রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নূরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, পুলিশের ওপর জামায়াত-শিবির গ্যাস গ্রেনেড নিক্ষেপ করার পর মুখ ও চোখ জ্বলতে শুরু করে।
তিনি আরো বলেন, 'আমাদের মাথায় হেলমেট ও পরনে জ্যাকেট থাকায় ওই গ্যাস খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। তবে সাধারণ মানুষ বেশ কষ্ট পেয়েছে।' কেমন সেই গ্যাস গ্রেনেড : প্রথমবারের মতো কোনো সংঘর্ষ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গ্যাস গ্রেনেডের বিস্ফোরণ দেখে পুলিশও অবাক হয়েছে। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, একটি গ্যাস গ্রেনেডে ৮০ থেকে ১২০ গ্রাম সিএস গ্যাস থাকে। যেটির বিস্ফোরণ ঘটানোর পর প্রচুর ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। ওই ধোঁয়ায় চোখে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। গ্যাস গ্রেনেড অনেক দূর পর্যন্ত ছুড়ে মারা যায়। পঞ্চাশ-ষাটের দশকে ইংল্যান্ডে প্রাণীদের ওপর এ গ্যাস ব্যবহার করা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে জনসমাবেশ ভণ্ডুল করতে ব্রিটিশ আর্মি স্বেচ্ছাসেবীদের হাতে এটি দেওয়া হয়। তারা সেটি ব্যবহার করে আসছিল। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আরো জানা যায়, সারা বিশ্বে ১৫ ধরনের টিয়ার গ্যাস রয়েছে; যেগুলো জনসমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রতিটিতেই চোখ জ্বালা করে। এর মধ্যে সিএস গ্যাস সবচেয়ে বেশি কার্যকর হওয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সিএস গ্যাস গায়ে ও চোখে লাগার পর বেশ জ্বালা করে। মনে হয় যেন গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকক্ষণ ধরে চোখ জ্বালা করায় কিছুই দেখা যায় না। এর কারণে শুধু নাক জ্বলা ও চামড়ায় জ্বালাপোড়াই নয়, ফুসফুসেও সমস্যা দেখা দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ গ্যাসের কারণে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ন্ত্রণ করতে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তাদের। সোমবার সংঘর্ষের সময় কাকরাইল এলাকায় দায়িত্বপালনকারী একজন পুলিশ কর্মকর্তা গতকাল বিকেলে টেলিফোনে কলের কণ্ঠকে বলেন, 'মিছিল ছত্রভঙ্গ করার জন্য প্রথমে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। এরই মধ্যে দেখা যায় মিছিল থেকে পুলিশের দিকে গ্যাস গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হচ্ছে। সেগুলো রাস্তায় পড়ার পর প্রচণ্ড ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। যাদের গায়ে এ ধোঁয়া লাগে তাদের চোখমুখ প্রচণ্ড জ্বালা করতে শুরু করে।' এক মাসের প্রশিক্ষণ : গতকাল যে সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে জামায়াত-শিবির, সে জন্য এক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করা হয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, এক মাস আগে থেকে মফস্বলের জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের বাছাই করা হয়। দুই-তিন দিন আগে তাদের ঢাকায় আনা হয়। ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা স্বীকার করেছে, পুলিশ হামলা করলে কী ধরনের প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে তারা।
কালের কন্ঠ থেকে নেয়া।
আমার মনে হয় সরকারের কাছেও এই গ্যাস গ্রেনেড নাই, ভাই আমিই প্রথম নাম শুনলাম, আপনারা কেহ আগে হুনছেন নাকি?
তাহলে বলেন দেশ কোন পথে আগাচ্ছে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

