আইকোনাস ক্লাস্টাস এর পোস্ট এর মাধ্যমে প্রথম আলোর নিন্মোক্ত লিংকে গিয়ে জাফর ইকবাল স্যারের লেখাটি পড়লাম।
স্যারকে আমি অনেক কিছুতেই আইডল মানি, বিশেষত মতাদর্শে। কিনতু আমার মনে হয় লেখাটিতে স্যার আরও কিছু
বলতে পারতেন, যা তিনি বলেননি।
স্যারের সূত্র অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহেরের ভাই ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহের, তার বীর প্রসবিনী মাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাইদের প্রতি রইল আমার শ্রদ্ধা। বর্তমানে অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন কারাগারে আটক অবস্থায়
আছেন। পেশাগত কারনে এবং মুক্তিযোদ্ধা বলে তার প্রতি যেমন স্যারের সহানুভতি আছে তেমনি একজন শিক্ষক ও
মুক্তিযোদ্ধা বলে আমারও সহানুভতি আছে।
মূল প্রসংগে আসি। স্যারের ধারনা এই যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের প্রতিপক্ষ ভাবছে।
তাদের বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনেক পদক্ষেপও সঠিক নয় বা স্যার সমর্থন করছেননা। আমি তত্ত্বাবধায়ক
সরকার কিংবা স্যার কারো পক্ষে বা বিপক্ষে যাচ্ছিনা। শুধু স্যারের লেখাটি পড়া শেষে প্রশ্ন জাগল -কেন এল এই
তত্ত্বাবধায়ক সরকার? কে দায়ী? কেন ও কে এর উত্তর বিস্তৃত ও ব্যাপক। কিনতু স্যারের লেখাটির রেশ ধরেই বলতে
চাই, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আগমন, জরুরী অবস্থা ইত্যাদির জন্য শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক
আনোয়ার হোসেনের মত নীল, সাদা, গোলাপী পতাকা ধারী শিক্ষকদের আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামাতের অগনতান্ত্রিক,
নৃশংস রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি সমর্থনও দায়ী নয় কি? কই স্যারতো এ সত্যটুকু লেখায় তুলে ধরেননি। শিক্ষকদের এই
লেজুড়বৃত্তি রাজনীতি ছাত্রদেরও শিক্ষা দিয়েছে লেজুড়বৃত্তি ধ্বংসাত্মক রাজনীতি। রাজনীতিবীদ ও এসব শিক্ষকদের
লেজুড়বৃত্তি রাজনীতি ধ্বংস করেছে শিক্ষার পরিবেশ, সৃষ্টি করেছে সেশন জট, নষ্ট করেছে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময়।
এই সমস্ত অনিয়ম, অন্যায়, অস্বাভাবিকতার ফসল এই জরুরী অবস্থা, এই অস্বাভাবিক সরকার, তাই নয় কি? কই
স্যারতো এ বিষয়ে কিছুই বলেননি। তাই স্যার!(স্যার এই লেখাটি পড়বে কিনা জানিনা)ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থী, তাদের
অভিভাবক এবং সাধারন জনগন যদি আপনার ও আমার এ সহানুভতিকে মায়াকান্না বলে ভাবে তবে ভুল হবে কি?
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


