somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন, নাতিনাস্তিকাস্তিক হই :-B B:-)

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় রিপেস্ট করা হলো; যারা একবার পড়েছেন, তাদেরকে স্যরি বলা হইলো। যারা পড়েছেন, কোনো উন্নতি হয় নাই, তাদেরকে আর একবার পড়তে বলা হইলো। যারা মোর দ্যান দুইবার পড়ছেন, তাদেরকে আর না পড়তে উৎসাহিত কর‍া হইলো। তাদের আর কিছু হইবেক লায়।)

ব্লগে ধর্ম নিয়ে যারা অতি উচ্চকিত (গ্রুপ-১ অথবা গ্রুপ-২), তাদের জন্য এই লেখা।

গ্রুপ-১ : আপনি কি ধর্ম নিয়ে অতি আহ্লাদিত? প্রতিটি মুহূর্তে ধর্ম ছাড়া আর কিছু আর কিছু ভালো লাগে না? এমনকী আপনার আহ্লাদের কারণে যদি ধর্মের বরং আরো অধর্ম হয়, তবু?আপনি কি মনে করেন, যারা ধর্মের বিপক্ষে, তাদের মরে যাওয়াটাই পৃথিবীর উন্নতির জন্য সবথেকে ভালো? আপনি কি মনে করেন ধর্ম (যেমন, ইসলাম) শাসনক্ষমতা পেলে আসলেই শান্তি এসে যাবে?…

অথবা,

গ্রুপ-২ : আপনি ধর্ম নিয়ে অতি বিরক্ত??? মনে করেন যে, ধর্মের পক্ষ নিয়ে য়ে বা যারাই কথা বলেন তারাই, অন্ততঃ মানসিকভাবে, চতুঃপদ একটি একটি বিশেষ জন্তু-সম? আপনি কি মনে করেন ধর্মই পৃথিবীতে যত অধর্মের মূল? আপনি কি এই মতের লোক যে ধর্ম বা ধর্মপক্ষীয়রা যদি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত কেবলমাত্র তখনই শান্তি কায়েম হতে পারে?আপনি কি মনে করেন আপনিই মোটামুটি সবথেকে গিয়ানী কারণ আপনি ধর্ম ঘৃণা করেন?

এই লেখা নিশ্চিত ভাবেই আপনার জন্য।

আপনাদের সবার জন্য আমার এই আহ্বান:

আসুন নাতিনাস্তিকাস্তিক হই

নাতিনাস্তিকাস্তিক= না অতি নাস্তিক না অতি আস্তিক

চরম পন্থা কারো জন্য ভালো না। ধর্ম কাউকে ছোট করতে বলে না, ধর্ম ডিফেন্ড করতে গিয়ে প্রায়ই ধর্মের প্রবক্তারা করে যাচ্ছেন। সহনশীলতা ইসলামের বড় াড় শিক্ষাগুলোর একটা; তার অনুসারীদেরকে দেখে মনে হয় ছোটবেলা থেকে ভুল শিখেছিলাম।

আর এদিকে আমাদের অতি জ্ঞানী অতি নাস্তিক ভাইদের কথা শুনলে ভিরমি খেয়ে যেতে হয়। সাধারণত ধর্ম অস্বীকার করার প্রধান যুক্তি দেখানো হয় মানব-ধর্মের কথা বলে। সহ-ব্লগাররা ধর্মের পক্ষে কথা বলার সাথে সাথে যে ভাষায় আক্রমন শুরু হয় তাতে মানব-ধর্ম অতি অপরিচিত বস্তু মনে হয়। তাছাড়া, যুক্তির অস্তিত্ব যতটা তার চেয়ে গলা ফাটিয়ে নাস্তিকতা জাহির করার প্রবণতা তাদের বক্তব্যে চোখে পড়েছে বেশি।

আস্তিক নাস্তিক আপনাদের সবাইকে একটা কথা বলি।
আস্তিকতা-নাস্তিকতা কি জাহির করার বিষয়? অন্যকে গালি দিয়ে বা ছোট করে কি আপনি আপনার পক্ষকে বড় করতে পারবেন? এটা কি বস্তিতে বস্তিতে ঝগড়ার মতো কথায় জিতে যাওয়া, হেরে যাওয়া???
আজকে আপনি বড় গলায় একজন নাস্তিককে গালি দিলেন, এর মানে কি এই যে আপনি আল্লাহর কাছে বড় ধার্মিক হয়ে গেলেন? আমার কাছে কিন্তু উল্টো মনে হয়। আল্লাহ তো আমার আপনার মতো বোকা নন, তিনি হয়তো এভাবে নিতে পারেন, এই ব্যাটার জন্যে আমার অমুক বান্দা আরো দূরে সরে গেল।
আজকে আপনি বড় গলায় একজন আস্তিককে গালি দিলেন, এর মানে কি এই যে আপনি বড় মহান নাস্তিক হয়ে গেলেন? এই গালি দেয়ার মাধমে আপনি পৃথিবীর এবং মানবতার কোন মহান উপকার করলেন?বরং যেটা করলেন, সেটা হলো, অর্থহীন একটা ব্যক্তিগত শত্রু তৈরী। এরপর ঐ আস্তিক আপনার লেখা দেখার সাথে সাথে কিছু না পড়েই মাইনাস দিচ্ছে, আর জবাবে প্রতিহিংসায় আপনিও। এর সাথে প্রকৃত অর্থে আপনারা যে আদর্শের তর্ক শুরু করেছিলেন তার কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু আপনারা দুজনেই অদ্ভুত নির্লজ্জভাবে আপনাদের এই বিরোধকে নাম দিয়ে দেবেন আদর্শের বিরোধ।

আসুন, ধর্ম নিয়ে আমরা কথা বলি, কিন্তু একটা লিমিট পর্যন্ত বলে তারপর অফ হই। কথা বলি যুক্তি দিয়ে যতক্ষন পারা যায়। তারপর দরকার হয় সময় নিই। তারপর আবার কথা বলি।

অতি নাস্তিকতা আর অতি আস্তিকতা সবসময়ই নিজেদের ক্ষতি করে সবথেকে বেশি।

আসুন

আমরা নাতিনাস্তিকাস্তিক হই।



(লেখাটা শুরু করেছিলাম ফান করার চিন্তা মাথায় নিয়ে; শব্দটা মাথায় ঘুরছিলো অনেকদিন ধরে।লেখা শুরু করার পর ফান দূর হয়ে হঠাৎ সিরিয়াস কিছু লিখতে মন চাইলো। তারপর লেখা শেষ করে মনে হলো আরো প্রিপারেশন নিয়ে লিখলে ভালো হতো।)



অ্যাপেন্ডিক্স (আসুন, নাতিনাস্তিকাস্তিক হই B:- )



আস্তিক বা নাস্তিক যা-ই হই, যেন কোনো অবস্থায়ই আমাদের মতগত অবস্থান এত চরমে না পৌঁছায় যে শুধুমাত্র মতের মিল না হওয়ায় আমরা তাকে গালিগালাজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করি–এই কথাগুলো বলার জন্য উপরের লেখাটা দিয়েছিলাম ।জবাবে যে- মন্তব্যগুলো এসেছিলো, তার জবাব মন্তব্যতেই দিতে চেয়েছি। কিন্তু পরে মনে হলো এই মন্তব্যগুলোও আমার লেখার উদাহরণ হতে পারে। সুতরাং অ্যাপেন্ডিক্স হোক।

ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: “আমি আস্তিক এবং জেনেশুনেই আমি আস্তিক, তবে চরমপন্থী নই আনলেস এন্ড আনটিল সামওয়ান এটাকস মি।”

আমি বলেছি: “এটাক হলেই আপনি চরমপন্থী হয়ে যাবেন? কেমন কথা হয়ে গেল না? এর মানে হলো আপনাকে যে কেউ চরমপন্থী বানিয়ে দিতে পারে। বোঝার ভুল হলে ঠিক করে দেন।”

ঝর্ণা চৌধুরী সম্ভবতঃ আর খোঁজ নেন নি এই ব্লগে। অথবা এও হতে পারে যে আসলে ‘বোঝার ভুল’ হয় নি। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো এই অর্থে যে এই চিন্তা আরো অনেকের চিন্তারই রিপ্রেজেন্টেটিভ হতে পারে। একটা ছদ্ম এ্যাটাকও আরো অনেককেই চরমপন্থী বানিয়ে দিতে পারে। আসুন, নাতিনাস্তিকাস্তিক হই-২ B:- নিয়ে ভয়ে আছি। ওটা আপনাদেরকে নিয়েই। এবং ওটা ছদ্ম নয়; প্রকৃত।

মজনু মিয়া বলেছেন: আমরা চাই সবাই মানব ধরম পালন করুক

আমি প্রতিধ্বনি করেছি। কারণ আমিও তাই চাই। তারপর মনে হলো আরে এই মানবধর্ম তো সবারই কথা। এটার সংজ্ঞা কী? কে দেবে সংজ্ঞা? যে দেবে সেও কি নতুন কোনো ধর্ম শুরু করবে??

সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন লিখেছেন । তবে বেইল নাই ..

সত্য কথা। এখন ডিজিটাল যুগ। ০ এবং ১। মাঝামাঝি কোন ভ্যালু নাই। নাতিনাস্তিকাস্তিক ধর্ম পাবলিক খাবে না। বাংগালীর ঝগড়া না কর্লে ভাত হজম হয় না…..

মাঝামাঝি কোনো ভ্যালুর কথা কিন্তু আমি বলি নি। আমি বলছি, আপনি ০-তে যান, অথবা ১-এ যান। কিন্তু চরমপন্থী হবেন না-এই অনুরোধ।

বৃত্তবন্দী বলেছেন: (বৃত্তবন্দীর জরুরী কথাগুলো পয়েন্ট করে দিচ্ছি)

**ব্যাপার হলো কি, যখন ব্লগে আস্তিকতার স্বপক্ষে অনেক লেখা দেখা যায় তখন নাস্তিকতার স্বপক্ষে কোনো লেখা দেবার ইচ্ছা থেকে একজন নাস্তিকের লেখা আসে।

**হয়তো দেখা যায় আস্তিক পোস্টে গিয়ে আমরা অনেকেই প্রথমে যৌক্তিক আলোচনা করতে চাই। হয়তো কারো প্রকাশ ভঙ্গী লেখকের ভালো লাগে না সেক্ষেত্রে তিনিও প্রায় একই ভঙ্গীতে সেটার কাউন্টার দেন। এতে করে হয়তো অনেকের ইগোতে আঘাত লাগে।তখন দুই দলেই বেধে যায়।একটা শত্রুতার সুত্রপাত হলো।এখন নাস্তিক কেউ যখন নাস্তিকতা বিষয়ক কোনো পোস্ট দিলো তখন এই পুর্ব শত্রুতার জের ধরে কোনো আস্তিক কিছুটা হেয় করে কমেন্ট করলো।
এবং আবার শুরু হয়ে গেলো।

**আবার যখন কোনো আস্তিক আল্লার অস্তিত্ত্ব বা কোরানের বিজ্ঞানময়তা বুঝাতে অন্য ধর্মগ্রন্থের সাহায্য নেয় বা কিছুটা তথ্য ম্যানিপুলেশন করেন তখন নাস্তিকরা (এবং কিছু আস্তিকও বটে) সেই ম্যানিপুলেটেড তথ্য ধরিয়ে দিতে যান এবং সেখানেও এই পুর্ব শত্রুতা…
এবং ঘটনার পুনরাবৃত্তি…

**অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, যারা প্রথম দিকে বেশী বেশী আস্তিক ধরনের পোস্ট দেন তারাই কিছুদিন পর জামাত শিবিরের তোষণ মুলক পোস্ট দিচ্ছে।এখান থেকেও কিছুটা আগ্রাসী ভাব আসতে পারে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে কিন্তু আস্তিরা নয় বরং জামাত শিবির…

বৃত্তবন্দীর প্রত্যেকটা কথাই আমার কাছে যুক্তিপূর্ণ মনে হয়েছে।

আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: অতি উচ্চমার্গীয় বিনোদোনমূলক পোস্ট :D হিট বাড়ানি টাইপ পোস্টে মাইনাস দিতে মন্চায়। সুবিধাবাদী থাকাই ভালো। এই কনসেপ্ট ভালা লাগছে। লন প্লাস লন।

ভালো-মানুষ বলেছেন: সুবিধাবাদ হচ্ছে সবচেয়ে ঘৃনিত বাদ! অসুবিধা এড়ানোর জন্য পক্ষ ত্যাগ করা যায় না, শেষ পর্যন্ত ভেতরে ভেতরে একটা না একটা পক্ষে মানুষ থেকেই যায়। যেমন আপনি এখনো রয়ে গেসেন আস্তিকপক্ষে!

কেল্টূ দা বলেছেন: ভালো-মানুষ বলেছেন: সুবিধাবাদ হচ্ছে সবচেয়ে ঘৃনিত বাদ! অসুবিধা এড়ানোর জন্য পক্ষ ত্যাগ করা যায় না, শেষ পর্যন্ত ভেতরে ভেতরে একটা না একটা পক্ষে মানুষ থেকেই যায়। যেমন আপনি এখনো রয়ে গেসেন আস্তিকপক্ষে!

আমি এখন পর্যন্ত এই কথাগুলোর মাজেজা বুঝি নি। আস্তিকতা বা নাস্তিকতা কি আদৌ আমার পয়েন্ট ছিলো? অথবা চরমপন্থার উল্টো শব্দ কি সুবিধাবাদ???

আমি কেল্টুদা কে বললাম: আমি কি কোথাও বলেছি আমি নাস্তিক বা আস্তিক কোনোটা না? আস্তিক বা নাস্তিক মনে হয় সমস্যা না। আমরা সবাই তো শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো পক্ষে। আমার প্রসঙ্গ কিন্তু অতি নাস্তিক এবং অতি আস্তিকদের নিয়ে। আমি কী, এটা আমার কাছেই থাকুক। আস্তিকতা-নাস্তিকতা কি জাহির করার বিষয়?

কেল্টুদা জবাবে বললেন: আপনার পুরা বক্তব্যটাই কিন্তু ডিফেন্সিভ । মানে, আপনে বুঝতেছে পারতেছেন কোনটা যুক্তি নির্ভর জ্ঞান আর কোনটা বিশ্বাসজাত সংস্কার । এবং এও বুঝতেছেন যে, যুক্তির আক্রমনে বিশ্বাস বেচারার ত্রাহি অবস্তা হবে । আর সত্যি বলতে আপনি যেহেতু সেই বিশ্বাসীর পক্ষের মানুষ তাই তাদের’কে রক্ষা করতে চাচ্ছেন। দুঃখিত, আর কোন মহৎ উদ্দ্যেশ্য থাকতে পারে বলে মনে হচ্ছেনা ।

এই কথার কী জবাব হতে পারে
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×