আমি বাড়ি যাবো, আমরা বাড়ী যাবো।
কিভাবে যাবো, জানিনা, পথের কি অবস্হা জানা নেই, বাড়ী যাবো।
পথে বেরুলে নিশ্চয়ই একটা ব্যবস্হা হয়ে যাবে।
এত মানুষ বাড়ি যায়, যাচ্ছে। তারা যদি যেতে পারে আমরাও পারবো।
কি নিবো যেতে। একটা ব্যাগ। যে কোন ব্যাগ।কাপড়ের, রেক্সিনের..।
আমি বড় আনারস কিনেছি একজোড়া, আমি ৫ লিটারের তেলের ক্যান।
আমি নিয়েছি বাচ্চার খাবার, পানি।নতুন কাপড় কেনা হয়নি।
আচ্ছা রোজার ঈদ নয়। তাও খেজুর পাওয়া যায়। ফল নেব? না, সবই এখন প্রায় গ্রামের বাজারে পাওয়া যায়। পথের বোঝা কমাও।
পথে বের হয়ে কিছুই পাচ্ছি না। দাঁড়িয়ে আছি। কতক্ষন.....!
বোরখা পরে গা ঘেমে গেছে। দরদর করে পিঠ বেয়ে ঝরছে।
বাবু ঘুমিয়ে গেলে শরীর ছেড়ে দিয়ে ভারী হয়ে গেল।মাথা কাঁধে হেলানো।
ওরা ভ্যানে যাচ্ছে। সামনে পা ঝুলিয়ে, দুজন বসেছে। মাঝে দুটি ব্যাগ।
এরা এত্তজন একই ভ্যানে? এরা চার জন একই রিক্সায়। এরা তিন জন!
ওরা স বাই হাঁটছে, একা, দল বেঁধে, দল ছুটে যাচ্ছে। আবার জুড়ে যাচ্ছে।
সদরঘাট এতদুর, আর কতদুর। জ্যামে পড়ে গেলাম। কতক্ষন বসে থাকতে হবে!
নাকি বাসে গেলে ভালো হতো, সীট নেই, টিকিট নেই। কিভাবে যাই।
যার যার মোটর সাইকেলে যাচ্ছে- ওরা অনেকে।বাসের ভেতরও কতোজন।
কতদিন দেখেছি গার্মেন্টস এর মেয়েরা সকাল হলে হাঁটে, দল বেঁধে।
কারুর হাতে টিফিন বক্স। কারো হাতে হাতব্যাগ। হাঁটে, আর এগোয়।
আজ সবাই হাঁটছে। মনে হচ্ছে হাঁটার ভংগীমায় ছুটছে। বেশীর ভাগই তরুন, তরুনী!
আহ্, বাড়ী যেতে রওনা হয়ে গেছি। শেষ কিভাবে হবে জানিনা।
ঈদ করবে বাড়ীতে, আপনজনদের সাথে।বাজারে যাবে, গরু, বা ছাগল কিনবে।
কোরবানী দেবে। বিলায়ে বেড়াবে, খুশী, আনন্দ।
উৎস: গতকালের সন্ধ্যার রাস্তার দৃশ্য দেখে.............।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




