শতপূর্তিঃ করি ডিজিটাল হাউকাউ

০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫২

শেয়ারঃ
0 0 0

প্রথমাংশঃ

আমার সামান্য যে দুই তিনটা বিষয়ে এলার্জির মতন আছে তার মধ্যে একটা হল কোন ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা। প্রায় আট নয় বছরের অনলাইন তিক্ততার কারণে গন্ডায় গন্ডায় ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড ভুলতে ভুলতে আজকাল আর খুব শিওর না হলে রেজিষ্ট্রেশনই করি না। তাই এই ব্লগেও পাঁচ ছয়মাস ধরে অনিয়মিত পাঠক হলেও ঠিক করতে পারছিলাম না যে নিবন্ধনের মহাকর্মটি করে ফেলব কিনা। অনেকেই অনেক কারণে লেখালিখি করেন, আমার নিজের চারটা স্পষ্ট গোছানো উদ্দেশ্য ছিল।



1. আমার বইমেলা ওয়েবসাইটটি সম্পর্কে এবং এর আপডেট সম্পর্কে অন্ততঃ কিছু সঙ্খ্যক বাংলাদেশী বিশেষত প্রবাসী যারা আছেন তাদেরকে অবহিত করা।

2. নিজের মাথার ভেতরের এলোমেলো ভাবনাগুলোকে মাঝেমধ্যে এক জায়গায় করে ফেলা, আর সাথে সাথে এই কমিউনিটির সাথে কিছুটা জানাশোনা হওয়া

3. ওয়েব এবং টেকনলজীর হটাত খবরগুলো যেগুলো আমাকেও অবাক করে বা খুশ বা গোঁসা করায় সেগুলোর সম্পর্কেও দুচার লাইন লেখা।

4. ব্লগের জাগতিক সুখদুঃখের ঝড়তুফানের মাঝে মাঝেমধ্যে হালকা দুচার লাইন মারফতি বাৎচিত করা।


পিছনে ফিরে ব্লগের ছয়মাসকে দেখলে আমি ঠিক শিওর না, আমার অবজেকটিভের কতদূর কি হল। প্রতিটি পয়েন্টেই একটু ঘুরান দেই


মধ্যাংশঃ

১** আমি ঠিক শিওর না, ছমাস আগে আর এখনকার মধ্যে কতজন এক্সট্রা ভিজিটর আমি পেয়েছি এই ব্লগ থেকে। হয়ত বিশ তিরিশজন যারা নিয়মিত ব্লগার তাদের চোখে এক দুলাইন পড়েছে এই বেচারা ওয়েবসাইট। চুপিসারে এক দুজন হয়ত বই নিয়েছেনও। কিন্তু পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশীদের মাঝে মনে হয় ক্ষূদ্র ভগ্নাংশ ছাড়া বাকিরা এখনো অজ্ঞ এর সম্পর্কে। তবুও নিজের ঘেঁটেঘুটে করা ছোটখাট উন্নয়নগুলোর একটা ডায়েরী হয়ে রইল এই ব্লগটা। অন্ততঃ বোরিং আরএসএস এর চেয়ে দু চারটা যে লাইভ ফিডব্যাক পাওয়া যায় সেটাই আনন্দ।


তবে অত্যান্ত আনন্দিত হয়েছি সাইটে আমার বইয়ের লিস্টের কিছু লেখকে খুঁজে পেয়ে, জেবতিক আরিফ যেমন একফাঁকে একটা বই বের করেছিলেন, তেমনি শেখ জলিল, জুবায়ের আর শুভ ভাইয়ের বইও আমার সাইটে আগে থেকেই ছিল। তবে বিপুল আনন্দ পেয়েছি শিমুল আর জুবায়ের ভাইয়ের নিয়মিত লেখা উপন্যাসগুলো অনলাইনে বই আকারে হোস্ট করতে পেরে। আমার অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল এক সময়ে বইমেলা বাংলা সাহিত্যের হাব হিসেবে স্থান পাবে, কিছু না হলেও, পায় পায়ে করেই তো যাত্রা শুরু হয়। আশা করি কোন এক সময়ে মেইনস্ট্রীম লেখকরাও দু-চারটা বই অনলাইনে রাখার সাহস পাবেন।


২** আমি নিজে খুব একটা ভাবুক, স্বপ্নবাজ মানুষ না। তাই কোন কুক্ষণেও আমার গল্পকবিতা লেখার বাই চাপেনি। গত বিশ পঁচিশ বছরে বাসার কাউকে ভোট দিতে দেখি নাই, ফলে পলিটিকালি জিরো (বাপে শুধু মাঝেমাঝে গজগজ করত, সব ব্যাটা চোর, তাই তেনাদের সম্পর্কে সেটুকুই জ্ঞান)। তাই এই অসম্ভব প্রতিভাবান লেখকদের ভীড়ে বারবার আমার লেখা হারিয়ে যায়। তবুও মাথায় যা আসে, মহানন্দে লিখে যাই। তাতেই মোটামুটিভাবে কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে। এক দুজন বাদে বাকি সবই ভার্চুয়াল, তবুও এটুকুও কম আনন্দদায়ক নয়।

৩** সুদীর্ঘ প্রবাসজীবনের প্রায় পুরোটাই কেটেছে মাউস-কীবোর্ডের জুড়িকে সঙ্গী করে। তাই স্বভাবগতভাবেই টেকনলজীর কিছু জিনিষ রক্তে ঢুকে গেছে। প্লাস বাংলাদেশে যে কিরকম ব্যান্ডউইডথ দারিদ্রের মাঝে আমরা বাস করি সেটা এদেশে এসে বুঝলাম। তাই দৈনিক ১৬ ঘন্টা ইন্টারনেটের রুটিনে মজার কিছু চলে আসলে সেটাই মাঝেমধ্যে তুলে দেই। অনেকেই মনে হয় ব্যান্ডউইডথের কারণে কাটা পড়ে আর অনেকের ইন্টারেস্ট সেটের মাঝে পড়ে না। তবুও দুচারজন তো আমার সুখদুঃখের একটু ভাগীদার হল। নট ব্যাড।

৪** মানুষের জীবনকে সর্বাঙ্গীন কল্যানময় করার জন্য যে জীবনব্যাবস্থা তার নামই হল ইসলাম। আর মদীনার বুকে শায়িত মরুভাস্কর হলেন শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। আর জ্ঞানের মূলকেন্দ্র হিসেবে পেয়েছি কোরআনকে। এই ইসলাম কি, কেন আর কিভাবে এই নিয়ে মতামত আর থিওরির কচকচানির এক্কেবারেই শেষ নাই। আর মুসলিম দেশ, মুসলিম রাজত্ব, শরিয়া আইন সেগুলোরও পক্ষে বিপক্ষে প্রচুর জেহাদী অলটাইম রেডী। এই নিয়ে আমার একটা পার্সোনাল থিওরী আছে। আমার হিসেবে কোন জনগোষ্ঠীর অন্তত ৩০% স্বেচ্ছায় নিয়মিত ফজরের নামাজ জামাতে পড়ার অভ্যাস পর্যন্ত পৌছাতে পারলে তারপরে সে দেশ বা এলাকা বা জনগোষ্ঠীতে অটোমেটিক যে শাসনব্যাবস্থা থাকবে সেটা এমনিতেই ইসলামী আইন বা তার খুব কাছাকাছি হবে। তা না হলে পিডাপিডি কিয়ামত তক চলবে রেজাল্ট ফক্কা। একজন অধার্মিক বা অবিশ্বাসীকে তলোয়ারে বা বোমায় খুব সহজেই জাহান্নামী করে দেয়া যায়, কিন্তু রহমাতুল্লীল আলামীনকে পাঠানোই হয়েছিল এই মানুষগুলোকে জান্নাতী করার কঠিন দায়িত্ব দিয়ে। তাঁরই উম্মতে হয়ে এখন জাহান্নামীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আমাদের অনেকেই তৈরি। তাদের জন্য তো ভয়াবহ চিরশাস্তি নির্দিষ্ট করলাম, কিন্তু নিজের জন্য কি তৈরি হল।

আর সেই প্রসঙ্গ যদি বাদ দেই তাহলে জীবন অনেক সহজ। দৈনন্দিন জীবনে একটু খেয়াল রাখলেই চলে এই কাজের জন্য ইসলামী হুকুম কি। বাকিটুকু সহজ। জুতা তো এমনিতেই পরতে হয়, পরার সময় ডান পা আগে আর খোলার সময় বাম পা আগে খেয়াল করলেই সুন্নতের ওপরে আমল হয়ে যায়। খাবার আগে বিসমিল্লাহ আর খতম করে আলহামদুলিল্লাহ এইগুলা তো পিচ্চিকালেই শিখতে হয়েছিল। কিন্তু এখন আমরা বড় হয়ে গেছি, আমাদের আর কে মনে করিয়ে দিবে অনন্ত পরিণতির কথা। মাঝে মধ্যে এক দুইটা নির্দোষ রিমাইন্ডার দিলে মনে হয় সবাই খুব একটা বিরক্ত হন না।


আমার নির্দিষ্ট গন্ডীর বাইরে ব্লগে প্রায়শই ঝড়তুফান বয়ে গেছে। কখনো লেখকদের কেউ কোনঠাসা হয়েছেন, কখনো নোটিশবোর্ড রাজাকার টাইটেল ভূষিত হয়েছে, কখনোবা আওয়ামিলীগ। কখনো প্রিয় কোন ব্লগারের লেখা পড়ে দুঃখিত হয়েছি, মনে হয়েছে মানুষ বাথরুম সাহিত্যেও এর চেয়ে ভাল ভাষা ব্যাবহার করে, এগুলো কিভাবে জনসমাক্ষে প্রকাশ করে। আবার কখনো কড়া ইসলাম বিরোধী লেখা আবার কখনো রাজাকার তোষণ। কিন্তু নিজেই মেনে নিয়েছি, সে লিখলে আমার কি। এইটা তো আর কোন সিরিয়াস যায়গা না। সামনের কেউ হলে হয়ত বলতাম বদ্দা পায়ে ধরি, এমনডি আর কইরেন না। এখানে ভার্চুয়াল নাম ঠিকানায় যে কেউ যা খুশি করতে পারে। বেশী মন খারাপ হলে রেটিং ১ দিয়ে (-৫ তো দেয়া যায় না, কি আর করা) সরে এসেছি। আমাকে কেউ খুব একটা ঘাঁটায়নি। তাই এই মৌন সমর্থন পেয়ে এক দুই করে শয়ের কাছাকাছি যখন পোস্ট চলে আসল তাই ভাবলাম শেষ দুটো পোস্ট একটু ঘটা করেই দেই।



শেষাংশঃ

আমার নিজের বিষয়ে এটুকু ধারণা ছিল যে আমি ইংরেজীতে খুব একটা মন্দ না। স্কুল আর কলেজের পাঠ্যবইয়ের ইংরেজী আমার সবসময়েই ছেলেখেলার মতই লাগত। রেজিষ্ট্রেশনের পরে সিলেবাস নিয়ে সপ্তাহের মধ্যে আইইএলটিএস পরীক্ষা দিয়ে যখন দেখলাম স্পীকিং এ ৯ এ ৮ পেয়েছি তখন মনে হয়েছিল যে নাহ যা ভাবতাম তার চেয়ে খুব একটা খারাপ না অবস্থা। কিন্তু ওয়েবে আর বিশ্ব ডিজিটাল সম্রাজ্যে বাংলার করুণতম অবস্থা আমাকে সব সময়েই খুব হীনমন্য করে ফেলত। গত বছরে প্রথমবারের মত আমাকে মুক্তি দিল ইউনিকোড আর অভ্র। তার পরে থেকে কিছু ভাল না লাগলেই মনের সুখে কীবোর্ড দাবিয়ে গেছি। নিজের সাইটে টেনে টুনে ইউনিকোড ঢুকিয়েছি। বই, লেখকের নাম সব বাংলায় করে ফেলেছি। এমনো হয়েছে খাস ইংরেজদের দেশে থেকে সপ্তাহ বা মাস পার হয়ে গেছে আমি দুচার লাইনের ইমেইল ছাড়া ইংরেজীতে কিছু লিখি নাই। প্রায়ই টের পাই, যে আমার ইংরেজীতে আগের সেই ধার নাই। কিন্তু তাতে দুঃখের চেয়ে প্রচন্ড একটা সুখবোধ হয়। নিজের ভাষায় ফাটাচ্ছি আর কি লাগে। তাই পৃথিবীর এক কোনা থেকে আমি করে যাই ডিজিটাল হাউকাউ।



[সম্ভবতঃ ফ্লাডিং এর নিয়ম ভঙ্গ করেই আমি নিজেই ১০০ টা কমেন্ট করে রাখছি। ১,২,৩ এভাবে করে। কেউ যদি এই ছাইপাঁশ পড়ে কিছু লিখে যান তাহলে আমি সেই অনুপাতে আমার কমেন্ট মোছা শুরু করব। আমার ১০০ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন প্লীজ।]

আপডেটঃ আমার ১০০ হয়ে গেছে। এখন আপনাদেরঃ)

নিচের থেকে পোস্ট পড়লে আমি উপর থেকে মুছব। ১৩ টা হইসে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৭৫. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:০১
রাগ ইমন বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট । আপনার ইংরেজি জ্ঞান দেখার দুর্ভাগ্য হয় নাই । তবে সাবলীল লেখা আর আকর্ষক বাচনভঙ্গী বলে দেয় , আপনার সাথে কথা বলে দুর্দান্ত মজা আছে । লেখাও তো আসলে কথা বলাই , পাঠকের সাথে , তাই না ?

অভিনন্দন একজন গোছানো মানুষ আর স্পষ্ট, সুন্দর , স্থিতধী ভাবনার লেখককে।

আপনার সাইটের উন্নতি কামনা করি।
৭৬. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:০৫
ফরিদ বলেছেন: ১০০ বহুত হইসে, আর করুম না এই পাগলামী জীবনে।
৭৭. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:০৮
ফরিদ বলেছেন: শুধু নম্বরিং ন.. এখন কমেন্ট লিখলে আমার নম্বুরিং মুইছা দিব
৭৮. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:১৩
রাগ ইমন বলেছেন: আ-গুনের পরশমনিতে আপনাকে ডাকা দরকার । আমি আগেই একটা প্রশ্ন দিয়ে রাখি । আপনার লেখার প্রাঞ্জল্য আর সাবলীলতা নিয়ে আমার অন্তত কোন সন্দেহ নাই ।তবু লেখার ব্যাপারে এত কৃপনতার কারন কি ?
৮০. ০৯ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:০৯
সাধারন বলেছেন: এই মুজতবা ছেলেটার সমস্যা কি?
৮১. ০৯ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:১১
সাধারন বলেছেন: সহমত@রাই।
আরও লেখা চাই ফরিদ ভাই।
৮২. ০৯ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৮:৩২
মো. আরাফাতুল ইসলাম বলেছেন: এইটা কি বাংলাদেশের অনলাইন এক্টিভিটি বাড়ানোর নমুনা ?
৮৩. ০৯ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৯:৪০
ফরিদ বলেছেন: @আমিঃ কইসিলাম না বস, এইহানে কাইজ্জা ফাসাক চাইনা, হের ব্লগে গিয়া যা খুশি লেহেনঃ)
@আরাফাতঃ হা হা হা... মন্দ কও নাই, ১০০ কমেন্ট লিখতে গিয়া তো কম বেশী এক্টিভিটি হইব।
@সাধারণঃ আমার হাবিজাবি লেখা আসবে মাঝে মধ্যে পরেও। আর সমস্যা মনে হয় নতুন লোক। আগে আলাপ পরিচয় হয় নাই।
৮৪. ০৯ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বস কাইজ্জা নাকরলে বাংগালীর পেট ভরে না। আমার ক্ষেত্রে তো ভাই হাতাহাতি।
আপনে রাস্তায় যান দেখবেন রিক্সঅয়ালা-যাত্রী কাইজ্জা, বাসে কন্ডাক্টর-যাত্রী কাইজ্জা, সংসদে সরকারী-বিরোধী কাইজ্জা, বাসায় স্বামী-স্ত্রী কাইজ্জা, অফিসে যান সেইখানেও কাইজ্জা। ভাই মুখ তো আর বন্ধ থাকেনা। আর এই একটা কারনে এই ব্লগটাও রমরমা।
যৌবনে আমার একটা প্রিয় বাক্য ছিলো-talk to the hand।
৮৭. ০৯ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:২৫
ত্রিভুজ বলেছেন: শতকের শুভেচ্ছা ফরিদ ভাই।


লেখাটা চমৎকার হয়েছে... এই ব্লগে শতক উপলক্ষে দেয়া সেরা পোষ্টগুলোর একটা হয়েছে..... তাই আরেকটা শুভেচ্ছা.... :)
৮৮. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:২৮
ফরিদ বলেছেন: @তেকোনাঃ থ্যাঙ্কস
@উদাসীঃ "টক টু দি হ্যান্ড" ফ্রেজটা নতুন শিখলাম। থ্যাঙ্কুঃ)

বাকি জনগণ- ১০০ পুরা হয় না কেন?
৮৯. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:৪৯
নজমুল আলবাব বলেছেন: খালি আপনের লেখার লাইগাই লগইন করলাম। ভালইত লিখেন, তাইলে রেগুলার করেননা কেন? ভাল লাগল আপনার শতপোস্ট। শুভকামনা।
৯০. ০৯ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:০২
হযবরল বলেছেন: ডিজিটাল শুভেচ্ছা।
অনলাইন বাংলা এবং অনলাইন বাংলাদেশের জন্য আপনার প্রচেষ্টা হোক আরো বেগবান।
৯১. ১০ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫০
ফরিদ বলেছেন: @নাআঃ আমারে সাহিত্য লিখতে কইয়া লাভ নাই। আমি যেই চার ডিপার্টমেন্ট নিসি ওইগুলা সামলাইতেই জান শেষঃ( শইল্ডা ঠিক হইসে?
@ ডিজিটাল বনবাসীকে ডিজিটাল হাউকাউয়ের পক্ষ থেকে শুভকামনা
৯২. ১০ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:৪১
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: ফরিদ ভাই:
এই ডিজিটাল হাউকাউটা খুব দরকার।
সবাই পারে না।
১০০ পোস্টের অভিনন্দন, শুভেচ্ছা।
ভালো থাকবেন।
৯৩. ১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:১৭
পথিক!!!!!!! বলেছেন: কনগ্রেটস ....
ঝরঝরে সগোক্তি ঝরল ১০০তম তে সুন্দর বর্ণনায়.ভালো লাগল
৯৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কতকিছু মিস করলাম!

ব্লগিংয়ে আমার সবচেয়ে বড় বদঅভ্যাস হইলো নিয়মিত চেক না করা :( ... সামনে যা পড়ে সেইটাই পড়ি

বইমেলায়ও ঢোকা হয়না অনেকদিন ...
৯৫. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৪৬
বাফড়া বলেছেন: নেন, আরেকটা মুছেন। হা হা
২৭ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: এই মুছলাম। আপনারে অন্য নামে আগে চিনতাম নাকি? চেহারায় তো চিনিনা, এখন নামও পাল্টাইলে চিনুম কেমনে?

৯৬. ২৯ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮
বাফড়া বলেছেন: নাহ , চেহারায় চিনেন না আমারে। আগে যখন অন্য নিকে ছিলাম তখন আপনার ব্লগে মাঝে মাঝে আসতাম। হঠাত আপনাকে ব্লগে দেখে আবার আসলাম।
৯৯. ১৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪০
ফরিদ বলেছেন: ইতিহাসের পাতাখুঁড়ে আমার পুরোনো পোস্ট আবিষ্কারের জন্য আপনাদেরও অভিনন্দন

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭৭৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি

বাংলাদেশের অনলাইন এক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য বহুদিন ধরে ঠেলাঠেলি করছি।
কিন্তু এই পাথর নড়ে নাঃ(
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ