আমার প্রিয় পোস্ট
- নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি? - মনসুর হিল্লাজ
- সামরিক সুশাসন সোনার পাথর বাটি - ০১ - অপ বাক
- সামরিক সুশাসন সোনার পাথর বাটি ০২ - অপ বাক
- খাসী-বকরিদের প্রতি সর্বশেষ কথা - সাধক শঙ্কু
- !!!জয়তু সামহোয়ারইন!!! বারে বারে মুছ কেন গো পরদেশী? - সাধক শঙ্কু
- রাজনৈতিক বক্তব্য নতুন পাকিস্তানে - অপ বাক
- বুকাইলির সৃষ্টিতত্ত্ব ব্যাখ্যান কোরানের আলোকে - অপ বাক
- বুকাইলির কোরান ও বিজ্ঞান - অপ বাক
ক্যান জানি মনে পড়লো ১
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:০২
শেখ মুজিব নিহত হওয়ার সময় বিশাল ক্যাচাল চলতাছিল ।আম্লীগের অবস্থা খুবই খারাপ । জাসদ/সর্বহারা/পূর্ব বাংলাগো ক্ষমতা দখলের বা দখল কইরা টিকা থাকনের যোগ্যতা ছিল কিনা সেইটা নিয়া নানারকম ক্যাচাল আছে, আপাতত ওদিক যামু না ।তয় কাকাগো দিলে ডর আছিল ঠিকই।তাগো কইলজায় তখন ভিয়েতনামের ঘাও থক্ থক্ করতাছে ।জাসদ তাগো তৈরী হইলেও কর্মীরা যে কখনোই নেতাগো খেদাইয়া অন্যকোন দিক যাইবো না সেই ভরসাও নাই।কম্বোডিয়াতে যেমন ছিল ।আবার তাজউদ্দিনরে খেদাইলেও আম্লীগ কেজিবির কথা বেশী শুনা শুরু করছিল।বিশেষ কইরা বাকশালের টাইমটা আম্লীগে ভালো একটা পেজগী চলছে।সিআইএ/কেজিবি একলগে কাম করছে।কেজিবি অনেকগুলা ওয়ার্নিং দিছিল শেখ মুজিবরে। শেখ মুজিব সেগুলা শুনে নাই আম্লীগ ভক্তগো মতে বাঙ্গালী আমারে মারবোনা ধারণা থিকা, আমার মতে দেখিনা কি করে মনোভাব থিকা।কারণ সিআইএ তখন একলগে অনেক নাও এ ঠ্যাং দিয়া রাখছে।ইতিহাসবীদরা খালী বেচারা মোশতাকরে গাইল পাড়ে।মোশতাক একলা এত কিছু করা পারলে তো শেখ মুজিব নেতাই হইতে পারতো না ।তাজউদ্দিনরে মন্ত্রীসভা থিকা সরানোর পরে যারা পাট্টি দিছিল তারা সবাই সিআইএর লগে যোগাযোগ রাখতো।এগো মধ্যে অনেকেই বাকশালের সময় জেলে গেছিল।যাই হোক মোট কথা ১৯৭৫এর সামরিক অভূত্থান কতিপয় "বিপথগামী" বা কতিপয় "দেশপ্রেমিক" অফিসারের কাম না এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ জড়িত।শুধু মোশতাকের মন্ত্রীসভায় যারা যোগ দিছিল তারা না । আরো অনেকে নিস্ক্রিয় থাইকা সমর্থন দিছে।তারাই র্বতমান আওয়ামী লীগ।যারা যারা সেই সময় সিআইএর টোপ খায় নাই তারা হয় পলাইয়া গেছে নাইলে মরছে।যেই ৪ নেতারে জেলের মধ্যে বেয়নেট চার্জ কইরা মারা হইছে তারা কেজিবির লোক না হইলেও সিআইএর দালালী করতে চায় নাই।ক্যান চায় নাই সেইটা জটিল প্রশ্ন।চাইলে বাইচা যাইতো।
(বছর দেড়েক আগে একবার কেজিবির কোন এক পুরানা র্কমর্কতার কাগজপাতি ঘাইটা নানারকম কথা শোনা গেল।কথাগুলা তেমন নতুন কিছু না।তবে বুইড়া অজয় রায় কয় এগুলা ঠিক না। কেজিবির তথ্য ভুল ৭৫এর সামরিক অভ্যুত্থানের লগে সিআইএ জড়িত না ইত্যাদি।বুঝলাম বুইড়া মানু কততা কয়।আর সিপিবির উর্বর মস্তিস্কের পরিচয় পাওন যায় এই মন্তব্য থিকা।)
তারপর আর কি! ১৫ আগস্ট থিকা ৭ নভেম্বর বেশ ছককাটা কায়দায় আউগাইছে।খেলোয়াড়রা ভাবছে আমরা খেলি আর পাপেট মাস্টার ভাবছে হালার রামছাগল!
প্রকাশ করা হয়েছে: সিরিতি তুমি বদনা বিভাগে ।
হাসিব বলেছেন:
সাধুর রাজাকার খেতাব পাওনের বেশী একটা দেরী নাই ..
অতিথি বলেছেন:
কোন অজয় রায়। পালটি মারা অজয় রায়। ওর মাতায় শয়তানী ছাড়া আর কিছু নাই। ও কেন সিপিবি হবে? 93 এ পার্টি ভাঙ্গার মূল হোতগোর সে একজন। সিআইএর পয়সাখোর। কনফার্ম। আগে থেকেই (পার্টি ভাঙ্গার) হেরা কয়েকজন পার্টির দলিল বদলানোর চেষ্টায় আছিলো। ধর্ম, আমেরিকা বিবিধ বিষয়ে নানা রকম উলটা পালটা কতা তারা তহন কংগ্রেসে কইছে। কিন্তু সাধারণ কমরেডরা বেশিরভাগই উড়ায় দিছে। আপনেরে দরকারে পুরোনো কংগ্রেসের বই দেহামুনে। এরায় চাইছিলো পুরা পার্টিরে এরম কোন লাইনে নিতে। পারে নাই, বলে ভাইঙ্গা দিয়া গ্যাছেগা। আরেকজন নাটের গুরু, মতি বাই, আউজগা কি নাটক টা দেহাইতেছে। ফখরুদ্দিনের উপদেষ্টা এহন সে। সবডি শুয়ার, পুরা শুয়ার।
অতিথি বলেছেন:
১৯৭৫ এ সে সিপিবির খুব প্রমিনেন্ট নেতা আছিল।কেজিবির যেই ইন্টেলিজেন্স দক্ষিণ এশিয়ায় কাজ করতো তার বেশীর ভাগই ডাবল ক্রস কইরা সিআইএর লগে খাতির রাইখা চলছে।এর প্রমাণ হইলো ৯০ দশকের শুরুতে অতিদ্রুত পেশা পরিবর্তন কইরা কোটিপতি হওয়া । এইটা মনে হয় তুমি অনেক ভালো জানো।
অতিথি বলেছেন:
পেণ্নাম হই সাধক বাবা-দুয়ে দুয়ে চাইর খুঁইজা পাইলাম। পাপেট মাষ্টর এখন হের পেয়ারের পাপেটরেই রাখছে মঞ্চে। কাজ হাসিল হোক, দেখা যাক পাপেটের কি পরিণতি হয়!
অতিথি বলেছেন:
বাকী,সিপিবির কিন্তু এখন নতুন কইরা গার্ড লইয়া ব্যাটিং শুরু করার সময়।একমাত্র তারাই(লগে অন্যান্য গুড়াগাড়াও আছে) কোন জোটে ছিল না।আর র্বতমান পরিস্থিতিতে যেইসব অ্যান্টি/থিসিস কাজ করতাছে সেগুলার সুযোগ অন্য যেকোন পার্টির থিকা সিপিবির নেওয়ার ক্ষমতা বেশী।পুরানা সংগঠণের খোল টুকই থাক।বাকিটা পরিস্থিতি অনুসারে ঠিক করা যায়।কিন্তু এইবারো যদি সিপিবি সেই ফরহাদীয় আমলের ছাগলামী অব্যহত রাখে তাইলে আর কিছু কওয়ার নাই।তখন ক্রেমলিনের ভরসায় ছাগলামী করছে; এখন কার ভরসায়?
অতিথি বলেছেন:
পাপেটের নতুন আরকি পরিণতি হইবো? সাইড অদল-বদল করবো খুব বেশী হইলে।
অতিথি বলেছেন:
মাহবুব আলম চাষী, তাহেরউদ্দীন ঠাকুর ।
অতিথি বলেছেন:
নাম কওয়াই লাগবো?
অতিথি বলেছেন:
হ, তয় কাহিনীটা ইট্টু জটিল
অতিথি বলেছেন:
যে ২ জনের কথা কইলেন তারা তো ফাইসা যাওয়া পাবলিক।যারা ফাসে নাই,তারা?মালেক উকিলের কথা ভুইলা গেলেন?তোফায়েল?টাঙ্গাইলের মান্নান?মিজান চৌধুরী?আমু?
অতিথি বলেছেন:
সাধক আপনার কথা হয়তো ঠিক। তবে আদালতে মনে হয় সাম্রাজ্যবাদের বিচার সম্ভব নয় । নইলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সিআইএর প্রসঙ্গ আসবে না কেন ?
অতিথি বলেছেন:
পারলো নাতো শেষ পর্যন্ত একটারেও ঝুলাইতে অর্ধেকের বেশীই নাগালের বাইরে।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
মন্তব্য ফিরাইয়া দ্যান !
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
এত অতিথি কেমনে সামলামু?


















