somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফেলে আসা গল্পের প্রতিজ্ঞা

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অমিতের লেখা পড়েন? আমাদের কানাডাপ্রবাসী রাজপুত্তুরের চেহারার ব্লগার? যে হটাৎ করেই সামহোয়ারে লেখা শুরু করল তার নটরডেমের দিনগুলির কথা , আমি পড়ি আর মাথা চুলকাই, আরে আমাদের বছরেও তো নবীণবরণের সময় সেই অকান্ড হয়েছিল, আরে আমাদের সময়েও তো ঐটা হয়েছিল। পরে দেখি দিব্যি দুবছর আমরা একই করিডোর দিয়ে হেঁটেছি কিন্তু মোটেই চিনিনি আর মতিঝিলের দিনগুলির প্রায় আধাযুগ পরে নেটের জালের দুই প্রান্তে দেখি আমরা তারের দুমাথায় আটকা।

নেটে দেখার প্রায় বছরখানেক পরে সেই গতবইমেলার সময় আমি দেশে, হটাৎ দেখি আমার মেসেঞ্জারে অমিত যোগ করল আমাকে। আর সেদিন বিকেলেই তার প্রথম বই গন্দমের মোড়ক উন্মোচনের কথা। সেদিন মেলায় গিয়ে দেখি জাগৃতি প্রকাশনী স্টলে একটা কিউট টাইপের ছেলে ফ্রেশ বাইন্ডারের থেকে আসা গন্দমের এক কপি হাতে নিয়ে সুখী সুখী চেহারা নিয়ে বসে আছে। চেহারা দেখেই বুঝলাম নিজের বই না হলে এইরকম সুখ চোখেমুখে আসেনা। তাই সোজা গিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম অমিত? ছেলে অনেক চিন্তাভাবনা করে মাথা চুলকায়ে কইল ফরিদ? আমি কইলাম হ মিয়া! তারপরে বেশ জমিয়ে আড্ডা চল্ল। সেদিন আরিফ জেবতিক, অচেনা বাঙ্গালী আরো দুচারজন ব্লগারের সাথে প্রথম দেখা।

সেই থেকে মাঝেমধ্যেই নেটে টুকটাক আলাপ হয়, অদ্ভূত ব্যাপার লক্ষ্য করলাম যে আমার এই বইয়ের ওয়েবসাইটের প্রতি তার অদ্ভূত মায়া। প্রায়ই ছোটখাট পরামর্শ দেয়, নতুন কিছু করলে নিজেই খুজে বের করে আলাপ করে, কখনো শুধরে দেয়।

আমাদের ব্লগবিস্ফোরণ যে কজন সিরিয়াস লেখককে নতুন করে পাঠকের সামনে নিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে শিমুল আর অমিতকে সবসময়েই মনে পড়ে। কদিন আগে ছেলে নিজেই তার ছোটখাটো গল্প যেগুলো ছড়ানো ছিটানো আছে সেগুলো একসাথে করে ই-বুক বানিয়ে ফেলল। আর আমাকে অনুমতি দিল বইমেলায় প্রথম রাখার জন্য।

বমেলার প্রথম পাতায় সাধারণত কোন একটা বই নির্দিষ্ট করে রাখা হয় কিছুদিনের জন্য। বহুদিন ধরে ফিরে দেখা একাত্তর ছিল , গতমাসে নাফিসের ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস তার যায়গা নিল। অমিতকে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম বইমেলায় তার বই প্রথম পাতায় আসবে। তাই গতকাল রাতে হোমপেজ বদলেই তাকে জানালাম।

আজকে ভাবলাম সবার সাথেই শেয়ার করি অমিতের ফেলে আসা গল্প যতো


বইমেলার প্রথম পাতাতেই আছে কিছুদিনের জন্য। সেটিও দেখার আমন্ত্রণ রইল।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×