সাংবাদিক কামরানকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে থানায় এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। জ্ঞান ফেরার পর নিরাপত্তার স্বার্থেই কামরান নিজেই পুলিশের কাছে কোনো তথ্য দিচ্ছেন না বলে ওসি জানিয়েছেন।
ঢাকা থেকে বৈশাখী টেলিভিশনের একটি দল ও ডিবি পুলিশের একটি দল উল্লাপাড়ার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে বলেও জানান নজরুল ইসলাম
এদিকে বাংলা নিউজের সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি সুলতানা ইয়াসমিন মিলি জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ওই সিমেন্ট কারখানার সামনে একটি মাইক্রোবাস থেকে সাংবাদিক কামরান করিমকে ফেলে দেওয়া হয়। পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে উল্লাপাড়া থানা পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এ বিষয়ে কামরানের স্ত্রী নাজিয়া বাড্ডা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



