somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লজ্জা!

০১ লা অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সত্যান্বেষী'র ''আমার ঢাকা' লেখাটি পড়ে আমারও একটা তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়লো। তাই শেয়ার করলাম।
আমি প্রবাসে আমি পড়াশুনা করি। মাটির টানে বছরে অন্তত একবার হলেও দেশে আসি। তো স্টুডেন্ট হওয়ার খাতিরে সবচেয়ে কম রেটের টিকিট কেনার চেষ্টা করি। যে দেশে আমি থাকি সেখান থেকে সরাসরি কোন ফ্লাইট না থাকায় ট্রানজিট থাকে কোন একটা এয়্যারপোর্টে। সেবার কাতারের দোহায় ট্রানজিট ছিল। প্রায় ৬ ঘন্টার ট্রানজিট শেষ হওয়ার পর যখন বিমানে চড়লাম তখন পাশে বিদেশি এক মেয়ে বসেছে। খুবই নম্র এবং শালীন মনে হল। আমি তার সাথে কথা বললাম সে আমার কথার উত্তর দিল। বিভিন্ন কথাবার্তা বলতে বলতে যখন এক পর্যায়ে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি করেন সে বললো : পড়াশুনা করি ঢাকা ভার্সিটিতে। সাধারণত যদি কোন বিদেশী এক দেশে বসবাস করে তখন তাকে জিজ্ঞেস করে অনেকেই যে, আমাদের দেশ কেমন লাগে। আমাকেও অনেকে জিজ্ঞেস করেছে আমিও উত্তর দিয়েছি। তবে কখনও কোন খারাপ মন্তব্য করিনি বা কাউকে করতেও শুনিনি।
কিন্তু আমাকে অবাক করে সে মেয়েটি উত্তরে বললো যেহেতু পড়াশুনার ক্ষতি হবে তাই ২ বছর বাংলাদেশে থাকছি। তা না হলে কবেই চলে যেতাম।
আমি জিজ্ঞেস করলাম : কেন? তোমার কি বাংলাদেশ ভাললাগে না।
সে আমাকে অবাক করে দিয়ে বললো: না।
আমি সত্যিই সেদিন লজ্জা পেয়েছিলাম। মনে মনে বলেছিলাম, কেন যে, জিজ্ঞেস করতে গেলাম একে!
যাই হোক আমি নাছোড় বান্দার মত কারণ জিজ্ঞেস করলাম। সে যেহেতু আমাকে এক প্রকার অপমান করেছে আমি মনে মনে কষ্ট পেলাম। তাই কিছুটা শোধ নেয়ার জন্য তাকে আবার প্রশ্ন করলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম বাংলাদেশকে তুমি পছন্দ করো না কেন?
কিন্তু তার উত্তর শুনে বুঝলাম যে, চরম একটা ভুল করে ফেলেছি প্রশ্নটা করে। কেননা সে উত্তরে শুধু একটাই কথা বললো মানুষ যেখানে সেখানে কফ, থুথু-লাল থুথু (পানের পিক) ফেলে।
পরে জানতে পারলাম সে তাদের দেশের রাষ্ট্রদূতের বোন।
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×