নেটে দেখার প্রায় বছরখানেক পরে সেই গতবইমেলার সময় আমি দেশে, হটাৎ দেখি আমার মেসেঞ্জারে অমিত যোগ করল আমাকে। আর সেদিন বিকেলেই তার প্রথম বই গন্দমের মোড়ক উন্মোচনের কথা। সেদিন মেলায় গিয়ে দেখি জাগৃতি প্রকাশনী স্টলে একটা কিউট টাইপের ছেলে ফ্রেশ বাইন্ডারের থেকে আসা গন্দমের এক কপি হাতে নিয়ে সুখী সুখী চেহারা নিয়ে বসে আছে। চেহারা দেখেই বুঝলাম নিজের বই না হলে এইরকম সুখ চোখেমুখে আসেনা। তাই সোজা গিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম অমিত? ছেলে অনেক চিন্তাভাবনা করে মাথা চুলকায়ে কইল ফরিদ? আমি কইলাম হ মিয়া! তারপরে বেশ জমিয়ে আড্ডা চল্ল। সেদিন আরিফ জেবতিক, অচেনা বাঙ্গালী আরো দুচারজন ব্লগারের সাথে প্রথম দেখা।
সেই থেকে মাঝেমধ্যেই নেটে টুকটাক আলাপ হয়, অদ্ভূত ব্যাপার লক্ষ্য করলাম যে আমার এই বইয়ের ওয়েবসাইটের প্রতি তার অদ্ভূত মায়া। প্রায়ই ছোটখাট পরামর্শ দেয়, নতুন কিছু করলে নিজেই খুজে বের করে আলাপ করে, কখনো শুধরে দেয়।
আমাদের ব্লগবিস্ফোরণ যে কজন সিরিয়াস লেখককে নতুন করে পাঠকের সামনে নিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে শিমুল আর অমিতকে সবসময়েই মনে পড়ে। কদিন আগে ছেলে নিজেই তার ছোটখাটো গল্প যেগুলো ছড়ানো ছিটানো আছে সেগুলো একসাথে করে ই-বুক বানিয়ে ফেলল। আর আমাকে অনুমতি দিল বইমেলায় প্রথম রাখার জন্য।
বমেলার প্রথম পাতায় সাধারণত কোন একটা বই নির্দিষ্ট করে রাখা হয় কিছুদিনের জন্য। বহুদিন ধরে ফিরে দেখা একাত্তর ছিল , গতমাসে নাফিসের ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস তার যায়গা নিল। অমিতকে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম বইমেলায় তার বই প্রথম পাতায় আসবে। তাই গতকাল রাতে হোমপেজ বদলেই তাকে জানালাম।
আজকে ভাবলাম সবার সাথেই শেয়ার করি অমিতের ফেলে আসা গল্প যতো
বইমেলার প্রথম পাতাতেই আছে কিছুদিনের জন্য। সেটিও দেখার আমন্ত্রণ রইল।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



