somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জামায়াত-শিবির ব্যবহার করেছে গ্যাস গ্রেনেড! কই পাইল, তাং: ১৯-০৯-১১

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা গত সোমবার পুলিশের ওপর চড়াও হয়েছিল আধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে অনেক আগে থেকেই পুলিশ ব্যবহার করছে টিয়ার গ্যাসের শেল। তবে এবার ঘটল উল্টো ঘটনা। পুলিশকে দমাতেই বরং গ্যাস গ্রেনেড ব্যবহার করেছে জামায়াত-শিবির। বাংলাদেশে কোনো সংঘর্ষের ঘটনায় এই প্রথম এ ধরনের গ্যাস গ্রেনেডের ব্যবহার হলো বলে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন। এক মাস আগে থেকেই জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশকে মোকাবিলা করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এরপর তাদের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।
রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নূরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, পুলিশের ওপর জামায়াত-শিবির গ্যাস গ্রেনেড নিক্ষেপ করার পর মুখ ও চোখ জ্বলতে শুরু করে।

তিনি আরো বলেন, 'আমাদের মাথায় হেলমেট ও পরনে জ্যাকেট থাকায় ওই গ্যাস খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। তবে সাধারণ মানুষ বেশ কষ্ট পেয়েছে।' কেমন সেই গ্যাস গ্রেনেড : প্রথমবারের মতো কোনো সংঘর্ষ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গ্যাস গ্রেনেডের বিস্ফোরণ দেখে পুলিশও অবাক হয়েছে। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, একটি গ্যাস গ্রেনেডে ৮০ থেকে ১২০ গ্রাম সিএস গ্যাস থাকে। যেটির বিস্ফোরণ ঘটানোর পর প্রচুর ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। ওই ধোঁয়ায় চোখে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। গ্যাস গ্রেনেড অনেক দূর পর্যন্ত ছুড়ে মারা যায়। পঞ্চাশ-ষাটের দশকে ইংল্যান্ডে প্রাণীদের ওপর এ গ্যাস ব্যবহার করা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে জনসমাবেশ ভণ্ডুল করতে ব্রিটিশ আর্মি স্বেচ্ছাসেবীদের হাতে এটি দেওয়া হয়। তারা সেটি ব্যবহার করে আসছিল। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আরো জানা যায়, সারা বিশ্বে ১৫ ধরনের টিয়ার গ্যাস রয়েছে; যেগুলো জনসমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রতিটিতেই চোখ জ্বালা করে। এর মধ্যে সিএস গ্যাস সবচেয়ে বেশি কার্যকর হওয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সিএস গ্যাস গায়ে ও চোখে লাগার পর বেশ জ্বালা করে। মনে হয় যেন গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকক্ষণ ধরে চোখ জ্বালা করায় কিছুই দেখা যায় না। এর কারণে শুধু নাক জ্বলা ও চামড়ায় জ্বালাপোড়াই নয়, ফুসফুসেও সমস্যা দেখা দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ গ্যাসের কারণে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ন্ত্রণ করতে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তাদের। সোমবার সংঘর্ষের সময় কাকরাইল এলাকায় দায়িত্বপালনকারী একজন পুলিশ কর্মকর্তা গতকাল বিকেলে টেলিফোনে কলের কণ্ঠকে বলেন, 'মিছিল ছত্রভঙ্গ করার জন্য প্রথমে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে। এরই মধ্যে দেখা যায় মিছিল থেকে পুলিশের দিকে গ্যাস গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হচ্ছে। সেগুলো রাস্তায় পড়ার পর প্রচণ্ড ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। যাদের গায়ে এ ধোঁয়া লাগে তাদের চোখমুখ প্রচণ্ড জ্বালা করতে শুরু করে।' এক মাসের প্রশিক্ষণ : গতকাল যে সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে জামায়াত-শিবির, সে জন্য এক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করা হয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, এক মাস আগে থেকে মফস্বলের জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের বাছাই করা হয়। দুই-তিন দিন আগে তাদের ঢাকায় আনা হয়। ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা স্বীকার করেছে, পুলিশ হামলা করলে কী ধরনের প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে তারা।


কালের কন্ঠ থেকে নেয়া।

আমার মনে হয় সরকারের কাছেও এই গ্যাস গ্রেনেড নাই, ভাই আমিই প্রথম নাম শুনলাম, আপনারা কেহ আগে হুনছেন নাকি?
তাহলে বলেন দেশ কোন পথে আগাচ্ছে?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৩
২৫টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×