আমার প্রিয় পোস্ট
- আপনি কি ওয়েবমাস্টার? আপনি কি জানেন আপনার সাইটে কারা আসছে? কোথা থেকে আসছে? - আমিনুল ইসলাম
- আপনার ওয়েব লিংকটি আমার ওয়েব ডিরেক্টরীতে সাবমিট করুন - মদন
- ১৭৫ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার ওয়েব সাইটটি জনপ্রিয় করবেন কিভাবে? - মদন
- নবীনদের জন্য - নাদান
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - নামহীন মানব
- ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- মোবাইল ইন্টারনেট!!!!! - রসের হাঁড়ি
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- আর্টস এণ্ড ইমেইজ (সংগৃহিত)- ০১ - রণদীপম বসু
- পুরাতন কথা নতুন করে.... - ভাইটামিন বদি
- কলসেন্টার ইশকুল -১ - আরিফ জেবতিক
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ!! বৈশাখী সংকলন ১৪১৫: অনুমতি প্রদান ও লেখার লিঙ্ক দেবার জন্য আহবান - রাশেদ
- বিশ্ববাজারে খাদ্যঘাটতি ও বাংলাদেশ: “ক্ষুধিতের বিপ্লব শুরু হতে আর দেরী নেই” - তীরন্দাজ
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- সদরঘাট-১৯৬২(ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- Geocities থেকে Advertise অদৃশ্য করুন!!!!!! - নিকলস স্বপ্ন
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- চলুন খুব কাছ থেকে একজন ঘাতক দেখে আসি - অমি রহমান পিয়াল
- ছবি ব্লগ : কষ্টার্জিত স্বাধীনতা - গন্ডমূর্খ
- সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ....! - মানবী
- গ্রামীন ফোনঃ এক ছদ্মবেশী বহিরাগত লুটেরা - যোদ্ধা
- বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের নীতিমালা কেমন? - তানভীর
আমার নাকি নীতি নাই
০২ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২৭
".... তোমার তো দেখি নীতি নাই। রাখলাম।" ইহা ছিল এক বন্ধুর সাথে ফোনালাপের শেষাংশ। কেন এহেন বাক্যবাণ, তাহা বলিবার পূবে নিজের আয়নায় নিজেকে একটখানি দেখিয়া লই।
আমি নামাজ পড়িনা, রোজা রাখি না। শেষবার কবে নামাজ পড়িয়াছিলাম তাহা মনে হয় চেষ্টা করীলেও বলিতে পারিব না। আর রোজার সময় যা করি উহাকে রোজা না বলিয়া উপাস বলাই শ্রেয়। অথচ এদিকে মুসলিম নাম নিয়া দিব্বি চলাফেরা করিতেছি, কোন শরম নাই।
- আসলেই তো! আমার কোন নীতি নাই।
অথচ আমার বন্ধুটিকে দেখেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজানে সবকয়টা রোজা রাখে, এমন কি তারাবীর নামাজও বাদ যায় না। বছর শেষে ক্যালকুলেটরে হিসাব করিয়া জাকাত দেয় নিয়মিত।
এতোকিছু করিবার পরও তাহার মন শান্ত হয় না। বেহেশত নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়াত পিতার পদাংক অনূসরণ করিয়া এক পীরের মূরীদ হইয়াছে। বর্তমান পীরের প্রয়াত পিতা বড় পীরের সহিত সাক্ষাতের এক বিরল সৌভাগ্য হইয়াছিল এই অধমের। বন্ধুটির বিবাহ পড়ান হইয়াছিল সেই পীরের খানকায়। শনির আখড়ার নিকটে সেই খানকায় গিয়া কিছু জ্ঞানার্জন করিয়াছিলাম। এককোনায় একখানা মসজিদ রংহীন, পলেস্তারায় শ্যাওলা জমিয়া আছে - দেখিলেই বুঝা যায় তেমন যত্নআত্তি নাই। ভিতরের অবস্থা আরো করুণ। সাধারন কংক্রিটের মেঝের উপর চট বিছানো, ধূলায় মাখামাখি। মসজিদের ঠিক পাশেই আরেকখানা স্থাপনা। চারকোনা বেদীর উপর চারটি স্তম্ভ ধারণ করিয়া আছে একটি সুউচ্চ মিনার। মিনারটি দামি টাইলস দ্বারা কারুকার্য খচিত। বেদী আর স্তম্ভ সবগুলিই দামী গ্রানাইট পাথরে আচ্ছাদিত। বেদীর মাঝামাঝি জায়গায় সাড়ে তিন হাত এর কিছু বেশী লম্বা একটুকরা জায়গা খালি, মাটি দেখা যাইতেছে। আমি অধম একটু ফাপড়ে পড়িলাম - ইহা আসলে কি ? ইহা কি আজান দিবার জায়গা ? কিন্তু মসজিদ হইতে ইহার জৌলুস এত বেশী কেন ? তিষ্টিতে না পারিয়া এক খাদেম কে জিজ্ঞাসা করিলাম। এলান হইলো ইহা পীর ছাহেবের মাজার। মাজার ??? কিন্তু উনি তো বহার তবিয়তেই বর্তমান - আমার দিকে চাহিয়া খাদেম উত্তর দিয়াছিল - ইন্তেকাল ফরমাইলে সেখানে গোর দেয়া হইবে। মাজারে সম্মূখে মিনার সদৃশ চ্যাপ্টা একখানা প্রস্তরখন্ড দন্ডায়মান দেখিয়া উহার দিকে নজর দিলাম। কিছুই নাই - খালি। এক বন্ধু বলিল - আরে গাধা ইহা হইলো এপিটাফ। গোর দিবার পর লিখিবে। ফিরিবার পথে পিছনে তাকাইয়া বার বার দেখিতেছিলাম দীনহীন আল্লাহর ঘরের পাশে তাহার এক বূজূর্গ বান্দার ভবিষ্যতের রাজপ্রাসাদ।
- আসলেই তো! আমার কোন নীতি নাই। নিজে ধর্ম-কর্ম করি না। অন্যে করিলে আবার চোখ টাটায়।
আমার এই বন্ধুটি বৈবাহিক জীবনেও শরিয়ত মোতাবেক চলিবার চেষ্টা করে। যেমন স্ত্রীর সহিত একান্ত মূহুর্ত গুলি সে রাতের অন্ধকারে মশারীর ভিতর এবং চাদরের নিচে উপভোগ করে। ইহাই নাকি শরিয়ত সম্মত নিয়ম। নিজের স্ত্রী'র বস্ত্রহীন অবয়ব সে নাকি শুধূমাত্র স্পর্শে চিনিয়াছে, চাক্ষুষ নয়। তবে সুমনের সিডি কাহারো নিকট আছে শুনিলে সে উহা দর্শন করিবার জন্য ব্যাকুল হইয়া উঠে।
- আসলেই তো! আমার কোন নীতি নাই। লোকের কি সাধ আহ্লাদ বলিয়া কিছু থাকিবে না।
বন্ধুটি ঘুষ খায় না, দূর্নীতি করেনা। যদিও দূর্নীতি করিবার স্কোপ তাহার যথেষ্টই আছে। এমন কি ঘুষ প্রদানের ক্ষেত্রেও সে কঠিন এবং শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে ঘুষ প্রদান না করিয়া কার্য উদ্ধারে সে সক্ষম। অথচ তাহার বস প্রজেক্টের টাকা আত্মসাত করিতে সিদ্ধহস্ত এবং আমার এহেন বন্ধুটিকে তাহার সেই সব মহৎ কর্মে সাক্ষী গোপাল হইতে হয়।
- আসলেই তো! আমার কোন নীতি নাই। বেচারি এই দূর্মূল্যের বাজারে চাকরি রক্ষা করিয়া চলিবে না তো কি পরিবার সহ উপবাস করিবে।
এইবার আসুন আসল কথাটি বলি। কথা হইতেছিল বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়া। খালেদা-হাসিনার গুষ্টি উদ্ধারের পর বন্ধুটি জানাইলো সেনাবাহিনী যে প্ল্যান করিয়াছে তাহাতে এরশাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়া নাকি ঠেকান যাইতেছে না। বন্ধুর প্রিয় রাজনৈতিক নেতা হইলো এই এরশাদ। আপনি এরশাদের দূর্নীতি, নারীপ্রীতি নিয়া যতোই সমালোচনা করেন না কেন সব কথার শেষ কথা এরশাদের উপর নেতা নাই। কারণ ??? ছাত্রাবস্থায় বন্ধুটির পিতা দূর্ঘটনায় অকালে প্রাণ হারান। এই এরশাদের আমলেই নাকি সরকারী কর্মকর্তাদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হইয়াছিল, ফলে বন্ধুর পরিবার অধিক হারে পেনশন পাইয়াছিল এবং তাহা তাহাদের বিশাল উপকারে আসিয়াছিল। সুতরাং তখন হইতে দূর্নীতিগ্রস্থ নারী লোলুপ এরশাদ তাহাদের প্রিয় নেতা।
আমি বলার চেষ্টা করিলাম সেনাবাহিনী কে দেশের শাসন ক্ষমতায় অংশীদার করিলে সেনাবাহিনীকে আসলে ধ্বংস করিয়া ফেলা হইবে। সে বলিয়া উঠিলো তাহা হইলে কি তুমি চাও রাজনৈতিক নেতারাই সব লুটিয়া খাক ? আমি বলিলাম হ্যাঁ। সে উত্তর করিল "তোমার আসলে কোন নীতি নাই। রাখলাম।"
- আসলেই তো! আমার কোন নীতি নাই। কেউ খাবে আর কেউ খাবে না, তা হবে না তা হবে না।
লেখক বলেছেন: জট্টিলস !!! আসলেই। আমার মাথা এখন পূরাই আউলা। নীতিবান, নীতিহীন, সু-নীতি আর কু-নীতি - কোনটা যে কি কিছুই আর বুঝতেসি না।
আবু সালেহ বলেছেন:
আমি বলার চেষ্টা করিলাম সেনাবাহিনী কে দেশের শাসন ক্ষমতায় অংশীদার করিলে সেনাবাহিনীকে আসলে ধ্বংস করিয়া ফেলা হইবে। সে বলিয়া উঠিলো তাহা হইলে কি তুমি চাও রাজনৈতিক নেতারাই সব লুটিয়া খাক ? আমি বলিলাম হ্যাঁ। সে উত্তর করিল "তোমার আসলে কোন নীতি নাই। রাখলাম।"তাড়াতাড়ি নীতির দীক্ষা লন.....
হা হা হা জটিল..
লেখক বলেছেন: দূর্নীতিবাজ হাসিনা-খালেদারে সরাইয়া যদি সেনাবাহিনীর ধোয়া তুলসি পাতা এরশাদ প্রধানমন্ত্রী হয় .............. নীতি বিসর্জন দেয়াটাই উত্তম কাজ।
অরুনাভ বলেছেন:
পইড়া মজা পাইলাম.......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
কেউ খাবে আর কেউ খাবে না, তা হবে না তা হবে না।
লেখক বলেছেন: সবকিছুতেই সবার সমান সূযোগ থাকা উচিত। এমনকি দূর্নীতিতেও ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানা।
আসলে আমাদের কথা, চরিত্র আর কাজের মধ্যে ফারাকটা দিন দিন বাড়ছেই। খালি রাজনীতিবিদ দের দোষ দিয়ে আর কি হবে।
শুভেচ্ছা রইলো।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
বেশীর ভাগ মানুষই তাই .।কথার সাথে কাজে সমন্বয় নাই।যারা মুখে নীতির কথা বলে বেশী,তারাই তা পালন করেনা......এ এক অদ্ভুত ব্যাপার!
লেখাটা অনেক ভালো লাগলো।
শুভেচ্ছা।ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আসলেই তাই।ধন্যবাদ। ভাল থাকুন সবসময়।
লেখক বলেছেন: নীতি যোগাড়ের পথটা বাতলাইবেন না ??? ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
হাহাহাহাহা.... জটিল লেখা। আমারো মন হয় কোন নীতি নাই। অফিসের গাড়ীতে পিকনিক করি। অফিসের নাম ভাঙ্গিয়ে কজ আদার করি। অফিসের বিশাল কোয়ার্টারে আয়েশী জীব যাপন করি। আসলেও আমার নীতি নাই।
লেখক বলেছেন: আসেন ভাই বুকে বুক মিলাই ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল।
অ্যামাটার বলেছেন:
দারুন ব্যাঙ্গাত্বক...!আসলেই জট্টিল!(মাঝের একটা প্যারা বাদ দিলে)
সাহসী লেখা, স্রোতের বিপরীতে...
আপনাকে অন্নেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কোন প্যারাটা আমি মনে হয় বুঝতে পারছি। তবে ছোট ভাই, প্রতিটা প্যারার মূল বক্তব্য কিন্তু একটাই। আমি হয়তো সেটা ফুটিয়ে তুলতে পারি নাই - এটা আমার ব্যর্থতা।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
খুব কঠিন লেখা................অনিয়মটা যেন নিয়ম হয়ে দাড়াঁয়।সাহসী ও প্রতিবাদী লেখা তো বটে
ভালো থাকুন ও শুভেচ্ছা ।
লেখক বলেছেন: খুব বেশী কঠিন কি ?
ধন্যবাদ আপনাকে। সেই সাথে শুভেচ্ছা।
রাতমজুর বলেছেন:
খাইছে! আমারো তো দেখি কোনো নীতি নাই!!! আমি হেদায়েত হইবার চাই!! আপনের বন্ধুর লগে যোগাযোগ করতে চাই, পীরসাবের মুরীদ হমু, হেদায়েত হমু।
লেখক বলেছেন: সোজা শনির আখরার দিকে হাটা দেন।।।
দূরন্ত বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হুমমম
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
ইউশা বলেছেন:
এই দেশে নীতি আর দুর্নীতি যে আসলে কি তা নিয়া মাথা ঘামাইতে গেলে জীবন যৌবন দুই-ই হারাইবেন। যেমন আছেন তেমই থাকেন। শুধু কানে তুলো গুঁজে রাখবেন। হা হা হা................
লেখক বলেছেন: ![]()
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
ক্যামেরা ভাই আসেন আমার নীতিতে আসেন.....
জোড়ে বলেন,
আত্ম নীতিই বড় নীতি...তাহার উপর নাই কিছু ভাই
পরের নীতি ধারের নীতি উল্টোপাল্টা হবেই তো তাই
লেখক বলেছেন: ভালো বলছেন। ধন্যবাদ।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
খুব ভালো লিখেছেন ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
নরকের পাপী বলেছেন:
জটিল!! সবধান থাইকেন নাইলে কিন্তু সেনবাহিনী হান্দাইয়া দিব। সেনাগো নও জোয়ান পোলারাও যে বলগ পড়ে না তার গ্যারান্টি কি?পেলাস হান্দাইলাম।
লেখক বলেছেন: হাঃ! হাঃ!! হাঃ!!! ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং পরামর্শের জন্য।
হাসান মাহমুদ আিরফ বলেছেন:
নরকের পাপীর কমেন্ট পরে আপনার শিহরিত ভাব দেখে মনে হচ্ছে আপনি সেসব নীতিহীনদের দলের যারা শুধু অন্যের দোষ খুজেঁ বেড়ায়।আপনার লেখার মূল চরিে এর নায়কের সাথে আপনার ব্যবধান থাকল কোথায়?কারও অনুভূতিতে আঘাত করে সস্তা বাহবা পাওয়ার মাঝে সার্থকথা কোথায়?যে মাজার ভক্ত সে কখনও প্রকৃত মুসলমান হতে পারেনা।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি লেখার মূল সুরটি ধরতে পারেন নাই। নরকের পাপী ঠিক-ই সেটা ধরতে পেরেছেন। খালেদা-হাসিনাকে দূর্নীতিবাজ বলে গালিগালাজ করে এরশাদের মতো লোককে যারা ক্ষমতায় দেখতে চায়, তাদের আদৌও কোন নীতি আছে কিনা আমার সন্দেহ। আর আঘাত যেটা করেছি সেটা শুধূমাত্র তথাকথিত "নীতিবান" লোকদের। আর ধর্ম পালন মানেই কি শুধূমাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন ? আর তারাই হবে প্রকৃত ধার্মক ?
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
নাঈম বলেছেন:
দারুন লিখেছেন রন্জু ভাই। আসলেই আমাদের অনেকের কোন নীতি নাই। বছরের পর বছর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড(!) গড়েছি আমরা, সেই বদনাম এখনো পুরোপুরি যায়নি কিন্তু। এখনও সরকারী বিভিন্ন স্থানে ঘুষ এর লেনদেন হচ্ছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই, কিছুদিন আগে আমি গিয়েছিলাম জিয়া এয়ারপোর্টে, আমার বাবা-মা আমেরিকা গিয়েছেন, তাদেরকে বিদায় দিতে, তারা টার্মিনাল এর দরজা দিয়ে ঢুকে যাওয়ার পর দরজায় দায়িত্বপালনরত গার্ড আমাকে বলল যাত্রী ছাড়া ভিতরে আর কেউ যেতে পারবেনা। আমার সাথে আমার এক বড়ভাই ছিলেন, উনি ওই গার্ডকে ম্যানেজ করে আমার ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করেছিলেন, সেজন্য অবশ্য পকেট থেকে আমাকে কিছু ছাড়তে হয়েছে। কিন্তু আমার ওইসময় টাকাটা না দিয়েও উপায় ছিলনা, কারণ আমার ভিতরে ঢুকে বাবা-মা কে সাহায্য করা খুব দরকার ছিল। আসলে এই সরকার যতই দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের কথা বলুক না কেন, প্রকৃতপক্ষে অবস্থার তেমন একটা উন্নতি হয়নি। একটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন এভাবে ঘুষের মাধ্যমে সুবিধা নেয়া হচ্ছে, তখন অন্যান্য জায়গায় অবস্থা কতটা ভয়াবহ, সেটা সহজেই অনুমেয়।ধন্যবাদ রন্জু ভাই আবারো আপনাকে এই পোষ্টের জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাইম। তবে ঘুষ না দেয়ার ব্যাপারে আমরা যদি সবাই সচেতন হই, তাহলে মনে হয় এটা কমানো সম্ভব। আপনি একবার চিন্তা করেন, সেদিন যদি আপনি ঘুষ না দিতেন তাহথে আপনার আব্বা-আম্মার হয়তো কষ্টই হতো, কিন্তু একটা দূর্নীতি কিছুটা হলেও কম হতো। দূর্নীতি কিন্তু ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক না।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
র্যাভেন বলেছেন:লেখা ভালৈছে +
তারমানে আসলেই ভাল হইসে
----------------------------------------
চমৎকার বিষয়বস্তু এবং প্রকাশভঙ্গি । আমরা আসলে দু'মুখো স্বভাবের...কিনবা একই অঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন রুপ...সময়, সুযোগ মত মুখোশ পরিবর্তন করি ...
লেখক বলেছেন: "..... আমরা আসলে দু'মুখো স্বভাবের...কিনবা এক অঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন রুপ...সময়, সুযোগ মত মুখোশ পরিবর্তন করি ... "
- আসলে এটাই হলো মোদ্দা কথা। আমরা কম-বেশী সবাই মূখোশধারী, নিজের সুবিধা-অসুবিধা বুঝে মূখোশ পরিবর্তন করি। ধন্যবাদ আইরিন।
---------------------------------------------------------------------------
জনৈক "পিয়াল" নিকের আগমনে গন্ডার কিছুটা চিন্তায় আছে শুনলাম ![]()
কাজ করে খাই বলেছেন:
কাজ ছেড়ে দিয়ে - রাজনীতি করাই শ্রেয় মনে হয়! খাইতে মানা নাই - কাজ করি আর না করি।
লেখক বলেছেন: হুমম! পেট যখন আছে খাইতে তো হবেই, তাই না ?
নাঈম বলেছেন:
দুর্নীতি ওয়ানওয়ে ট্রাফিক না, এটা আমিও মানি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আমাদের দেশে দুর্নীতিটাই নীতি, অনেক সময় দেখা যায় বাঁকা পথে না গেলে কাজ আদায় হয় না, তখন বাধ্য হয়ে অনেককে দুর্নীতির আশ্রয় নিতে হয়। আমি এটা বলছি না যে আমি দুর্নীতির স্বপক্ষে, দুর্নীতিকে আমি ঘৃণা করি। আমি শুধু আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটটা বোঝাতে চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: নাইম, আমি কিন্তু বলি নাই আপনি দূর্নীতির পক্ষে। দূর্নীতির বিস্তারটা আমাদের দেশে এমন পর্যায়ে গেছে যে, আমরা অনেকেই ঘুষ চাওয়ার আগেই ঘুষ দেয়ার জন্য রেডি হয়ে যাই। এই ব্যাপারে আমরা যদি আরেকটু কঠোর অবস্থান নেই তা'হলে মনে হয় দূর্নীতি কমবে। অনেকেই হয়তো বলবেন আমি ঘুষ না দিলে কি হবে, আরেকজন তো ঠিকই সেটা দিয়ে কাজ ম্যানেজ করে ফেলবে। ঠিক কথা। আজ আপনি ঘুষ দিতে অস্বীকার করুন, কাল আমি পরশু আরেকজন - দূর্নীতি কমতে বাধ্য।
উদাসীন পথচারী বলেছেন:
দারু্ন ভালো !! প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
জনৈক "পিয়াল" নিকের আগমনে গন্ডার কিছুটা চিন্তায় আছে শুনলাম----------------------------------
গন্ডুউউ ছিল, আছে, থাকবে....
লেখক বলেছেন:
গন্ডার আপনার চিন্তা নাই,
খুশীতে ৩ লাফ দেন তাই।
নরকের পাপী বলেছেন:
হাসান ভাই মনে হয় কিছু কইবার চায়? "যে মাজার ভক্ত সে কখনও প্রকৃত মুসলমান হতে পারেনা।"
আপনে এহন কারে "তথাকথিত সস্তা" খুচাডা মারলেন।
লেখক বলেছেন: হুম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হাসান মাহমুদ আিরফ বলেছেন:
নরকের পাপী ভাই,খুচরা মারি নাই।হাসিনা খালেদাকে যতটা ঘৃনা করি এরশাদকে তার চাইতেও বেশী ঘৃনা করি।আমাদের কমেন্ট করার শালীনতার অপব্যবহারের জন্য খুব কষ্ট হয়।আপনি যে স্টাইলে কমেন্ট করেছেন তা কি শালীন বলা যাবে?আমার ব্লগে দেখলে বুঝবেন কতটা অশালীন মন্তব্য করে কিছু কিছু ব্লগার।মতের মিল না হলে শালীন ভাবে কি কমেন্ট করা যায়না?অথবা মতের মিল হলে যে আনন্দে অশ্লীল মন্তব্য করতে হবে এমন মানসিকতার প্রকাশ কি অসুস্থ মানসিকতার প্রকাশ নয়?
লেখক বলেছেন: আপনাকে সবিনয়ে একটা প্রশ্ন করি - ডায়ালেক্ট ব্যবহার করলেই কি অশালীন হয়ে যায় ? আর নরকের পাপী কিন্তু কোন অশ্লীল শব্দ বা গালিও ব্যবহার করেন নাই।
নরকের পাপী বলেছেন:
হাসান ভাইর মাথা আউট হইয়া গ্যাসে। শালীনতার সংগা শিখ্যা তারপর কথা কন। বোকার মতো না বু্ইঝা ঝগড়া কইরেন না। আর ভাইজান দুইলাইন বেশী বুঝলে নিজের মাঝেই রাইখেন বিনা পয়সায় মানুষরে বিলাইতে জাইয়েন না।
লেখক বলেছেন: কেউ কেউ আছেন ধর্ম নিয়ে কথা বললে রাগ করেন। কি বলা হয়েছে সেটা আর বিচার করেন না।
বাদ দেন ভাই।
হমপগ্র বলেছেন:
অসম্ভব ভালো লেগেছে!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নিশাচর বলেছেন:
ইসস্ রে আমি এতদিন এই লেখা পড়ি নাই কেন ?? আসলে আমারই কোন নীতি নাই। দারুন হইসে ওস্তাদ।
নিশাচর বলেছেন +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিশাচর
মহারাজা বলেছেন:
রন্জু ভাই - একখান ঝাক্কাস লেখা দিছেন । ১০০ +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
জট্টিল এই লেখাযা এতদিন না পড়াটা তো অপরাধের পর্যায়ে পড়লো দেখতাছি। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই।
নরকের পাপী বলেছেন:
তবে সুমনের সিডি কাহারো নিকট আছে শুনিলে সে উহা দর্শন করিবার জন্য ব্যাকুল হইয়া উঠে---> মজা করতে পারেন বটে..। হা: হা:
লেখক বলেছেন: কোন ব্যাপারস না ![]()
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
অত্যন্ত ভালো লেখা। দু:খিত আগে পড়া হয় নাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
মেঘ বলেছেন:
উত্তম। আমাদের সবার চরিত্রের কোন না কোন অংশ প্রকাশিত।
লেখক বলেছেন: হুম! ধন্যবাদ পগার জন্য।
কাঙাল মামা বলেছেন:
ভালো হয়েছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বাফড়া বলেছেন:
খিক খিক
লেখক বলেছেন: ![]()
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
যেমন স্ত্রীর সহিত একান্ত মূহুর্ত গুলি সে রাতের অন্ধকারে মশারীর ভিতর এবং চাদরের নিচে উপভোগ করে। ইহাই নাকি শরিয়ত সম্মত নিয়ম। নিজের স্ত্রী'র বস্ত্রহীন অবয়ব সে নাকি শুধূমাত্র স্পর্শে চিনিয়াছে, চাক্ষুষ নয়। আমার ও নীতি নাই ...
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: ![]()

















হা.. হা.. হা.. হা.. জট্টিলস