আমার প্রিয় পোস্ট
- ভয়ানক নৈসঙ্গের ভিতর পাওয়া কাব্যগুলি-২ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- ২৭.১১.০৯ - রক্তকরবী
- সম্পর্কের দলিল - জামাল ভাস্কর
- এই পোষ্টটি গায়ত্রীকে উৎসর্গকৃত......। - ভবঘূরে
- গল্প: ছায়ার ডানা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- টিপাইমুখবাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধে অস্তিত্বরক্ষার প্রশ্নে দেশে বিদেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- বেহালা : কিছু উচ্চমার্গীয় সূর - আকাশ অম্বর
- গল্প: বেহালার বাক্স - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- সত্তর দশকের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী কবিতা - কুঙ্গ থাঙ
- চাটগাঁইয়া বুলি - আরেকটি স্বতন্ত্র ভাষা - আকাশ অম্বর
- উৎপল কুমার বসুর কবিতা ও আমার আলোচনা - লুনা রুশদী
- বিরাজমান রাত্রিবাস - আশরাফ মাহমুদ
- রাগ চারুকেশী::উৎসর্গ: ইমন জুবায়ের - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
সেলফোনভিডিওপর্নোগ্রাফি এবং এর বিপরীতে আইনপ্রণয়ন জরুরি
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬
মেয়েটি ছেলেটিকে ভালোবাসে। ছেলেটিও ভালোবাসে জানে। জনৈক কবির মতে, 'শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাসের সমন্বয় ভালোবাসা' যেহেতু-- সুতরাং পরস্পর তারা মিলিত হতেই পারে।
আর ছেলেটি যদি মেয়েটির ভালোবাসা আর বিশ্বাসের সুযোগ নেয়? ছেলেটির পকেটে দামি সেলফোন, ফোনের সাথে ভিডিও ক্যামেরা।
ছেলেটি পনেরোমিনিটের একটি ভিডিও বাজারে ছেড়ে দিলো। ভিডিওতে তার মুখ দেখা গেলো না দেখা গেলো শুধু শিশ্ন আর বাম হাত। ডানহাতে ক্যামেরা ছিলো ডানহাতও বেঁচে গেলো।
ছেলেটি ফোনক্যামেরার কল্যাণে ছেলেটি কিনলো দামি মুভি ক্যামেরা। এইবার সে বানাবে পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র। ছবির নাম সিক্সটিনাইন।
কিছু স্মৃতি মনের মধ্যে থাকাটাই সুন্দর। কোনো প্রেমিকাই তার প্রেমিককে বলে না ভিডিও করো। প্রেমিক ছেলেটিই প্রেমিকাটির দুর্বলতার সুযোগ নেয়। দুর্বলতা হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস আর শরীর।
বিবাহ একপ্রস্থ কাগজ ভিন্ন আর কিছু নয়। একটা কাগজ আসলেই অর্থহীন যদি পারস্পরিক বোঝাপড়া, ভালোবাসা, বন্ধুতা এবং বিশ্বাস না থাকে। আর বিবাহ এখানে কোনো ফ্যাক্ট নয়। এই ঘটনা বিবাহের পরও সংঘঠিত হতে পারে। এই কারণেই আইন এবং এর প্রয়োগ দরকার। ধর্ম ও সমাজ এইখানে কিচ্ছু করতে পারবে না। ছেলেটিকে বাহবা দিয়ে মেয়েটিকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করতে পারবে।
যে সমাজ আমাদের তৈরি, সেই সমাজ যদি আমাদের বিপক্ষে যায়, তবে ধরে নিতে হবে ওটা সংখ্যালঘু সুবিধাভোগিদের হাতে চলে গেছে। তখন সেই সমাজ আমরা ভাঙতেও পারি। এবং অন্য নিয়ম তৈরি করতে পারি। মানুষের ইতিহাসই সংগ্রাম এবং অধিকার আদায়ের ইতিহাস।
এই অবস্থায় সেলফোনভিডিওপর্নোগ্রাফির বিপরীতে আইনপ্রণয়ন অত্যাবশ্যক। তথাকথিত প্রেমিকশূয়োরসমূহের দণ্ড নিশ্চিত করা জরুরি। যে শিশ্ন আর আঙুলে তারা ভিডিওতে প্রিয়তমার বুকের উপর প্রদর্শিত হয়-- সেই শিশ্ন আর আঙুল কেটে নেয়ার আইন প্রণয়ন জরুরি।
যদি আইন প্রণীত হয় এবং এর প্রয়োগ হয় তবে প্রেমিকছেলেটি ভিডিও করার চিন্তা করতেই ভয় পাবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: যাই
জটিল বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: ?????
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
হুম ..........
লেখক বলেছেন: ??????????
গোঁপা বলেছেন:
দ্রুত আইন করা উচিৎ
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
গোঁপা বলেছেন:
দ্রুত সেই আইনের প্রয়োগ জরুরী ।
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন:
হুম ..........
লেখক বলেছেন: ?????????????
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
হা...হা...হা... বলেছেন:
শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাসের সমন্বয় ভালোবাসা' যেহেতু-- সুতরাং পরস্পর তারা মিলিত হতেই পারে। এইখানেই প্রবলেম। বিবাহবর্হিবুত অনৈতিক সম্পর্ক থেকে যদি দুরে থাকা যায় তাহলে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব, তা নয় কি?
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে বিশ্বাসের চেয়ে যদি কাগজ বড় মনে হয়, তবে কিছু বলার থাকে না। বিবাহ স্রেফ একপ্রস্থ কাগজের নাম।
ভবঘূরে বলেছেন:
হুম..।কিন্তু প্রেমিকারও উচিত প্রেমিককে এতটা বিশ্বাস না করে এই .............কাজ ভিডিও না করতে দেয়া।
লেখক বলেছেন: বিশ্বাস না থাকলে কি সম্পর্ক হয়?
লেখক বলেছেন: তাই?
ভবঘূরে বলেছেন:
পূর্ণিমা নিত্য বলেছেন: শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাসের সমন্বয় ভালোবাসা' যেহেতু-- সুতরাং পরস্পর তারা মিলিত হতেই পারে।এইখানেই প্রবলেম। বিবাহবর্হিবুত অনৈতিক সম্পর্ক থেকে যদি দুরে থাকা যায় তাহলে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব, তা নয় কি?
সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত সহমত
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে বিশ্বাসের চেয়ে যদি কাগজ বড় মনে হয়, তবে কিছু বলার থাকে না। বিবাহ স্রেফ একপ্রস্থ কাগজের নাম।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আইন হওয়া উচিত বলে মনে করি।হাইকোর্ট ডিভিশন থেকে একটা ডিরেকশন এসেছে ঈভ টিজিং বিষয়ক।
এই বিষয়টি নিয়ে একটি রিট পিটিশন করলে আইন হওয়ার প্রক্রিয়ার দিকে এগুতে পারে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমার এক লয়্যার বন্ধু এটা নিয়ে কাজ করছে। ধন্যবাদ, শামীম। আপনিও চাইলে কাজ করতে পারেন, যেহেতু আইনের ছাত্র।
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন:
বুঝলাম না, শিশ্নর আবার কেমন আইন?
লেখক বলেছেন: কেটে ফেলার আইন।
গোঁপা বলেছেন:
বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক হতেই পারে । সেটা নৈতিক কিংবা অনৈতিক হয় ধর্মের কাছে । বিয়ের পরও অনেকে তারঁ ওয়াইফ এর এ জাতিয় ছবি বাজারে ছাড়ে , এটা তাহলে কি ?
বিকৃত রুচির কাজ ।
কখনও কি একটা মেয়ে এ জাতীয় ছবি বাজারে ছেড়েছে ।
সমস্যাটা ছেলেদের
পুজিবাজারের প্রভাব যারা এড়াতে পারেনা ।
লেখক বলেছেন: সহমত
গোঁপা বলেছেন:
বিবাহ স্রেফ একপ্রস্থ কাগজের নাম। সহমত ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হা...হা...হা... বলেছেন:
আপনি আমার কথা বুঝতে পারেন নি। প্রতারকেরা বিয়ে বা ভালবাসার প্রলোভন দেখিয়ে কু-কর্মগুলো করে থাকে। সুতরাং বিবাহ বার্হিবুত অনৈতিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রতারকেরা নিশ্চয় এই কুকর্ম করার জন্য বিয়ে করার ধান্ধা করবে না? তারা যদি দেখে মেয়েটিকে কোন ভাবেই বিয়ের আগে অনৈতিক কাজে রাজি করানো যাচ্ছেনা তখন সে নিজেই কেটে পড়বে।
লেখক বলেছেন: নারীপুরুষ যখন পরস্পরকে ভালোবাসে তখন বিশ্বাসটাই বড়। এবং তারা সহজাতভাবেই মিলিত হয়। এইটা পারস্পরিক। সুতরাং এইখানে কুপ্রস্তাব আর প্রতারকের কথা আসছে না। যে প্রেমিক স্মরণীয় মুহূর্ত ভিডিওতে ধরে রাখার কথা বলে পরে বাজারে ছাড়ে সেই প্রেমিক তখনই প্রতারকরূপে প্রকাশিত হয়। এর আগে নয়। এর আগে সে বিশ্বাস আর ভালোবাসার আধার।
গোঁপা বলেছেন:
@ নিত্য , ছেলেটা কেটে পড়লেও তার মানসিক অবস্থার কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছেনা , কি করা যায় বলুন তো ।
লেখক বলেছেন: কিছুই করার নেই, গোঁপা
সায়েম হক বলেছেন:
ব্লগের প্রথিতযশা জনৈক বিতর্কিত ব্লগারের হিডেন ক্যামেরার পাঁচ হাজার ভিডিও বিষয়ক পোস্ট কি লেখক পড়েছেন ? তিনি আমাদের ব্লগের অন্যতম মুক্তিযুদ্ধের ফেরিওয়ালা এই ব্লগে উনার অসংখ্য ভক্তকূল রয়েছেন
এইখানে দেখেন
লেখকের প্রতিক্রিয়া জানতে চাই
লেখক বলেছেন: জানি এবং পড়েছি। মন্তব্য করে এলাম। আপনি মনে হয় তার লেখা বুঝতে পারেন নাই।
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন:
মুল বক্তব্য প্রকাশের জন্য কিছু অযাচিত শব্দের ব্যবহার লেখাটিকে কিছুটা হালকা করেছে।মন্তব্য ভালো না লাগলে মুছে দিবেন।
আপনের সাথে একমত।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। কেনো মুছে দিবো আপনার কমেন্ট? আপনি পাঠক হিশেবে বলতেই পারেন। তবে অযাচিত নয়। ঘটনা এভাবেই গড়ায়। আপনার খুব কাছের কোনো বন।ধু যদি এমন ঘটনার শিকার হতো তবে আপনার কাছে অযাচিত মনে হতো না।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হুমমম....কাজ করার ইচ্ছা আছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সায়েম হক বলেছেন:
এখন আপনার পোস্টের উল্লেখ্য ছেলেটি এই হিডেন ভিডিওটা কোনো পর্ন ফোরামে আপলোড করে এবং যুদ্ধঅপরাধীর বিচারের দাবী তুলে তাহলেও কি তার বিচার দাবী করবেন ? নিশ্চই বলবেন -অসাধারন এইবার ভন্ডামী ছাইড়া পোস্ট মুছেন ।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টে নির্দিষ্ট কোনো ছেলের কথা বলা হয় নি। ওই শ্রেণির সবার কথাই বলা হয়েছে। আমি আইন প্রণয়ন দাবী করছি যেনো সে আপলোড নয়, ভিডিওর বাটন পর্যন্তও যেতে না পারে। আপনি পিয়ালের পোস্টের জের ধরে এই বিষয়টাকে ঢাকতে চাইছেন কেনো বুঝতে পারছি না। আপনি কোন দলের ভাবতেই ভয় লাগছে।
ধন্যবাদ। আপনার আমার পোস্ট পছন্দ নাহলে কিংবা পোস্ট পড়ে মনে কষ্ট পেলে রিপোর্ট করেন। আমাকে পোস্ট মুছতে বলছেন কেনো? দুঃখিত আপনাকে কষ্ট দেয়ার জন্যে।
ভালো থাকুন।
ভবঘূরে বলেছেন:
বিবাহ স্রেফ একপ্রস্থ কাগজের নাম।এই ধারনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।তা নাহলে এরকম অনৈতিক ঘটনা ঘটতেই থাকবে........
লেখক বলেছেন: নৈতিকতার সংজ্ঞা কী, মশাই?
'লেনিন' বলেছেন:
সায়েম হক... ব্যতিক্রমের উদাহরণ দেখিয়ে পোস্ট মুছে দেবার হুমকি দিচ্ছেন?
লেখক বলেছেন: কী করা?
কালপুরুষ বলেছেন:
এদের ধরিয়ে দেবার জন্য মেয়েদেরই এগিয়ে আসতে হবে যাতে দ্বিতীয়বার এমন করার সাহস না পায়- অবশ্যই এটা আইনগত প্রক্রিয়ায় হতে হবে এবং তা হবে দৃষ্টান্তমূলক।
লেখক বলেছেন: ধর্ষণ এবং যৌনপ্রতারণার শাস্তি শিশ্নচ্ছেদ হওয়া অত্যাবশ্যক।
ভবঘূরে বলেছেন:
লেখক বলেছেন: নৈতিকতার সংজ্ঞা কী, মশাই?[/sbআপনার মত অনেকেই নৈতিকতার সংগা জানেন না।তাই তো এধরনের কাজ চলতেই থাকছে.......
##এরং অথবা আমি বলেছেন: বুঝলাম না, শিশ্নর আবার কেমন আইন?
লেখক বলেছেন: কেটে ফেলার আইন। ###
কেন এই শিশ্ন দিয়ে যখন কাজ সংঘটিত হয় এবং ডানপন্থীর সেই ডান হাত দিয়ে যখন ভিডিও করা হয় তখন কি বাধা দেয়ার কথা মনে থাকে না!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন:
আমি এইখানে ডানহাতের কথা বলতে গিয়ে ডানপন্থি বলেছি। আপনার ডানপন্থি মনে আঘাত লাগলে কিছু করার নেই। আর আমার কাছে যে প্রশ্নটি করলেন সেটা আমার মায়ের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। যান।
আপনাদের তথাকথিত নৈতিকতার সংজ্ঞা তৈরি করেছে পিতৃতন্ত্র।
সামান্য কথাতেই যদি এমন শিহরণ অনুভব করেন, তবে জান্নাতে হুরদের কী হবে?
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন:
আপনার কাছে বিশ্বাসের চেয়ে যদি কাগজ বড় মনে হয়, তবে কিছু বলার থাকে না। বিবাহ স্রেফ একপ্রস্থ কাগজের নাম। অবশ্যই সেলফোনভিডিও পর্নোগ্রাফি এবং এর বিপরীতে আইন প্রণয়নের দাবী অতি প্রয়োজনীয় দাবী । কিন্তু আইন করেও কোনো কিছুই হবে না যদি না সমাজে উন্নত নীতি , আদর্শ ও নৈতিকতার চর্চা হয় । প্রেম-প্রীতি ও সম্পর্কে সঠিক ধারনা গড়ে ওঠাটা জরুরী ।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক। তবে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘমেয়াদি। স্বল্পমেয়াদি প্রক্রিয়া হলো পিটিয়ে শূয়োর থেকে মানুষ বানানো। এটা সম্ভব এবং প্রমাণিত
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
হিট পোস্ট হতে যাচ্ছে। যেখানে ক্যাচাল সেখানেই হিট ।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
সহমত
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
ভবঘূরে বলেছেন:
আমার মন্তবের প্রশ্ন টি আমার ছিলোনা.......আপনাদের তথাকথিত নৈতিকতার সংজ্ঞা তৈরি করেছে পিতৃতন্ত্র। আপনাদের মাতৃতন্ত্রে ছেলে মেয়ের অবাধ মেলা মেশাটাই হল নৈতিকতা!!!!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: অবাধ মেলামেশা বলতে কী বোঝাচ্ছেন?বিবাহের পরও তো স্বামীস্ত্রী পরস্পর অবাধ মেলামেশা করেন। এখন স্বামী যদি সেটার ভিডিও বাজারে ছাড়েন তবে স্ত্রীটির কেমন লাগবে, এবং এক্ষেত্রে কী করা উচিত?। নাকি বিবাহিত বলে সাতখুন মাফ?
ভবঘূরে বলেছেন:
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: হিট পোস্ট হতে যাচ্ছে। যেখানে ক্যাচাল সেখানেই হিট হাহাহাহাহাহহহহহ......বিপ্লব ভাই যা বেলেন না......।
লেখক বলেছেন: ?????????
লেখক বলেছেন: আজ্ঞে কেয়ার কাঁটা
ভবঘূরে বলেছেন:
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: হিট পোস্ট হতে যাচ্ছে। যেখানে ক্যাচাল সেখানেই হিট হাহাহাহাহাহহহহহ......বিপ্লব ভাই যা বেলেন না......।
লেখক বলেছেন: দূরে গিয়ে...
লেখক বলেছেন: আল ভবঘুরে
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
দাদামশাই এখন ও সকাল, মাত্র ৫০ টি কমেন্ট ও ২৯০ টি হিট হল। নিদেনপক্ষে ১০০ কমেন্ট ও ৫০০ এর বেশি হিট হোক, তারপর বলব
লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক
তিক্ত বলেছেন:
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: হিট পোস্ট হতে যাচ্ছে। যেখানে ক্যাচাল সেখানেই হিট ।ভাল্লাগছে বিষয়টা ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
লেখক বলেছেন: .
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
কাঙাল মামা বলেছেন:
নিজেদের সৃতি ধরে রাখতে ভিডিও করা দোষের কিচু না, কিন্তু ব্রেকাপের পর ছড়াইলেই যত সমস্যা। সেই হিসাবে বিয়ের আগে ভিডিও করা উচিত না। বিশেষ করে আমাগো মত আবাল চুতি প্রেমিক-প্রেমিকাদের দেশে....
লেখক বলেছেন:
আপনার কথা অবশ্যই ঠিক। কিছু স্মৃতি মনের মধ্যে থাকাটাই সুন্দর।
কোনো প্রেমিকাই তার প্রেমিককে বলে না ভিডিও করো। প্রেমিক ছেলেটিই প্রেমিকাটির দুর্বলতার সুযোগ নেয়। দুর্বলতা হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস আর শরীর।
যদি আইন প্রণীত হয় প্রেমিক ছেলেটি ভিডিও করার চিন্তা করতেই ভয় পাবে।
গুরত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ, কাঙালমামা।
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
শতভাগ সহমত । তবে আইন করে অবস্থা পরিবর্তন সম্ভব আমার মনে হয় না । কিছু অগ্রগতি হবে অন্তত - সেটাও লাভ ঠিকই ।
লেখক বলেছেন: যদি আইন প্রণীত হয় এবং এর প্রয়োগ হয় তবে প্রেমিক ছেলেটি ভিডিও করার চিন্তা করতেই ভয় পাবে।
সুবিদ্ বলেছেন:
প্রশ্নটা আইনের না..........আইন করে কি আর কিছু ঠেকানো যায়???এসব ব্যাপারগুলোর জন্যই আসলে ধর্ম মানাটা জরুরী.......বিবাহ-বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক স্থাপণ করাটাকেও নিরুৎসাহিত করা দরকার......দুঃখজনকভাবে আপনার লেখাতেও এই ব্যাপারটা অনুপস্থিত......বরং তা একভাবে সমর্থনও করেছেন......
লেখক বলেছেন: বিবাহ এখানে কোনো ফ্যাক্ট নয়। এই ঘটনা বিবাহের পরও সংঘঠিত হতে পারে। এই কারণেই আইন দরকার। আপনার ধর্ম ও সমাজ এইখানে কিচ্ছু করতে পারবে না। ছেলেটিকে বাহবা দিয়ে মেয়েটিকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করতে পারবে।
হা...হা...হা... বলেছেন:
বিয়ের আগে ওইসব করা চলবে না এমন আইন করা দরকার..... ভালবাসলেই শুতে হবে আপনাকে কে বলল?
লেখক বলেছেন: বিবাহ এখানে কোনো ফ্যাক্ট নয়। এই ঘটনা বিবাহের পরও সংঘঠিত হতে পারে। এই কারণেই আইন দরকার। আপনার ধর্ম ও সমাজ এইখানে কিচ্ছু করতে পারবে না। ছেলেটিকে বাহবা দিয়ে মেয়েটিকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করতে পারবে।
লেখক বলেছেন: যদি যেতো
অজানা আমি বলেছেন:
আইন হওয়া উচিত
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
ভবঘূরে বলেছেন:
ভবঘূরে বলেছেন:
আপনাদের তথাকথিত নৈতিকতার সংজ্ঞা তৈরি করেছে পিতৃতন্ত্র। আপনাদের মাতৃতন্ত্রে ছেলে মেয়ের অবাধ মেলা মেশাটাই হল নৈতিকতা!!!!!!!!!!!!!!!!!
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬লেখক বলেছেন: অবাধ মেলামেশা বলতে কী বোঝাচ্ছেন? আপনার বাবা আপনার মায়ের সাথেও তো অবাধ মেলামেশা করেন। এখন আপনার বাবা যদি সেটার ভিডিও বাজারে ছাড়েন আপনার এবং আপনার মায়ের কেমন লাগবে। নাকি বিবাহিত বলে সাতখুন মাফ?
১.উদাহরন দেয়ার সময় এতটা নির্লজ্জ উদাহরন দেয়া পরিপক্বতার পরিচয় না।
২."অবাধ মেলামেশা বলতে কী বোঝাচ্ছেন?"এত টুকু বোঝার ক্ষমতা যার নাই,তার তো এই বিষয়ের কোনো পোষ্ট দেয়ার অধিকার নাই।
৩.অবাধ মেলামেশা হল আইনবির্হভুত কনো সম্পর্ক।এটা পৃথিবির কোনো ধর্ম বা কোনো সমাজ মেনে নেয় না।আপনি নিশ্চয় সমাজ বহির্ভূত কোনো প্রানি না।
###আমি অনেক চেষ্টা করেও আপনার মত নির্লজ্জ উদাহরন টানতে পারলাম না!!!
লেখক বলেছেন:
আফসুস! আপনাকে আমি তারপরও বোঝাতে সক্ষম হলাম না যে, বিবাহ এখানে কোনো ফ্যাক্ট নয়। এই ঘটনা বিবাহের পরও সংঘঠিত হতে পারে। এই কারণেই আইন দরকার। আপনার ধর্ম ও সমাজ এইখানে কিচ্ছু করতে পারবে না। ছেলেটিকে বাহবা দিয়ে মেয়েটিকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করতে পারবে।
আর যে সমাজ আমাদের তৈরি, সেই সমাজ যদি আমাদের বিপক্ষে যায়, তবে ধরে নিতে হবে ওটা সংখ্যালঘু সুবিধাভোগিদের হাতে চলে গেছে। তখন সেই সমাজ আমরা ভাঙতেও পারি। এবং অন্য নিয়ম তৈরি করতে পারি। মানুষের ইতিহাসই সংগ্রাম এবং অধিকার আদায়ের ইতিহাস। আপনার মা বোন প্রেমিকাকে (যদি থাকে) কেবল মেয়ে মনে না করে মানুষ ভাবতে শিখুন। এবং নিজেকেও পুরুষ না ভেবে প্রথমত মানুষ ভাবুন তাহলে আমার কথা বুঝতে পারবেন। মাথার তিন হাত উপর দিয়ে যাবে না, প্রিয় ভবঘুরে।
শুভকামনা রইলো। আর একটু সহজ ভাবে চিন্তা করার পরামর্শ দিলাম।
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এবং শুভকামনা রইলো। একটা কাগজ আসলেই অর্থহীন যদি পারস্পরিক বোঝাপড়া, ভালোবাসা, বন্ধুতা এবং বিশ্বাস না থাকে।
ভবঘূরে বলেছেন:
পরামর্শ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ.......আপনার কথা মাথার উপর দিয়ে না,মাথার ভেতরের নিওরন সেলের ভিতর ডুকে গেছে।আর সেজন্যই আমি একবারের জন্যও বলি নাই যে অপরাধী পুরুষের শাস্তি হওয়ার দরকার নাই!!!!!অবশ্যই দরকার আছে।
আমি শুধু এইটাই আপনাকে বলতে চাচ্ছি যে,প্রেমিকা বা স্ত্রী কে সতর্ক থাকা জরুরী।যাতে তাদের একটু উদারতার জন্য তাদেরই ভবিষ্যতে কাদতে না হ্য়।
লেখক বলেছেন:
আর আমি এইখানে একবারও বলি নাই যে মেয়েরা যাচ্ছেতাই করে বেড়াবে। কিংবা অসতর্ক থাকবে। আমি লিখেছি কিছু স্মৃতি মনের মধ্যে থাকাটাই সুন্দর।
কোনো প্রেমিকাই তার প্রেমিককে বলে না ভিডিও করো। প্রেমিক ছেলেটিই প্রেমিকাটির দুর্বলতার সুযোগ নেয়। দুর্বলতা হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস আর শরীর।
শুভকামনা, দাদা।
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
আমিও ভাবি শিশ্নহীন হোক, আমিও ভাবতাম, কিন্তু আইন ভাবিনি--আমি ভেবেছি ঈশ্বর; আপনি ভেবেছেন - আমিও ভাবছি;
আইন
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: যদি আইন প্রণীত হয় এবং এর প্রয়োগ হয় তবে প্রেমিক ছেলেটি ভিডিও করার চিন্তা করতেই ভয় পাবে।
ধীবর বলেছেন:
আমাদের চিরচারিত ঐতিহ্য ভুলে, ভোগবাদি পুজিবাদি ব্যাবস্থার অন্ধ অনুকরনই এই ধরনের আচরনের জন্য দায়ি। শুধু শিশ্ন কাটার আইন করলে লাভ হবে না। আপনার সবগুলি কথার পেছনেই যুক্তি আছে। আছে সময়ের দাবিও। কিন্ত দু তিনটি ক্ষেত্রে আপনি আবেগাপ্লুত হয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়েছেন। সেগুলি তুলে ধরছি।
বিয়েটা আপনার ভাষায় একপ্রস্থ কাগজ বৈত নয়। এই ধারণাটি যে কত বড় ভুল কিংবা আত্মধংসি, সেটা হয়তো নিজেরও অজানা। বিয়ে দুজন বিপরীত লিঙ্গের মাঝে ভালোবাসার বন্ধন। সেই সাথে দুটি পরিবারের সামাজিক বন্ধনের শক্ত একটি উদাহারণ। আর এই সম্পর্কটিকে সমাজে স্বীকৃতি দেয় স্বয়ং রাস্ট্র।
বিপরীতে শ্রেফ প্রেম ভালোবাসার কোন আইনি বা সামাজিক স্বীকৃতি নেই। হ্যা কাছের দু চার জন বন্ধু বান্ধব বা আত্মীয়স্বজনদের সমর্থন থাকতে পারে। তাও সেই আশায় যে, এক দিন ওরা বিয়ে করবে। বিয়ে বহির্ভুত সম্পর্কের ফসলকে কিন্ত প্রায় বিভিন্ন নাসিং হোমে ত্যাগ করে ফেলে দেয়া হয়। আবার এ ধরণের শিশুর জন্ম হলেও,কিন্ত সেই প্রেমের ফসলকে রাস্ট্র বা সমাজ স্বীকৃতি তো দেয়ই না, বরং সবাই ওদের হেয় চোখেই দেখে থাকে।
গোপনে ধারণ করা অন্তরঙ্গ দৃশ্যটি ধারনের জন্য আপনি বিবাহিতদেরই বেশি দোষ দিলেন মনে হচ্ছে। অথচ এই ধরণের বিকৃত রুচির কর্মটি কিন্ত অবিবাহিতাদের ক্ষেত্রেই সব সময় হচ্ছে। ( বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলছি)।
আর একজনের কমেন্টে ইসলাম নিয়ে কটাক্ষ করে বললেন যে, বিকৃত রুচির শিকার মেয়েটিকে নাকি পাথর ছুড়ে হত্যা করা হবে। পাকিস্থানের উদাহারণ টেনে এনে ভুল করেছেন। কারণ পাকিস্থানে ইসলামের নামে যা হয়, তা অনেক ক্ষেত্রেই ইসলাম বিরোধী।
মোদ্দা কথা হলো, পশ্চিমাদের দেশপ্রেম, সততা, নিষ্টা, শিক্ষাকে মুল্ধন বিবেচনা, এসব অনুসরন না করে, ওদের ব্যাক্তিগত আমোদ ফুর্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানোর জন্যই এমন হচ্ছে। আইনের পাশাপাশি সেদিকটায়ও সমান গুরুত্ব দেবার প্রয়োজন রয়েছে।
লেখক বলেছেন:
ধীবর দাদা,
আমাকে ইন্ডিয়ান দিদি ভাবলে ভুল করবেন। পাথর ছুঁড়ে হত্যার ঘটনা আমার গ্রামেই ঘটেছে। খবরের কাগজে নিয়মিত চোখ রাখলে বুঝতে পারতেন। আর কোনো ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করার বয়স আমার নেই। পাথর ছুঁড়ে হত্যার বিধান আপনার ধর্মেই রয়েছে। কষ্ট করে একটু পড়ে দেখবেন।
চুরি করলে হাত কাটার বিধান যদি থাকে তবে বলাৎকার বা যৌনসুযোগ গ্রহণ করলে শিশ্ন কেটে ফেলার বিধান থাকাও উচিত। যেহেতু নেই, তাই আইন করা উচিত।
আপনি মনে হয় আমার পোস্ট বুঝতে পারেন নাই। আমি বিয়েকে একপ্রস্থ কাগজ বলেছি তখনই যখন পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা থাকে না। আর এইসব না থাকলে বৈবাহিক সম্পর্ক কি অর্থ হীন নয়? তখন কাবিনকে আমি কি বলবো? কাবিন তখন হয়ে যায় জোর করে পরস্পর কে বেঁধে রাখার অস্ত্র। আর পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা থাকলে কাবিনের দরকার হয় না, একসাথে আমৃত্যু থাকা যায়।
_তানজীর_ বলেছেন:
সহমত। এরকম আইন হওয়া উচিত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। এ ধরণের অপরাধ একটা হত্যার চেয়েও নিষ্ঠুর। শুধু একটি জীবন নয় তার পরিবারের সব সদস্যদের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। এটাও আমাদের সমাজের কারণেই। আইন করে হয়তো সেই জ্বালা কিছুটা কমানো যাবে।আপনার সব মতামতের সাথে একমত- শুধু বিয়ে-কে এক টুকরা কাগজ বলা ছাড়া। দুইজন মানুষ সারাজীবন একজন একজনকে ভালোবেসেও একসাথে না থাকতে পারে। আবার সারাজীবন বিয়ে করে একসাথে থেকেও কোনো বিশ্বাস নাও থাকতে পারে- বিয়ে পুরোপুরি অন্য মাত্রার একটি বিষয়। 'বিয়ে এক টুকরা কাগজ' টাইপ কথা এই লেখার কোনো মন্তব্যের মধ্যে টেনে আনার কোনো প্রাসঙ্গিক কারণ দেখিনা।
ঐসব কুলাঙ্গারদের বিচার হওয়া উচিত - সাথে আমাদের নৈতিকতাবোধেরও উন্নতি হওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, তানজীর। আপনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন। আপনি মনে হয় আমার পোস্ট বুঝতে পারেন নাই। আমি বিয়েকে একপ্রস্থ কাগজ বলেছি তখনই যখন পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা থাকে না। আর এইসব না থাকলে বৈবাহিক সম্পর্ক কি অর্থ হীন নয়? তখন কাবিনকে আমি কি বলবো? কাবিন তখন হয়ে যায় জোর করে পরস্পর কে বেঁধে রাখার অস্ত্র। আর পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা থাকলে কাবিনের দরকার হয় না, একসাথে আমৃত্যু থাকা যায়।
শুভকামনা
ব্লগার কমল বলেছেন:
ঘটনা কি সত্যি?
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সত্যি, কমল ব্লগার।
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: কী ভালো?
অমিত০৯৭ বলেছেন:
কোনো প্রেমিকাই তার প্রেমিককে বলে না ভিডিও করো শিউর হলেন কি করে? বর্তমানকার সো কলড হিডেন ভিডিওগুলো দেখলে তো মনে হয় মেয়েদের রীতিমত উৎসাহ আছে ভিডিও করা নিয়ে। বিবাহ বহির্ভুত যৌনতার স্বাদ নিতে হলে এতোটুকু রিস্ক নিয়েই ফিল্ডে নামা উচিৎ। অথবা এ ধরণের সম্পর্ক থেকে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না।
লেখক বলেছেন: আপনি আবেগ নিয়ে পড়েছেন তাই আমার পোস্টের বক্তব্য বুঝতে পারেন নাই। এই পোস্টে স্বেচ্ছায় প্রদর্শন বা বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে যেসব ভিডিও করা হয়, তা নিয়ে কিছু বলি নি। বলেছি, যেসব ভিডিও পরবর্তীতে মেয়েটাকে বিপদে ফেলে কিংবা ছেলেটি ব্ল্যাকমেইল করে-- সেসবের কথা, হ্যাঁ।
একটা প্রশ্ন: এইধরণের আপনি কটা ভিডিওতে ছেলেটার মুখ দেখেছেন?
আপনার মেয়েদের প্রতি এতো ক্ষোভের কারণ কী জানেন, ভেবে দেখেন।
আপনি কবিতা লিখেন বলে এতোসব কথা বল্লাম।
তবু সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: না
এম. মনজুর হোসেন চৌধুরী মানিক বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
আদিবাসি বলেছেন:
আইন করা উচিত। নারি বা পুরুষ যেই ভিডিও করুকনা কেন তারা অবশ্যই অপরাধি ।তবে আমার মনে হয়না যে আইন করলেই এই পারভার্সন বন্ধ হবে। দরকার আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন, দরকার সুস্থ চিন্তার চর্চা এবং সুস্থ জীবন যাপনের সুযোগ। লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞতা।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















