আমার প্রিয় পোস্ট

নামের বিড়ম্বনা

১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার পুরো নাম রিফাত জামিল ইউসুফজাই। এর মধ্যে রিফাত শব্দটি নিয়ে আমাকে মাঝে মধ্যে বিকট সব ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। শুনুন তার কয়েকটা -

সালটা ১৯৮০। পড়ি তখন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে ক্লাস টেন এ। মিসেস জায়েদ এর জায়গায় আমাদের নতুন ইংরেজী শিক্ষিকা হয়ে এসেছেন রাখী ভদ্র। একদিন ফার্ষ্ট পিরিয়ডের সময় রোল কল করছেন তিনি। আমার রোল ডাকতেই "ইয়েস ম্যাম" বলে হাত তুলে উপস্থিতি জানান দিলাম। ম্যাম রোলকল থামিয়ে একটু হেসে সামনে বসা তানভীন রহমান কে বললেন " আচ্ছা ওর নামটা মেয়েদের না ?" আর যায় কোথায়! ক্লাসের ৩৫ জনের মধ্যে প্রায় ১৪/১৫ টা ছিল মেয়ে। সবকটার হাহা-হিহি শুরু হয়ে গেছে। এদিকে আমার তো তখন রীতিমতো প্রেষ্টিজ নিয়ে টানাটানি। তানভীনও দেখলাম কোনরকমে হাসি চেপে ম্যামকে সমর্থন জানাচ্ছে। নিজ প্রেষ্টিজ রক্ষার্থে আমি বললাম "ম্যাম, আমি এখন পর্যন্ত রিফাত নামের কোন মেয়ে দেখি নাই।" উনিও হেসে বললেন "রিফাত নামের আরেকটা ছেলে দেখাও দেখি।" আমার তো তখন খাবি খাওয়ার দশা। আরে আছে তো। আবিস্কারের আনন্দে আমি বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে সবিনয়ে বললাম "জ্বি, আমার ছোট ভাই এর নাম রিফাত সিলভী ইউসুফজাই।" ম্যাম কি একটু থমকালেন !!! মূহুর্ত মাত্র, চোখ পাকিয়ে বললেন "এই পাজি! তোমার আব্বা কি তোমার ছোট ভাই এর নামের সাথে মিলিয়ে তোমার নাম রেখেছে নাকি ?" পূরো ক্লাস ততোক্ষণে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছে। পরে জানলাম ম্যাম এর এক বান্ধবী আছে রিফাত নামে। কি আর করা! রণে ভঙ্গ দিতেই হলো।

এরপর ১৯৮১ সালের কথা। এস. এস. সি. পরীক্ষা দিব। জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা। নাকে-মূখে পড়ছি। পরীক্ষার ২/৩ দিন আগে স্কুল থেকে খবর পাঠাল এডমিট কার্ড নেয়ার জন্য। আম্মা আমার এই স্কুলে যায় নাই কখনও। আমার স্কুল জীবনও প্রায় শেষ। আমি আম্মাকে নিয়ে স্কুলে গেলাম। গেট দিয়ে ঢুকছি, সামাদ মামু (গেট কিপার) বললেন "যান তাড়াতাড়ি। আপনার জন্য সবাই ওয়েট করতেসে।" মূখে মৃদু হাসি, দেখে ভাবলাম দুই দিন বাদে পরীক্ষা, সামাদ মামু হয়তো অভয় দিতে চাইছে। তখন কি আর জানি .......... । সামনে তাকিয়ে দেখি প্রিন্সিপাল স্যারের রুমের সামনে ছোটখাট একটা জটলা। সেখানে প্রিন্সিপাল সাহা স্যার, বাংলা মিডিয়ামের হেডমিষ্ট্রেস মিসেস লুতফা চৌধূরী, কেমিষ্ট্রি'র টিচার তপন পাল স্যার আর আরেক ইংরেজী টিচার মন্ডল স্যার সহ আমাদের ক্লাসের তানভীন, তুলি, রুচিরা, সালাম, কায়সার আরো কে কে যেন। সাহা স্যার আমাকে দূর থেকে দেখেই হাত নেড়ে বললেন "তাড়াতাড়ি আস। তোমার তো একটা ঘাপলা হয়ে গেছে।" ঘাপলা !!! আমার দুইদিন বাদে পরীক্ষা, আর এখন বলে কিনা ঘাপলা। ত্রস্তপায়ে কাছে গেলাম। আম্মাও মনে হয় একটু ভড়কে গেছে। হাজার হলেও তার জ্যেষ্ঠপুত্রের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা। কিন্তু একি! সবার মূখ হাসি হাসি কেন ? ছাত্রের পরীক্ষার দুইদিন আগে ঘাপলা ধরা পড়লো আর তারা কিনা হাসছে। 'রোম যখন পুড়িতেছিল নীরো তখন বাশি বাজাইতেছিলেন' টাইপের ব্যপার মনে হচ্ছে। মনের দুঃখ পেটে চালান করে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম "স্যার, কি হয়েছে ?" স্যার উল্টা আমাকে প্রশ্ন করলেন "এই তোমার নামটা কে রেখেছিল ?" আমার দুইদিন বাদে পরীক্ষা, আমি কাতর কন্ঠে বললাম "কেন স্যার ?" স্যার হেসে বললেন "তোমার রোল নাম্বারের আগে তো একটা 'ম' বসে গেছে।"আমি চোখ গোল গোল করে বললাম "স্যার,'ম' বসে গেছে মানে ?" শ্রদ্ধেয় শিক্ষক পেপসোডেন্ট মার্কা একটা হাসি দিয়ে বললেন "বুঝলা না। 'ম' মানে মহিলা।" 'ম' মানে মহিলা - তার মানে ??? আয় হায়!!! হে ধরণী তুমি দ্বিধা হও। দুই দিন বাদে আমার পরীক্ষা, শেষকালে এও ছিল কপালে। এরমধ্যে লুতফা ম্যাডাম আম্মাকে দেখি আশ্বস্ত করছেন "চিন্তার কিছু নাই, আমরা বেশীর ভাগটাই ঠিক করে ফেলেছি। কালকে রিফাতের আব্বাকে একটু বোর্ড অফিসে পাঠাবেন এডমিট কার্ডটা দিয়ে। চেয়ারম্যান সাহেবকে জানানো হয়েছে। উনি 'ম' টা কেটে ওখানে একটা সিগনেচার করে দিবেন।" তারপর আমার হতে তুলে দেয়া হলো সেই ঐতিহাসিক প্রবেশপত্র। এদিকে পোলাপার সব হাসাহাসি করতেছে। 'বেশির ভাগ ঠিক' করা বিষয়ে যা জানলাম তাতে ঘাড়ের চুল সব খাড়া হয়ে গেল। এই এক 'ম' এর সুবাদে আমার সিট গিয়ে পড়েছিল কামরুন্নেসা গার্লস স্কুলে। বিমল স্যার আর তপন পাল স্যার মিলে সারাদিন দৌড়াদৌড়ি করে সেখান থেকে সিট সেগুন বাগিচা বয়েজ স্কুলে নিয়ে এসেছেন। সেখানেও আরেক ঘাপলা। তারা আগেই সিট এরেঞ্জমেন্ট সেরে ফেলেছিলেন। ফলে আমাকে দেয়া হচ্ছিলো একা একটা রুমে। আমার স্কুলের দুই শিক্ষক রীতিমতো ফাইট করে আমাকে সবার সাথে বসার ব্যবস্থা করেছিলেন। সব শুনে ফটকা সালামের মন্তব্য ছিল এই রকম "কেউ সুযোগ পায় আর কেউবা পেয়ে হারায়। এতো এতো মেয়ের মাঝখানে রাজার মতো বসে পরীক্ষা দেয়ার দূর্লভ সূযোগ তুই ব্যাটা এমনি হারাইলি।"

পরের দিন আব্বা যখন আমার এডমিট কার্ড নিয়ে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করেন, তখন তিনি নাকি বলেছিলেন যে জীবনে অনেক ভূলত্রুটি সংশোধন করেছেন, কিন্তু লিঙ্গান্তরের ত্রুটি সংশোধনের ঘটনা এই প্রথম।

প্রথম পরীক্ষার দিন আরেক কাহিনী। সেগুন বাগিচা স্কুলের যিনিই রুমে আসছেন তিনিই মাথায় একটু হাত বুলিয়ে আদর করে বলছেন আচ্ছা ! তুমিই তাহলে সেই ছেলে। জবাবে একটু হাসি তো দিতেই হয়। কি আর করা।

আমার নাম নিয়ে সর্বশেষ যে ঘাপলাটা হলো সেটাকে জাতীয় দূর্ঘটনা বলা য়েতে পারে। সালটা ঠিক মনে নাই, মনে হয় ১৯৯১। জীবনে প্রথম ভোটার হয়েছি আর প্রথমবার ভোট দিতে যাব। থাকি তখন মোহাম্মদপুর বাবর রোডে। ভোটের দিন গোসল করে, ভাল কাপড় পরে রীতিমতো নওশা সেজে গেলাম ভোট কেন্দ্রে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে যে ভোটার স্লিপ দেয়া হয়েছিল তার দু'একটা পকেটে। বেশ গাম্ভীর্য নিয়ে ঢুকলাম ভোট কেন্দ্রে। একটু দাড়িয়ে আড় চোখে দেখে বুঝতে চাইলাম কেমনে কী। বিসমিল্লাহ বলে একটা লাইনের পিছনে গিয়ে দাড়ালাম। লাইন আগায়, সাথে আমিও। আর আরচোখে দেখি কে কি করে। আর আমিও সেরকম করার চেষ্টা করি, যাতে কেউ ধরতে না পারে আমি আসলে নাদান ভোটার, জীবনেও ভোট দেই নাই। সামনের প্রায় সমবয়েসী একটা ছেলে দেখি পকেট থেকে সিগারেট বের করে ফস করে ধরিয়ে আয়েসী ভঙ্গতে টানছে। আমিও ওর দেখাদেখি লাইন থেকে একটু বেরিয়ে এসে ষ্টাইল করে পকেটে হাত ঢুকাই। হাত ঢুকিয়েই ফ্রিজ হয়ে গেলাম। হায়! হায়!! আমিতো ধূমপানই করি না।।। কি আর করা। অবশেষে সেই কাংখিত সময়টি এলো। জীবনে প্রথম সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছি। পোলিং অফিসার ভোটার নম্বর জিজ্ঞাসা করলেন। বললাম। এরপর নাম। বাধলো বিপত্তি। নাম-ঠিকানা কোনটাই মেলে না। পোলিং অফিসার কে ভোটার স্লিপ দেখালাম একটা। দেখে বললেন "ভুল হয়েছে কোথাও। সারাদিন পড়ে আছে, দেখেন ভূলটা বের করতে পারেন কিনা।" আমার কান দিয়ে তখন লু হাওয়া বইছে। বের হয়ে এসে যে কয়টা ক্যাম্প পেলাম সব কয়টা তন্নতন্ন করে খুজলাম। নাম্বারের সাথে নাম মিলেনা। আর কোন লিষ্টেই আমার নাম নাই। ক্যাম্পের লোকজনও হতভম্ব। কারণ স্লিপ তো ওরাই লিখেছে। কোথা থেকে আসলো এগুলো। ব্যর্থ মনোরথ হয়ে বাসায় ফিরছি। এক পাড়াতো ছোট ভাই ডাক দিলো। ওকে বললাম সব কথা। ও নিয়ে গেল পাশের এক ক্যাম্পে। লিষ্টটা চেয়ে নিয়ে লাইন বাই লাইন দেখা শুরু করলো। আমিও দেখছি। হঠাত করেই চোখ আটকে গেলো একটা নামে - নাজমা ইউসুফজাই। সবর্নাশ, ছোট চাচীর নাম ছেলেদের লিষ্টে কেন। মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো। তাহলে কি আমার নাম .... । আর ভাবতে পারলাম না। পাড়াত ভাইকে বললাম মেয়েদের লিষ্ট বের করতে। আগের সেই নাম্বার মিলিয়ে জায়গামতো যেতেই দেখি নিজের নামটা জ্বলজ্বল করতেছে। ক্যাম্প থেকে বের হয়ে এলাম। ক্যাম্পে তখন রীতিমতো হাসাহাসি চলতেছে।

আমি আবার গুটি গুটি পায়ে ভোট কেন্দ্রে হাজির হলাম। গেটের পাশেই পুলিশ-আনসাররা জটলা করে আছে। ওদেরকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম প্রিসাইডিং অফিসারের কথা। এক বয়স্ক কনষ্টেবল দূরের এক জটলার দিকে আঙ্গুল তুলে দেখালেন। আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গিয়ে সালাম দিয়ে বললাম "আমি প্রিসাইডিং অফিসারের সাথে একটু কথা বলতে চাই।" সাদা সার্ট পড়া এক ভদ্রলোক বললেন "বলেন কি বলতে চান।" বুঝলাম ইনিই তিনি। অগত্যা আমি তাকে সংক্ষেপে আমার কাহিনী বর্ণনা করলাম। আশেপাশের সাংবাদিক ভাইরা তখন প্রবল উৎসাহে মাইক্রোফোন এগিয়ে ধরেছে। আর আমার প্রিসাইডিং অফিসার সাহেব দ্রুত বেগে মাথা নাড়তে নাড়তে বলছেন "ভাই আমাকে মাফ করবেন, আমার এই মূহুর্তে কিছুই করার নাই।" ওনাকে থামিয়ে দিয়ে এক স্যুট পড়া ভদ্রলোক বললেন "আপনি ভুল বলতেছেন। নাম-ঠিকানা যদি ঠিক থাকে তাহলে উনি অবশ্যই ভোট দিতে পারবেন।" জানলাম মানুষরূপী এই দেবদূত নির্বাচন কমিশন থেকে আগত। তারই পরামর্শ মতো প্রিসাইডিং অফিসার আমাকে একটা মহিলা বুথে নিয়ে গিয়ে বললেন "এই ভদ্রলোকের নামটা ভুলক্রমে মহিলাদের লিষ্টে চলে এসেছে। পোলিং এজেন্টদের কারও যদি আপত্তি না থাকে তবে উনি ভোট দিতে পারবেন।" আর এই কথাগুলো বলার সময় ওনার মূখে ছিল মুচকি মুচকি হাসি। এই মুচকি হাসির সুবাদেই কিনা জানি না, মহিলা বুথের তাবত মহিলা মহিলা এজেন্টবৃন্দ আপত্তির বদলে হাহা-হিহি শুরু করে দিলেন। এরপর যথানিয়মে জীবনের প্রথম ভোট দিয়ে অধোবদনে বাসায় আসলাম।

যাই হোক এরপর থেকে এখন পর্যন্ত নাম নিয়ে আর কোন ঘটনা বা দূর্ঘটনা কোনটাই ঘটে নাই।

ছবি : মুড়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের সামনের পুকুর

 

 

  • ৫৩ টি মন্তব্য
  • ৩৪৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এই রাজকীয় নামটা রাখছিল কে ?
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: কে আর, আব্বা। নানু রেখেছিল ডাক নাম।

২. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
comment by: অরুনাভ বলেছেন: হা হা হা রিফাত আপু.......মজ করলাম ভাই কিছু মনে করেন না........
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: আরে না। মজা তো মজাই, তাই না ?

৩. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
comment by: খারাপ লোক মাগার হাচা কতা কই বলেছেন: হা হা হা হা হাসতেই আছি..
ক্যামেরা ভাই, আপনের কাহিনীটা হুইনা সময়টা ভালাই কাটল।
হা হা হা
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: আমিও জয়েন করলাম আপনার সাথে, হাসিতে।

৪. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
comment by: রানা বলেছেন: ভাই আমি "৬৯" এর রিফাত চাচা ছাড়া মোট ৪ জন রিফাতকে চিনি। তারা সবাই ছেলে। ম্যাম এর বান্ধবীর নাম রিফাত, এটাই অশ্চর্যের ব্যাপার।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: আমি অবশ্য পরে আরো দু'জন রিফাত পেয়েছিলাম যারা মেয়ে।

৫. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪
comment by: ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: সে এক বিরাট কাহিনীর ভিতর ইতিহাস
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: তা যা বলেছেন।

৬. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: রাজকীয় পোষ্ট। নাম বিভ্রাটের কারণে বিখ্যাত হওয়ার বেশ কিছু সুযোগ পাইছিলেন।

লেখা বেশ ঝরঝরে আর মুচমুচে। বেশ মজা পাইলাম।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: হা! হা!! হা!!! আপনার কমেন্ট পড়ে আমারও বেশ মুচমুচে লাগতেছে। ধন্যবাদ।

৭. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: হা.. হা.. হা...
ক্যামেরাম্যান ওরফে রিফাত আপু?
হা.. হা.. হা...

পোস্ট ভাল হৈছে...
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: হা! হা!! হা!!! ধন্যবাদ।

৮. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
comment by: বকলম বলেছেন: হা হা হা হা জব্বর কাহিনীভ।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: জব্বর হয়েছে ? ধন্যবাদ আপনাকে।

৯. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
comment by: বুমবুম বলেছেন: খাইছে কন কি আপু স্যরি ভাইজান:)
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: হা! হা!! হা!!!

১০. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হাসালেন অনেক ... :)
একজন কবি আছেন না, রিফাত নামে ... মাঝেমাঝে নাটকে দেখা যায়, বিশেষ করে ফারুকীর

এই লেখাটা ব্লগের বৈশাখী সংকলনে নেয়া হোক
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: মন খুলে হাসতে পেরেছেন, এটাই অনেক বড় পাওয়া। ধন্যবাদ।

১১. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: হে হে হে মজা পাইলাম অনেক।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: হা! হা!! হা!!!

১২. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯
comment by: ইসাবেলা বলেছেন:
হে: হে: হে: ! নাম তো আর বদলাইতে পারবেন না,অপারেশন কইরা ফালান.....
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: কিসের ??? হা! হা!! হা!!!

১৩. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০
comment by: ময়ুরবাহন বলেছেন: আপনি পাঠান জাতির মানুষ হলেও চমৎকার বাংলা লেখেন। আফ্রিদী, কারজাই, আচাকজাই, ইউসুফজাই ইত্যাদি পাঠান উপজাতির লোক বাংলায় আছেন বলে জানতাম না। যতদুর জানি স্বাধীন পাকতুনিস্তান আন্দলনের নেত্রী খান আবদুল গফফর খানের নাতনির প্রিয় শহর হল কলকাতা। এখান থেকেই উনি অনেক সমর্থন পেয়েছেন পাকিস্তান ভেঙ্গে পাকতুনিস্তান তৈরী করার আন্দলনের জন্য। ভাল থাকবেন পাঠান ভাই।
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: "আপনি পাঠান জাতির মানুষ হলেও চমৎকার বাংলা লেখেন।" - ব্যাপক হাসি দিতেছি বললাম। আসলে ২/৩ শ বছর ধরে এদেশে বাস করতে করতে পাঠানদের আর কিছু অবশিষ্ট আছে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশে টাঙ্গাইল আর রাজশাহী জেলায় ইউসুফজাই'রা আছে ২/৩ শ বছর ধরেই। তবে এই দুই ইউসুফজাই দের মধ্যে আপাত কোন আত্মীয়তা নেই। আর এদেশে ঠিক কিভাবে আমার পূর্বপুরুষরা এসেছে সেটা একটা মিসিং লিংক। আরেকজন ইউসুফজাইকে আমরা পেয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন একটা বিভাগে, যেখানে তিনি এসেছিলেন পাকিস্তান থেকে অধ্যাপনার সূত্রে

আপনাকে অ-নে-ক ধন্যবাদ।

১৪. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০৫
comment by: বহুরূপী মহাজন বলেছেন: মন খারাপ কইরেন না, আমার ও পরিচিত আছিল রিফাত নামে, খাড়ান পুরা নামটা কই..............অঅঅঅঅঅঅঅঅ, ইস কি জানি নামটা!!!!!!! ঠিক মনে পড়তেছেনা..............পাইছি...পাইছি!!!!!!!!!!!

...........রিফাত সুলতানা ;
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: হা! হা!! হা!!!

১৫. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩০
comment by: নেমেসিস বলেছেন: পরের বার দেখা হৈলেই ডাক দিমু

রিফাত আ........ :)
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: :)

১৬. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
comment by: যেমন ইকোনোমিক্স বলেছেন: হাসি কেমনে থামাই?
পিছনে আব্বু চিল্লাইতাছে এত হাস কেন?
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: আরে আব্বুকে ডেকে লেখাটা পড়ালে তো বাপ-বেটি মিলে হাসতে পারতেন !!! :)

১৭. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মচমচে লেখা যাকে বলে , রীতিমত মুগ্ধ হওয়ার মত ।

আমি কিন্তু "রিফাত ছেলেদের নাম আন্দোলন" এর একজন ঘোরতর সমর্থক । যদি কেউ আপনাকে জিজ্ঞেস করে , বাংলাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত রিফাত কোনজন , উত্তরটা নিশ্চয়ই হবে , গ্রান্ডমাস্টার রিফাত বিন সাত্তার । কাজেই বাংলাদেশে রিফাত মানেই ছেলে ।

আসলে আমরা কোন নামে প্রথম যাকে চিনি , লিংগের বিবেচনায় পরবর্তীতে তাকেই প্রাধান্য দেই । চিন্তা করে ৬ জন চেনা রিফাতের কথা মনে পড়লো , যার ৩ জন মেয়ে । কিন্তু ছেলেদের সাথে পরিচয়টা আগে ছিল বলে , মেয়ে রিফাতদের ব্যাপারে আমার ভয়াবহ খটকা লাগার ব্যাপারটি এখনও যায়নি ।

এত নাম থাকতে বাবা মায়েরা কেন যে এসব কনফিউজিং নাম রাখেন । রিফাত নামটি এসেছে রাফ'আত থেকে , আমার মনে হয় এটা ছেলেদের জন্য পেটেন্ট করে ফেলা উচিত । ঠিক একই ভাবে তাহসিন নামটিও শুধু ছেলেদের হওয়া উচিৎ ।আমার বন্ধু তাহসিন ইন্টারনেটে চ্যাটরুমে নিজের নামে ঢুকেও অসংখ্য নক পেতো কেবল নামের কারণে । এখনও বুঝে পাইনা , তাহসিন কেন মেয়ে হতে যাবে ।

আবার বকুল নামটির সর্বস্বত্ত মেয়েদের জন্য সংরক্ষণ করা উচিৎ।
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। রিফাত বিন সাত্তার দাবা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ধারণা পাল্টেছে অবশ্যই। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২৪
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: আসলে আমাদের দেশে নাম রাখার কোন স্ট্যান্ডার্ড নেই। তাই বাইরে এসে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক নাম যেগুলো আরবীতে মেয়েদের নাম সেগুলো আমাদের দেশে ছেলেদের রাখা হয়ে থাকে। যেমনঃ নাহিদ, নূর, ইত্যাদি। আবার ছেলেদের নামগুলোকে মেয়েদের রাখা হয়। যেমন শাহীন - এ নামটা পুরোপুরি ছেলেদের কিন্তু বাংলাদেশে অনেক মেয়ের নাম এ নামে। আরবী নাম ছাড়াও বাংলা নাম নিয়েও ঝামেলা। বাংলা অনেক নাম আছে যেগুলো মেয়েদের হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশী বাঙ্গালীরা সেগুলো ছেলেদের নাম রাখে। যেমন ফুলের নাম। পলাশ, টগর, জুঁই‌, বকুল ইত্যাদি ফুলের নাম মেয়েদের নাম হওয়া উচিত। অথচ অনেক ছেলের নাম পলাশ, বকুল, টগর। বাংলাদেশে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটির ডাকনাম পলাশ। জাহাঙ্গীর নগরে এক বড় ভাই ছিলেন, নাম ময়না।
আমাদের ফুয়াদকে মালয়েশিয়াতে নাকি মেয়েদের কলেজে (হলে) সিট বরাদ্ধ দেয়া হয়েছিল ওর নাম নুরুল হুদা মাহমূদ বলে। "নুরুল হুদা" মেয়েদের নাম। তাই তারা ধরে নিয়েছিল তার নাম নুরুল হুদা বিনতে মাহমূদ।
মুহাম্মদকে আমরা সংক্ষেপে MD লিখি বলে আমাদের অনেকেই আমেরিকানদের কাছ থেকে "ডক্টর অমুক" বলে সম্বোধন পাই। ব্যাপারটা পরিষ্কার করার পর হাসাহাসি করতে হয় অনেক।
এ জাতীয় আরো অনেক ঝামেলা।
আপনাদের দু'ভাইয়ের প্রথম নাম রিফাত। অথচ এটা হওয়া উচিত ছিল মধ্য নাম যেহেতু এটি কমন দু'জনের ক্ষেত্রেই। আপনার নাম জামিল রিফাত এবং ভাইয়ের নাম সিলভি রিফাত হলে ভাল হত।
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আমরা যেটা করি সেটা হলো অর্থ না জেনেই ঢালাওভাবে আরবি নাম রাখা, মানে যাই হোক শ্রুতি মধূর হলেই হলো। আপনি কিন্তু এসম্পর্কে একটা পোষ্ট দিতে পারেন। যেমন নুরুল হুদা কি করে মেয়েদের নাম সেটার ব্যাখ্যা সহ। আমাদের দেশে কোন বাবা-মা মনে হয় না এই নামটি তাদের কোন মেয়ের জন্য রাখবেন। অথচ এ জাতীয় নাম মালয়েশিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়।

তবে বকুল, ময়না ইত্যাদি ডাক নাম নিয়ে আমার কোন আপত্তি নাই, কারণ এগুলো আদরের ডাক। এখানে আদরটাই মূখ্য। আমার এক আত্মীয় আছেন যিনি ৬ বোনের পর এক ভাই। বোনদের এতো বেশী আদরের যে কি বলবো। 'ভাইয়া মনি' ডাকতে ডাকতে তার নামই এখন ভাইয়া মনি, আর আমি ডাকি ভাইয়া মনি চাচা। বুঝেন ঠ্যালা।

১৯. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২২
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: আমাদের নামগুলি আজকাল ক্লিব হযে যাচ্ছে.... ছেলে মেয়ে বুঝা মুশ্কিল। এটা কিন্তু পাশ্চাত্যে নেই একেবারে।

আমরা উপরের দিকে পতিত হচ্ছি....

সন্তানের নামটা পর্যন্ত বাবা মা'রা ঠিকভাবে রাখতে পারে না...
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: কথা ঠিক।

২০. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: রিফাত নামটা ছেলেদের....
শামীম নামটাও ছেলেদের...
জীশান নামটাও তাই
নাহীন নামটাও তাই...

এখন এটা যদি কোন মেয়ের নাম রাখা হয়, তাহলে দায়ী কে, আপনারাই বলুন????
২১. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
আমার এক স্কুলের বান্ধবীর নাম আছিলো রিফাত.....আপনারে তো ফেইসবুকে পয়লা চিনবার পারিনাই.....এইবার চিনসি...আড্ডায় দেখা হইবো
১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: সাইচ্চে!!! আপনি কি তাইলে এতোদিন ........

২২. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: আপনি পুরুষ জাতির কলঙ্ক ! ইসাবেলা আপু আপনারে অপারেশান কইরতে কয়! তয় লেখাটা হেভী! + দেয়া ঠিক না, তবু দিলাম।
১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: হা! হা!! হা!!! + দিয়া কলংকিত করার জন্য ধন্যবাদ।

২৩. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২৩
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: হা হা......ব্যাবাক মজা পাইলাম...
তবে এইরকম একটা রাজকীয় নাম নিয়েও বিরম্বনায় পড়তে হয় দেখি!

দিনকয়েক আগে ফেসবুকে আমার ডাকনামের সাথে মিল দেখে একটা ইনভাইটেশন পাঠিয়েছিলাম,

হায় কপাল,
পরে দেখি সেটা সামহয়ারের একজন ব্লগারের কাজিন;
কিন্তু ঝামেলা অন্যখানে,
উনি ছিলেন বুয়েট গ্র্যাজুয়েট এক সিনিয়র আপু !!!

আর আমি ভেবেছিলাম আমাদের মত কোন ছেলে-ছোকরা হবে মনে হয়!
১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: কোন ব্যাপার না !!! :) :) :)

২৪. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫১
comment by: ভাইটামিন বদি বলেছেন: জট্টিল মজা পাইলা.....ম।।। আপনার লেখা + কমেন্ট পড়িয়া।

তবে রিফাত আমাদের এক বন্ধুর বউয়ের নাম!!!

ইফাত আমার ছোট ভাইয়ের আদরের নাম।।।
১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: এখন তাহলে বন্ধুর বউ'রে ক্ষ্যাপান শুরু করেন ...... :) :) :)

২৫. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:২৩
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন:

লজ্জা পাইলাম....ছবিওয়ালা ভাই এইসব কি কয়?
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: :)

২৬. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৩৪
comment by: নাঈম বলেছেন: খিকজ্‌ , মজা পাইলাম লেখা পইরা, রিফাত আফা....থুক্কু রিফাত বাই.....
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: :)

২৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

 



 


ছবিওয়ালা
eusufzai@gmail.com
মোবাইল : ০১৯১২০৪৩৫৩০
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৬১১৩