সরকারকে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে চলমান দমন অভিযান জোরদার করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে একটি প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থা। সংস্থার পরামর্শকে সামনে রেখে এ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ১০ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করার বিষয় বিবেচনা করছে সরকার। প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থাটি সারা দেশে বিশেষ আদালত করে গ্রেফতারকৃতদের দ্রুত শাস্তি দেয়ার জন্যও পরামর্শ দিয়েছে। এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেয়া যায় এ বিষয়ে সরকার সমর্থক আইনজীবীদের কাজ করার জন্য বলা হয়েছে।
একটি উধ্বতন সূত্র থেকে জানা গেছে, সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারক মহলকে গোয়েন্দা সংস্থাটি আশ্বস্ত করে বলেছে, এ দমন অভিযানে যেকোনো প্রতিত্র্নিয়া সামাল দেয়ার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা পাওয়া যাবে। এখানকার যেকোনো নিরাপত্তা ইস্যুর প্রতি তারা সর্বাধিক গুরুত্ব দেবে। একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সমর্থনকে ইসরাইলি লবির সহায়তায় বর্তমান সরকারের পক্ষে নিয়ে আসা যাবে বলে সরকারকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, প্রতিবেশী গোয়েন্দা সংস্থাটি চলমান দমন অভিযানকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিতে বলেছে। এ অভিযানের পরপরই কথিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্যক্রম শুরু করা হবে। একই সাথে এগিয়ে নেয়া হবে ১০ ট্রাক অস্ত্র ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলা। দুই মামলাতেই জামায়াতের কয়েকজন শীষê নেতার পাশাপাশি তারেক রহমানসহ বিএনপি’র কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে জড়ানো হবে। এ ব্যাপারে ১৪ দলকে দিয়ে জনমত গঠন করারও পরামর্শ দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, গোয়েন্দা সংস্থাটি পরামর্শকে সামনে রেখে সরকার ইসলামী ছাত্রশিবিরকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করে এ সংগঠনটির তৎপরতা বন্ধের পদক্ষেপ নেয়ার চিন্তাভাবনা করছে। এর পরপরই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে জামায়াত ও বিএনপি’র কিছু কিছু নেতাকে গ্রেফতার ও বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। সাথে সাথে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর ব্যাপারে উচ্চতর আদালতের যে রায় রয়েছে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৯৭২ সংবিধানের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে আসা হবে।
সূত্র জানায়, প্রতিবেশী গোয়েন্দা সংস্থাকে সরকারি নীতিনির্ধারকরা জানান, বাংলাদেশে তাদের যে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক রয়েছে তা দিয়ে সরকারি পদক্ষেপগুলোকে বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সমর্থন দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে মিডিয়ার শক্তিকে বিশেষভাবে ব্যবহার করা হবে।
রাজনৈতিকভাবে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে দমন করার পরে ইসলামি সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি দৃষ্টি দেয়া হবে। এর পর ব্যাংক-বীমাসহ অন্যান্য ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রতি দৃষ্টি দেয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রতিবেশী দেশটির একজন ঊধ্বêতন গোয়েন্দা কর্মকর্তা সম্প্রতি ঢাকা সফর করে গেছেন। ইসরাইলের একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়ে সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থার একজন প্রতিনিধিও বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। বাংলাদেশের চলমান ঘটনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ব্যাপারে তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তার যোগসূত্র রয়েছে বলে সূত্র করেছেন।
সূত্রঃ নয়াদিগন্ত। ১৩ ফেব্রুয়ারী।
ঘটনা পরস্পরায় মনে হচ্ছে এ পথেই সর্কার হাটছে। সামনে আরও বুঝা যাবে ঘটনা কতটুকু সৈত্য। তবে এ সর্কারে ভারত আর আসরায়েল কানেকশন বহু পুরানো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



