এ-টীমের সাতকাহন 
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭
সামহোয়ারইনে এটীম নিয়ে কিছু লিখা বেশ বিপজ্জনক
। কারণ ব্লগের বিশিষ্ট এ-টীমের কারণে ব্লগে সিরিয়াস এটীম আর এন্টি-এটীম পার্টি অলরেডী আছে। কিন্তু আসল এটীম যার অনুপ্রেরণায় এতো বছর পরে ত্যাঁদোড় ব্লগাররা এ-টীমের পতাকাতলে একত্রিত হয়ে তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
পিচ্চিকালের এক সমস্যা হল সেই সময় যেইসব জিনিষ ফাটাফাটি লাগত এখন বড় হয়ে দেখি সেগুলোর অনেক কিছুই কেমন পানসা লাগে। তাই সুখী হবার এক সিক্রেট হল ন্যাদাকালের জিনিষপাতি নিয়ে তেমন ঘাটাঘাটি না করা। তারপরেও অল টাইম ক্ল্যাসিক বলে কিছু জিনিষ থাকে যেগুলো সবসময়েই ফাটাফাটি।
সেদিন কোথায় যানি এ-টীমের এক পর্ব দেখে মনে হল আরে বেশ তো! সেই সময়েও জিনিষ খারাপ বানাতো না। তাই একবার য়্যুট্যুবে এটীম নিয়ে একটু ঘাঁটতেই বের হয়ে পড়ল দি এ-টীমের টীমকে নিয়ে করা আরেকটি ফাসকেলাশ প্রোগ্রাম। তিরাশি থেকে সাতাশি এই চার বছর চলেছিল দি এ-টীমের সিরিজ। আর তার দশবছর পূর্তি হিসেবে লন্ডনের চ্যানেল ফোরের এক প্রেজেন্টার এ-টীমের সব জীবিত চরিত্রদের একসাথে করার জন্য চেষ্টা চালায়। তার ফলাফল? নট ব্যাড। হ্যানিবলের চরিত্রের জর্জ পেপ্পার্ড মারা গেছিলেন অনেক আগেই তাই তার ছেলে এসেছিলেন আর বাকিদের ঠেলা ধাক্কা দিয়ে একসাথে করা হয়েছিল একঘরে। মজার বিষয় হল, এ-টীমের প্রতি এপিসোডে যেই গোলাগুলি হত সেগুলো দিয়ে মোটামুটি ছোটখাট দুচারটা যুদ্ধ করে ফেলা গেলেও এ-টীমের ট্রেডমার্কের মধ্যে এইটাও একটা ছিল, যে এ-টীমের গুল্লিতে কেউ মরে নাই। তাই চার বছরে এক বুড়া জেনারেল ছাড়া বাকি সবাইই হয় গুলি লাগে নাই নাইলে এট্টু জোড়াতালি দিয়েই আবার ঢিশাঁ! ঢিশাঁ!
আর কথা বাড়ালাম না, ব্রিং ব্যাক দি এ-টীমের প্রোগ্রামটা লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি ইয়ুটুব থেকে। দেশের বাইরে থাকলে দেইখা নেন আর দেশে থাকলে স্লো স্পীডরে মাইনাচ দ্যান।
মার্ডাক বেচারা, কি আছিল
আর কি অবস্থা এখন
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাগিব বলেছেন:
ঐসময়ের সিরিজগুলা দেখলে আসলেই নস্টালজিক হই। আর তাছাড়া ছোটোবেলায় কথা না বুঝেই ইংরেজি সিরিজ দেখতাম। এখন বুঝে দেখাতে কাহিনীগুলো অন্যরকম লাগে। নাইটরাইডার দেখলাম কয়েকদিন আগে ডিভিডিতে। ম্যাকগাইভারও।
ঘনাদা বলেছেন:
এইদেশে মিস্টার টি বিশাল ফিগার..
লেখক বলেছেন: Stop saying yabba yabba, say hello to Mr. T ![]()
নীল কমল বলেছেন:
অলটাইম ফেবারিট।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
মিস্টার টি কে মাঝে মাঝেই সম্মোহন করে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া হতো চোখের সামনে কোন দোদুল্যমান বস্তু দিয়ে....এটা মজা লাগত ...
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














