ফেসবুকে একটা গ্রুপে পাওয়া, ভাবলাম সবার জানা উচিৎ তাই এখানে পোষ্ট করা হল (মুল লেখা ইংরেজীতে )।
১। মোবাইল বিষয়ক সচেতনতা:
আমরা যখন মোবাইল দিয়ে কোথাও ডায়াল করি স্বভাবতই আমরা ডায়াল বাটন চেপে কানে ধরে থাকি রিসিভ হওয়ার অপেক্ষায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন ঠিক এই সময়টিতে সেলফোন তার সর্বোচ্চ সিগন্যালিং পাওয়ার ব্যাবহার করে, যা ২ ওয়াট= ৩ডিবিআই(এট কি আমি নিজেও জানিনা টেকিরা হয়ত বলতে পারবে)। আর সেল ফোন সাধারনত বাম কানে ধরা উচিৎ কারন ডান কানের সাথে ব্রেইনের সরাসরি সম্পর্ক আর এতে ব্রেইনের ক্ষতি সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী(যদিও আমি জানি দু্ই কানের সাথেই ব্রেনের সরাসরি সম্পর্ক)।
২। মেনটোস (দেমাগ কি বাত্তি জালায়)
বাজারে এখন অনেক ধরনের মাউথ ফ্রেসেনিং ক্যান্ডি পাওয়া যায় যেমন polo, mentos ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এ ধরনের ক্যান্ডি তে উচ্চ মাত্রায় পিপারমিন থাকে। গবেষকরা বলছেন পেপসি বা কোক জাতীয় কোন বেভারেজ খাওয়ার আগে বা পরে এ ধরনের ক্যান্ডি খাওয়া কোন ভাবেই উচিৎ নয়। এতে করে উভয়ের মিশ্রনে বিষাক্ত সায়ানাইড উৎপন্ন হয় যা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে।
৩। কুরকুরে, খেতে ভারি মজা
ভারতের তৈরি কুরকুরে নামক চানাচুরের মত এক ধরনের খাবার বাজারে পাওয়া যায়। যা ছেলে বুড়ো সবার কাছেই সমান প্রিয় কিন্তু মজার ব্যাপার হল এই খাবার টিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় প্লাস্টিক যদি বিশ্বাস না হয় কখনও সুযোগ হলে এটি আগুনে পুড়িয়ে দেখতে পারেন আপনি প্লাস্টিক পোড়ার গন্ধ পাবেন(ভারত মনে হয় এটা শুধু আমাদের দেশের জন্য তৈরী করেছে)
৪। কটন বাড
কটন বাড দেখলেই মোটামুটি সবারই কান খোচাইতে ইচ্ছে করে । দোকানে শোরুমে হাটে বাজারে ফুটপাতে প্রায় সবখানেই সহজলভ্য এই কটন বাড। ফুটপাত ধরে হাটতে হাটতে হঠাৎ করেই আমরা হয়ত এক প্যাকেট কটনবাড ৫ টাকায় কিনে নেই আরাম করে কান খোচানোর জন্য।কিন্তু এই নিম্নমানের কটনবাড গুলোর কটন বা তুলা কোথা থেকে আসে জানেন কি? হাসপাতালের ব্যাবহার করা রক্ত পুঁজ মিশ্রিত তুলা টোকাইরা তুলে নিয়ে এসব কটনবাড প্রস্তুত কারকের কাছে বিক্রি করে আর সেগুলো ধুয়ে ব্লিচ করে শুকিয়ে তৈরি করা হয় আমাদের প্রিয় কটন বাড যা কিনা বহিঃ মধ্য ও অন্ত কর্নে হার্পিস জুসটার নামক এক ধরনের ভাইরাস জনিত রোগ সৃষ্টি করে। সুতরাং এখন থেকে দেখে শুনে ভাল মানের কটন বাড কিনুন আর এ ধরনের নিম্নমানের কটনবাড কেনা থেকে বিরত থাকুন।
বাঁচতে হলে জানতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

