আমার প্রিয় পোস্ট
- আমাদের মত করে বিজয়ের হাসি ক’জন হেসেছে? - সোহায়লা রিদওয়ান
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর নিয়ে স্টিফেন হকিং এর সর্বশেষ বই “দি গ্র্যান্ড ডিজাইন” এর সার-সংক্ষেপ/রিভিউ - বিলাশ বিডি
- একটি বিচার কার্য এবং একজন *ফেইসবুক
* ডেবড্যুড
- বোহেমিয়ান কথকতা
- মহামান্যার প্রতি শ্রদ্ধাবনত হয়ে... - হাসান মাহবুব
- ভ্যাঙ্গাড়ি - সোহায়লা রিদওয়ান
- অতঃপর, মানুষের রক্তে দিনলিপি সই হয় ? ঘামে ভেজা জীবন ...... রক্তেই শেষ হয় ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- সে, সে, এবং সে - হাসান মাহবুব
- ছোটগল্প: মাটিফুল ও অন্ধ মুক্তির গান - আশরাফ মাহমুদ
- তালিকা , সাধের বাংলাদেশ ও বছর শেষের ভাগাংক - রাগ ইমন
- **আলো ও অন্ধকারের গল্প** - বোহেমিয়ান কথকতা
- আবারও টিফা: নাছোড়-বান্দা আমেরিকা নতজানু সরকার - দিনমজুর
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- মানুষ - ফারহান দাউদ
- এক , দুই বা পাঁচ টাকার অর্থহীন গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- যে লেখাগুলো প্রিয়তে নেয়া হয়নি... - ভেবে ভেবে বলি
- কুচি কুচি করে কাটা সময়(গল্প) - হাসান মাহবুব
- চলো বিয়ে করে ফেলি ! (কিছুটা সত্য, কিছুটা মিথ্যা ,কিছুটা অতিরঞ্জিত ...) - বোহেমিয়ান কথকতা
- অন্য অলিম্পিক - নুশেরা
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- গণিতের সপ্ত কৌতুক - ম্যাভেরিক
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
অ্যালগোরিদম-ই ভালবাসা, অ্যালগোরিদমেই ভালবাসা ! [*বিজ্ঞান কল্পকাহিনী* ]
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪০
বন্দী থাকলে মন মুক্ত হতে চায়! জেলে বসে "ফেরদৌস শাকিল রাজু" তা ভালই টের পাচ্ছে । সারা জীবন কম্পিউটার এর সামনে বসেই কাটিয়েছে সে। এখন জেলে এসে তার ইচ্ছে করছে বাইরে যেতে !এটি তার দ্বিতীয় কারাবাস । ছাত্র থাকাবস্থায় হ্যাকিং এর কারণে প্রথমবার জেলে ছিল কিছুদিন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও হয়েছিল । জেলে থেকে বেরুবার পরই জব পেয়েছিল সরকারের প্রধান নিরাপত্তা সংস্থায়! "অ্যালগরিদম ই ভালবাসা " -এই ছিল শাকিল এর জীবনের মূল মন্ত্র । ডিক্রিপশনের উপর তার অ্যালগোরিদম একটি ব্রেকথ্রু হিসেবেই গণ্য হয় ।
জেলে বসে সে ভাবতে থাকে পেছনের কথা । দিনের বেশির ভাগ সময় সেলে বন্দী থাকে । শুধু খাবার এর সময় টুকুতে অন্যদের সাথে একসাথে বসতে পারে । এই সময়টা সে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে ।
অন্য কয়েদীদের সাথে গল্প করে । অথচ যখন সে মুক্ত ছিল , মানুষের সঙ্গ
তার ভালই লাগত না! একমাত্র সুজানার ছাড়া!
সুজানা হচ্ছে শাকিল এর দেখা সেরা সুন্দরী ! যাকে সে হৃদয়বতী বলে ডাকত । অথচ ওর বন্ধুরা সুজানাকে দেখে কখনোই বলে নি "আহা মরি" টাইপ সুন্দরী ।
শাকিল এর নাকি শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় সুজানার কাছে গেলে!
সেই সুজানার সাথে শাকিল এর দেখা হয়েছিল কাকতালীয় উপায়ে ।
শাকিল এই ঘটনা বলতে সে মজা পায় । তার খুব ভাল লাগে সুজানার কথা বলতে।জেলে তার সবচেয়ে মনোযোগী শ্রোতা মবিন ।
মবিন হচ্ছে ব্যাঙ্ক ডাকাত । তবে কোন বার ই সফল হয় নি ।
তৃতীয় বারের মত ধরা পড়ে জেল খাটছে । মবিন এর বাবাও ব্যাঙ্ক ডাকাত ছিল! তবে তার বাবা সফল ব্যাঙ্ক ডাকাত ছিল । তিন বার ডাকাতি করেও ধরা পড়ে নি।
সেই কাহিনী মাঝে মাঝেই সে শাকিলকে বলে । সে তার বাবার মুখ রাখতে পারল না! ব্যাঙ্ক ডাকাতিই তার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান!
মবিন শাকিল এর হ্যাকিং এর কাহিনী জানার পর তাকে মাঝে মাঝেই বলে "চল জেল থেকে বাইর হওনের পর আমরা দুই দোস্ত মিলা ব্যাঙ্ক ডাকাতি করি!তোমার বুদ্ধি আমার শক্তি! এই বার লালে লাল হয়া যামু ।"
মবিনের চোখ মুখ ২০০ ওয়াটের বাতির মত জ্বল জ্বল করলেও শাকিল তাতে সাড়া দেয় না । বয়সে মবিন ,শাকিল এর ১২/১৫ বছরের বড় হলেও যে তাকে বন্ধুর মত দেখে এই বিষয়টা শাকিল এর ভালই লাগে।
শাকিল তার কাহিনী মবিনকে বলে । কিভাবে তার সাথে সুজানার পরিচয় হয়েছিল।
"সব সময় কি ঘরে বসে থাকতে ভাল লাগে ? এক বৃহস্পতি বার
গিয়েছিলাম মুভি দেখতে । তাও নিজের শহরে না । কয়েক ঘণ্টার পথ পার করে আরেক শহরে ।"
"কি মুভি?যে এইটা দেখার জন্য এত দূর গেলা ? "সামান্য মুভি দেখার জন্য শহর অতিক্রম?! মবিন বিরক্ত হয় । ব্যাঙ্ক ডাকাতি হলেও না হয় একটা কথা ছিল ! অন্য শহরে করলে ধরা পড়ার রিস্ক কম!
" Ruebah Rudypen এর মুভি । রোমান্টিক মুভি"
"হায়রে রুমাণ্টিকুতা! কইতে থাকো " মবিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে ।
"অদ্ভুদ ব্যাপার হচ্ছে সিনেপ্লেক্স এর বুকিং সিস্টেমে কোন সমস্যা হয়েছিল সে দিন। আমাকে যেই সিট দেয়া হয়েছিল ,সুজানাকেও সেই সিট ! আমি গিয়ে বসেছিলাম নিজের সিটে। বসার পর দেখি পরীর মত দেখতে ।যাকে বলে শ্বাসরুদ্ধকর ... (এই পর্যায়ে মবিন মাথা হতাশভাবে নাড়ায়। সুজানার ছবি সে দেখেছে। এত সুন্দর বলার কোন মানে সে খুঁজে পায় না । সাদামাটা মেয়ে। কিন্তু এই ছেলে যে গভীর প্রেমে পড়েছে । সুযোগ পেলেই তার প্রেমিকার বর্ণণা দিতে থাকে )
"...সুন্দর একটা মেয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াল । এসে বলছে এক্সকিউজ মি আপনি কি ঠিক সিট এ বসেছেন? আমার টিকেটে এই সিটের নাম্বার লেখা আছে!"
শাকিল সে দিন মুভিটি মিস করেছিল মেয়েটির জন্য । মবিন ভাবে "আহারে । ভালুবাসা! আমার জীবনে ক্যান আসল না! সব ই কপাল। নাইলে কি ব্যাঙ্ক ডাকাতিতে এত বার সে ধরা খায়?
বাস এর টিকেট এর কারণে সে তৃতীয় বার ধরা পড়েছিল। আর নাহলে বাকি সব কাজ সে ঠিক ই করেছিল। একজনের টিকেট এর ভুলে প্রেম হয়। আরেকজনের হয় জেল! সব ই কপাল!"
তার পর আরেক দিন দেখা হয় একটি শপিং মলে , সুজানা
শাকিল কে দেখেই চিনতে পারে, সেই দিন এর জন্য ধন্যবাদ জানায়।
সেই সুযোগ শাকিল লুফে নেয় । কফিশপে দু জন বসে...তার পর দু জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে ।
সুজানা শাকিল এর সব কিছুতেই প্রচণ্ড মু্গ্ধ হত।
সুজানার ঠিক পছন্দের কাজ গুলোই শাকিল করত। ওর পছন্দের উপহার এনে দিত,ওর পছন্দের জায়গায় নিয়ে যেত । শাকিল কি করে যেন সুজানার পছন্দ টের পেয়ে যেত ।
সব কিছুই ঠিক চলছিল কিন্তু হঠাৎ শাকিলকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল।
শাকিল সরকারী ডিএন এ ডাটাবেইজ এ হ্যাকিং করেছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেল শাকিল সুজানার ডিএনএ ম্যাপিং চুরি করেছিল! এর ফলে সুজানার সব পছন্দ সে জানত! এ ভাবেই
সে সুজানাকে মুগ্ধ করত !
ধরা পড়ার পর জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা ওর চাকরি বাতিল করে দেয়।
সুজানাও ওর সাথে সম্পর্ক শেষ করে দেয় ।
মবিন এর কান্না পেয়ে যায়। আহারে । পোলাডার কপালটাও ফাটা!
ওরে নিয়া ব্যাঙ্ক ডাকাতি কইরা লাভ নাই। আবারো ধরা খাইতে হইব!
"কিন্তু তুমি ধরা খাইলা কেমতে? তাও এত দিন পর?"
শাকিল একটা রহস্যময় হাসি দিয়ে বলে "আমি আসলে ইচ্ছে করে ধরা
দিয়েছি! আমি ইচ্ছে করে প্রমাণ রেখে এসেছিলাম যে সেই কাজ আমি ই করেছি!তাই এত দিন পর ধরা খেয়েছি!! "
"কি!?!!কেন?!!" মবিন এর চোখ কপালে উঠে যায় ।
"যাতে আমি জেলে যাই! এবং সুজানা আমাকে বিয়ে করে!"
"কি কও এই সব আবোল তাবোল?!! ও তো তোমার সাথে ব্রেক আপ কইরা দিছে আর তুমি দুই মাস ধইরা জেলে পচতাছ। একটা চিঠিও দেয় নাই। বিয়া হইবো কেম্নে?"
"সুজানার ডিএনএ ম্যাপিং দেখেই এই কাজটা করেছি। ওর জন্য সব যে ছাড়তে পারবে তাকেই সে গ্রহণ করবে! আমি তাই ওকে দেখিয়ে দিলাম ওর জন্য আমি সত্যি সব করতে পারি!"
"খাইছে!! তুমি তো মানুষ ভালা না! মেয়ে পটানোর জন্য জেলে পর্যন্ত ঢুকছ! তোমারে দিয়াই হইব !"
শাকিল বলে "কি ব্যাঙ্ক ডাকাতি?"
" না প্রেম!" মবিন হেসে ফেলে ।
শাকিল ও হাসতে থাকে ।
![]()
২।
শেষ পর্যন্ত শাকিল এর ধারণাই সত্যি হল । সুজানা তিন মাসের মাথায় শাকিল এর সাথে দেখা করতে এল । এসেই কি কান্না! শাকিল
এর তখন মনে হয় ওর জীবন সার্থক ।
অ্যালগোরিদম এর অপর নাম সুজানা!
ওরা ঠিক করে শাকিল জেল থেকে বেরুলেই বিয়ে করবে ।
মবিন সব শুনে তো মহা খুশি । "বিয়ের কার্ড পাঠাইবা বুঝছো?
যাইতে না পারি। কার্ডটা নিয়া আনন্দ ভাগাভাগি করুম । গিফট ও পাঠামুনে। ব্যাঙ্ক ডাকাতির ট্যাকা না। বাপের ট্যাকা ...সেইটাও অবশ্য ব্যাংক ডাকাতির...কিন্তু এত দিনে সেই টাকা সাদা হয়া গেছে!! "
৩।
শাকিল প্রহর গুনতে থাকে কবে বেরুবে ।
শাকিল এর সাথে জেলে দেখা করতে আসে সরকারের প্রধান নিরাপত্তা সংস্থার ক্রিপ্টোগ্রাফি বিভাগের প্রধান ।
শাকিল তো নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারে না ।
"কেমন আছ শাকিল?"
"ভাল নেই স্যার । জেলে কি ভাল থাকা যায়?"
"একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে এসেছি। সরকারী ডিএনএ ডাটাবেইজ এ তোমার হ্যাকিং এর পর তদন্ত করতে গিয়ে কত গুলো বিষয় নজরে এসেছে । এর আগেও দুইবার হ্যাক হয়েছে সেই সাইট । কিন্তু হ্যাকারকে ট্রেস করা যায় নি । আরো একটি গুরুতর সাইট ও হ্যাক হয়েছিল কয়েক মাস আগে । তা হচ্ছে ডিএনএ ম্যাপিং এর উপর বেইজ করে ডিএনএ ম্যাচিং
(পার্ফেক্ট কাপল খুঁজে বের করার জন্য) এর সাইট । সেই সাইট টির অস্তিত্ব আমি নিজেই জেনেছি গতকাল । এটি খুব গোপনীয় একটি সাইট । এর কোন কিছুই মিডিয়ায় লিক হলেই সরকার আর নিরাপত্তা সংস্থা সহ অনেক সংস্থাই বিপদে পড়ে যাবে । এখন পর্যন্ত হ্যাকার এর কোন ট্রেস পাওয়া নি । আমাকে হ্যাকিং এর তারিখগুলা
জানাতেই আমি মিলিয়ে দেখলাম তুমি সুজানার সাথে প্রথম যে দিন
সিনেমা হলে দেখা করেছিলে তার মাত্র এক সপ্তাহ আগের ঘটনা! সেই সিনেমা হলের সিট নিয়েও একটা হ্যাকিং হয়েছিল! তুমি বুঝতে পারছ আমি কি বলতে চাচ্ছি?"
শাকিল কিছু বলল না । মুখটা যতটা সম্ভব নির্বিকার রাখার চেষ্টা করল । ( অ্যালগোরিদমেই ভালবাসা! )
" সুজানার সাথে তোমার পার্ফেক্ট ম্যাচিং এর পেছনে ডিএনএ ম্যাচিং এর কারণেই হয়েছে! তুমি জান আমি তোমার বিরুদ্ধে কিছু করব না চাইলেও পারব না ।কারণ কোন শক্ত প্রমাণ নেই । তুমি এত গুরুত্বপূর্ণ দুইটি সাইট ট্রেস বিহীন হ্যাক করেও টাকা বা অন্য কিছুর পেছনে ছোট নি দেখে তোমাকে ডিএনএ এনালিসিস ডিপার্টমেণ্ট এর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং তোমার মুক্তির আদেশ ত্বরান্বিত
করা হয়েছে । পরশু দিন তুমি মুক্তি পাচ্ছ !"
৪।
শাকিল মবিন কে বলল নতুন চাকরি আর মুক্তির কথা (আগের হ্যাকিং এর কথা চেপে গেল)।
সব শুনে সে বলল "এরেই কয় কপাল!!" মবিন তার ফাটা কপাল নিয়েও আনন্দ করতে লাগল ।
শাকিল কিছু বলল না । একটু হাসল । শুধু মনে মনে বলল
"অ্যালগোরিদম-ই ভালবাসা, অ্যালগোরিদমেই ভালবাসা !"
ঠ্যাংনোটঃ
*ফেরদৌস, শাকিল ,রাজু আমার তিন বন্ধুর নাম । ওরা আমার লেখা পড়ে না, আগামীতে পড়বে সেই সম্ভাবনাও নাই। লেখাটি ওদেরকে উৎসর্গ করলাম ।
*Ruebah Rudypen নামটি Audrey Hepburn এর অ্যানাগ্রাম।
ছবি কৃতজ্ঞতা
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজসোহান বলেছেন:
পুরা খাসা পোস্ট
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
মো: ইউসুফ বলেছেন:
জোস লাগছে গল্পটা থুড়ি সায়েন্স ফিকশনটা।
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে সায়েন্স ফিকশান মনে হয় নাই? ![]()
হতেই পারে ।
অল্প একট্য সায়েন্স অল্প একটু ফিকশান!
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন:
চমতকার +++
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
শুনে খুশি হলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয়ায়িত করার জন্য ।
পড়বেন কিন্তু
ধ্রুবমেঘ বলেছেন:
বরাবরের মতই মারাত্মক রকমের উপভোগ করেছি।ডিএন এ ডাটাবেইজ হ্যাক কইরা পারফেক্ট ম্যাচ পাইতে চাই...
লেখক বলেছেন: আম্মো চাই! ![]()
ধইন্যা ধইন্যা
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ কাঠের খাঁচা ।
আমি গতানুগতিক সায়েন্স ফিকশান লিখব না আশা করছি ।
ভাল থাকুন
হাসান মাহবুব বলেছেন:
গল্পটা ভালো লাগসে অনেক। মিহি, নিহি মার্কা নাম নাই, কটমটে ভাষা নাই, নরমাল কথ্য ভাষা..আমি এই জিনিসটা ভাবতাম যে ২০০ বছর পরে কি সবাই অতিশয় শূদ্ধ ভাষায় কথা বলবে? নাইলে সায়েন্স ফিকশনের চরিত্রগুলার ভাষা এরকম হয় কেন? (অবশ্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুড ধরে রাখার জন্যে ওটা দরকার হয়, কিন্তু আমি আসলে সাই-ফাই এর সেরকম ভক্ত নাতো....)আর ঠ্যাংনোট কথাটাও পছন্দ হৈসে
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু বড় ভাই ।
আমার নামকরণ আশা করছি মিহি নিহি হবে না!
কারণ আমি Confident ফিউচার এর মানুষ দের নাম, তাদের নিজ নিজ এলাকা/ভাষার উপর ভিত্তি করে হবে ।
আমারো ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস তায়েফ ভাই
আমারো মজা লাগে!
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
সাবলিল উপস্থাপনা আর কাহিনীর টুইস্ট সব কিছুই দারুন লাগলো। শুভ কামনা..
ঠ্যাংনোট: এই ঠ্যাংনোট কথাডাই জটিল পছন্দ হইছে
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।
আমি জটিল লেখা পছন্দ করি না, তাই লেখার চেষ্টাও করি না । লক্ষ্য থাকে গল্প/ মেসেজ যাতে সহযে পৌছায় ।
আপনার ধন্যবাদ ।
ঠ্যাংনোট, শন্দটা আমারো ভাল লাগছে!
রেফিন বলেছেন:
অন্যরকম একটা সাইন্সফিকশান। ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: আমারো লিখতে ভাল লেগেছে।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন:
ভালো লাগল ++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেঘ
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
জোসসসসস। আপনের এই গুনের কথা তো জানা ছিলো না !
লেখক বলেছেন: খাইছে অভিজ্ঞ সায়েন্স ফিকশান লেখক এর কাছ থেকে কম্পলিমেণ্ট! মাথায় তুলে রাখলাম ।
![]()
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
হেই ব্রাদার তোমার গল্পের কনসেপ্ট তো খুবই দারুণ! তবে গল্প বলার স্টাইলে বোধহয় একটু তাড়াহুড়া হয়ে গেছে, এটা নিয়ে একটু কাজ করতে হবে। তবে ওভারঅল গুড জব। +++ লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন আপু, সময় কম ছিল যখন লিখেছিলাম প্রথম ।
পরে আর ঠীক করি নাই ।
টুইস্ট গুলা প্রেজেণ্ট করতে হবে ভালভাবে ।
লেখক বলেছেন: কথা সইত্য ।
ধন্যবাদ
কঁাকন বলেছেন:
ভালো লাগলো লিখাটা; পড়ে আরাম পাইছি
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস আপু ।
আমার লক্ষ্যই এটা । পাঠক যেন পড়ার পর মনে করে ,দুর্বোধ্য না ।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
প্লাস সমেত বুকমার্কড। পরে পড়বো।
লেখক বলেছেন: খাইছে । সবাই পরে পরে করতেছে ক্যান ![]()
ছুট ই তো । বড় তো না ![]()
না পড়লে খপর আছে ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু আকাশিত , কি জানি তুমার স্পেশাল নাম খানা
লালসালু বলেছেন:
জট্টিল হইছে মামু
লেখক বলেছেন: পোস্ট এখনো ফিরায়া আনেন নাই ![]()
থ্যাঙ্কস ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধইন্যাপাতা চতুস্কোণ ভাই। ভাল থাকুন
লেখক বলেছেন: ![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
বাহঃ! খুব সুন্দর লেখছো।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু প্রফেসর!
জেরী বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: জেলিবু পচা
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
বাহ বাহ, বেশ তো...
লেখক বলেছেন:
ভাঙ্গন বলেছেন:
গল্পটা অনেক সাবলীল মনে হয়েছে।অপ্রয়োজনে কটমটে ভাষা বা চরিত্রের নাম নেই।
...........
হায় আমার দু:খ হয়।
আমি ক্যামনে একটা সায়েন্স ফিক. লেখমু
লেখক বলেছেন: ক্যান চাইলেই লেখা যায় ।
অল্প এট্টু সায়েন্স , অনেক খানি ফিকশান
থ্যাঙ্কস কবি
সিউল রায়হান বলেছেন:
সাইন্স ফিকশন মাথার ৩ হাত উপর দিয়ে যায় দেখে নরমালি দূরেই থাকি তবুও স্বজনপ্রীতি দেখিয়ে এটা পড়া শুরু করলাম৷ ভাল লিখছো ম্যান
লেখক বলেছেন: লইজ্জা পাইলাম ভাইজান
![]()
খটমটে ভাষা আর পৃথিবীর বাইরে যাইতে হয় নাই,জেলে বসে কাজ শেষ ।
অ্যালগোরিদম শিখা নিমু ভাবতাছি।
লেখক বলেছেন: হ জেলে বসেই সব শ্যাষ । অনেকের আবার দৌড়াদৌড়ি ভাল লাগে না!!
শিখ্যা ফালান । কামের জিনিস!!!
পারভেজ বলেছেন:
গল্পের সাথে ফিউচার ফিকশনের মিশেলটা খুব বাস্তবসম্মত আর সমকালিন হয়েছে। একারনেই গল্পের রসটা আস্বাদন করতে কোন বেগ পেতে হয়না কোন পাঠককেই।চমৎকার।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু ভাইয়া
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধইন্যাপাতা ![]()
ভাল থাকুন , খুব ভাল
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় চমক ঠিক ই ছিল, তবে যা সমস্যা আমার চমক তুলে ধরার ব্যর্থতায় ।
ভাল থাকুন
ভুল ধরিয়ে দিয়ে পাশে থাকুন
মুনিয়া বলেছেন:
জোস লাগল!এই ধরনের গল্প সাধারণত কিছুটা বিরক্তি নিয়ে শুরু করি আর পুরোপুরি বিরক্ত হয়ে শেষ করি। কিন্তু দারুণ লাগল এই গল্পটা
+++++
লেখক বলেছেন: আপুকে অনেক ধন্যবাদ ![]()
আমার বিরক্তি অসহ্য লাগে!
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
বোহেমিয়ানের লেখা ভালই হয়, তবে সবসময়ই একটু তাড়াহুড়ার ভাব থাকে। মনে হয় বোহেমিয়ানের বায়োসের অ্যালগোরিদমে ভালবাসার ইন্সট্রাকশন খুব তাড়াতাড়ি রান করে। হেহ্ হেহ্।
ভালই হইছে। প্লাস।
লেখক বলেছেন: ![]()
সমস্যা গুলা ধরতে পারছি, সমাধান হচচছে অনেক সময় ব্যয় , যা আমার নাই ![]()
ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আমার একজনের ডিএন এ ম্যাপিং এর কোড লাগব ...পারবেন আইন্না দিতে?
লেখক বলেছেন: পারলে তো আমি ই আগে নিতাম!!
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
জেনেটিক্স , ম্যাথস , প্রোগ্রামিং , অ্যানাগ্রাম , সাইকোলজী , বায়োলজী ...... কি নাই এই ফিকশনে ,হু !! জোস :-)
লেখক বলেছেন:
থ্যাঙ্কস আপু ![]()
লেখক বলেছেন: শাকিল এখনো জানেই না!!
বাকি দুইজন অন্য বন্ধুদের কাছ থেকে শুনে পড়েছে ।
থ্যাঙ্কু দিদি
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
সচলে পড়েছিলাম । ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি আশরাফ ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বড় ভাই ।
লেখক বলেছেন: ছোট গল্পে সব কিছু অসাধারণ চান!!!
আপনার কমেন্টেও বাকি সব কিছুই ভ্লা হইছে! ![]()
just kidding! ধইন্যাপাতা
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
শনিবার বিকেলে মেলায় থাকবো। আসবেন নাকি? আমার নাম্বার ০১৯৭৮০৭৪২৫৩.
লেখক বলেছেন: আসবো ইনশাল্লাহ । আমি কাল বইমেলা অনেক খুজেও স্টল খুঁজে পেলাম না ![]()
তাহলে অটোগ্রাফ সহই নেব!
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
মাথা ঘামাইছেন বেশ। ভালো লাগছে।
লেখক বলেছেন: কিছুটা তো বটেই
ধইন্যা পাতা এরশাদ ভাই ।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
স্টলটা বাংলা একাডেমী চত্বরের বাইরে পড়েছে। ৪৫০ নং স্টল।
লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা । ব্যাপার না । শনিবার দিন দেখা হবে । আমার যেতে একটু সন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
ঠা ঠা ঠা, ফিকশনের চেয়ে রুমান্টিসিজমই বেশি তয় আপাতত এলগোরে ভালুবাসা বলার কোন খায়েস নাই, ইক্জাম দিয়া লই আগে
লেখক বলেছেন: হাহা!! ভালবাস্তেই হইব , না বাইসা উপায় নাই বুঝছো? তার উপর আইজ আবার ভালুবাসার দিন!!!
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
নতুন লেখা কই? কাল তোমাদের সাথে দেখা হয়ে দারুন লাগলো। আমি অটোগ্রাফ দিতে পারি না। অটোগ্রাফ দিতে গিয়ে ভালো ভালো যেসব কথা লিখতে হয় তাও আমি জানি না। তারপরও অটোগ্রাফের জন্য যে সিগনেচারটা করতে হয় সেটা কিন্তু আমি তোমাকে দিয়েই শুরু করেছি।লেখক বলেছেন:
বলেন কি ?!! তাইলে তো আমি বিশাল মূল্যবান একটা বই আর সংগ্রাহক!!!
লেখা দিব দেখি ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
চমৎকার গল্প, চমৎকার সাই-ফাই, চমৎকার রম্য। এক কথায় দারুন। উপস্থাপনা, লেখার সাবলীলতা, কাহিনীর শেষের চমক (এটা মনে হয় কয়েকজন ধরতে পারেনি) সব মিলিয়ে অনবদ্য। আপনার উপর প্রত্যাশা আরও বেড়ে গেলো। এমন আরও চমৎকার চমৎকার গল্পের অপেক্ষা থাকলাম। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা
লেখক বলেছেন: আপনি শব্দটা কোথা থেকে ঢুকল?!!! তুমি /তুই
ওয়াও!!! সাই ফাই লেখক আমাকে এইটা বলতেছে । তাইলে তো হইছেই কাজ
কিষান বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
!
থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু
আকাশচুরি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো। ভালোবাসার গল্প।ঠ্যাংনোটের অংশিদারদের (*ফেরদৌস, শাকিল ,রাজু ) এই লেখাটা অবশ্য পাঠ্য
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আকাশনীল ভাই ।
একজন এখনো পড়ে নাই!!
বাকিরা পড়ছে ।
একটা তত্ত্বের তর্ক তুলতে চাইছিলাম।
প্রেমের সম্পর্ক নয়, সেখান থেকে সরে এসে - কার সাথে কার ম্যাচ করবে - সেখানে আসলাম। এরপর এখান থেকেও সরে এসে বললাম, এটা ডিএনএ দ্বারা নির্ধারিত, একধরণের পূর্বনির্ধারিত, প্রডেসটিনড ব্যাপার বলে মানলাম। এখন এ্যলগরিদম দ্বারা ডিটাইমাইন করা যায় -এযায়গায় পৌছালে যেখান থেকে শুরু করেছিলাম তার সাথে মিলিয়ে দেখতে চাইলে দাড়ালো -
প্রেমের সম্পর্ক বলে কিছু নাই। হিউম্যান মাইন্ড বলে কিছু নাই; সবকিছুই প্রি-ডিটারমাইন্ড, এ্যলগরিদম জেনে তা ডিটাইমাইন করে ফেলা যায়।
প্রি-ডিটারমাইন্ড তবে অজানা বিষয়টা এ্যলগরিদমের চাবি দিয়ে খুলে ডিটাইমাইন করে, জেনে ফেলা যায়।
এটাই কী আপনার গল্পের সার অংশ?
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের টোন সব সময় ই ভাল লাগে ।
আপনার বেশ কিছু লেখা পড়েছি, কিন্তু ঐ সব বিষয়ে ভাল আইডিয়া নেই বলে কমেন্ট করা হয় না ।
এবার আসি আপনার প্রশ্নে ।
আমার জানামতে ডিএনএ ম্যাচিং এর ব্যাপারটা সত্যি হবার বিশাল সম্ভাবনা আছে । আরো কিছু প্রভাবক থাকবে যেমন মনে করুন আবহাওয়া/পরিবেশ/ অর্থনীতি ...এই সব দেখে প্রেডিক্ট করা সম্ভব ।
তবে সব কিছুই সম্ভাবনার । কিছুই নিশ্চিত না । অনেক অনেক তথ্য উপাত্ত হাতে থাকলে হয়ত আপনি অনেক কিছুই প্রেডিক্ট করতে পারবেন । কিন্তু সম্ভবত কখনোই নিশ্চিত হতে পারবেন না ।
যেহেতু কল্প গল্প তাই সহজবোধ্য করার জন্য , এই রকম টি দেখিয়েছি ।
আর প্রেম/ হিউম্যান মাইন্ড এর আচরণ/বহিঃপ্রকাশ তো তার পূর্বপুরুষ/পরিবেশ... এই সব এর উপর ডিপেণ্ড করে । তথ্য উপাত্ত জানা থাকলে কিছুটা তো আমরা সাধারণ মানুষ রাই প্রেডিক্ট করতে পারি! আর আপনি শক্তিশালী গনণা যন্ত্র দিয়ে আরো বেশি ভাল প্রেডিক্ট করতে পারবেন না ?
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ঘটনা হচ্ছে আমি/আপনি চাই বা না চাই, আমার ধারণা এই রকম টাই ঘটবে!মানুষের সম্ভাবনার গলা টিপে তাকে হিসেব নিকেশে জালে ছেঁকে ফেলা হবে ![]()
হ্যা লিখলাম । ![]()
এটি আমার প্রথম সায়েন্স ফিকশান! আমি এই বিষয়ের অন্ধকার দিক নিয়েও লিখব আশা করছি । আমার আরো কিছু প্লট আছে ।
যেহেতু ফান ব্যাপারটা মাথায় ছিল , তাই অত সিরিয়াস ভাবে চিন্তা করে দেখি নি ।
আপনাকে ধন্যবাদ চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে আসার জন্য ।
তবে সব কিছুই সম্ভাবনার । কিছুই নিশ্চিত না । অনেক অনেক তথ্য উপাত্ত হাতে থাকলে হয়ত আপনি অনেক কিছুই প্রেডিক্ট করতে পারবেন । কিন্তু সম্ভবত কখনোই নিশ্চিত হতে পারবেন না" -
আপনার উদ্ধৃতির কিছু জায়গা বোল্ড করেছি আমি।
প্রকৃতি, প্রকৃতি বিজ্ঞানের সম্ভাবনার খবরগুলোর কথাই আপনি এখানে লিখেছেন। গড়পরতা মানুষর চেয়ে আপনি অগ্রসর খোঁজকবর রাখা লোক তাই আপনি জেনেছেন। খুবই খুশির খবর এটা, প্রশংসনীয়।
কিন্তু মানুষ?
মানুষের সম্ভবনা, মানুষের ক্রিয়েটিভ সম্ভাবনা?
আপনাকে এর খবরও রাখতে হবে। যদি আপনার অগ্রসর বিজ্ঞানমনস্কতার কারণে সে খবর বেশি রাখা সম্ভব না হয় তবে মিনিমাম আপনাকে যা করতে হবে তা হলো।
১. এমন কোন ভাবে প্রকৃতি, প্রকৃতি বিজ্ঞানের সম্ভবনার কথা উপস্হাপন করা যাবে না যা মানুষের সম্ভাবনা, তার হিউম্যান কোয়ালিটির সম্ভাবনাকে খাটো করে ফেলে, মানুষ সম্ভাবনাহীন পরিসমাপ্তিতে পৌছে গেছে এমন ধারণা প্রকাশ পায়।
২. আমরা যেটাকে প্রকৃতি, প্রকৃতি বিজ্ঞানের সম্ভাবনার খবরগুলোর কথা বলছি এগুলো আসলে মানুষেরই সম্ভাবনা কারণ ঐ সম্ভাবনাগুলো বের করা, ভাবার কাজের কর্তা মানুষই। সেই অর্থে প্রকৃতি, প্রকৃতি বিজ্ঞান অথবা পপুলার শব্দে "বিজ্ঞান" বলে ইনডিপেন্ডেন্ট কোন কিছু নাই , হতে পারে না। ওগুলো আসলে মানুষেরই প্রকৃতি বা প্রকৃতি বিজ্ঞান বিষয়ক ভাবনা, ক্রিয়েশন। "বিজ্ঞান" মানুষের সৃষ্টিতে, হাতে তৈরি ফলে "বিজ্ঞানের" মানে একটাই - মানুষের বিজ্ঞান; মানুষের বাইরে স্বাধীন কোন কিছু নয়।
৩. মানুষের জন্য জটিল একঘেঁয়ে গণনা (tedious calculation) জাতীয় কাজগুলো করতে আমরা আমাদের ব্রেনের বাইরে এক মেশিন বসিয়ে সেকাজগুলো করার ব্যবস্হা করে নিয়েছি। কমপিউটার, এলগরিদম এগুলোর প্রকাশ।
কাজেই এই মেশিনগুলোর কাজ বা ফলাফল মানুষের সম্ভাবনাকে ছাড়িয়ে যাওয়া কোন সম্ভাবনা আছে বা হচ্ছে বলে ভুল করা অথবা বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। "বিজ্ঞান" মানুষের চেয়ে আগে থাকার সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে - এই ভাবনা চিন্তার এক গোলযোগ সর্ট সার্কিট মাত্র।
৪. এবার আসল কথাটা বলব। মানুষের হিউম্যান ফ্যাকালটি বা কোয়ালিটি যা মানুষকে নিরন্তর ক্রিয়েটিভ সম্ভাবনাময় করে রেখেছে, করে তুলে - মানুষের এমন বৃত্তিগুলো মানুষকে মানবিক করে রেখেছে (তাঁর প্রেমের ভাবনা সহ) - এর বিরুদ্ধে "বিজ্ঞান"কে কখনই প্রতিদ্বন্দ্বী, পরিপূরক, রিপ্লেসমেন্ট হিসাবে দেখা মারাত্মক ভুল শুধু না, অপরাধের পর্যায়ের। নিজেকে হারিয়ে নিজেই পথে পথে ঘুরে মরে হতাশ খুঁজে ফেরার এক বিভ্রান্ত তত্ত্ব এটা।
৫. মানুষের সম্ভাবনা শেষ মানে দুনিয়ার সব সম্ভাবনা শেষ। মানুষ মানেই প্রকৃতি - একই জিনিষ দুই দিক থেকে দেখা।
৬. এবার সুনির্দিষ্ট করে আপনার গল্প: আপনার গল্প বিশেষ করে ওর কনক্লুশন বা সমাপ্তি দেখে আমি-মানুষ ভয় পেয়েছি।
ভেবেছি তবে কি আমার মানুষ গুণাগুণ, নিরন্তর ক্রিয়েটিভ সম্ভাবনাময় আমি, আমার প্রেমের আকুতি, সৃষ্টি শিল্পকলাবোধ সবকিছুর দিন শেষ - সবই পূর্বনির্ধারিত - এখন অপেক্ষা কেবল এলগরিদমের, একটা ভাল মেশিনের যা পূর্বনির্ধারিত তবে মানুষের অজানা সবকিছু, এমন জিনিষগুলো আমাদের জানাবে - এটাই কেবল বাকি ?
আমার ঐ জানার দরকার কী? তাহলে আমার বেঁচে অস্তিত্ত্বমান থাকার দরকার কী? তবে আমি দুনিয়ায় থাকলেই বা কী আর না থাকলেই বা কী যায় আসে - শুধু এলগরিদম,আর ভাল নির্ভুল গণনা মেশিন প্রসব করার জন্য আমি অন্তত দুনিয়ায় থাকতে আগ্রহী নই।
৭. তাহলে আমি কী বলতে চাচ্ছি? আপনি "বিজ্ঞান"মনস্ক হবেন না? "বৈজ্ঞানিক" কল্পকাহিনী লিখবেন না? দুনিয়ার কোন কিছু না ছুয়ে বসে থাকুন?
ঘুর্ণাক্ষরেও না। একটা বড় করে না বললাম।
সংক্ষেপে বলব - আপনার গল্প ওখানেই শেষ হতে পারবে না। আর একটা নতুন প্যারা ওখানে যদি যোগ করতে হবে; যেমন ধরেন,
আপনার নায়ক এলগরিদমের নায়িকা লাভ করে, হাসিল করার পর হঠাৎ সে শক পেল, সে আবিস্কার করলো "এলগরিদমের নায়িকা", কোন পারফেক্ট ম্যাচ আসলে সে চায়নি, খুজছিল না - সে চেয়েছিল মূলত প্রেম। রক্তমাংসের মানুষের প্রেম। ঠিক পারফেক্ট ম্যাচও না, এমনকি তা না হলেও তাঁর চলবে। সে চায় রক্তমাংসের মানুষের জীবন্ত প্রেম। যার মধ্যে পাওয়ার আনন্দ আছে, হারানো বা না পাওয়ার ব্যাথা আছে। কষ্ট, সুখ দুটোই আছে। ঐ জীবন্ত প্রেমকে ইচ্ছামত নানান আকার দেবার ( এমনকি দিতে ব্যর্থ হবার সম্ভাবনা) নিরন্তর সুযোগ নবনব অফুরন্ত সৃষ্টির অপার সম্ভাবনা আছে।
বরং এখন থেকে সে চেষ্টা করবে এলগরিদমের বিচারে যেটা সবচেয়ে খুঁত-ওয়ালা, নূন্যতম পারফেক্ট হবার যার সম্ভাবনা নাই - তাকেই সে খুঁজে বের করে ওর ভিতরে নিজের মানবিক গুণ আর ওর ক্ষমতার উপর ভরসা করে ওর মধ্যেই প্রেমের ফুল ফুটানোর ব্রত নিবে। দেখিয়ে দিবে মানুষ কত অপার সম্ভাবনাময়। এন্ডলেস।
আমি জানি না। আমার কথা আপনার বুঝবার মত করে লিখতে পারলাম কী না। কোন অংশ বা কিছুই বা বুঝা গেলে সত্তর নির্দ্বিধায় জানাবেন।
লেখক বলেছেন: যেহেতু আমার প্রথম লেখা । তাই অত চিন্তা করি নি । একে আমি এখনো নবীন , তারপর আমার লেখার পাঠক কম, প্রভাব তো আরো কম তাই লেখার আফটার ম্যাথ নিয়ে অত চিন্তা করি নাই ।
আমি শেষ টা ইতিবাচক দিতে চেয়েছিলাম , যাতে পাঠক এর ভাল লাগ ।
বিজ্ঞান এর অপপ্রয়োগ নিয়ে ভবিষ্যতে লেখার ইচ্ছে আছে ।
আপনার টুইস্ট ভাল লাগছে । সিকুয়েল করে ফেলব কিনা ভাবছি!!!
পয়েণ্ট গুলার উপর আরো অনেক চিন্তা করতে হবে ।
আমার ধারণা আপনি যা বুঝাতে চেয়েছেন তা আমি বুঝতে পেরেছি । এরকম অন্য আলোয় দেখতে চাই । আপনার মত কমেন্টার পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার ।
ধন্যবাদ ।
আপনার নায়ক এলগরিদমের নায়িকা লাভ করার পরও কেন হতাশ হলো এর কিছু কারণ যোগ করতে চাই।
সে দেখবে (আমি বিশ্বাস করি আসলেই সে দেখবে) এরপরের দুজনের সুখকর কাম্য জীবনে কোনকিছুতে কোন সংঘাত নাই, কোন উচুনিচু নাই সব একদম পারফেক্ট; একজন যা বলে অন্যজন তাতেই হ্যাঁ বলে সম্মতি জানায় কো নো ও রকমফের নাই - এটাই সবচেয়ে একঘেঁয়ে, বিরক্তিকর এক জীবন হয়ে উঠল উভয়ের কাছে। কারণ ওখানে নব সৃষ্টির কোন কিছু নাই, বাকী নাই - সব পারফেক্ট, পারফেক্ট, আর পারফেক্ট। কোন নতুন চাহিদা(need) নাই। তাহলে দুনিয়া মানুষের আর কাজ কী? সব নিড পূরণ হয়ে গেছে - অতএব আসেন আমরা সব বাড়ীতে তো ফিরে যেতে পারবে না কারণ তখন আর বাড়ি বলে কোন কিছু নাই, কার বাড়ি কিসের বাড়ি কেন বাড়ি - সব উদ্দেশ্যবিহীন কথা বার্তা - তাই দুনিয়া থেকেই গায়েব হয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আপনাকে কারণ যুগিয়ে দিতে গিয়ে আবিস্কার করলাম - গল্পের আরও একটা প্রায় কাছাকাছি কনক্লুশন হতে পারে।
পারফেক্ট ম্যাচের নায়ক-নায়িকা মিলিত পারফেক্ট জীবন পাবার পরও সিদ্ধন্ত নিল ওরা আত্মহত্যা করবে - কারণ জীবন একঘেয়েমি, বেঁচে থাকার কোন মানে, উসিলা নাই, খুজে পেল না তাই।
দর্শন বা তত্ত্বের মুলভাবটা জানা থাকলে আপনি ক্রিয়েটিভ মানুষ এরকম আরও অনেক কনক্লুশন বের করতে পারবেন আমি নিশ্চিত।
আপনার শুভ কামনায়।
আমি লিখছি এই ভরসায় যে একথাগুলো আপনাকে আরও শক্ত করে গড়ে তুলুক, নিজের উপর আস্হা বাড়ুক। আরও ভাল ভাল লিখুন। এক লেখাই জীবনের শেষ লেখা নয়।
আমি দৃঢভাবে চাইব আপনি সেভাবে আমার লেখাকে গ্রহণ করবেন।
সিকুয়েনসিয়াল করার কথা ভাবতে পারেন, অন্য যা কিছু করতে পারেন। কিন্তু আপনাকে হতোদ্যম দেখতে চাই না। সেক্ষেত্র আমি ভিন্নভাবে অংশ নিব।
আপনি চাইলে আমাকে মেল করতে পারেন।
লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তার জন্য ধন্যবাদ । খুব খুশি ও হলাম ।
আমি আমার লক্ষ্যের ব্যাপারে আশাবাদী + দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ । কিছু ভাল লেখা লিখতে চাই ।
আপনার দেয়া উপদেশ গুলো ভাল লাগছে ।
মাথায় আরেকটু ভাল টুইস্ট এলেই এর সিকুয়েল করে ফেলব ।
আমি হতাশ হই নি, ভয় ও পাই নি । বরং লেখার সময় মাথায় কি কি রাখা উচিত তা জেনে নিলাম ।
আপনি এই খানেই আমাকে জানাতে পারেন । আমি আমার লেখার অপূর্ণতাই/ভুল খুজে পেয়ে ঠিক করতে চাই ।
আপনার মেইল আইডি টি দিন । সংযোগ রাখা উচিত ।
সিজানুর রহমান বলেছেন:
গল্প ভাল লাগল + ৪৯ তম মন্তব্যের বিপরীতে বলেছেন আপনার লেখার পাঠক কম! কত কম তাতো কমেন্ট দেখেই বুঝলাম। যাই হোক পি মুন্সি ভাইকে বলতে চাই আপনি মানুষ আপনার ডি.এন.এ -র কারনেই। আবার ঠিক একই কারনে আপনি অন্য মানুষের চেয়ে আলাদা। আপনার চিন্তা চেতনা সব কিছু অন্যদের চেয়ে আলাদা। আপনার জমজ আপনার মত নাও হতে পারে (চিন্তা, চেতনা, হিউম্যানিটি . . . এসব ব্যাপারে) কারন দুটি জমজ শিশুর ডি.এন.এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট-এও মিনিমাম ৮-১০% অমিল থাকে, কিন্তু দুটি ক্লোন একই পরিবেশে একই রকম চিন্তা করবে। আর আপনি ক্রিয়েটিভিটি আর হ্যান ত্যান যাই বলেন না কেন সব কিছুই আপনার মস্তিস্ক। সো আমার মনে হয় গল্পের প্যাটার্ন যথেস্ট বাস্তব সম্মত। . . .
লেখক বলেছেন: প্রথম অংশের উত্তর আমি দিচচছি ।
হাহা!! নারে ভাই খুব বেশি না। অন্তত প্রভাবিত করার মত না! প্রভাব হিসেব করলে এখনো অনেক কম ।
(আপনার সাথে মুন্সী ভাই এর দ্বিমত নিয়ে আলোচনা করতে পারেন । আমি আগ্রহ নিয়ে পড়ব! )
জিপিএস বলেছেন:
দ্য আইডিয়া অব পারফেক্ট ম্যাচ ইজ নট এ ম্যাথামেটিক্যাল অর লজিক্যাল নেসেসিটি। ইটস অ্যা পিওর নোশনাল কন্সট্রাকশ অব হিউম্যান ফ্যান্টাসী...
লেখক বলেছেন: কডিন কথা!!!
পড়ার জইন্য ধইন্যাপাতা
--------------
সিজানুর রহমান কে বলছি, আমি কি নিয়ে কথা বলছি আপনি বুঝেছেন বলে মনে হয় নাই।
১. এক ধরণের কথা আছে না, বলে - আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না।
এইবার, যেখানে আমি আল্লাহ লিখেছি আপনি এখন সে যায়গায় "মস্তিস্কের ডিএনএ এর প্যাটার্ণ" - কথা কয়টা লিখে নিন। তাহলে কথাটা দাঁড়াবে,
মস্তিস্কের ডিএনএ এর প্যাটার্ণ এর হুকুম ছাড়া মানুষের আঙ্গুলও নড়ে না - এই জাতীয় কিছু একটা।
এরপর কথাটা কোথায় দাঁড়াবে,
আপনি এই যে - এই ব্লগে এসেছেন - এসে কী লিখবেন, আমাকে মস্তিস্কের ডিএনএ এর প্যাটার্ণ বুঝাবেন কি না - এমন মানুষ আপনি হবেন কী না - এটাও মস্তিস্কের ডিএনএ এর প্যাটার্ণের হুকুম।
একজন মানুষ খুন করে এসে কোর্টে বলছে আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না; আমি না আল্লায় খুন করছে বা করাইছে।
এখন দেখেন আপনি সেই এজলাসের বিচারক হলে কী করবেন!
২. "আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না" - বলা কোন হুজুর যেমন একথা বলার পরে আর, যেমন গুনাহ, নেকি, বেহস্ত দোজখ বলে কিছু থাকে কি না তা ব্যাখ্যা করতে পারে না কারণ, গুনাহ করলে সে তো আল্লাহর হুকুমেই করছে, টাইলে আবার গুনাহর মানে কী - এমন হয়ে যায় ঠিক তেমনি, আপনি বিচারকও শাস্তির রায় ঘোষণা দেবার কারণ খুজে পাবেন না। দুনিয়ার সবকিছুই একটা প্রি-ডিটারমাইনড, প্রি-ডেসটিনড ঘটনায় দাড়িয়ে যাবে।
লক্ষ্য করলাম, আপনার ডিএনএ বিজ্ঞান দেখি আল্লাহ ভক্ত হয়ে যাচ্ছে। আপনি হুজুর হলে বলতে পারতেন, কোরান ও বিজ্ঞানের মহিমা কত দেখ - একদম হাতএ হাত ধরে হাটে।
৩. বিজ্ঞানের এই কল্পকথা লেখক "বোহেমিয়ান কথকথা" তো তবু জানিয়েছে -"আরো কিছু প্রভাবক থাকবে যেমন মনে করুন আবহাওয়া/পরিবেশ/ অর্থনীতি ...এই সব দেখে প্রেডিক্ট করা সম্ভব"। আপনার বয়ানে তো দেখি তাও নাই; সবই মস্তিস্ক, একেবারে মস্তিস্ক-সর্বস্ব; এর আগেও নাই পরেও নাই।
তবু ধরেন যদি আপনিও যোগ করে নিলেন যে না, আবহাওয়া/পরিবেশ/ অর্থনীতি এর মত আরও কিছু ভেরিয়েবল আছে। আবহাওয়া/পরিবেশ/ অর্থনীতি এই শব্দ তিনটা দূরে থাক, এক "অর্থনীতি" সে নিজেই কত অসংখ্য ভেরিএবলের সমাহার? গোনায় ধরতে চায় না।
আপনি সবচেয়ে বেশি কতগুলো ভেরিএবল একসাথে নিয়ে অঙ্ক কষার কথা শুনেছেন? ধরা যাক, যদি গণনা যন্ত্রেও তা সমাধা করে ফেলবেন মনস্হ করলেন তো আবার সেই প্রোগামিংয়ের ব্যাপার। কতগুলো ভেরিএবল একসাথে নিয়ে ডিল করার প্রোগামিংয়ের কথা শুনেছেন আপনি?
না ঘুম পাচ্ছে, হাই উঠছে আজ থাক।
আর এইসব জেনে লাভ কী? সবই তো প্রি-ডিটারমাইনড, প্রি-ডেসটিনড.......।
জানজাবিদ বলেছেন:
শেষে আরেকটু সারপ্রাইজ রাখতে পারতেন। মানে একেবারে ধারণার বাইরে কিছু। নেগেটিভ কিছু রাখলেও হইতো। আপনারে এক মহা আঁতেলের ব্লগের লিংক দেই, বই পড়ায় এই রকম ওস্তাদ বাংলাদেশে খুব কমই আছে।
http://www.sachalayatan.com/sirat/30594
লেখক বলেছেন: সিরাত ভাই এর লেখা পড়ি তো!!
তবে উনার আলুচনার কারণে উনার দেয়া বই গুলা পড়তে ভয় লাগে!!!!
![]()
উপদেশের জন্য ধইন্যা পাতা। খিয়াল রাখুম ।
লেখক বলেছেন: কিতা?!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















