আমরা যে বিশ্বে বসবাস করি সে বিশ্বের পদার্থবিদ্যার ধর্মানুযায়ী আলোর গতিই স্বীকৃত সর্বোচ্চ গতি। যদিও "ট্যাকিওন" নামে একটি কনার অস্তিত্ব ধারনা করা হয় যার গতি আলোর থেকেও বেশী। বস্তুতঃ ট্যাকিওন এর সর্বোচ্চ গতি অসীম আর সর্বনিন্ম গতি আলোর গতির সমান। ট্যাকিওন এর অস্তিত্ব প্রমানে বিজ্ঞানীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
![]()
শুরুর আলোচনায় আবার ফিরে আসি। আলোর গতিই সর্বোচ্চ গতি। আলো এক বছরে যে পরিমান দুরত্ব অতিক্রম করে তাকে একক (১ লাইট ইয়ার ) ধরে মহাজাগতিক বিভিন্ন বস্তুর দুরত্ব প্রকাশ করা হয়। ১ লাইট ইয়ার = প্রায় ৯,৪৬০,৭৩০,৪৭২,৫৮০.৮ কিলোমিটার।
বিজ্ঞানীদের গবেষনা অনুযায়ী আমাদের মহাবিশ্ব প্রায় ১৩.৭৩ বিলিয়ন বছর আগে সৃষ্টি হয় বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে একটি বিন্দু থেকে। এখান থেকেই প্যারাডক্সের শুরু। যেহেতু মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি বিন্দু থেকে, এরপর বিশ্ব সম্প্রসারিত হতে হতে বর্তমানের অবস্থায় এসেছে- ধরি বিগব্যাং এর ঠিক পরেই দু'টি কণা তৈরী হয় যারা পরস্পর বিপরীত দিকে প্রসারিত হতে থাকে আলোর গতিতে, তাহলে আজ ১৩.৭৩ বিলিয়ন বছর পরে তাদের মধ্যকার দুরত্ব হতে পারে সর্বোচ্চ ২x১৩.৭৩=২৭.২৬ বিলিয়ন লাইট ইয়ার। এটাই হওয়া উচিত আমাদের মহাবিশ্বের ব্যাস।
কিন্তু আমাদের চোখে দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ব্যাস নির্ণীত হয়েছে কমপক্ষে ৯৩ বিলিয়ন লাইট ইয়ার (এর আসল ব্যাস কত আমরা এখনো জানি না)। এটা কিভাবে সম্ভব হলো?
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


