এখন খামে ভরা চিঠি নয় ফোনে কথা বলতে ভাল লাগে। চিঠিও ভাল লাগে তবে তাও ফোনে, মুঠোফোনে। কাউকে সরাসরি না পেলে বার্তা দিয়ে রাখা যায়। অনেকে লিখতে পারেন না, খুলতে তো নয়ই। অনেকে অন্যকে দিয়ে লিখায়। কেউ কেউ খুব দ্রুত কম্পোজ করতে পারে।আজকাল চলছে গ্রুপ ম্যাসেজ।আর চলে ই-মেইল। অনেকে দেখি এভাবে চিঠি আদান-প্রদান পছন্দ করেন না। হয়তো কেউ নিজে পারেন না বলে। কথার চিঠি, ছবিসহ চিঠি অনেক কিছুই চলছে। চলুক। তবু চিঠি চাই। পছন্দের চিঠি বারবার পড়া। অপছন্দের চিঠি ছেঁড়া, ছোঁড়া নাহয় ফেলে রাখা।আগে চিঠি লেখাও ছিল এক পেশা। জিপিওতে আছে। গ্রামে নিরক্ষররা যেত শিক্ষিতদের কাছে চিঠি লেখাতে।মানি অর্ডারেও যেত চিঠি।এখনো কোথাও যায়।
নাই টেলিফোন, নাইরে পিয়ন........।
বলেছিলে তাই চিঠি লিখে যাই ক্থা আর সুরে সুরে, তুমি আজ কতদুরে.......।
চিঠি দিও.... .প্রতিদিন......।
মেরা পিয়া গেয়া রেংগুন, উহা সে কিয়া হায় তেলিফুন.....।
চিঠ্ঠি আই হায়, চিঠ্ঠি, আই হায়.......।
সাগরিকা, হঠাৎ বৃষ্টি, সির্ফ তুম আরো ক তো ছবি তো চিঠিরই ছবি।
প্রথম চিঠি কবে পেয়েছেন, লিখেছেন, মনে আছে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




