আমার প্রিয় পোস্ট
- বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী এবং শাহরিয়ার কবির। খালেদা জিয়া ও আমেনী = শেখ হাসিনার সংবিধান!! - হরিসূধন
- কুড়িয়ে নেয়ার সময় - সন্ধ্যাবাতি
- যে মুভিগুলো দেখে মুখ হা হয়ে গেছে - দিপ
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু। পাওনা টাকার জন্য লাশ ছাড়েনা এপোলো হাসপাতাল। - মোটামানুষ
- ভাইরে, আপুদের কিভাবে সুখী রাখবেন? ডিসকো বান্দরের গবেষণা ও অভিগ্গতা লব্ধ পোস্ট। সর্ব্বোচ বাজেট ১,০০০ টাকা (একটুও আদি রসাত্মক নয়!
) - ডিসকো বান্দর
- সোভিয়েতস্কি কৌতুকভ সংগ্রহ (১৮+) ... ৩ - ফয়সাল রকি
- ছেলেদের ফেইসবুক স্ট্যাটাস - চানাচুর
- যে কথাগুলো কখনই আপনার বয়ফ্রেন্ডকে / গার্লফ্রেন্ডকে বলবেন না: - িক
- কয়েকটি ঘুম হারাম করা পুরনো দিনের গান - মেঘ বলেছে যাবো যাবো
- হাসতে নেই মানা-২ (১৩ নম্বর বিপদ সংকেত) - এইচ, এম, পারভেজ
- মেয়ে পটানোর সহজ উপায়। (একটি গবেষণাধর্মি পোস্ট) (১৮- দের প্রবেশ নিষেধ)
- আলিম আল রাজি
- অর্থপূর্ণ কৌতুক কালেকশন -২ - ফাহাদ চৌধুরী
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- কৌতুক সংগ্রহ সামগ্রী বিলকুল হঁসতে মানা - মাসুদ চৌধুরী
- ছন্দোবদ্ধ বাংলা কোরআন, পর্ব-৭ (যিলযাল, কদর ) - মৈত্রী
- আরো কয়খান ১৮+++, কমন পরলে দোষ নাইক্কা - মেহরিন সাদিয়া সুমি
- ডায়াবেটিস - প্রকারভেদ এবং চিকিৎসা - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- দাম্পত্য রসঃ বউয়ের যত্ন নিন, নিলে কতটুকু নিচ্ছেন জানুন - সোনারবাংলা
একটি জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকীয়ঃ ঐতিহাসিক নবযাত্রা [১৬ আগষ্ট ১৯৭৫]
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৪
ঐতিহাসিক নবযাত্রা
দেশ ও জাতির এক ঐতিহাসিক প্রয়োজন পুরণে গতকাল প্রত্যুষে প্রবীণ জননায়ক খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী সরকারের সর্বময় ক্ষমতা গ্রহণ করিয়াছেন। পুর্ববর্তী সরকার ক্ষমতাচ্যুত হইয়াছেন এবং এক ভাবগম্ভীর অথচ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করিয়াছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও তাহার নুতন সরকারের প্রতি স্হল, নৌ ও বিমানবাহিনীর অধিনায়কগণ তাহাদের স্ব স্ব বাহিনীর পক্ষ হইতে অবিচল আস্হা ও আনুগত্য ঘোষণা করিয়াছেন। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্হাসমুহ যথা বাংলাদেশ রাইফেল, পুলিশ এবং রক্ষীবাহিনীর প্রধানগণও নুতন সরকারের প্রতি তাহাদের অকুণ্ঠ আনুগত্য জ্ঞাপন করিয়াছেন এবং সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করিয়াছেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জীবনে এই পরিবর্তনের এক বিষাদময় পটভুমি রহিয়াছে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত ও অসংখ্য মা-বোনের পবিত্র ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা একদিন যে স্বাধীনতা অর্জন করিয়াছিলাম সেখানে আমাদের আশা ও স্বপ্ন ছিল অপরিমেয়। কিন্তু বিগত সাড়ে তিন বছরেরও ঊর্ধ্বকালে দেশবাসী বাস্তবক্ষেত্রে যাহা লাভ করিয়াছে তাহাকে এক কথায় গভীর হতাশা ও বঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। নয়া রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে তাহার বেতার ভাষণে এই দুর্ভাগ্যজনক পটভুমির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়াছেন। গণমানুষের ভাগ্যোন্নয়নের পরিবর্তে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির আশ্রয় গ্রহণ করিয়া এবং একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে স্হায়ীভাবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রাখিবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষায় মাতিয়া উঠিয়া স্বাধীনতার সুফল হইতে জনগণকে নিমর্মভাবে বঞ্চিত করা হইয়াছে। সুজলা সুফলা সোনার বাংলার সোনার মানুষদের চরম হতাশার কবলে ঠেলিয়া দেয়া হইয়াছে। ফলে বাংলার মানুষের নিত্যসঙ্গী হইয়াছে ক্ষুধা, বঞ্চনা, দারিদ্র্য ও অসহনীয় অর্থনৈতিক নির্যাতন। জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠুর অবহেলার ফলে একদিকে চরম অর্থনৈতিক বঞ্চনা, অপরদিকে নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্যাদির নজিরবিহীন অগ্নিমুল্যের ফলে সাড়ে সাত কোটি মানুষের জীবনে বিপর্যয় নামিয়া আসে। দেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভাঙ্গিয়া পড়ার উপক্রম হয়, বিশেষত পাটশিল্প ধ্বংসের মুখোমুখি আসিয়া দাঁড়ায়। স্হায়ীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার আকাঙ্ক্ষায় একটি ক্ষুদ্র কোটারী দেশে একটির পর একটি রাজনৈতিক দাবার ঘুঁটি চালিতে থাকে। ফলে অব্যক্ত বেদনায় গুমড়িয়া মরে সাড়ে সাত কোটি মানুষের অন্তর।
দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের সত্যিকারের আশা-আকাঙ্ক্ষা রুপায়ণে খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে যে আগাইয়া আসিতে হইয়াছে তাহারও কারণ ছিল। পুর্ববর্তী শাসকচক্র সাংবিধানিক পথে ক্ষমতা হস্তান্তরের সমস্ত পথ রুদ্ধ করিয়া রাখিয়া সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপকে অনিবার্য করিয়া তুলিয়াছিল। কিন্তু ইতিহাসের গতিকে কোনদিন বালির বাঁধ দিয়া ঠেকাইয়া রাখা যায় না। বাংলাদেশের যে বীর জোয়ানরা দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য সাড়ে সাত কোটি মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলাইয়া একদিন লড়িয়াছে, রক্ত দিয়াছে, তারা দেশের এ ঘোর দুর্দিনে নিশ্চুপ বসিয়া থাকিতে পারে নাই। জাতির প্রতি, দেশের নির্যাতিত ও নিপীড়িত জনগণের প্রতি তাহাদের পবিত্র দায়িত্ব পালন করিয়াছে অকুতোভয় সাহস লইয়া। কিন্তু জনগণের প্রতি যে তাহাদের কোন বিদ্বেষ নাই, রহিয়াছে শুধু মমতা, তাহা ফুটিয়া উঠিয়াছে জনগণের সঙ্গে তাহাদের বন্ধুত্বপুর্ণ আচরণে।
আজকের এই ঐতিহাসিক মুহুর্তে আমাদের দায়িত্ব অনেক। বাংলাদেশের এক মহাক্রান্তিলগ্নে জননায়ক খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে সশস্ত্রবাহিনী যে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়াছে তাহাকে সুসংহত করিতে হইলে জনগণের প্রতি অর্জিত ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে আমাদের সকলকে আজ ঐক্যবদ্ধভাবে আগাইয়া যাইতে হইবে। জাতীয় জীবনের প্রচলিত মুল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর যে সুযোগ অতীতে একবার হেলায় হারানো হইয়াছে পরম করুণাময়ের অপার অনুগ্রহে সেই সুবর্ণ সুযোগ আবার আমাদের সামনে সমুপস্হিত। সে সুযোগের পুর্ণ সদ্ব্যবহার করিতে হইবে আমাদের। সশস্ত্রবাহিনীর বিভিন্ন শাখা ও আইন রক্ষাকারী সংস্হাসমুহ যেইভাবে একযোগে দেশ গড়ার এই নুতন দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করিয়াছেন জনগণকেও একতাবদ্ধ হইয়া অনুরুপভাবে তাহাদের পবিত্র দায়িত্ব পালনে আগাইয়া আসিতে হইবে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও সর্বপ্রকার অনাচারের মুল্যোৎপাটন করিতে হইলে আমাদের অনেক সংগ্রাম সাধনা করিতে হইবে। কিন্তু এ দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন শান্তি-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ন রাখা, আইনের প্রতি অবিচল আনুগত্য প্রদর্শন, সর্বোপরি দেশ গড়ার এক পবিত্র দায়িত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে আত্মনিয়োগ করা। সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষ অতীতের ন্যায় এবারও এ মহাপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইতে পারিবে, এ বিশ্বাস আমাদের আছে।
বিশ্বের বিভিন্ন শান্তি ও কল্যাণকারী দেশসমুহ, বাংলাদেশের এই পরিবর্তনের যথার্থতা শিগগিরই উপলব্ধি করিবেন বলিয়া আমরা বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ সকলের বন্ধু থাকিতে চায়, কাহারো প্রতি তাহার শত্রুতা নাই। এমনকি যাহাদের সাথে বাংলাদেশের এতদিন বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্হাপিত হয় নাই নয়া সরকার তাহাদেরও বন্ধুত্ব প্রয়াসী। পররাষ্ট্রনীতি ক্ষেত্রে সমতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা এবং অপরের আভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বাসী। ইহুদীবাদ, বর্ণবাদ, বর্ণবৈষম্যবাদ, উপনিবেশবাদ ও নয়া উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার আপোষহীন থাকিবে। জাতিসংঘের সনদের প্রতি আমাদের আস্হা অটুট। জোট নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মৈত্রী, উপমহাদেশের পরিস্হিতি স্বাভাবিকীকরণ ও বিশ্ব শান্তির নীতিতে বিশ্বাসী বাংলাদেশ। ইসলামী সম্মেলন, কমনওয়েলথ ও জোট নিরপেক্ষ ফোরামের সদস্য থাকিয়া বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করিয়া যাইবে।
নবগঠিত সরকার শুধু দেশের অভ্যন্তরেই এক কলুষমুক্ত নয়া সমাজ গড়িতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, বিশ্ব শান্তি নির্মাণেও তাহারা ঐতিহাসিক অবদান রাখিতে প্রয়াসী। বলাবাহুল্য, সাড়ে সাত কোটি মানুষের অনাবিল আশা-আকাঙ্ক্ষাই প্রতিধ্বনিত হইয়াছে নয়া সরকারের ঘোষিত নীতির মধ্যে। এ পবিত্র সংকল্প জয়যুক্ত হোক, ইহাই এ মুহুর্তে আমাদের সকলের কামনা। ( ইত্তেফাকঃ ১৬ আগষ্ট ১৯৭৫ )
***********************************************
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট (শুক্রবার) প্রত্যুষে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর ওই দিন তার মন্ত্রী পরিষদের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী শাসনভার গ্রহণ করে। সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক আইন জারি ও সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়। তবে মুসল্লিদের জুমার নামাজ আদায়ের জন্য দুপুরে দেড় ঘণ্টার জন্য সান্ধ্য আইন শিথিল করা হয়।
ওই দিন বিকালে খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান অস্হায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ বি মাহমুদ হোসেন। এরপর রাষ্ট্রপতি হিসেবে খন্দকার মোশতাক আহমদ ওই দিন উপরাষ্ট্রপতি, ১০ জন মন্ত্রী এবং ৬ জন প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ, নৌবাহিনী প্রধান কমডোর মোশাররফ হোসেন, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার, বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল এম খলিলুর রহমান, পুলিশবাহিনীর প্রধান এএইচ নুরুল ইসলাম এবং রক্ষীবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান আবুল হাসান খান। এদিন রাতে নয়া রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ জাতির উদ্দেশে এক বেতার-টেলিভিশন ভাষণে শান্তি ও শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
সূত্রঃ Click This Link
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
এরপর রাষ্ট্রপতি হিসেবে খন্দকার মোশতাক আহমদ ওই দিন উপরাষ্ট্রপতি, ১০ জন মন্ত্রী এবং ৬ জন প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ, নৌবাহিনী প্রধান কমডোর মোশাররফ হোসেন, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার, বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল এম খলিলুর রহমান, পুলিশবাহিনীর প্রধান এএইচ নুরুল ইসলাম এবং রক্ষীবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান আবুল হাসান খান।
সুধাসদন বলেছেন:
শেখ মুজিবকে আক্রমণের খবর শুনে কর্ণেল জামিল যদি একা গাড়ি নিয়ে বের হয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডীর দিকে যেতে পারে প্রতিরোধের জন্য তাহলে এসব সেনাপতিরা পারলেন না কেন? উপরন্তু মোশতাকের প্রতি আনগত্য দেখালেন ! এদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় না করা পর্যন্ত মুজিবের আত্মা শান্তি পাবে না। কাদের সিদ্দিকীর ভাষায়, বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।
লেখক বলেছেন: সেটাই!
ভাবসাধক বলেছেন:
++++++++++++++++++সুধাসদন বলেছেন: শেখ মুজিবকে আক্রমণের খবর শুনে কর্ণেল জামিল যদি একা গাড়ি নিয়ে বের হয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডীর দিকে যেতে পারে প্রতিরোধের জন্য তাহলে এসব সেনাপতিরা পারলেন না কেন? উপরন্তু মোশতাকের প্রতি আনগত্য দেখালেন ! এদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় না করা পর্যন্ত মুজিবের আত্মা শান্তি পাবে না। কাদের সিদ্দিকীর ভাষায়, বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।
কুতুব্ বলেছেন:
এই সম্পদকীয় সতি্যই ন্যক্কারজনক। আর জনাব সুধাসদন এর সাথে আমিও একমত। বিচার হয়েছে শুধু কতগুলো বন্দুকধারীর। পিছনের মানুশগুলো আর এর সুবিধাভোগীরা রয়ে গেলো অন্ধকারে। তবে আমাদের দেশের যা ইতিহাস আমরা দেখি তাতে এটুকু হওয়াটাও একটা বিরাট অর্জন। এর জন্যও আমাদের অপেখ্খা করতে জয়েছে দীর্ঘ ৩৪ বছর।
লেখক বলেছেন: এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন
১) সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ,
২) নৌবাহিনী প্রধান কমডোর মোশাররফ হোসেন,
৩) বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার,
৪) বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল এম খলিলুর রহমান,
৫) পুলিশবাহিনীর প্রধান এএইচ নুরুল ইসলাম এবং
৬) রক্ষীবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান আবুল হাসান খান।
মাথা মানে সবাই জড়িত। এখন তৈলে সেনাবিহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, বিডিআর এ রক্ষীবাহীনির সবাইর বিচার হওনের দর্কার।
কুতুব্ বলেছেন:
আর মোশতাকের ক্যাবিনেটে যেসব মন্ত্রীরা যোগ দিয়েছিল তাদের অনেকেই নাকি শেখ মুজিবের ক্যাবিনেটে ছিল। আমি নামগুলো জানিনা। পারেন তো ঐ বেঈমানগুলোর নামও নিয়ে আসেন এখানে। মানুষ চিনুক তাদের।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
সব শালা পা চাটার দল।
লালসালু বলেছেন:
অসাধারন
সরকার সেলিম বলেছেন:
হাইরে.........
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
লালসালু বলেছেন: অসাধারন
মাহমুদ মান্না বলেছেন:
অনেক দেরিতে পড়লাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














