অনেকের মতো আমারও প্রিয় ফল পেয়ারা। ছোটবেলা থেকে খাই। বাসার বাগানে গাছও ছিল। তিনটা গাছ। একটা বারোমাসি। একটাতে বিশাল বড় পেয়ারা হতো। এখনকার কাজী পেয়ারার মতো। গাছটা একটু শোয়ানো মতো ছিল। কষ্ট করে বেয়ে উঠতে হতো না। সহজেই ওঠা যেত। তখন ভাল লাগতো, মজা করে খেতাম। এখনও ভালো লাগে। কিন্তু খাই ঔষধ হিসেবে। পেট এত শান্তিতে থাকে। কিন্তু পেয়ারার যা দাম হয়েছে তাতে মন অশান্তিতে ভরে যায়।তারপরও খাই।
প্রতি কেজি ১২০টাকা, খুব ভালোগুলো। এর কম, জায়গা বুঝে কেজি ১০০ টাকা। এর নীচে দেখছি না। বড় একটা পেয়ারা ২৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতা অনেকে দাম করেন। কেনেন কম। দাম অবাস্তব মনে হয়। কারো কেনার অবস্হাই নেই হয়তো। আমি একটা কিনি, যাই দাম হোক। কেজি হিসেবে কিনি না।কিনি ওষুধ হিসেবে। কেউ এর ভেতরের বিচি খেতে চায় না। কেউ খেতে চায় না পরে কষা হবে বলে। কেউ বলে দিনে ফল খাও, রাতে খেও না। ফল খেয়ে জল খেও না।
একবার পেয়ারা দেখলাম, মোটামুটি, কিন্তু কিনলাম না। বেড়াতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে এত চমৎকার পেয়ারা নিয়ে বসেছিল যে না কিনে থাকতে পারলাম না।চারটে কিনলাম।একটা সাথে সাথেই খেলাম। এত চমৎকার, এত সুস্বাদু। শুকরিয়া আদায় করলাম। বেহেশতী নেয়ামত দুনিয়াতে খাওয়ার সুযোগ পেলাম বলে, সে অনুভূতি দয়াময় দিয়েছেন বলে। বাসার সদস্যদেরও শেয়ার করাতে পেরেছি। তাদেরও এত ভাল লেগেছিল যে আমি আর ভাগ পাইনি। তাতে কি, আমি তো খুশী। এখন যেটি খাচ্ছি তার ছবিও দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


