামুক পুরুষের বুকের রক্তের মত মনে হয়। আমি সংকীর্ণ মনা, মধ্যযুগীয় কারণ নিজের ঘরের বোন কে বিল বোর্ড সজ্জার পণ্য ছবি হতে বাধা দিই। এমকি পুরুষের ক্ষুরের বিজ্ঞাপনে নারী এসে নপুংশক দর্শন পুরুষের গাল ছুয়ে না দিলে পণ্য বিক্রয়ে ভাটা পড়ে যায়।
ঈদ, বিয়ে, জন্মদিনের মত সব সামাজিক অনুষ্ঠানে আমি সদা সর্বদা অনুপস্থিত। জানা ছিলনা ওসব জায়গা কি হয়, যতদিন না ফেস বুকে দেখলাম বাঙালির কর্ম কান্ড। বঙ্গ থেকে ২০০ টাকায় কেনা পাঞ্জাবি পরে কুদর্শন, রোগাটে এক বর রূপী ছেলের পাশে বসে আছে, অভূতপূর্ব ভীষন গৌর বর্ণের সজ্জাধারী সুন্দরী। পাশে ছেলেটা আপেক্ষিকভাবে কুদর্শন সেটা মেয়েটার অতি সজ্জার কারণেই। ভীষন এ বৈষম্য আমাকে নাড়া দেয়। অলংকার থাকা ভিন্ন ব্যাপার, কিন্তু চুনকাম করে 'নারী'কে প্রদর্শনীর মডেল হিসেবে ডায়াসে বসিয়ে দেয়া, যেন কোন পুরুষ কত বেশি সুন্দরী বিয়ে করল সেটার প্রতিযোগীতা-প্রদর্শনী, পুরুষের সজ্জা আর প্রসাধন নিয়ে মাথা ঘামানোর লোক নাই। আর অন্য কোন দেশে এ বীভৎস কাজটা করা হয়না বলেই জানি।
চুল মাথায় থাকা কালে কেউ কোন দিন 'নিজের চুল' দেখেছে জানা নেই। মূল্যবান চুলের ভীষণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুকি থাকার পরেও ৮-১০ হাজার টাকায় রঙ করে, সোজা করার একটা মহামারী চলছে ব্যাপক। বেচারি নিজেই দেখতে পেলনা এ চুলে নিজেকে কেমন লাগছে। আমার মত মানসিক প্রতিবন্ধীরও বোধ আসে যে , এটা প্রকাশ্যে বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণের প্রবল একটা প্রচেষ্টা, অনেকটা ওড়না টাকে গলায় পেচিয়ে হাটার মত পাশবিকতা। পুরুষের জুতার সোল ক্ষয়িষ্ণু, ভোতা নিঃশব্দে চলার সাথী। আর মেয়েদের টা কায়দা করে বানানো হয় যেন "কট কট কট" শব্দ তুলে জন মানবকে চোখ তুলে তাকাবার আহবান করতে পারে।
পুরুষের জন্য চলছে শর্ট শার্ট নামের ব্লাউজ জাতীয় জিনিস। উবু হলেই আন্ডার ওয়্যার, পিঠ ও আংশিক পশ্চাৎদেশ দেখনো যায়। দু'কাধে ঝুলানো ব্যাগ থেকে, এক্স ফাইলসের ফাইল ব্যাগ আর এখন চলছে শিক্ষার্থীদের কাধে ঝুলে 'লেডিস মার্কা' এক কাধে লম্বা করে ঝুলানো ব্যাগ, হাটুর কাছে গিয়ে ব্যাগ-বই পুস্তক গিয়ে ঠেকে।১০০ জন কে গড্ডালিক অনুসরণে যে ফ্যাশন হয়না, সেটা বুঝার বোধ বুদ্ধি নাই। ছেলেদের 'সালোয়ার কামিজ' টাইপ "পায়জামা-পাঞ্জাবি"র সাথে এখন ওড়না সদৃশ বৃহৎ কাপড়ের ফালির উদ্ভব হয়েছে।
সহচর, সহপাঠীরা যখন 'ডিজুস সঙ' সেজে এসে বলে, "শেরিফ চল, নন্দন যাই, কক্সবাজার যাই, নিউ মার্কেট যাই, বসুন্ধরা যাই, ঐমুকের বিয়ে, তমুকের বিয়ে বার্ষিকি...."। আমার উত্তর হয় একটাই,
"তোরা দূরে গিয়ে মর!"
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মামু বলেছেন:
Say No 2 GP
লেখক বলেছেন: ব্যবসা করতে দোষ নাই মুক্ত বিশ্বে, কিন্তু রুচিবোধ আর সংস্কৃতিকে নতুনভাবে বিপরীত মেরুতে নিয়ে সংজ্ঞায়িত করার বিপক্ষে আমি।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
সামহোয়্যারইন ব্লগের ইতিহাসের অন্যতম সেরা পোস্ট। নিঃসন্দেহে।
ধন্যবাদ দিয়ে পোস্টটিকে অপমান করতে চাচ্ছিনা।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
Say No 2 GP
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন:
সমাজের প্রতি আপনার দৃষ্টিভংগি খুব ভাল লাগল। আর লেখা তো চমৎকার! এ+কিন্তু তারপরেও আমার একটা আপত্তি - পড়াশুনার বা পেশাগত কোন লাইন-কে কি খাটো করে দেখা ঠিক?
লেখক বলেছেন: পড়াশোনা মানুষকে খাট করেনা, "বিশেষ বিশেষ" বিষয় নিয়ে মানুষের পছন্দ আর বাড়াবাড়ি ঐ "বিশেষ বিশেষ" বিষয় নিয়ে পড়াশোনা টাকে খাট করে দেয়।
কানা বাবা বলেছেন:
আরে ভাই, (মামুরে ভাই কওন কি জায়েজ?) খালি খালি জিপি-ডিজুসরে দুষেন ক্যান...
এম্নে কৈরা কৈলে তো ডেনিমের জিন্স থিকা কে-ক্রাফটের ফতুয়া; বঙ্গের গেঞ্জি থিকা রে-ব্যানের চানগেলাস--বেবাকগুলানরেই NO কওন লাগে...
পুস্টো ভাল্লাগচে...
লেখক বলেছেন: ডিজুস নতুন প্রজন্মর মাঝে কার্যগত ও গুণনত বিপ্লব এনেছে, রথ দেখা কলা বেচার মত এক ঢিলে দু পাখি। ডেনিম, রে ব্যান তাদের পণ্য ও পুজিটাই গুণে, সঙ সেজে নাচার শিক্ষা ও আদর্শ ছড়ায় না।
এক মাস কফি ফ্রি দেয় ক্যাফেইনের নেশা ধরিয়ে দেয়া, তার পরের মাস থেকে উচ্চ দরে কফি বেচে নেশা গ্রস্থদের কাছে টাকা তোলা। "কফি"র স্থলে "ডিজুস সংস্কৃতি" জানবেন।
হলদে ডানা বলেছেন:
একসিলেন্ট।
অরুনাভ বলেছেন:
"এইসব সমাজের ঝড়কন্যারা "মন খারাপ", "মন খারাপ","মন খারাপ"...."কিছু ভাল লাগেনা", "লাইফ সাকস", "লাইফ ডাল" বলে কাতরাতে থাকবে পুরুষ ব্লগারদের কাছ থেকে রমণী মোহন সমবেদনা, স্তুতি শোনার জন্য। "এই ব্যক্তি আক্রমন টুকু না করলেও পারতেন.......
মাইনাস
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপনারে যে কি বলে স্যালিউটটা দিবো বুঝতে পারছি না| মাত্রায় মাত্রায় যা বলতে চাই বলে ফেলেছেন| মনে হচ্ছে এটা আমারই পোস্ট|আমি এক এম।এন।সি'তে কামলা খাটি আর খ্যাত খ্যাত চোখে 'স্মার্ট'দের দেখি| তিন বছরেও 'স্মার্ট' হইতে পারলাম না, আর বোধহয় হবে না|
ভোগ ভোগ ভোগ আর ভোগ | আর কিছু চিন্তা নাই|
জন্মাইছে , একটা দাগ রাইখা যাইতে হয় - এইটাই জানেনা| কোনো শোকরানা নাই, চাই চাই চাই - যেভাবে হোক চাই|
মানুষেরে আর তার ব্যাক্তিত্বে মাপে না, মাপে স্যালারিতে|
কী অদ্ভুত আধাঁর এক!
[প্রিয়তে যোগ হলো]
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: পরিমিত বোধ সব ক্ষেত্রেই মঙ্গল। এমন কিছু বেসরকারি বি্শ্ববিদ্যালয় আছে যারা এক কালে বানিজ্যের ছাত্রদের কম্পিউটার বিজ্ঞানে ভর্তি করিয়েছে। ব্যবসা প্রশাসন খারাপ কিছুনা, আমি তেমনটা বুঝাতে চাইনি।
কিন্তু দল বেধে মেধার বাছ বিচার না করে যখন সবাই ওটাই গলাধ:করণ করতে থাকে, তখন "ব্যবসা প্রশাসনেরই" জাতটা নেমে গেল মনে হয়। এটা সর্ব বিষয়ে সত্য। তবে বিজ্ঞান আর গণিতের ভয়ে ভীত দেরই এ পথ মাড়াতে দেখা যায় যাদের আমরা কখনই দেশের সেরা মেধা বলতে পারিনা।
নর্থ সাউথের প্রাজুয়েটরা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেনের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অধ্যয়নরত। খারাপ বলার প্রশ্নই ওঠেনা। ছেলেটির প্রসঙ্গ এসেছে ভোগবাদের মাঝে অবাস্তব দুঃখ বোধের ভাব আনার দায়ে।
শুধু প্রাইভেট ইউনিভার্ষিটির উপর নিজের ঝাল উড়িয়েছে,............না......ওটা উপর নয়, ওটাতে আশ্রয় নেয়া ভোগবাদীদের কথাই বললাম, যারা সংখ্যা গরিষ্ঠ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সুনাম করছে। আপনি ওদের ধর্ম বিরোধী, তাই নিজের গায়ে মাখার প্রয়োজন নাই।
মনে রাখবেন সময়ের সাথে নড়তে না পারলে, ঝরে যেতে হয়,.........ভুলের মাঝে আছেন।
এই জাতি আর কত নিচে নামবে....?
+ দাগাইলাম,
আরও চাই বিবেক নাড়ানো লেখা
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন:
"লেখক বলেছেন: পড়াশোনা মানুষকে খাট করেনা, "বিশেষ বিশেষ" বিষয় নিয়ে মানুষের পছন্দ আর বাড়াবাড়ি ঐ "বিশেষ বিশেষ" বিষয় নিয়ে পড়াশোনা টাকে খাট করে দেয়।"-- সহমত।
"কনজিউমারিজম" পুরোদস্তুর গিলে ফেলেছে আমাদের সমাজকে। ভোগবাদের চরম শিকার আমরা। চাকচিক্যের আকর্ষণকে "না" বলা সাধারণ মানুষের কম্ম নয়। 'ব্যবসা প্রশাসনে'র সাথে 'বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়' যদি এক "cool lifestyle" -এর নিশ্চয়তা দেয়, মানুষ তা লুফে নিবেই।
আপনার অতি হাস্যকর যুক্তিটা দেখে বুঝতে পারছি ভুলের মাঝে কে আছে.........আপনার পুরো পোস্টার উপর আমার যে শ্রদ্ধাবোধ জন্মাচ্ছিলো তা এখন অনেকটাই মুছে গেলো।
প্রার্থনা করি, আপনার ভিতরে সঠিক বোধ জন্মগ্রহন করুক।
লেখক বলেছেন: সেরা ছাত্ররা মৌলিক বিষয় পড়ে, যেমন "অর্থনীতি, পদার্থ, গণিত"।
আমাদের দেশে হয়ে গিয়েছে প্রকৌশল আর ডাক্তারি।
সারা পুথিবী চষে জরিপ নিতে পারেন পাবলিক পরীক্ষায় তাদের দেশের শীর্ষ স্থান করা ছাত্র গুলো কিসে পড়ছে? যুক্তরাষ্ট্রে মেডিসিন , ল........প্রকোশলীরা ওখানে তেমন ভাত পায়না... আর ইউরোপে গণিত ও ভৌত বিজ্ঞানের দাপট।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
মনে রাখবেন সময়ের সাথে নড়তে না পারলে, ঝরে যেতে হয়,.........ভুলের মাঝে আছেন। >>
একমত নই| ঝরে যাওয়া ভালো , ক্লীব হবার চাইতে|
লেখক বলেছেন: গড্ডালিকায় চলে সাফল্য মিলে আর না করলে ঝরে পড়তে হয়.....এটা একটা উদ্ভট ধারণা। গড্ডালিকায় না চললে "ক্লীব" হয়ে যায়, এটা মানতে পারলাম না।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
এই পোস্টে যারা মাইনাসাচ্ছেন সেইসব মহান ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা- তোরা দূরে গিয়া মর!
দস্যু বনহুর বলেছেন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রুচিবোধ বলে একটি বিষয় চালু করা উচিৎ, অন্যথায় রুচি নামক বস্তুটির অস্তিত্ত্ব আমরা একদিন হারিয়ে ফেলব। পোস্টে ডাবল প্লাস।
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
যদিও আমি নিজেও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তবে যুক্তিগুলো ভালো লেগেছে। সবচেয়ে বড় বিষয় কর্পোরেট বিশ্বের প্রাসার দেশে ঘটার পর কেন যেন সব কিছু বদলে যেতে শুরু করে। এটা দেখলে সত্যিই খারাপ লাগে। আরেকটা বিষয় না বললেই নয়, বিবিএ ডিগ্রীটাকে নষ্ট করার জন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই প্রধানত দোষী। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে যদি কিছু পড়ার না থাকে তবে বিবিএ করো, অথচ এই স্ট্যাডিটাই একটা সময়ে কত পশ ছিল।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
অনেকটাই রাগের মাথায় লেখা মনে হল। আরেকটু ঠান্ডা মাথায় লিখলে এতটা হয়ত আপনি দুষতে পারতেন না। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট বিক্রি হয়- এটা ফ্যাক্ট (এই ইংরেজিটুকু আশা করি ক্ষমণীয়)। তবে এটাও ঠিক যে অনেক মধ্যবিত্তের/ নিম্নবিত্তের সন্তানও সরকারীতে চান্স না পেয়ে বাধ্য হয়ে জমি জমা বিক্রি করে হলেও প্রাইভেটে পড়ছে। কিছু একটা করে পেট তো চালাতে হবে।
আপনি প্রাইভেটের ছেলে মেয়েদের যতটা দোষ দিচ্ছে আমি ততটা তাদের দেই না, দোষ তাদের চেয়ে অনেক বেশি ঐসব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে বসেছেন যারা তাদের।
আপনি বুয়েট থেকে পাশ করেছেন, আমার মনে হয় না কখনো এদের মুখ থেকে কখনো হতাশাবাক্য শুনেছেন। যেভাবে এরা বলে,''আমরা তো টাকা দিয়ে পড়ি, ভুয়া পড়া পড়ি কিংবা আমাদের আবার ক্যাম্পাস।কোনমতে পড়া শেষ করে চাকরি পেলে হল।' এগুলো আপনি বোধহয় শোনেননি। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আমাদের দেশের প্রতিটি সরকারের (যারা এসেছে, আসছে এবং আসবে) তাদের তরুণ প্রজন্মের প্রতি উদাসীনতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন।
দোষ এদেরকে দেয়ার আগে যারা এদেরকে উন্নাসিকতা শিক্ষা দিচ্ছে তাদের দেয়া উচিৎ। ডিজুস প্রজন্মের দোষ না ডিজুস প্রজন্ম যারা তৈরি করে তাদের দোষ?
সারা দেশে বোধহয় ফ্যাশনজ্বর চলছে এখন। দায়ভারটা আমার মনে হয় মিডিয়ার। তারা যেভাবে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের ক্যামেরার সামনে নিয়ে আসে, নতুন প্রজন্মও তেমন হতে চেষ্টা করে।
আপনার লেখাটায় এই বিষয়গুলো অনুপস্থিত দেখলাম। লেখার ভাষা রাগের ভারে ভারী হয়ে উঠেছে অনেকটাই। তবে বোধহয় আরেকটু ফিল করে লিখলে লেখা ভাবের দিক থেকেও ভারি হত।
একটু তলিয়ে না দেখে আপনি যাকে সং সেজে সামনে দেখেছেন তাকেই গালি দিচ্ছেন, যে সাজিয়ে দিল তাকে পুরো অ্যাভয়েড করে গেছেন।
*অবশ্য এগুলো সবই আমার নিজস্ব অভিমত। আশা করি আপনার ফিলিংসকে হার্ট করবে না।*
লেখার বিষয়বস্তু ভালো লেগেছে,+।
লেখক বলেছেন: তবে এটাও ঠিক যে অনেক মধ্যবিত্তের/ নিম্নবিত্তের সন্তানও সরকারীতে চান্স না পেয়ে বাধ্য হয়ে জমি জমা বিক্রি করে হলেও প্রাইভেটে পড়ছে।............এরা মূলত প্রকৌশল পড়ে। প্রাইভেটে ক্ষ্যাপ মারার অভিজ্ঞতা আছে আমার। গ্রামের খ্যাত বালকের পক্ষে গুলশান-বনানী সঙ সেজে এক্সিকিউটিভ হওয়া দুরূহ ব্যাপার , যদিনা আই বি এ তে মেধার জোরে ঢুকতে না পারে।
আমি বলতে চাই কোটি পতি বাবার সন্তানেরা যেখানে ভিড় করবে সেখানেই এমন একটা ভোগবাদী সংস্কৃতি চালু হবে। কোটি টাকার বাতাসে বালিশে শুয়ে সেরা মেধাবী হয়ে পাবলিকে চান্স পেয়েছে এমন দৃষ্টান্ত কম, আজ পর্যন্ত। এখানে হীন মন্য তার কারণে সঠিক বিদ্যা থেকে বঞ্চিত হবার কথা বলা হচ্ছেনা, বরং নীল রক্তধারীদের অযোগ্য সন্তানের ততোধিক অখাদ্য ভাব ও ভন্ডামির কথা বলা হচ্ছে।
সারা দেশে বোধহয় ফ্যাশনজ্বর চলছে এখন। দায়ভারটা আমার মনে হয় মিডিয়ার। তারা যেভাবে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের ক্যামেরার সামনে নিয়ে আসে, নতুন প্রজন্মও তেমন হতে চেষ্টা করে।
>>>>> এখন বলুন গড্ডালিকায় চলে ব্যক্তি সত্বা ও স্বাধীন চিন্তা শক্তি হরণ করাটা মেনে নেয়া যায়। ধর্ম না বুঝে ধর্ম করার মত অধর্ম এটা, বুদ্ধিমান মানুষের কাজ বলে মনে হয়না।
একটু তলিয়ে না দেখে আপনি যাকে সং সেজে সামনে দেখেছেন তাকেই গালি দিচ্ছেন, যে সাজিয়ে দিল তাকে পুরো অ্যাভয়েড করে গেছেন।
>>>> "ডিজুস" প্রসঙ্গ তো আনলাম। আর কি চান?
নরম মনের আপাদের আমার ভাষা রুক্ষ মনে হবেই। কিন্তু ওটা আমার সহজাত অভিব্যক্তি।
একটা দেশ কখনো মাথা উচু করে দাড়াতে পারে না যদি না উতপাদনশীল খাতে তার বিনিয়োগ বাড়ে। পেপার খললে দেখতে পাবেন, মোটামুটি সব ধরনের জব হচ্ছে সারভিস অরিয়েন্টেড, যার ফলে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য কিছুটা মোডিফেকশন আনা জরুরি, যেটা বেশ কয়েক টা প্রাইভেট ইউনি তে ব্যপক ভাবে পরিলক্ষিত হয়, (যেমন, গ্রুমিং সেসন এড করা, কোস ডাইনামিক করা) অপর পক্ষে, পাবলিক ইউনি গুলা হচ্ছে স্কলার প্রডিউসার, যাদের ভবি্ষ্য এই দেশে বিপদাআপন্ন ,
তবে কথা হছে, এই টাকার, পরিবেশের যুগে আসল মেধাবিরা হারিয়ে যাচ্ছে,
লেখক বলেছেন: কাজের প্রয়োজনে কাজ করতে, কাজ পেতে দোষ নাই। নীল রক্ত ধারীদের অযোগ্য সন্তান আর তাদের ততোধিক অখাদ্য জীবনাচারের প্রভাব, বেসরকারীতে তাদের সংখ্যাধিক্য নিয়েই আমার বক্তব্য ও বিদ্বেষ।
ভোরের আলো বলেছেন:
অসম্ভব পছন্দ হইছে পোস্টটি।
রাতেরপথিক বলেছেন:
আপনার আসাধারন লেখনীতে আমি হতবাক।আমিও ব্যবসা প্রসাশনের ছাত্র তয় ঢাবির। যারা বিবিএ পড়ে তারা চিন্তা করে তারাই সব। ভাই আমিও সম্ভবত মানসিক রোগী কারন আমার কর্পোরেট কালচার কেন যানি ভালা লাগে না । ভাই আমি মানুষ হইবার চাই কর্পোরেট না।
আর নর্থসাউথ এর কথা বলতে গেলে বলতে হয়, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পড়ালেখা শেখার যায়গা নয় ওটা মনকে ব্ড় করার জায়গা বটে। মানবিকতা বিসর্জন দিয়া শিক্ষিত হইবার জন্য এনএসইউ মন্দ না। কিন্তু ওইখানকার কয়জন সত্যিকার মানুষ জানতে মন চায়। আসলে হিসাব তো সহজ ওইখানে তো কোন ফকিরনির বাচ্চা পড়ে না সব ধনীর দুলাল । যেখানে একটা বিশেষ শ্রেণীর মানুষ যাতায়াত করে এবং অন্য একটা বিশেষ শ্রেণীর জন্য নিষিদ্ধ সেই যায়গা হতে মেধার মূল্যায়ন করিবার দৃষ্টতা না দেখানোই আমার মত আদার ব্যাপারির জন্য ভাল।
আমিও এনএসইউ এর বেশ কিছু পোলাপানরে চিনি । ওদের কাছে ইংরেজি কইতে পারলে আর ফাও ভাব ধরতে পারলেই স্মার্ট হওয়া যায়।
আর একটা কথা কথায় কথায় বাংলাদেশ খারাপ এই দেশে দুর্নীতি হয় মোট কথা দেশটাকে উদ্ধার করতে পারলেই মনে হয় বহুত স্মার্ট হওয়া যায়।
আমার এই খারাপ দেশটাকেই বড় বেশি ভালবাসি আর ভালবাসি মানুষগুলোকে আমি স্মার্ট নই হওয়ার ব্যার্থ চেষ্টাও করতে চাইনা।
আপনাকে সালাম । আপনার এই লেখা সারাজীবন মনে রাখতে ভাল লাগবে।
রাতেরপথি এর সাথে আমি সহমত, আমি মানুশ হইবার চাই, আমার স্মাট (!) হইবার দর কার নাই। স্মাট মানে যদি কয়েক লাইন ইংলিশ বলা, গালফ্রেন্ড/বয়ফ্রেণ্ড বদলানো,
টাকার গরম দেখানো, মানুশ কে তার সম্মান না দেওয়া।
লেখক বলেছেন: আমাকেও আপনার দলে নিন ভাই।
"জীবন আর কর্মের বাস্তব 'রঙ' বুঝে ওঠার আগেই, ওরা 'সঙ' এর প্রদর্শনী আর 'ঢঙে'র আচরণ (বিহেভিয়ার) রপ্ত করে উপার্জনই তাদের পেশা ও নেশা।"
""মন খারাপ", "মন খারাপ","মন খারাপ"...."কিছু ভাল লাগেনা", "লাইফ সাকস", "লাইফ ডাল" বলে কাতরাতে থাকবে পুরুষ ব্লগারদের কাছ থেকে রমণী মোহন সমবেদনা, স্তুতি শোনার জন্য।" (চরম সত্যি কথাটা বলতে পারি নাই,আপনে বইলা দিলেন,সেইজন্য নিজের কাছে কিন্ঞ্চিৎ লজ্জিত,ইনাদের লাইফ ডাল দেখতে দেখতে আমার আজকাল দুনিয়া পান্তাভাত মনে হইতাসে)
"পুরুষের জন্য চলছে শর্ট শার্ট নামের ব্লাউজ জাতীয় জিনিস। উবু হলেই আন্ডার ওয়্যার, পিঠ ও আংশিক পশ্চাৎদেশ দেখনো যায়।"
সবশেষে,গরিবের অমর উক্তি--"তোরা দূরে গিয়ে মর!"
যতগুলা প্লাস দেয়া যায় দিলাম।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
তাড়াতাড়ি এক জন ভালো শৃঙ্ক দেখান জনাব শেরিফ।
কাল্পনিক বলেছেন:
আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায়ে প্রশাসন এ পড়ি। বিভাগে যতবার কর্পোরেট সেলিব্রেটিদের নিয়ে সেমিনার হয়েছে, একটা জিনিশ খেয়াল করেছি- ৯০% এর ও বেশি সফল একজিকিউটিভদের রেজাল্ট ভালো ছিল না, কিন্তু কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে তারা সফল। আমি বলতে চাচ্ছি যে, কই পড়লো আর কত CGPA পেল এটার চাইতে বড় হল সে কেমন পারফর্ম করছে।আপনি মুক্তবাজার অর্থনীতির কথা বলছেন, তাহলে বিজাতীয় সাংস্কৃতিক আক্রমনে বিপর্যস্ত কেন? আমার যেটা ভালো লাগবে, আমি সাচ্ছন্দ বোধ করব, সেটাই গ্রহন করবো, এখানে "স্বদেশি আন্দোলন" টেনে আনার চেস্টা করা হচ্ছে কেন?
১০০-১৫০ টাকায় আর যাই হোক, অনার্স লেভেলের বই পাওয়া যায়না। আমরা পাইরেটেড (ফটোকপি) যে বই পড়ি তার মুল্য আপনি বাজারে খোজ নিলেই জানতে পারবেন। আর অরিজিনাল কপির দাম জানতে চাইলে আমাজন.কম এ একটু ঢু মেরে দেখুন।
e=mc² জেনে দেশের দরিদ্র মানুষের কি উপকার হবে জানি না, তবে বিশ্বের অন্যতম নিম্ন বিনিয়োগকারী দেশ বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা বিবিএ পড়ে যদি নিজের জন্য ও কিছু করার চেস্টা করে, তবুও দেশের অর্থনীতির উন্নতি হবে।
মেয়েদের সাজগোজ নিয়ে আপনার সমস্যা কোথায় এটা এখনো বুঝলাম না। স্বয়ং মহানবী (সঃ) দাড়িতে মেহেদি মাখতেন পুরুষ মানুষ হয়ে; আর মেয়েরা একটু সাজলে কি দুনিয়া উল্টিয়ে যাবে? নিজেকে সুন্দর করে মানুষের কাছে উপস্থাপন করাটা যদি খারাপই হয়, তাহলে আপনি দয়া করে বলবেন কি, আপনি কতবার লুঙ্গি পড়ে ভার্সিটি গিয়েছেন?
সাইকোলজি এর একটা কোর্স করে মন্তব্য করে ফেলাটা বোধ হয় ঠিক নয়, তবুও বলছি, না পাওয়ার বেদনায় আপনি এতটা ক্ষুদ্ধ যে অন্যের ভালো আপনার সহ্য হচ্ছে না- আপনি সম্ভবত সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার এ ভুগছেন। ইন ফ্যাক্ট, একটা মেডিক্যাল জার্নালে পড়েছিলাম যে, বাংলাদেশের শতকরা ৭০ ভাগ জনসাধারন মাইনর সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার এ ভুগছে। তাই, আমার কথায় মন খারাপ না করে, আপনি কোন ভালো ডাক্তার দেখান।
আপনার সুস্বাস্থ কামনা করছি। শুভ রাত্রি।
লেখক বলেছেন: নিশ্চিত নারী কন্ঠ মনে হচ্ছে!!!!
জাবি ভাল জায়গা মশাই, ঝোপ ঝাড় গুলো দর্শনীয় স্থান।
ধর্মের অপলাপ আর নবী রাসুল টেনে আনবেন না সব জায়গায়। আমি রূপ সজ্জার ব্যাপারে নারী পুরুষের বৈষম্যের কথা বলেছি। বাঙালি পুরুষের দাড়ি নাই, দাড়িতে মেন্দিও মাখেনা। তাহলে আপনার ঠোটে ২৪ ঘন্টা রঙ মেখে চলার কারণ কি? আর শাড়ি, ব্লাউজ পরে, সুন্দর করে খোপা করে, তাতে বেলি ফুল গুজে, টিপ আর লিপলিস্টি দিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করা আপনার পবিত্র ইসলাম ধর্ম মতে সুন্নত ও ক্ষেত্র বিশেষে ফরয............এটা জানেন তো?
আপনি তো মেডিক্যাল পড়েন না বইয়ের দাম নাগালের বাইরে থাকবে। নীল ক্ষেতের অলি গলি আমার চেনা আছে। এক দিন আসেন দাম দর করতে শিখিয়ে দিব।
না পাওয়ার বেদনায় আপনি এতটা ক্ষুদ্ধ যে অন্যের ভালো আপনার সহ্য হচ্ছে না-............আমি কে আপনি জানেন? আমার জীবনে প্রাপ্তির হিসাব কি আপনার কাছে? অন্যের ভাল হলে ওটাকে আমি মানুষ হয়ে হিংসা করতাম, কখনই এভাবে ঘৃণা করতাম না।
আপনি সম্ভবত সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার এ ভুগছেন। ...........পাগল নিজেকে পাগল মনে করেনা। আমি করি, সেটা আমার প্রোফাইলে লিখে রেখেছি। সমাজ ও যুগের চলনসই ব্যবস্থার সাথে মিশে নিজের ব্যক্তিত্ব, বিচার বুদ্ধি আর স্বাধীন চিন্তা শক্তি হারিয়ে গড্ডালিকার সাফাই গাইছেন, আজ তাই প্রথা, লোকাচার বিরুদ্ধ কথা শুনে বলবেনই যে আমি মানসিক রোগী।
স্রষ্টা আপনাকে অন্ধত্ব ও গড্ডালিকার খোলস থেকে মুক্তি দিন।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
"........এরা মূলত প্রকৌশল পড়ে"- এটা কিভাবে বললেন আমার জানা নাই। তবে আমি প্রচুর গ্রামের ছেলে মেয়েদের এবং মধ্যবিত্তদের বহু কষ্টে প্রাইভেটে বিবিএ পড়তে দেখেছি। এটা একেবারেই আমার নিজ চোখে দেখা বিষয়। দেখুন শুধু আমাদের দেশে কেন সারা বিশ্বেই কমন পিপল সব সময়ই মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা অনুযায়ী চলে। নিজের ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করার জন্য যে প্রাতিষ্ঠানিক এবং নৈতিক শিক্ষা প্রয়োজন এটা আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং সাধারণ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার পরিবারগুলো দিতে পারে না। গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানো অবশ্যই দোষ, তবে প্রবাহটা যে সৃষ্টি হচ্ছে এটা আসল সমস্যা।নীল রক্ত ছেলেপেলেরা আজকাল পড়াশোনাও করে, ড্রাগও নেয় কেউ কেউ, সবই করে এরা।
আপনার আক্রোশ যাদের উপর পড়েছে তাদের অনেকেই ছা পোষা বাবা মায়ের সন্তান। এটাই আমার বক্তব্য ছিল।
"নরম মনের আপা" বলতে যা বোঝায় তা সম্ভবত আমি নই।
যাহোক, আপনি নরম মনের আপাদের উপর ত্যক্ত, বুঝতে পারছি। আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার ব্লগ আপাতত ত্যাগ করছি, ভালো থাকুন।
রাগ কমিয়ে ফেলুন আর কি!
আপনার ঝটপট interact করাটা ভালো লাগল।
কাল্পনিক বলেছেন:
আপনার মানসিক সমস্যা আছে এটা আপনাকে আঘাত করার জন্য বলিনি, আসলে এই মাত্র আপনার প্রোফাইল দেখে বুঝতে পারলাম, আমি সম্ভবত আপনাকে না বুঝে কস্ট দিয়ে ফেলেছি। স্যরি।(আমার বক্তব্য এ আমি এখনো অনড়, শুধু আপনাকে না বুঝে কস্ট দিয়ে ফেলায় দুঃখিত )
লেখক বলেছেন: ম্যাডাম, গড্ডালিকা থেকে চোখ ফিরিয়ে মুক্ত ভাবে ভাবতে ও চিন্তা করতে শিখুন।
পৃথিবী টা অনেক বড়, নিজেকে যথা সম্ভব ইউনিক করে তুলতে না পারলে মানুষ হিসেবে বেচে থাকাটা সার্থক মনে হয়না।
আমাকে সবাই মানসিক রুগীই ডাকে, কিছু মনে করিনা। কিন্তু সেই পুরনো লোকাচারে ডুবে বা ফিরে যাবার ভয়ে চিকিৎসার পথ্য সন্ধান করিনা। আমি এখানেই সুখী আছি, যদি অতিরিক্ত চিন্তা করার চাপটা সহ্য করতে হয় ভীষণ।
(প্রিয় পোস্টে রাখলাম)
এই কমেন্টের ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে, লিমিট ক্রস করা টা সাপোট করা
যায় না
এক্টু হাস্যরস করিবার চাই!
প্রাইভেট গুলাতে গেলে আর মাথা ঠিক থাকে না!! বাসায় আইসা র কি করা, পাইলট, ক্রিকেটার সব ফালাইয়া দেই
ভালা মন্দ সবকিছুর দুই দিক। কর্পোরেট ওয়াল্র্ড এ মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্মীরা কিভাবে টিকে আছে সেই খবরটা নিয়েছেন?
নিয়েন, জানবেন।
লেখক বলেছেন: সেটাই ভাবছি। আগেকার মত এখন আর "কর্ম খালি নেই" লিখা অপিসের দরজার পাশ দিয়ে হেটে যেতে দেখা যায়না নাটক বা সিনেমার নায়ক কে। ভুরি ভুরি চাকুরি, পাশ করলেই। উন্নতির সীমা নেই এ দেশে। যত না শিক্ষিত, বিবেকধারী মানুষ হলাম, তার চেয়ে সভ্যতা/ কর্পোরেট দাস আর টাকার বিনিময়ে ব্যক্তিত্ব বেচা সংস্কৃতির গলগ্রহ হলাম মাত্র। ওটা পোকা মাকড়ের মত বেচে থাকা, মানুষের মত মানুষ না।
রাতেরপথিক বলেছেন:
@ইন্টেল ১৩ তম ব্যাচ@কাল্পনিক খালি আপনে একাই বিবিএ পড়েন না আমরাও তো পড়ি আর ১০০-১৫০ টাকায় বই লাগলে আমারে আওয়াজ দিতে পারেন ব্যবস্থা অব্যশই হইবেক।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমি কইলাম মানসিক রুগী। সাবধান।
আসিফুজ্জমান তমাল বলেছেন:
অনেক কিছু বলতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু কি লাভ ?শুধ এ টুকু বলতে চাই লেখাটা খুব-ই একপেষে।এক জন মানুষ তার আচার ব্যবহার শেখে তার পরিবার থেকে।এক্ষেত্রে প্রাইভেট ইউনিভার্ষিটি কখনোই দায়ী নয়। অনেক সরকরি ইউনিভার্ষিটি তেও এক-ই পোষাকের ছাত্র দেখানো যায়।আবার শালীন পোষাকে অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্ষিটির ছাত্র ছাত্রী কেও দেখানো যায়। সুতরাং মুষ্টিমেয় একটা গোষ্ঠিকে দিয়ে কখনোই কোন সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়।যেখানে সরকার সম্পূর্ন ব্যর্থ ছাত্র ছাত্রীদের আসন যোগাতে সেখানে প্রাইভেট ইউনিভার্ষিটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে।অনেকেতো আবার নাক শিটকানো ভাব নিয়েও সকাল বিকল ক্ষেপ মারছেন তাদের সম্পর্কে কি বলবেন। আপনর এতই যখন ক্ষোব তখন আপনি সবার উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করুন তারপর দেখুন কত শতাংশ প্রাইভেট ইউনিভার্ষিটি তে পড়ে নিজের টাকা দিয়ে।
লেখক বলেছেন: মন্তব্য গুলো পড়ুন, আপনি না বুঝে লিখা সম্পর্কে ভুল ধারণা নিচ্ছেন।
ভাল কথা,সারা জীবন কি বেশি পয়সার অরিজিনাল বই কিনসেন নাকি গরিব দেশের গরিব পোলাপান আমরা কেমনে নীলক্ষেতের বই দিয়া চলি ঐটারও কখনো খোঁজ নিসেন?
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
লেখাটা পড়িনি;মন্তব্য গুলো পড়লাম।চিত্তাকর্ষক।কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলোচনা কি প্রাইভেট বনাম পাব্লিক ইউনিভার্সিটির লড়াইয়ে পরিণত হচ্ছে!
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
এই পোস্টে পাঁচটা ডিজুস আইসা মাইনাস দিয়া গেছে। কইত্থেইকা যে এইসব মানসিক রোগী আহে বল্গাইতে! যা যা দূরে গিয়া মর! শেরিফ ভাই, আবারো বলি- এইটা ইতিহাস সেরা পোস্ট। স্যালুট স্যার আপনাকে।
@জাভেদ- কামরুলরে চিনতা? তোমার ডিপার্টমেন্টে পড়তো, ১১ না ১২ তম ব্যাচ, এখন ইস্টার্ন ব্যাংকে আছে।
পীরসাহেব বলেছেন:
বহত খুব, তৌফা!
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হাহ হাভাল পোষ্ট।
তবে কি....সবধরনের মানুষেরই দরকার আছে।
ডিজুস জেনারেশনকেও আমার মন্দ লাগে না।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আপনার রোষ এবং জোশ-এর কারণ বুঝতে পারছি। নতুন কিছু তো বুঝবেন না। সবকিছুকে মোটাদাগে বিচার করাটা আমাদের বাজে প্রবণতা। কিন্তু সেটা আমরা করি যাতে মতবাদ এবং যেকোন বিষয়ে সাধারণ ধারণাগুলো তৈরি করা যায়। পাব্লিক প্রাইভেট নিয়ে আগেও অনেক মারামারি/আলোচনা হয়ে গেছে, এটা নতুন কিছু না। যা বলেছেন সংস্কৃতি, আচার-আচরণের অবক্ষয় নিয়ে সেটাও ঠিক আছে। কিন্তু সেই ভাবাবেগে আরেকজনকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন, কাজটা ঠিক না। এজন্য পেট পুরে মাইনাস নিন।
এই থিওরিটাও ভাল লাগল না যে মধ্য/নিম্নবিত্তের সন্তান সরকারীতে সুযোগ না পেয়ে প্রাইভেটে প্রকৌশল পড়বে। র্যাশনাল হলে তার চে লাভজনক ব্যবসায় প্রশাসনই তার পড়ার কথা, সেখানে পাশ করে টাকা বেশি পাবে চাকুরিক্ষেত্রে।
এখন আবার কথাগুলোকে এড়াতে এটা বলে বসবেন না যে আমি প্রাইভেটে পড়া কোন মেয়ে! ফেল্টু "মেধাবী" যেমন দেখেছি, তেমনি জিনিয়াস ছা-পোষা নিম্নবিত্ত নর্থ-সাউথারও কম দেখিনি। মানুষকে গোষ্ঠীগতভাবে মূল্যায়ন করাটা ঠিক না।
এরকম মত চালাচালি ক্লান্তিকর, আর যেখানে আপনার নির্দিষ্ট টার্গেট জড়িত সেটা আরও নোংরা এবং বমি-উদ্রেককারী। তাই এখানেই কথা শেষ।
কাল্পনিক বলেছেন:
প্রিয় রিয়াজ শাহেদ,১১তম ব্যাচের কামরুল ভাই? চিনি, তবে কখনো সরাসরি কথা হয়নি। কিন্তু আপনি আমার নাম জানলেন কিভাবে? একটু খোলাসা করে বলুন না!
প্রিয় ফারহান দাউদ,
নীলক্ষেত থেকে বই কিনি বলেই বলছি, কাগজের দাম যে এর মধ্যে কয়েক দফা বেড়েছে, তার খবর টাও রাখা উচিত।
প্রিয় লেখক,
প্রথমত আমি একজন ছেলে, এবং দ্বিতীয়ত সমাজকে কষে গালি দিলেই ইউনিক হয়া যায়না। আমার কিছু নাই তাই আমি "কমিউনিস্ট", থাকলে "ক্যাপিটালিস্ট" - এই ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। যে "কর্পোরেট কালচার" আর "গ্লোবালাইজেশন" এর চৌদ্দগুস্টি উদ্ধার করছেন সেটা কেও কারো ওপর জোর করে চাপিয়ে দেয়নি, মানুষ নিজের দরকারেই সেটা খেয়েছে। আর ধনীর সন্তান হওয়াটা যদি তাদের জন্য দোষ হয়, তাহলে বলতে হবে "জন্মই আমার আজন্ম পাপ"...
ধনীর সন্তান হবার মাঝে দোষের কিছু আছে সেটা এখানে কেউ বলেছে কি? কিন্তু যোগ্যতাহীন হয়ে আজাইরা ফুটানি দেখায়া সেইটা নিয়া ভাব মারার যে ডিজুস প্রবণতা,ঐটারে গালি দিলে আমি বিশেষ দোষের কিসু দেখিনা,আর ঐ কালচাররে যারা ফলো করে আর প্রমোট করে,দুই দলরেই গদাম লাথি।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ব্যাপক লিখছেন।
লাল পিপড়া বলেছেন:
চরম
ভাল লেগেছে ৭৮.১২৫%
ভাল লাগেনি ২১.৮৭৫%
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
প্রিয় পোষ্ট ...অনেক ভালো লাগল ...
আমি অনেক আগেই কোন একটা পোষ্ট এর কমেন্ট এ বলেছিলাম, প্রাইভেট ইউনি গুলা পারলে বন্ধ করে দেয়া উচিত... এইগুলো আমাদের পড়ালেখার জন্যে ক্ষতিকর ...
লেখক বলেছেন: এত গুলো জনগণের শিক্ষার সংস্থান কিভাবে হবে সাঝবাত্তি? শিক্ষা তো মৌলিক চাহিদার অন্তর্গত। হাতে গোনা পাবলিক গুলোতে প্রচন্ড প্রতিযোগিতা পর যারা অবশিষ্ট থাকে তাদের খারাপ বলতে আমার ঘোর আপত্তি। ভর্তি পরীক্ষার ১ ঘন্টার জুয়া খেলা দিয়ে একটা ছাত্রকে বিচার করা অন্যায়, সেটা তুমি আমার চেয়ে ভাল বুঝ।
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পছন্দটা এখন মফস্বলের পাবলিকের চেয়ে ঢাকার দিকে বেশি ঝুকে আছে। শিক্ষা, শিক্ষকের আধিক্য ও গুণাগুণের বিচারে ঢাকা মফস্বলের থেকে এগিয়ে আছে অনেকাংশে। যেটা তুমি সিলেট বা ময়মনসিংহে বসে পেতেনা কখনই।
তুমি শাবিতে যত জাদরেল শিক্ষক পাওনা কেন এন এস উ র শিক্ষক কুলের সুনাম বিশ্বব্যাপী। এন এস ইউ আর ইস্ট ওয়েস্টের যত ছাত্র যুক্তরাষ্ট্র আর কানাডায় চোখে পড়েছে আমার, শাবি থেকে তেমনটা পড়েনি।
এখানে কোন কিছুতেই কোন দোষ দিই না আমি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কলঙ্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠের অযোগ্য অপদার্থ বিত্তশালী সন্তানেরা যখন ডিজুস সংস্কৃতির পতাকা ধরে ন্যাকামো, ছ্যাবলামোর পেশা বৃত্তি করে, তখন আপত্তি আসবেই।
েব।তলভূত বলেছেন:
অসম্ভব ভাল লাগলো আপনার পোস্ট। দেশে পাশ করার পর কিছুদিন কাজ করেছিলাম এক বহুজাতিক কর্পোরেট কম্পানিতে। মধ্যবিত্ত ছা-পোষা এই আমি দেশের অন্যতম সেরা পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ডিপার্টমেন্টের থেকে গিয়ে অফিসে গিয়ে পড়লাম সমসাময়িক ডিজুস দের ভীড়ে। অল্প কিছুদিনেই বুঝলাম..এসব অন্ত:সার শূন্য ডিজুসদের দিয়ে কর্পোরেটের শোভা হয়তো কিছুটা বাড়ে-- কিন্তু ঐ আনস্মার্ট, ছা-পোষারাই কোম্পানি চালায়, বছর শেষে রেভেনিউ আনে আর দিনশেষে এর স্বীকৃতিস্বরূপ পদোন্নতি পেয়ে উপরের চেয়ারটায় বসে। যতদিন ছিলাম এসব ডিজুসদের পাত্তা দেইনি কখনোই..মনে মনে বলতাম 'die far away (দূরে গিয়া মর)'
মুনিয়া বলেছেন:
হুম, পড়লাম।
কঁাকন বলেছেন:
ভালো লাগলো
সব্যসাচী বলেছেন:
ভাল লাগলো........কিন্তু corporate culture-এর consumerism নেশাটা ছেলে-মেয়ে সবাইকেই গ্রাস করেছে......
আমার ভুল হতে পারে, কিন্তু আপনার লেখাটা পড়ে মনে হল আপনার মতে মেয়েদের দোষটা বেশি....
তবে কথাগুলো খুব-ই সত্য....আমি আমার পোলাপাইনদের দেখি তো, হাড়ে হাড়ে টের পাই বর্তমান অবস্থা.......
সব্যসাচী বলেছেন:
sorry there was a mistake.........the line should have been-
তবে কথাগুলো খুব-ই সত্য....আমি আমার generation-এর পোলাপাইনদের দেখি তো, হাড়ে হাড়ে টের পাই বর্তমান অবস্থা.......
লেখক বলেছেন: আপনার সুশীল, সুবেশী বক্তব্য পড়ে আমিও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি আপনার ডিজুস অবস্থা। বাংলা ব্লগে আংরেজি লিখার প্রচেষ্টা ছাড়ুন, এটার জন্য ব্লগ স্পট আছে। মেয়েদের দোষ আছে কি নাই, সেটা আমার বক্তব্যের উপর সরাসরি যুক্তি খন্ডন করুন।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
শেরিফ ভাই আপনার পোস্টে নানান ব্যক্তির নানান মন্তব্য পড়লাম। এখন এই বিষয়ে একটা পোস্ট লিখতে শুরু করব। দেখি এবার আমার মাথা থেকে কিছু বের হয় কিনা!!!
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা থাকল।
বিপ্র বলেছেন:
আপনার লেখাটা চমৎকার লেগেছে...!
ত্রিভুজ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন... মানে প্রকাশভঙ্গি মারাত্বক... আমি যদিও ডিজুস তারুন্যের পক্ষে নই.. তবুও বলবো আপনার বক্তব্যে খুব বেশী সরলীকরণ হয়ে গিয়েছে। এতটা না করলেও পারতেন....
"অপদার্থ গোবর গণেশদের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি ধরিয়ে চাকুরি পাইয়ে দিতে 'ব্যবসা প্রশাসনের' জুড়ি মেলা ভার।"
.... কি অদ্ভুত সরলীকরণ!
আবেগী পোস্ট দেখে আবেগ প্রবন হওয়াই ভাল... হতে পারিনি তাই প্লাস মাইনাস কিছুই দিলাম না।
লেখক বলেছেন: আবেগী সরলীকরণের মাঝে যে ভীষণ বাস্তবতা আছে সেটা চক্ষু গোচর হয়না বলেই "গড্ডালিকা"র দোষে দুষ্ট।
আবারও বলি দোষটা "ব্যবসা প্রশাসনে"র নয়, বরং "ব্যবসা প্রশাসনের" সহজলভ্যতা, গড্ডালিকা এবং অল্প মেধা খরচেই পাঠ যোগ্যতার কারণে লাফাঙ্গা জাতীয় তরুণদের এর উপর সওয়ার হবার দোষে দুষ্ট। এর মাঝ খানে কিছু ধার্মিক ডিজুসের আর্বিভাব দেখলাম যারা মন্তব্য করে ঠিক এভাবে,
salamz, okiz, whazzap. এসব কী জাতীয় গড্ডালিকার ঢং?
অল্প মেধা ও শ্রমের প্রয়োজন+ বেসরকারি গুলোতে ব্যাপক সহজ প্রাপ্যতা+ অন্য যে কোন কোর্সের চেয়ে কোর্স ফি সস্তা+ শিল্পপতির ডিজুস পোলার পড়ার সময় নাই, তাই বাবার ব্যবসা দেখা শুনা করতে শিক্ষিত ভাব দেখানোর জন্য "ব্যবসা প্রশাসনের" উপর চেপে বসলে স্বয়ং "ব্যবসা প্রশাসন ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে"র উদ্যোগে একটা "ডিজুস" সংস্কৃতি জন্ম নিতে বাধ্য। যেটাকে অপদার্থদের অর্থ ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত চরম খ্যাত সংস্কৃতির অন্যায্য আগ্রাসান বলাই শ্রেয়।
ওয়ার হিরো বলেছেন:
জয় গুরু, কথা অতীব সত্য বলছেন।যদিও আমিও পেরাইভেটের ছাত্র, আর আমারটা বনানীর দিকে।
ঠেকায় পইড়া ভর্তি হইছিলাম, আইজকা দেড় বছর হয়া গেল, নিজের ইউনি তে নিজেরেই কেমন জানি এলিয়েন মনে হয়, কিছুর লগেই নিজেরে মিলাইতে পারলাম না।
কইতে পারলাম না ইয়ো ম্যান, হাই ডুড হোয়াস আপ?
মাইয়াগো দিকে তাকাইলে কেমন জানি লাগে, মনে হয় বাংলাদেশে আছি ত? পোলারা নাক কান ফুডা কইরা মাইয়াগো কানধে হাত দিয়া হাটে। কেমন জানি লাগে।
সারা জীবন এমন জাগায় পড়ালেখা করছি যেইখানে শিক্ষকদের সালাম দিতাম দেখা হইলে, ক্লাস রুমে মোবাইল ফোনে কথা কওয়া ত দূরের কতা, ফোন বন্ধ কইরা থুইতাম, আর এখনম এদিকের অবস্তা এমন হইছে যে স্যারদের সালাম দিলে কেমন কইরা চায়। মনে করে এই এলিয়েন আইল কই থাইকা।
যাউগ গা কইতে গেলে অনেক কতাই কইতে হয়, আর কথা বাড়ামু না।
তয় আপনে যা কইছেন, সব হাচা কথা।
পরাগ জাফর বলেছেন:
কঠিন লেখা। দারুন
দ্বিধা বলেছেন:
পোস্ট শোকেসে...আর এই কমেন্টাও...
"e=mc² জেনে দেশের দরিদ্র মানুষের কি উপকার হবে জানি না, তবে বিশ্বের অন্যতম নিম্ন বিনিয়োগকারী দেশ বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা বিবিএ পড়ে যদি নিজের জন্য ও কিছু করার চেস্টা করে, তবুও দেশের অর্থনীতির উন্নতি হবে।
"
ইয়া মাবুদ...কত কিছু দেখার বাকি আছে !!!...
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
সোকেসে রাখলাম +
পারভেজ বলেছেন:
+++++
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ মেঘ - অসাধারণ কমেন্টস্।
রাতেরপথিক বলেছেন:
ধন্যবাদ @ ওয়ান হিরো সত্যি কথা সাহসিকতার সাথে স্বীকার করে নেওয়ার জন্য।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
আপনাকে আর যারা যারা আপনার কথায় নেচেছে - সবাইকে ধরে ল্যাস ভেইগ্যাস পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। তারপর দেখবো এই ঢং কতো ক্ষণ বজায় থাকে। ভোগ না করলে ত্যাগের মর্ম বোঝা যায় না।
পালা করে ভোগ ও ত্যাগ করলে জীবনের বালান্স বোঝা যায় - যেইটে সবচে' জরুরী।
আর বেশি কথা বলার সময় নেই - নিজে পড়ে নিন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনি কি বুঝাতে চাইছেন বার বার বোধগম্য হচ্ছেনা। আমার বক্তব্য পরিষ্কার।
১. গড্ডালিকায় গা ভাসালে ভাল-মন্দ ও যুক্তি-যাচাই করার শক্তি হারিয়ে মানুষ "চিন্তাশক্তি হীন" স্বকীয়তা শূণ্য জীবে পরিণত হয়, যেটাকে "অনুকরণ প্রিয়" পোকা মাকড়ের জীবন বলতেই আমি বেশি ভাল বাসি।
২. ভোগের মাত্রা যদি ১০টাকার কফি ১০০ টাকায় সুপার শপ থেকে কিনার মত বিলাসিতা হয়, তাহলে পরিমিতবোধ আর মনুষ্যত্বের সাথে এর সম্পর্ক করবে কে?
৩. নিজ নিজ সংস্কৃতি ফেলে বৈদেশ থেকে আমদানী করা ডিজুস সংস্কৃতি হজম করাত হবে, কারণ বাঙালি সংস্কৃতিটা আজ সেকেলে, স্থবির? নতুনকে গ্রহণ করার যুক্তি কি এই যে "ডিজুস সংস্কৃতিধারীরা" সফল, তাই সফলতা পেতে সফল জাতি গোষ্ঠির সংস্কৃতি আতঃস্থ করতে হবে নিজের টা ফেলে দিয়ে?
৪. কোন ধরনে পাপ বোধ থেকে নিজকে বাংলাদেশের ছেলের পরিবর্তে পাশ্চাত্যের অসম সংস্কৃতির অনুকরণে "বাংলিশ খ্যাত-ইচড়ে পাকা, উদ্ভট সংকর প্রজাতির" ডিজুস টাইপ আদল গ্রহণ করতে হবে?
৫. ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানভে মশাই। বিশ্বাস আর শেকড়ের গাথুনিটা শক্ত হলে লাস ভেগাস কেন মঙ্গল গ্রহে নিয়ে গেলেও ও করপোরেট ফুল বাবু সাজার চেয়ে উরা ধুরা-এলো মেলো কর্মঠ মানুষ হতে শিখবে। এ অধমের উপর আস্থা রাখতে পারেন। খুব শীঘ্রই ঐসব দেশের বাসিন্দা হতে যাচ্ছি। সপ্তাহান্তে মদ, পর্ক, বার, পোকারে প্রবেশ করে ভোগ আস্বাদ না করলে সফলতা বা কর্ম স্পৃহা আসবেনা, এটা অন্তত বিশ্বাসী বাঙালিদের শোনাতে আসবেন না ভুল করে।
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
অসাধারন লেখা,আমার কাছে এক বুইড়া এম বি এ স্টুডেন্ট ম্যাথ পড়ে,যথারীতি কাকলীর মোড়ের এ আই ইউ বি এর প্রোডাক্ট,সি জি পি এ ৩.৯ ।
অথচ এত গোবর গণেশ মানুষ আমি জীবনে কম দেখছি ।মাতব্বরি করে একদিন ভাবলাম একটু বিজ্ঞান মনস্ক করে তুলি,পরে দেখলাম জাস্টিন টিম্বারলেকের মেয়েলি নাচ এর মাথা এমন ভাবে ভর্তি করে ফেলেছে যে সেখানে ননইউক্লিডিয়ান বক্রতার জন্যে কোনো ফাকা জায়গা নেই ।
আমার সি জি পি এ তার থেকে অনেক কম,সেজন্যে একটু হাসলাম ।আর গণিত পড়াতে গিয়ে নিত্যনতুন কারিশমা নাই বা বললাম।
বয়সে বড় দেখে বলতে পারি না,"যাও গিয়া আয়োডিন যুক্ত মোল্লা লবন খাও,"
আয়োডিনের অভাবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়ে গেছে ।
এক জন কে হেল্প করার জন্যে নর্থ সাউথে ভর্তি পরীক্ষ দিছিলাম,
যারা দেন নাই তারা প্লীজ একবার দিয়েন ...সে এক মজার রঙ্গ ।
কোশ্চেনের কিছু নমুনা দেখাই,
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কি?
স্বাধীনতা দিবস কবে?
চ্যান্সেলরের নাম কি?
একটা ঝুড়িতে সাতটা আম থাকলে আমি যদি দুইটা নেই আমার কাছে কয়টা থাকে?
আর মজা হচ্ছে ম্যাথ কোশ্চেন,
(অবশ্য কর্তপক্ষ ভাব মাইরা ম্যাথ পার্ট টা রে কয় কোয়ান্টিটিভ আ্যাপটিটিউড)
উদাহরন
x+1=y-3
express x in terms of y .
সাজিদ শাহরিয়ার বলেছেন:
এই ব্লগের সেরা পোস্ট।
শিট সুজি বলেছেন:
ঝাক্কাস পোষ্ট ।আরিপুল ভাই যে ছেলেটির হয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলেন হয়তো বড় হয়ে একদিন সে একজিকিউটিভ' ফুল বাবু হবে । হবে অনেক EE, EEE, ECE, ETE, ETC.. পাশ করা engineer. কিন্তু আয়েডিনের অভাব কখোনো পূরন হবে না ।
_তানজীর_ বলেছেন:
বেশ ভাল। শুরুতে ভাবছিলাম বিবিএ কে গালাগালি করার জন্য পোস্ট। আপনার মোটিভ অত্যন্ত পরিষ্কার এবং ভাল। এসব সমস্যা নিয়ে আমিও প্রায় ভাবি। কিন্তু এর সমাধান কি জানেন?
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন:
আধুনিকতার নামে আমরা সবাই পণ্য হয়ে পড়ছি। নিজেকে পণ্য রূপ উপস্থাপন করাকেই আমরা আধুনিকতা বলে শিখতে চাইছি। আর আমাদের আবেগ, অনুভূতি, চিন্তার বিকৃত উপস্থাপনকে আধুনিকতার নাম দিয়ে একটু ভিন্ন হতে চাইছি। আমাদের এই ভিন্ন হবার অসুস্থ প্রচেষ্টা আমাদেরকে নিয়ে যাচ্ছে অন্য কোথাও।
রকবাজ বলেছেন:
অনেকে খারাপ মন্তব্য করলেও আমার ভাল লাগছে।
বিবিধ বলেছেন:
একেবারে আমার মনের কথা। মনে হচ্ছে এটি আমারই পোস্ট। সরাসরি শোকেসে। ১০০% সহমত। এরকম আরো লেখা চাই।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
হিংসুক --
লেখক বলেছেন: হিংসা করার কিছু নাই অপদার্থ ডিজুসদের দেখে, ঘৃণা চলে, হিংসা নয়। পারলে পাল্টা পোস্ট দিন।
সামেদি মেডিভ বলেছেন:
আসম্ভব সুন্দর লেখা। যারা মাইনাস দিসে: তোরা জাহান্নামের চৌরাস্তায় গিায়া মর!!!@লাল সবুজের চিঠি: থাংকিউ দোস্তো। তুই এই লেখাটা facebook এ পোস্ট না করলে বোধহয় জানাই হত না যে বাংলায় এত সুন্দর একটা ব্লগ আছে।
নিপপন বলেছেন:
আজি পরথম,ভুল হলে মাফ করবেন।আমরা এখানে ভাব আদান প্রদান করছি সবার সাথে,এখানে একতাটাই মুখ্য নয় কি?ব্যক্তিগত ভাবে না নিয়ে বিষয়গুলো নিয়ে একটু চিন্তা করি আরেকটু।
আমাদের মাঝে কি ঘৃনার মত ধ্বংসাত্বক অনুভুতি পোষন করা উচিৎ?
সবাই মানুষ আমরা, এখন কিছু বাস্তবঞ্জান বহির্ভূত,অনুকরনপ্রিয় কিছু মানুষ (ছেলে বা মেয়ে নয়) আধুনিকতার ও পরিবর্তনশীলতার ভিন্ন অর্থ বের করে।
প্রতেকটি মানুষেরই নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, ভাল আর মন্দের সংঙ্গাটিও সবার এক নয়।
মানুষকে বাস্তবতা শেখায় তার অফুরন্ত কৌতুহল।অজানা কে জানার আকাঙ্খা।জানার জন্য জীবনটা ভীষন ক্ষনস্হায়ী।আর সমস্যাটা এখানেই।উচ্চশিক্ষা আর ঞ্জান অর্জন আজ দুই মেরুতে,
পরিবর্তনশীলতার কথা বলতে গেলে একটি কথাই বলব,
পরিবর্তনশীলতার কারনেই আজ আমরা ব্লগাতে পারছি।ভাবুন তো এটা কোন দিক দিয়ে ভুল।
গ্রামের কোন শিক্ষিত কর্মঠ ছেলে যদি কোন কোম্পানি র সি,ই,ও হতে চায় তবে তার জন্য পরিবর্তন কি আবশ্যক নয়?
আমরা চাই আর না চাই।প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তন ঘটছে।১০ বছর আগে জীবন যেমন ছিল এখন নিশ্চয়ই সেই একই জা্য়গায় থেমে নেই।
গত বছর পৃথিবীর সেরা ২০ধনীর মধ্যে ১২ জন ই খুব ছোট অবস্হা থেকে পরিশ্রমের দ্বারা এতদুর এসেছেন।
আরিফুল ভাই বললেন:
"এক জন কে হেল্প করার জন্যে নর্থ সাউথে ভর্তি পরীক্ষ দিছিলাম,
যারা দেন নাই তারা প্লীজ একবার দিয়েন ...সে এক মজার রঙ্গ ।
কোশ্চেনের কিছু নমুনা দেখাই,
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কি?
স্বাধীনতা দিবস কবে?
চ্যান্সেলরের নাম কি?
একটা ঝুড়িতে সাতটা আম থাকলে আমি যদি দুইটা নেই আমার কাছে কয়টা থাকে?
আর মজা হচ্ছে ম্যাথ কোশ্চেন,
(অবশ্য কর্তপক্ষ ভাব মাইরা ম্যাথ পার্ট টা রে কয় কোয়ান্টিটিভ আ্যাপটিটিউড)
উদাহরন
x+1=y-3
express x in terms of y"
এটা কি বললেন ভাই।ম্যাথ এর ১টা জেনারেল নলেজ এর ৫টা উদাহরন দিলেন। সহজ মনে হচ্ছে। ইংলিশ টার উপর আবার রাগ নাকি?
কেন জানি ডিজুস প্রজন্ম বাদ দিয়ে এনেসিউর ওপর ক্ষোভ টা গেল ভাইয়ার।
কোয়ান্টিটিভ আ্যাপটিটিউড ভাব মাইরা বলে,ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে যদি
এই কথা কন ভাইজান। কই জামু কন?প্রশ্ণ দেইখাই বুঝা উচিৎ ছিল ঐটারে কেন ম্যাথ বলে না।
যাই হোক,ভুলভ্রান্তি মাফ করবেন। আমি শুধু বলছিলাম মাগুর(মদনা ওয়ানাবিজ্ ডিজু বাবাদের ক্যাম্পাস পদবী)গুলোর জন্য সবাইকে কটাক্ষ করাটা কি ঠিক?
মানবতা সবার আগে...
লেখক বলেছেন: খুব সম্ভব আমার পুরো লেখাটি আপনি পড়েন নি বা বুঝার জন্য মন্তব্য গুলো দেখেন নি। আপনি বলেছেন,
আমাদের মাঝে কি ঘৃনার মত ধ্বংসাত্বক অনুভুতি পোষন করা উচিৎ?
আজকে রাজাকার কন্যার ঘরে জন্ম নেয়া সদ্য জাত সন্তানটি রাজাকারী ধ্যান ধারণা রপ্ত করতে করতে বড় হবে এবং আমৃত্যু বাঙালি জাতির লাথি খেয়ে পূর্ব পুরুষের পাপের প্রায়শ্চত্য করবে। আপনি ঘৃণার কত রূপ দেখেছেন এ দেশে?
"ডিজুস সংস্কুতি" টাই ধ্বংসাত্মক। উৎপাদনশীল সমাজের বিপরীতে প্রচন্ড অপচয় কারী, বদ্ধ মানসের ভোগবাদী সমাজ যেটা পাশ্চাত্যের "খাও দাও ফূর্তি করো, জীবনটা অল্প" গোছের ধারণা থেকে এসেছে। আপনি অনেকের মত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সি ই ও, বি বি এ প্রসঙ্গ গুলোর সাথে ডিজুসকে এক করে ফেলেছেন। বরং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আর বিবি এ উপর চেপে বসেছে ডিজুসের ভূত।
পরিবর্তনের নাম যদি হয় নতুন সংস্কৃতি ধারণ যেটা জাতিকে এক পয়সাও দিতে পারেনা, সেটা পিছনে টাকা ঢালার মানে কোথায়? এই অনুৎপাদনশীল গোত্র যখন "বুলির জোরে" পাকামো দেখিয়ে চাকুরির বাজার দখল করে, তখন "বাহ বাহ" করে আমরা ক্লান্ত হই। আদতে জাতির ভাগ্যের চাকা এক পাকও ঘুরেনা এতে।
নিপপন বলেছেন:
খুব ভালো ভাবে পরলাম(আগেও পরেছি) আবার।যাই হোক।কিছু ব্যাক্তিগত ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন।আর লিখাটা একটি গন্ডিতে আবদ্ধ।"খাও দাও ফূর্তি করো, জীবনটা অল্প" এই কথার উত্তর দিতে গেলে অনেক কিছু টেনে আনা লাগে।লাভ নেই।সবার ধারনা কে সম্মান জানাই।
গনতান্ত্রিক দেশ এক জায়গায় দাড়িয়ে থাকতে পারে না।আর সেটা বুঝতে হলে যথেষ্ট উপলব্ধি করার ধৈর্য থাকতে হবে।
সব বুঝে গেছি" ভাবলেই ঞ্জান আহরন পদ্ধতি (কগ্নিশ্যন) কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
যাইহোক,একমত নই
ভালো থাকুন।
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন:
এ পথ যেন না শেষ হয়।
ভোরের তারা বলেছেন:
আপনার সাথে একমত পোষন করছি। তবে মেয়েদের উপর একতরফা দোষ দেয়াটা ভাল লাগেনি। মানুষ প্রথমত সাজে নিজের আনন্দের জন্য।তবে ছেলেরাও কম যায় না, উপরের ছবিটিই তার প্রমান। আর যিনি, সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে চিন্তা করে, সে কেন ওই সব ভোগবাদী পুঁজিবাদী দেশে চলে যাবে বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: বিয়ের অনুষ্ঠানে ডায়াসে বসে থাকা পাত্র পাত্রীর ছবি দেখেছেন কখনও? আলকাতরার পাশে চুনকাম করা ভূত। দোষটা নারী বলে নয়, সমাজের চাপিয়ে দেয়া রীতি। পুরুষ কুৎসিত হাসের ছানা হলেও তার কনেটিকে অপস্বরা দেখাতে হবে যে কোন মূল্যেই। ভোগাবাদী দেশে গিয়েছি বিদ্যার অন্বেষায়, ভোগের জন্য নয়। দেশে ফিরবো অচিরেই। ধন্যবাদ।
রাজর্ষি ঋষি বলেছেন:
ধনযবাদ"'বিজ্ঞান' ও 'শিল্প সাহিত্য' অর্থে 'কলা' বিমুখতায় এদের অবদান ১৮ আনা"-- প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের অবদান কতটুকু? ভেবে দেখবেন।টেকনোক্রেট দের মানসিকতা কেমন বিবেচনায় আনবেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রেক্ষিতেই বলছি।"অনর্থক হাসাহাসি টা পাগলামির প্রকট লক্ষণ বলে ধরে নেয়া হয়, অথচ নারী কন্ঠে পুনঃ পুনঃ হাস্যরোল কিংবা ফিচফিচে হাসি (হাসির সাথে বক্তব্যের নিকটতম সম্পর্ক না থাকলেও) শুনলে পুরুষেরা পুলক অনুভব করে নিরবে।হিস্টিয়ার মত কথায় কথায় হাসা এ প্রজাতিকে পা দিয়ে মাড়িয়ে মারতে ইচ্ছা হয় খুব।"অসাধারণ পর্যবেক্ষণ ।
খুব ভাল লিখেছেন।
ধন্যবাদ।
এনটনি বলেছেন:
লেখাটা আর মন্তব্যগুলো কয়েকবারই পড়লাম। কিছু কথা লেখা দরকার মনে হলো। ১। "সেরা ছাত্ররা মৌলিক বিষয় পড়ে, যেমন "অর্থনীতি, পদার্থ, গণিত"। কথাটা কি আসলেই ঠিক? এটা ১৯৪০-১৯৭০ পর্যন্ত ঠিক, এর পরে মনে হয়না "সেরা ছাত্র" মানেই যৌগিক বিষয় পড়েনা।
২। "আমাদের দেশে হয়ে গিয়েছে প্রকৌশল আর ডাক্তারি।
সারা পুথিবী চষে জরিপ নিতে পারেন পাবলিক পরীক্ষায় তাদের দেশের শীর্ষ স্থান করা ছাত্র গুলো কিসে পড়ছে? যুক্তরাষ্ট্রে মেডিসিন , ল........প্রকোশলীরা ওখানে তেমন ভাত পায়না... আর ইউরোপে গণিত ও ভৌত বিজ্ঞানের দাপট।"
ভাইয়া, একজন ছাত্র শীর্ষ স্থান পেয়ে এমন বিষয়েই চাকুরি করে বা করতে চায় যেখানে ভালো বেতন পাওয়া যাবে, এখানে প্রকৌশল আর ডাক্তারির চেয়ে বেতনটাই মুখ্য, বিষয়টা না; আর তাই অস্ট্রেলিয়া তে আ্যকাউন্টিং এবং সারা বিশ্বে সেলস্ ও মার্কেটিং এর এত দাপট, যেটার তত্ব বি বি এ তে পড়ানো হয়।
৩। কথাটা "তবে বিজ্ঞান আর গণিতের ভয়ে ভীত দেরই এ পথ মাড়াতে দেখা যায় যাদের আমরা কখনই দেশের সেরা মেধা বলতে পারিনা। " না বলে "তবে যারা বিজ্ঞান আর গণিতের ভয়ে ভীত হয়ে এ পথ মাড়াতে যায় তাদের আমরা কখনই দেশের সেরা মেধা বলতে পারিনা। " লিখলে আরো যথাযোগ্য মনে হতো।
৪। প্রতিটা পেশার কিন্তু একটা মূল আলাদা প্রকাশ-ভাব থাকে। যেমন প্রকৌশলীরা ডাক্তাররা সৌম্য দর্শন, শিক্ষকরা পাগলাটে; তেমনি হয়তো কর্পোরেটরা ধোপ-দুরস্ত। সব সৌম্য দর্শন বা পাগলাটে যেমন ভালো দেখায়না, অতি ধোপ-দুরস্ত বিরক্তি উদ্রেক করে। তবে ভাব টা থাকবেই, মেনে নিতে হবে :-)
৫। ব্লগে কিছু বাংলা থাকলে সমস্যা কি ভাইয়া? :-) যেখানে এই ব্লগ এর নাম somewherein আর এর মূল লোকটা ঐ ডিজুস ওয়ালা কোম্পানির বিদেশী কর্মকর্তা :-)
৬। আপনার লেখার মূল উদ্দেশ্য কি আর কারা? আমি যতটুকু বুঝি, ঠিকমত সব থাকলে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বা বিবিএ, কোনটাতেই আপনার সমস্যা না, সমস্যা আলগা ভাব এ। এটা কিন্তু থাকবেই। তবে ব্যক্তিগতভাবে নটরডেম-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-বিবিএ-মাল্টিন্যাশনাল এর সেলস্, সব তকমা কাধে থাকার পরেও কিন্তু ঠিক আপনার দেয়া সজ্গায় নিজেকে মেলাতে পারলাম না।
ডিজুস খুব খারাপ না, তবে, বখে যাওয়া আর নষ্ট হওয়ার নাম ডিজুস না।
লেখক বলেছেন: ১. সেরা ছাত্রদের জীবিকা নিয়ে চিন্তা করতে হয়না, ঢাবিতে পদার্থ পড়ে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হয়েছেন, হচ্ছেন। বুয়েটে তড়িৎ কৌশল পড়ে আমেরিকায় পুরোদস্তুর কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করছে। শর্ত একটাই, তাকে সেরা মেধা হতে হবে এবং বাকি পৃথিবী তাকে টেনে নিবে, সে যেই বিষয়ে পড়তে চায়না কেন। মৌলিক বিষয়ে উদ্ভাবন যৌগিক বিষয়ের তুলনায় অনেক অনেক মেধার দাবি রাখে।
২. আবারো বলি, শীর্ষস্থানীয় ছাত্ররা গবেষণা-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতেই স্বচ্ছন্দবোধ করে। খোজ নিয়ে দেখুন কর্পোরেট বনাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতার বেতনের তফাত টুকু।সারা দুনিয়াতে কর্পোরেটের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় বেতন বহু গুণে কম। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, উচ্চতর ডিগ্রী না নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা মেধা যদি বাংলাদেশে সারা জীবন উচ্চ বেতন ভোগী কর্পোরেট কর্মচারী হয়ে থাকে, সেটাকে আমি মেধার চরম অবমূল্যায়ণ মনে করি। শীর্ষ মেধাদের ক্যারিয়ার নিয়ে দেশের মাঝে "চাকুরীর বাজার জাতীয়" গন্ডিবদ্ধ মানদন্ড দাড় করালে চলবেনা।
৩. বাশ আর আখ কিন্তু একই প্রজাতির।
৪. কর্পোরেট চেতনা জাতির উপর অধিক হারে সওয়ার হবার বিরুদ্ধে আমি। এতে করে শিক্ষা নিয়ে মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, জে আর সি, কায়কোবাদ, জামাল নজরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ প্রমুখের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধ রাস্তায় চলার হুজুগ বলে মনে করি। এটা মননশীল আর সৃজনশীল মানুষ তৈরির ধারাকে নষ্ট করে ও করছে।
৫. আরিলকে ডিজুস বানানো টা মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানানোর মতই কদর্য প্রচেষ্টা। আরিল বিদেশী হয়ে বাংলা ভাষার জন্য যা করেছেন সেটা ভেবে আমার আপনার লজ্জা পাওয়া উচিত। এর বিপরীতে ডিজুস সংস্কৃতিটা হল গামা রেডিয়েশনের মত, ফলাফল মিউটেট হয়ে যাওয়া বিকলাঙ্গ তরুণ প্রজন্ম।
৬. ডিজুসের ভাবার্থ ও তার প্রতিক্রিয়া তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। চাক্ষুষ আর আক্ষরিক কদর্য গুলো বিল বোর্ডে আর বাংলাদেশে ডিজুসের জন্মের ইতিহাস ও জন্ম পরবর্তী অধ্যায় গুলোতে পাঠ করে নিবেন।
মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন:
In very short, cultural invasion successful.
রিদা বলেছেন:
জেনারালাইজেশন টা একটু বেশি হয়ে গেছে। পড়তে গিয়ে ভয় পেয়েছি। তবে, বেশ কিছু জায়গায় সহমত। যেমন ডিযুস, আলগা ভাব, ইত্যাদি। আমারো এ বিষয়গুলি খারাপ লাগে।
লেখক বলেছেন: হা হা....মাস্টার রা হয়তো প্রজাতিগত ও সহজাত ভাবে একটু রুদ্র কঠোর মূর্তি ধারণ করে। মন্তব্য গুলো পড়লে জেনারালাইজেশনের অভিযোগ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন বলে আশা করি।
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম, প্লাস দিলাম। খুব জানতে ইচ্ছা করে প্রাইভেট ব্যাবসায় প্রশাসন থেকে মধ্যবিত্তদের কয়জন কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে ঢুকতে পারে। ওরা তো মামা ছাড়া কাউকে নেয় না বলে জানি।
নীলতারা বলেছেন:
এতো এতো মন্তব্য- প্রতিমন্তব্যে ভীড়ে আমার ছোট একটা মন্তব্য রেখে যাচ্ছি...এই লেখাটার আজ কোন ভাবেই বুঝা সম্ভব নয়। সেই দিন বেশি দূরে নয় যেদিন এই ডিজুস পোলাপানগুলো বাংলাদেশটাকে আমেরিকা বানিয়ে ছাড়বে এবং সেই সাথে বাঙালি কৃষ্টিকে পাঠাবে যাদুঘরে... এই লেখাটা পড়ে দূরের পথ আমার চোখে ভেসে উঠছে... মনটা খারাপ হয়ে গেলো...
লেখককে সাধুবাদ...
লেখক বলেছেন: দিল্লি বহু দূর, আর আমেরিকা তো দূর আলোক বর্ষে। আমেরিকা আর ডিজুস সমার্থক এ ভাবনাটা এল কি করে?
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে নিলাম, এত সা্বলীল ভাবে এই বিষয়টাকে তুলে ধরার জন্য।অসাধারণ বিশ্লেষণ, অনবদ্য লেখনী। +
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
মন্তব্যগুলো পড়ার পর মনে হলো- পা্বলিক আর প্রাইভেট, কিংবা কর্পরেট আর মৌলিক জীবনের পার্থক্যকরণে যারা মন্তব্য করছেন, তারা এইসব দ্বান্দিকতা ঝেড়ে ,এই পোস্টের শিরোনামটা আবার একটু দেখুন- মেধাহীনতাময় ছাত্রত্ব,গড্ডলিকায় গা ভাসানো জীবনযা্পন আর মানবিকতাকে মুচড়ে দেয়া নষ্ট সঙ(!)স্কৃতির যোগফলটাই কিন্তু এখানে মুখ্য।এরকম লেখার জন্য ধন্যবাদ না দেয়াটা অন্যায়।ধন্যবাদ অনেক অনেক।
লালসালু বলেছেন:
ডিজুস
তুমি আর আমি বলেছেন:
বেশ সুন্দর লিখেছেন। মনের কথা। "সময়ের সাথে চলা'র" মন্ত্রে যারা বিশ্বাসি তারা, টিনএজ বা বাল্যকাল পার হয়ে গেলেও, "খ্যাত"দের প্রতি আর একটা কাজ করে - ইংরেজি'তে যাকে "বুলি" বলে। আমার সত্যি অবাক লাগে যে, অনেক পড়াশোনা করে "জ্বানী" হবার পরও এই তথাকথিত "স্মার্ট" মানুযেরা কিভাবে অবলিলায় এই বদভ্যাসগুলো বজায় রাখে নিজেদের স্বভাবে?!! পড়াশোনা করলেই যে জ্যান বাড়েনা, মনের শুদ্ধি হয়না, তা আবারো মনে পড়ে যায় এদের দেখলে....
লেখক বলেছেন: তাই না? তো আমার লেখার হেতু কী জিপিতে চাকুরি না পাওয়া?
- ঠিক কইছেন! +
ইসফার আহমদ সিফাত বলেছেন:
পুরো পোস্ট আর কমেন্টগুলো পড়তে বেশ সময় লেগেছে। মাঝখানে ফজরের নামাজটাও পড়ে এলাম।নিঃসন্দেহে সামুতে একালের সেরা পোস্ট।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোপম্পানী এসেছিলো নেহায়েত বাণিজ্যের উদ্দেশ্য নিয়ে ১৭শ সালের প্রথম দিকে। আর পরবর্তী ৫০ বছরেই তারা এই উপমহাদেশের শাসন নিয়ে নেয় নিজেদের হাতে। কোনো যুদ্ধ নয় বরং ছলছাতুরী। মূলত আকবরের সময়কাল থেকেই মুসলমানদের উদার দৃষ্টিভঙ্গি বাড়তে থাকে এবং এটিই উপমহাদেশের পতনের গোঁড়া, এমনকি ধর্মের ব্যাপারেও এতোই উদারতা প্রদর্শন করা হয় যে পতিতাদের বৈধ ঘোষণা করা হয়, যাকাত ফাউল কৌশলে না দেয়ার রীতি চালু হয় আর...? শেষ পর্যন্ত উদারতার (?) ধর্ম "দ্বীন এ ইলাহী" নাকি প্রচার করা হয়। তখন থেকি ইংরেজদের সাথে মুঘলদের আনা-গোনা শুরু হয়। আর ভারতীয়দের অসুসস্থ মানসিকতাকে তারা কোনো প্রতিবন্ধকতা মনে করেনি। তাই তাদের ছলছাতুরীতে উপমহাদেশ কিনে নেয়া কোনো ব্যাপারই ছিল না। ইতিহাস বলে, পুরো বিশ্বে তখন এই উপমহাদেশই ছিলো সবচেয়ে ধনী দেশ। ইতিহাসে এমন অনেক ভারতীয়দের নাম পাওয়া যায় যাদের ব্যক্তিগত অর্থের পরিমাণ পুরো "ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড" এর মোট অর্থের চেয়ে বেশী ছিলো।
আকবরের সময় যে ডিজুস(?, মানে বুঝে নিবেন) জেনারেশনের সূত্রপাত হয়েছিলো, তার পরিণতি আমাদের ২০০ বছর নির্মমভাবে ভুগিয়েছে, ভোগাচ্ছে , ভোগাচ্ছে। এই ২০০ বছরে তারা শুধু ভারতীয় সম্পদ ইউরোপে পাচার করেছে। শেষ বলতে যা ছিলো তাও নিয়ে যেতে ভোলেনি। এর দোষ ভারতীয়দের, তাদের উদারতা।
আমি এখানে ইতিহাস শেখাতে আসিনি। যা বলতে চেয়েছিলাম, এই জিপি কে কেনো জানি আমার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বংশধর মনে হয়। আবারো কি ছলে বলে কৌশলে দেশ হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্লপনা চলছে ?
আর নতুন জেনারেশন একটু পাছা দেখিয়ে, আন্ডার ওয়্যার দেখিয়ে চলার মধ্যে স্মার্টনেস দেখছে (লেখকের সাথে সহমত) । আমার এক ফ্রেন্ডকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তুই কি তোর মায়ের সামনে এমনি জায়েঙ্গা দেখিয়ে প্যান্ট পরে যাস? সে বলেছিলো হ্যা, সমস্যা কোথায়? অতএব ডিজুস এন্সথ্যাষিয়া দিয়ে আমাদের মূল্যবোধ আর চেতনা অলরেডী নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। তাহলে আগামী জেনারেশন দেশের সার্বভৌমত্বে কি ভূমিকা রাখবে? তখন দেশ নিয়ে গুটি খেলা দেখতে হবে সন্দেহ নেই।
আমি তাবলীগে যাওয়ার পর থেকে সুন্নতি পোষাক ধরেছি, দৃষ্টিকে যথাসম্ভব রক্ষা করার চেষ্টা করি আর এই অবস্থায় গার্লফ্রেন্ড জোটানো তো প্রশ্নেই ওঠে না। আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে বলেছিলো প্রেম টা তাহলেই করেই ফেল। আমি বললাম জীব্বনেও না। সে বললো তুই তো বউ পাবি না। আমি কেনো বলাতে সে বললো যে সব মেয়ে নাকি বুক হয়ে গেছে, তুই পাবি কোথায়।
আমি যা চাক্ষুষ দেখছি তা থেকি বলছি, এ জমানায় ফোনে কথা শুরু থেকে ডেটিং, তারপর ধর্ষণ (বা ব্যাভিচার যাই বলেন না কেনো) হতে খুব বেশী একটা সময় লাগে না। কই যাচ্ছি আমরা? আমাদের দেশটা আগামীতে বাংলাদশ থাকবে তো?
ডিজুস জেনারশন বানাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে জিপি, ইস ইন্ডিয়া কোপানীর বংশধর। আর নবাবদের উৎকোচ দিয়ে যে সন্তুষ্ট রাখা হতো, তেমনি আমাদের মন্ত্রীদেরও তারা যথেষ্ট সন্তুষ্ট রেখেছে।
আমি যা বলতে চেয়েছিলাম, গুছিয়ে বলতে পারলাম না আর আমার মন্তব্য পড়ে যে কারও মেজাজ খারাপ হওয়ার কথা, কিন্তু এটা গভীরের উপলব্ধি।
শেরিফ ভাইয়ের মত এমন লোক যখন এই নিয়ে কথা বলেন, তখন ডিজুসে টাল হয়ে যাওয়া মানুষ ক্ষেপে যায়, কারণ একটাই - ডিজুস এন্সথেষিয়া।
আরও কত কি বলার ছিল, গুছিয়ে কিছুই বলতে পারলাম না, ক্ষমাপ্রার্থী।
মোঃ আরিফ উদ্দিন বলেছেন:
ভাইজান, বহুত মজা পাইলাম।
বেঁচে আছি বলেছেন:
@ লেখক-জ্ঞানের বিচার করলে জামাল নজরুল ইসলামের সাথেয় অন্যদের তুলনা চলেনা
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন:
আমার নিজের অভিজ্ঞতাই বলি, আমার বেশিরভাগ বন্ধু-বান্ধবরাই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। তাদের লোক দেখানো ব্যপার স্যাপার দেখলে মনে হয় (আমি বলেছি, মনে হয়) এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিজুসিয় সস্ গিলে তারা চাপায় শান দেয়া আর মস্তিষ্কের আকৃতিটাকে খাড়া শিশ্নে পরিনত করাই জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য!
হঠাৎ তোমাকে পেলাম বলেছেন:
গত ১ আগষ্ট ২০১০, প্রথম আলো থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ফ্যাশন শো নাকি একটি মাদক বিরোধী প্রচারনা। পক্ষান্তরে তাতে মাদকের চাইতেও ভয়াবহ "যৌনতা" কে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। এক ঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা ছারা আর কিছুই নয়। ছেলেদের নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি মেয়েদেরকে ভোগের বস্তুতে পরিনত করা হচ্ছে ।
পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণে আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে তথাকথিত সুন্দরী প্রতিযোগীতা। এই প্রতিযোগীতা গুলো দেখলে আমার মনে হয় এগুলো আসলে উন্নতমানের পতিতা তৈরির প্রতিযোগীতা। গানের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল গায়ক হবে, অভিনয় প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল অভিনেতা/অভিনেত্রী হবে, নাচের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়ত ভাল নৃত্যশিল্পী হবে, কিন্তু একজন মেয়ে সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে উন্নতমানের পতিতা হওয়া ছাড়া আর কি হতে পারে?
বিশিষ্ট বিচারক একজন প্রতিযোগীকে কমেন্টস দিয়েছেন, "তোমার পারফরমেন্স ভালো হয়েছে তবে আজকে আমি তোমার যৌবনের আবেদনটা পেলাম না!!! "
এই ছবিটি লাক্স আনন্দধারা ২০০৪ এর। মাঝখানের মেয়েটির নাম ফারহিনা জুনায়েদ লিমি। তার বর্তমান অবস্থা খুবই করুন। নাটক মডেলিংয়ে সুবিধা করিয়ে দিবে বলে তার নগ্ন ছবি নেটে ছেড়ে দিয়েছে একটি চক্র।
মাইয়া শরীর দেখাইয়া বা শরীর বেইচা টাকা কামাইব..... আধুনীক বাবা মা এই সুযোগ হেলায় হারাবে কেন?'
এ ছাড়াও আমার মনে হয় এ সব পরিবারগুলো খুব দরিদ্র-শুধু মানসিক দিক দিয়ে নয়, অর্থনৈতিক দিক দিয়েও। ওদের রুটি রোজগারের ব্যবস্থা হয় ওদের মেয়েদের উপার্জনে। আর এ পন্থায় উপার্জন সবচেয়ে সহজ, কোন যোগ্যতাই লাগে না শুধুমাত্র শরীর দেখান ছাড়া।
এরা কিছুদিন পর নাটক-সিনেমা করবে। বলবে, "চরিত্রের প্রয়োজনে কম কাপড়ে আপত্তি নাই"। অবশ্য প্রতিযোগীতায় এসেই অনেকে সে ধারণা আমাদেরকে দিয়ে গেছেন। যাই হোক, অনেক মিথ্যা (!!!!) অপবাদের পর বিয়ে-সাদীও হবে। ৯০% ভাগের ঘর ৪/৫ বছরের মধ্যে ভেঙ্গে যাবে। তারপর ভরা যৌবণে শুরু হবে "একা থাকা"। আল্লাহ্ জানেন সেই "একা থাকা" আসলেই "একা থাকা" কিনা। নানা রকম কথা শোনা যায়, অনেকে আবার তাদের ("একা থাকা") বাজার-দর, দিবা/রাত্রি যাপনের বিভিন্ন আইটেমাইজড রেইটও জানেন (স্যরি, কেউ প্রমাণ চাইলে দিতে পারব না) কিন্তু পত্রিকায় আসে না এসব ব্যাপার। সিনেমা-নাটক পাড়ায় ব্যাপার গুলো হয়তো ওপেন সিক্রেট।
সুন্দরী প্রতিযোগিতা বর্তমান কর্পোরেট জগতে পুরুষদের ভোগ প্রবণতা উস্কে দেওয়ার কার্যকর পন্থা। যার টাকা আছে সে এই বাছাইকৃত সুন্দরীদের ভোগ করবে। আগের দিনের রাজা বাদশারা হেরেমে যা করতে সেটার আধুনিক সংস্করণ আর কি!
আজ আমাদের দেশের যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও ধংসের একটা বড় কারন হলো মেয়েরা তাদের ফাদে পা দিয়েছে । তারা তাদের থিওরী দিয়ে মেয়েদের ব্রেইন ওয়াশ করতে এবং পরিবার থেকে আলাদা করে ঘর থেকে বের করে আনতে সমর্থ হয়েছে । RJ নওসীনের উক্তি অনেকটা এরকম -
"স্বামীর সাথে ডিভোর্স হওয়াই আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।"
আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না। কোন্ এক অজানা কারণে যে তারা সুন্দরী প্রতিযোগীতার বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন না তা বোধগম্য নয়। এই মেয়েগুলো যে পণ্য হয়ে যাচ্ছে, বাজারজাত হচ্ছে সেদিকে তাদের কোন খেয়াল নাই। নাকি এই বেখেয়ালীপনাটা ইচ্ছাকৃত!!!!! অথচ কলামে, গোলটেবিলে, টক শো'তে এঁদের চাপাবাজিতে টিভি বন্ধ করে রাখতে হয়। যাই হোক, দেখেন, এই মেয়েগুলোরই কিন্তু আত্মসম্মানবোধ অনেক বেশি। কারও দ্বিতীয় বা তৃতীয় বউ হিসেবে নিজেকে কিন্তু জীবনেও মানবে না। অথচ দেদারসে নিজেকে বাজারে তুলে, অনেকের ভোগের বা ব্যবসার বস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
নারী আরও বেশী নিজেকে জানুক, নিজের শক্তি উপলব্ধী করুক, অন্যের লালসার হাত থেকে নিজেকে কি করে রক্ষা করতে হয় তা জানুক এই কামনাই করছি, জানি এই কামনার কোন ফল হবেনা ।
---সংগ্রহিত
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার পীড়ন আমি বুঝি, কারণ আমিও পুরুষ। সমাজ নিয়ে একজন পুরুষের গড়পরতার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমার জানা শোনা থাকা স্বাভাবিক। একটা পুরুষ কিসের দৃষ্টিতে একটা নারীর দিকে কোথায়, কোন প্রেক্ষিতে তাকাবে, সম্পর্ক রাখবে সেটা পুরুষ হিসেবে ভালই বুঝি। কিন্তু নারীরা পুরুষের এ রুচি ও মনের দশা বুঝতে অপারগ। গন্ড গোলটা ওখানেই হয়।
তবে কেউ যদি ইভা রহমানের মত বউকে বেচে বেড়ায়, জয়া আহসানের মত বউকে নিলামে তুলেন, প্রভার মত নিজের কন্যাকে বেচে দেবার মত অভিরুচি রাখেন, আমার-আপনার এখানে কার্যত বলবার কিছু নেই। পুরুষ তার নিজের মা বোনের ইজ্জতের ব্যাপারে যতটা সজাগ, অন্যের মা-বোনের ব্যাপারে ততটাই বেখেয়াল। কট্টর পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার মাঝে নারীবাদ কায়েমের বিদ্রোহ, সংঘাতের ইতিহাস গুলো সুখকর নয়। তবে আপনার এই কথা খুব গুরুত্বপূর্ণ,
আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না।
নগ্ন, দেহপসারিনী হয়ে রাস্তায়, মঞ্চে, পতিতালয়ে, গোপন অভিসারে কাজ সারলে, কার্যত স্বাধীনতা প্রিয়, আধুনিক মনস্ক কারোরই আপত্তি থাকার কথা না। নারীবাদীরা আধুনিক মনষ্ক, প্রগতিশীল জানি। তবে পুরুষতান্ত্রিকতার চিড়িয়াখানায় মানুষের এসমস্ত স্বাধীনতায় হামলা পড়লেই কেবল নারীবাদীরা সোচ্চার হন, অন্যথায় তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চান, অধিকার চান এই বলে যে,
নগ্নতা মানেই অশ্লীলতা নয়।
দেশের ৫০ ভাগ মানুষের অক্ষর জ্ঞান নেই। ৩০ ভাগ লোক বিদ্যুত পায় কিনা সন্দেহ। জীবন ধারণে আধুনিকতা দূরের থাক, মৌলিক চাহিদাই গুলো যেখানে পূরণ হয়না, সেখানে আধুনিক মনষ্ক জীবনযাত্রার তালিম দেয়াটা বেমানান।
আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না।
রাসেল মাহ্মুদ বলেছেন:
অনেক পরে পোস্টটা পড়লাম। আপনার যন্ত্রনার সাথে লেপ্টে আছে আমারগুলোও। আমাদের দেশের লেখাপড়ার আসলে কোনো দাম নেই। অন্যরা আবিষ্কার করবে আর আমরা তা বিক্রি করবো-- এই শিক্ষা আমরা নিচ্ছি। গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের কালচার ধ্বংশ করা হচ্ছে।কিছু একটা করা দরকার। ব্লগ থেকেও শুরু হতে পারে।
শুভেচ্ছা।
তাপস১৩৬১ বলেছেন:
( রাসেল মাহ্মুদ বলেছেন: অনেক পরে পোস্টটা পড়লাম। আপনার যন্ত্রনার সাথে লেপ্টে আছে আমারগুলোও। আমাদের দেশের লেখাপড়ার আসলে কোনো দাম নেই। অন্যরা আবিষ্কার করবে আর আমরা তা বিক্রি করবো-- এই শিক্ষা আমরা নিচ্ছি। গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের কালচার ধ্বংশ করা হচ্ছে।কিছু একটা করা দরকার। ব্লগ থেকেও শুরু হতে পারে।
শুভেচ্ছা............)
ভালো লাগল।
মুসাফির রকস বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে।
এখন থেকে নিয়মিত দেথা হবে। আমি এত সুন্দর করে লিখতে পারিনা তবে বলতে ও ভাবতে পারি। ভাল থাকবেন।
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন:
আফসোস ডিজুস পোলাপানরা আয়োডিন যুক্ত লবন খায়না সারাদিন থাকে ফেসবুক নিয়া ,লুল ফালাতে লাইক দিয়া কয় জটিলসস,পড়তে গেলেই কয় সাক্স ম্যান
জাগ্রত চৌরঙ্গী বলেছেন:
অসাধারন লেখা । +++++++++++++
অসামাজিক লোক বলেছেন:
অসাধারন লেখা । +++++++++++++
সত্যসাক্ষী বলেছেন:
অসাধারণ লেখা। ভাল লাগল। তবে বিতর্কটা আর ভাল লাগছে না।
আমাদের এতটুকু বোঝা দরকার আমরা সত্যিকারের মানুষ চাই। মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত।। ধনী গরীব বলে কথা নয়।।
অহন_৮০ বলেছেন:
kothin+++++++++++++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





























