ভাষা সঙ্কীর্ণতাঃ ৩
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
কদিন ধরে ভাবছি আমাদের ভাষা সম্রাজ্যের সম্পর্কে আরেকটু লিখি। কি নিয়ে লিখব ভাবতে ভাবতে হটাত একটা পুরনো তথ্য মনে পড়ল। নব্বইয়ের শেষের দিকের কথা, নিজের প্রথম কম্পু হয়েছে। তাই প্রতিদিন নতুন সফটয়্যার, টেস্ট করার উত্তেজনা। তখনো মিনিট গুনে ইন্টারনেট ইউজ করতে হত, তাই মূল তথ্যভান্ডার ছিল অফলাইন। আর নির্ভরযোগ্য তথ্যের নিয়মিত উতস ছিল এনকার্টা। মাইক্রোসফটের করা সুকীর্তিগুলোর মধ্যে একটা। অসাধারণ সব তথ্যের সুবিশাল সংগ্রহশালা এই সফটয়্যারটি। তাই বাংলাদেশ, বাংলা, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি তথ্যের প্রতিটি লাইন তন্ন তন্ন করে খোঁজা আর নিজের বিদ্যার সাথে মাইক্রোসফটের বাংলাজ্ঞান মিলিয়ে দেখা। এখনো মনে পড়ে ওই দিনগুলি। সেই সময়ে একটা মজার জিনিষ আবিষ্কার করেছিলাম।
তা হল, মাইক্রোসফট (এবং সম্ভবত ভাষা বিশারদগণের মতেও) আমরা যাকে বাংলাভাষী এলাকা বলে জানি উনারা তা মানতে রাজি না। এনকার্টার তথ্য অনুসারে তারা চিটাগনিয়ান আর সিলেটিকে তার আলাদা ভাষা অনুসারে দেখিয়েছেন। এক কোটি বা তার কম লোক কথা বলে এমন ভাষার তালিকায় প্রথমেই আছে সিলেটি আর পৃথিবীর প্রধান ভাষাগুলোর লিস্টিতে নিচের দিকে আছে চট্টগ্রামের বাংলা। আমি জানি না, আমাদের বাংলাদেশের মানুষ বা বাংলা ভাষা বিশেষজ্ঞরা এই তথ্যের সাথে একমত কিনা। কিন্তু আমার কাছে তখন থেকেই মনে হয়েছিল যে এখনো আমরা আমাদের তথ্যের বিশ্বায়নের বিষয়ে অন্যের উপর বড় নির্ভরশীল। কারো সুচিন্তিত মতামত থাকলে জানাবেন।
সিলেটি
Click This Link
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল, নেট কালেকশন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ই-হা-রা বলেছেন:
বিষয়টা খুবই কৌতুহলের। আমি সিলেটে ছিলাম বছর দুয়েক। তখন সিলেটী ভাষা উন্নয়ন পরিষদ নামে সংগঠনের ব্যানার দেখেছি। সিলেটী বর্ণমালা সমর্্পকে জানা ছিল না। লিংকটা পড়লাম। ইন্টারেস্টিং।কিন্তু সিলেটী ভাষা এবং চিটাগনিয়ান ভাষা বলে বাংলা থেকে পৃথক কোন লিখিত অস্তিত্ব এখন কী কোথাও চালু আছে?
অতিথি বলেছেন:
অবধারিত ভাবে মাথায় পোকা কামড় দিল.....ভাষা শহীদগণ তাহলে কোন ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন?
ফরিদ বলেছেন:
আমার জানামতে প্রাচীন বাংলার মতন প্রাচীন সিলেটীরও নিজস্ব বর্ণ ও লেখনরীতি ছিল। এট খুবই সম্ভব যে সিলেটের মূল ভাষার সূর বাংলার চেয়ে অসমিয়ার সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবত হল, সময়ের সাথে সিলেটের নিজস্ব লেখনরীতি সংস্কৃতের মত মৃত বা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে মূল সিলেটী কথ্যরীতিতে আমি অনেক সময়ে বাংলার ক্ষেত্রে যেমন (বাংলা+ততভব) ব্যাবহার পাওয়া যায়, তেমনি সিলেটির ক্ষেত্রে আমি বাংলা+ আরবী ও উর্দুর অপভ্রংশের বেশী ব্যাবহার পেয়েছি।
অতিথি বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। আমার কান ঝালাপালা করে ফেলেছিলেন এক সিলেটী ভদ্্রলোক এই সিলেটী ভাষার ব্যাপারে। এখন দেখছি তাঁর কথা একেবারে ফেলে দেয়ার মত ছিল না।একেবারেই অজানা কিছু তথ্য পেলাম, সিলেটী ভাষার নিজস্ব লেখাও দেখলাম আপনার লিংক দেখে। ভালভাবে ঘেটে দেখব। একটু সময় নিয়ে দেখা দরকার। অনেক ধন্যবাদ। আসলে নিজের দেশ সম্বন্ধে এত কম জানি, খারাপ লাগছে।
অতিথি বলেছেন:
আপনার লেখাটা দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়েছিল। ভাল জিনিস আসলে চোখে পড়েনা, ফালতু জিনিস চোখে পড়ে বেশী। লেখাটা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য তাই ধন্যবাদ।
ফরিদ বলেছেন:
আগামী পোস্টে আমি সিলেটীর ওপর আর কিছু লিখব কিনা জানি না, তবে আমার মনে হয়েছে বঙ্গভঙ্গের কারনে পশ্চিম বঙ্গ যেমন আমাদের থেকে আলাদা হওয়ায় বাংলার স্রোত দুই ধারায় চলা শুরু করেছে, তেমনি আমার কাছে লাগে, সিলেটের সংস্কৃতির টান ঐতিহাসিক কাল থেকেই ঢাকা বা কোলকাতার চেয়ে আসাম বা পূর্ব ভারতের সাথেই বেশী সম্পর্ক ছিল। আমরা মনে হয় নিজেদের অজান্তেই আরেকটি সমৃদ্ধ ভাষাকে সম্মান না জানিয়ে উর্দুর মত বাংলাকে চাপিয়ে দিয়েছি। আমি জানি না ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে কি না।
রাগিব বলেছেন:
উইকিপিডিয়াতে এই সংক্রান্ত নিবন্ধ আমি পড়েছি, এবং ভাষাতত্ত্বে পিএইচডি করছেন, এমন একজনের সাথে আলোচনা করেছি। চট্টগ্রাম ও সিলেটের ভাষাকে আসলেই ভাষাবিদেরা আলাদা ভাষা ধরেন। যদিও এই দুইটি ভাষা মূল বাংলার সাথে অনেকাংশে মিলে যায়, এবং এক ভাষাভাষী অন্য ভাষার মানুষের কথাও বুঝতে পারেন।এ প্রসঙ্গে মজার কথা মনে হলো, আমার এক বন্ধু রাজশাহীর মানুষ, রাজশাহীর ভাষা (যা প্রমাণ বাংলা ভাষার খুব কাছাকাছি), আমার আরেক বন্ধুর রুমে গেছে। ঐ বন্ধুর বাড়ি কক্সবাজার, আমাদের সাথে কথা শুদ্ধ বাংলাতেই বলে, যদিও আঞ্চলিক টান প্রকট। একদিন ওর রুমে থাকাকালীন কেউ ফোন করলো। সম্ভবত কক্সবাজারেরই, কারণ আমার ঐ বন্ধু চাঁটগাইয়া ভাষায় আলাপ শুরু করলো। আমি চট্টগ্রাম শহরে জন্ম নেয়া ও বড় হওয়া, তাই ঐ ভাষা আমিও বুঝি। কিন্তু আমার রাজশাহীর বন্ধু পুরা বেকুব বনে গেলো। জানতে চাইলো কোন ভাষায় কথা বলা হচ্ছে!
রাগিব বলেছেন:
@ফরিদঃ সিলটি বা চাঁটগেয়ে ভাষা বাংলার এতো কাছাকাছি, যে তা "চাপিয়ে দেয়া" বলাটা ভূল হবে। তাই উর্দুর সাথে তুলনা করাটা ঠিক না।
ফরিদ বলেছেন:
@রাগিবঃ চাপিয়ে দেয়া কথাটা হয়ত একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে, কিন্তু ভাষামূলকেই অস্বীকার করাটা হয়ত আমাদের ঠিক হয় নাই। বিশুদ্ধ সিলেটীর অহমিয়া আর চাঁটগাই আরাকানীর সাথে কিন্তু বেশ মিল।
অতিথি বলেছেন:
সিলেট এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষাগুলো কিন্তু এই দুটি জেলার বাইরের কারও পক্ষে বোঝা খুব কঠিন। বিশষত: চট্টগ্রামের ভাষা মারাত্নক কঠিন। সিলেটের ভাষা তাও কিছুটা বুঝা যায়।প্রায় চার বছর আগে দুবন্ধু মিলে সিলেট ভ্রমণে গিয়ে গল্প করছিলাম আমাদের কিছু সিলেটি বন্ধুর সাথে । আমার সিলেটি বন্ধুরা গল্প করছিল সিলেটি ভাষায়, যথারিতী আমরা দুজন কিছুই বুঝছিলাম না। দুলাইন গল্প করার পর তারা আমাদের খাঁটি বাংলায় একরকম অনুবাদ করে শোনাচ্ছিল।
তবে চাপিয়ে দেয়ার প্রশ্নটা কেন এলো, বুঝলাম না।
অতিথি বলেছেন:
ভাষা হিসেবে বাংলা এবং সিলেটীর বা চাটগাঁয়ের ভাষার পার্থক্য কিন্তু খালি চোখে ধরা খুব সহজ না। সাদা চোখে এদের কিন্তু বাংলার কিছু আঞ্চলিক রূপ বলেই মনে হয়।
অতিথি বলেছেন:
ফরিদের 'চাপিয়ে দেয়া' কথাটা অবান্তর নয় । এটা ব্যখ্যা হতে পারে নানা ভাবে ।এই যে বায়েজীদ তার মন্তব্যে বলছেন- 'খাটি বাংলায় অনুবাদ' এর কথা । তার মানে কি আমাদের বইয়ের ভাষার বাংলাটাই 'খাটি'? বাকী গুলো, আঞ্চলিক বাংলাগুলো-চট্টগ্রাম,সিলেট,নোয়াখালীর মানুষের মুখের কথা 'ভেজাল বাংলা'? ব্যক্তি বায়েজীদকে আমি চিহি্নত করছিনা । আমরা প্রায় সবাই ই নিজেরদের অজান্তে এই ধারনা পোষনা করি ।
মিডিয়াতে, নাটকে, সিনেমায় এই সব আঞ্চলিক ভাষাগুলো প্রয়োগ হয় সস্তা ভাঁড়ামোতে যেনো সিলেটি, চট্রগ্রাম,নোয়াখালী,বরিশালের ভাষায় মানুষ প্রেম করেনা, স্বপ্ন দেখেনা, সংগ্রাম করেনা!
এই ভাবে ও আগ্রাসন চলে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ ভাবে ।
রাগিব বলেছেন:
@হাসান মোরশেদঃ টিভি নাটকে ব্যঙ্গ করার ব্যাপারটা ছোট বেলা থেকেই দেখছি। ওখানে কিন্তু গ্রামের লোকের ভাষা হিসাবে রংপুর বা দিনাজপুরের ভাষা দেখানো হয়। আর কৌতুক করতে হলে নোয়াখালি, চট্টগ্রাম, সিলেট, ইত্যাদি। এই ব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত ধারণা হলো বিটিভির শুরুর দিকে অধিকাংশ নাট্যকার ও কলাকুশলীর বাড়ি উত্তর বঙ্গের দিকে ছিলো। তাই ঐ এলাকার ভাষাকেই তাঁরা গ্রামের ভাষা হিসাবে দেখাতেন, আর নোয়াখালি, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটের ভাষা ছিলো ব্যঙ্গের।ভাষার শুদ্ধতা নিয়ে আমার কথা হলো, ভাষার শুদ্ধ রূপ বলে কিছু নেই, আছে কেবল প্রমাণ রূপ। অনেকেই কুষ্টিয়ার লোকের ভাষা খুব মধুর বলে আহা উহু করেন, কিন্তু এর কারণ হলো শান্তিপুরী বাংলাকে প্রমাণ বাংলা ধরা। রবীন্দ্রনাথ, প্রমথ চৌধুরী - এঁদের বাড়ি নোয়াখালি হলে নোয়াখালির ভাষাই আজ "শুদ্ধ" বাংলা হতো, আর আমরা ফেনীর ভাষা শুনে আহা উহু করতাম।
যাহোক, একটু অন্য লাইনে চলে গেলাম।
বাফড়া বলেছেন:
এহ... পুরান একটা পোস্টে একবার একটা কমেন্ট করছিলাম.। ঐটাই পেস্ট কইরা গেলাম ==
প্রথমে আসি সিলেটী কি ল্যান্গুয়েজ নাকি ডায়ালেক্ট সে আলোচনায়। উইকিপিডিয়া তে এব্যাপারে বলা হয়েছে যে সিলেটী কি একটা ভাষা নাকি আন্চলিক ভাষা সে নিয়ে মতবিরোধ আছে। আপনি উইকি তে সার্চ দিলেই পাবেন। আাবার আাবুল মোমেনের লেখা ''বাংলা ও বান্গালীর কথা'' বইটিতে সিলেটীকে আলাদা ভাষা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
এতো গেল রেফারেন্স। এখন আাসা যাক অন্য কথায়। বাংলা এসেছে মাগধী থেকে, আার সিলেতী এসেছে দেবনাগরী থেকে। দুই ভিন্ন উতস থেকে আাসাতে সিলেটী কে বাংলার আন্চলিক রুপ বলা ভুল হবে মনে করি। সিলেটী ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা আছে নিশ্ছয়ই জানেন। তবে অব্যাভারে তা আাজ হারাতে বসেছে। ব্লগে মাঝে মাঝে যেসব সিলেটী ভাষায় কনভারসেশন দেখেন তা কেবলি আমাদের বাংলা বর্ণমালায় ট্রান্সলিটারেট করে লিখা।
এখন আাসা যাক উদাহরনে। আমি ভাষাবিদ নই তাই আমার উদাহরন তেমন উচুমানের হবেনা হয়ত। ইংরেজীতে, দেখেছেন নিশ্চয়ই, হি আর শী আলাদা জেন্ডার ভেদে যেটা বাংলায় নেই। বাংলায় আামরা শুধুই ''সে'' বলি। সিলেটী তে কিন্তু হি আার শী আলাদা; হি কে সিলেটী তে বলে ''হে'' আর শী কে বলে ''তাই''। আশা করি এখান থেকে আভাষ পাওয়া যায় যে সিলেটী আর বাংলা ভিন্ন উতস থেকে এসেছে, এবং তারা অনেকটাই ভিন্ন।
আবাুল মোমেনের যেই বইয়ের নাম দিলাম সেটা অনেক ছোট থাকতে পড়েছিলাম; বইটার নামটা ঠিক বললাম নাকি ভুল বললাম নিশ্চিত নই।
==
হাতে সময় থাকলের এই লিংকটা ঘুরে আসতে পারেন , ফরিদ ভাই... তথ্যের জন্য না, বরং ইন্টারঅ্যকশনের দারুন গতিপরকৃতি দেখতে
শিরোনামহীন
বাফড়া বলেছেন:
ওহ আরেকটা ব্যাপার.। আমি শুনেছি সিলেট যখন আসামের সাথে ছিল তখন সিলেটীরা তারা যে আহমিয়াদের থেকে ভিন্ন এইটা তুলে ধরা/প্রকট রাখার জন্য সিলেটী বর্ণমালায় লেখা প্রেফার করত.। পরে যখন সিলেট আসাম থেকে আলাদা হয়ে যায়, তখন তো আর এটা দেখানোর প্রয়োজন থাকল না যে সিলেটিরা অহমিয়াদের থেকে আলাদা.। তাই সিলেটী বর্ণমালার ব্যাভার কমতে থাকল.. আজকে তো সিলেটীরা ব্যাভার কি করবে, তারা জানেইনা যে তাদের একটা বর্ণমালা আছে!!!
লেখক বলেছেন: ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট, পোস্টটিকে আরো সমৃদ্ধ করার জন্য ধন্যবাদ
পৃথিবীর অনেক দেশের মত বংলাদেশে মাল্টিলিঙ্গুয়াল কালচার নেই। তাই বাংলার বুলডোজারের চাপে অন্যান্য যেকোন ভাষাই নিষ্পেষিত হয়ে একসময়ে মূল জনগোষ্ঠীর সাথে একীভূত হয়ে যাবে। বাংলাভাষীর সঙ্খ্যা ৬০% হলে এমনটি হোতনা।
কানাডায় যেমন ফ্রেঞ্চ আর ইংরেজী সমান চলে, সুইজারল্যান্ডে একইসাথে জার্মান, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান আর রোমানিশ চলে। আর আশপাশের ভারত, পাকিস্তান, নেপাল সবখানেই একাধিক ভাষাকে একছাদের নিচে নিয়ে কোনরকম চলতে হয়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















বাংলা ভাষার 'ডায়ালেক্ট' হলে ও এটিই সম্ভবত: একমাত্র 'ডায়ালেক্ট' যার নিজস্ব বর্নমালা আছে [ নাগরী , 'দেবনাগরী' নয় ]
আরেটু বিস্তারিত এখানে আছে
wjsK